কিউকার্ড কি? কেন আপনি কিউকার্ড ব্যবহার করবেন? কিউকার্ডের সুবিধাগুলো কি কি?

1
201

কিউকার্ড কি?

কিউকার্ড একটি ভার্চুয়াল মাস্টারকার্ড। আপনি মাস্টারকার্ড, পেপাল, পেওনিয়ার, স্ক্রিল এর মাধ্যমে যা যা করতে পারেন এই একই কাজ আপনি এখন থেকে কিউ কার্ডের মাধ্যমে করতে পারবেন। কিন্ত এই কিউ কার্ডটি হচ্ছে ভার্চুয়াল অর্থাৎ অনলাইন কার্ড। আপনি হয়ত কোন বুথ থেকে টাকা তুলতে পারছেন না তাছাড়া বাকি সব কাজই এই কিউ কার্ডের মাধ্যমে করতে পারছেন। সাধারণত মাস্টারকার্ড, পেপাল যতটা সুরক্ষিত ঠিক ততটাই কিউকার্ড সুরক্ষিত। তাই আপনি এখন থেকে মাস্টারকার্ড, পেপাল এর বিকল্প হিসাবে কিউকার্ড আপনার প্রথম পছন্দ হতে পারে।

কেন আপনি কিউকার্ড ব্যবহার করবেন?

বর্তমান সময়ে মাস্টারকার্ড, পেপাল, স্ক্রিল, পেওনিয়ার, জুম খুবই জনপ্রিয় নাম। এই আন্তর্জাতিক কার্ড দিয়ে আপনি হয়ত অনেক কাজ করতে পারবেন। বাহিরে থেকে টাকা আনতে ও পাঠাতে পারবেন, অ্যামাজন বা ই-কমার্স ওয়েবসাইট গুলা থেকে প্রোডাক্ট কিনতে পারবেন, সব ধরনের টিকেট কিনতে পারবেন যেমন, প্লেনের টিকেট, বাসের টিকেট ইত্যাদি। এই সব কাজই আপনি একটি ইন্টারন্যাশনাল কার্ড দিয়ে খুব সহজে করতে পারেন। কিন্ত আছে এখানে। এই জন্য আপনাকে প্রতিটি কার্ডের জন্য মাসিক বা বাৎসরিক একটা ফী প্রদান করতে হয় বা হবে। আবার ত্রাণজেকসনের জন্যও আপনাকে একটা চার্জ প্রদান করতে হয়।  আবার বছর শেষে নতুন করে রিনুউ করতে হয় এই কার্ডগুলো। এই সব সমস্যার একটাই সমাধান আছে আপনার কাছে। সেটি হল কিউকার্ড। আপনি সাধারণত মাস্টারকার্ড, পেপাল, পেয়নিয়ার, স্ক্রিল এই সব কার্ড দিয়ে যা যা করতে পারেন ঠিক একাই কাজ আপনি খুব সহজে একটি কিউকার্ডের মাধ্যমে করতে পারেন। তবে একটা কথা, যেহেতু কিউকার্ড একটি ভার্চুয়াল কার্ড তাই আপনি এটির মাধ্যমে বুথ থেকে টাকা উঠাতে পারবেন না। তাছাড়া আপনি বাকি সব কাজই এই কিউকার্ডের মাধ্যমে খুব সহজে করতে পারেন। আপনি চাচ্ছেন ফেসবুকে বুস্ট করবেন? এই জন্য আপনাকে কোন মাস্টারকার্ড বা পেপাল থাকতে হবে না। আপনি একটি কিউ কার্ড দিয়ে খুব সহজে ফেসবুকে বুস্ট করতে পারেন। শুধু ফেসবুকে নয় সারা পৃথিবীতে যত ধরনের ই-কমার্স ওয়েবসাইট আছে সব সাইট থেকে আপনি যত খুশি তত প্রোডাক্ট কিনতে পারেন বা শপিং করতে পারেন। তাই আপনার আন্তর্জাতিক কার্ডের বিকল্প হিসাবে কিউ কার্ড আপনার প্রথম পছন্দ।

 

কিউকার্ডের সুবিধাগুলো কি কি?

বর্তমান বাংলাদেশ খুবি জনপ্রিয় একটা কার্ড হচ্ছে কিউকার্ড।  কেননা স্বল্পমূলের এই ভার্চুয়াল কার্ডটি দিয়ে আপনি সব কিছুই করতে পাচ্ছেন। তাছাড়া সব থেকে বড় সুবিধা হল এই কার্ড বাবহারে আপনাকে কোন প্রকার মাসিক-বাৎসরিক বা ত্রাণজেকসন ফী দিতে হচ্ছে না। এই কার্ডের এককালীন সার্ভিস চার্জ দিয়ে আপনি সারাজীবন নিঃসন্দেহে ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে আসুন এবার জেনে নাওয়া যাক কিউ কার্ডের স্পেশাল সুবিধা গুলো কি কি

১. ই-কমার্স সাইট থেকে প্রোডাক্ট কিনুনঃ সারা পৃথিবীতে ২ লাখের ও বেশি ই-কমার্স ওয়েবসাইট আছে। এই সব ওয়েবসাইট থেকে কিউকার্ড দিয়ে নিঃসন্দেহে প্রোডাক্ট কিনুন বা শপিং করুন আপনার ও আপনার পরিবারের জন্য।

২. ফেসবুকে বুস্ট করুনঃ আমরা কম-বেশি সবাই বুস্ট করার জন্য আন্তর্জাতিক কার্ডগুলো ব্যবহার করে থাকি। যেমন – মাস্টার কার্ড, পেওনিয়ার ইত্যাদি। আর যাদের এই কার্ড গুলো নাই তারা খুব দুশ্চিন্তাই পরে যায়। কিভাবে বুস্ট করবো? তাদের জন্য কিউ কার্ড নিয়ে এলো সব থেকে বড় সমাধান। আপনি চাইলে যখন খুশি তখন বুস্ট করতে পারবেন এই কিউ কার্ডের মাধ্যমে। কেননা বাংলাদেশে যারা ভার্চুয়াল কিউ কার্ড ব্যবহার করছে তাদের ৬০ শতাংশ বুস্ট করার জন্য কিউ কার্ডটি ব্যবহার করে থাকে। তাই আপনি আজই বুস্ট করার জন্য কিউ কার্ডটি কিনে ফেলুন।

৩. ভ্রমণের টিকেট কিনুনঃ প্লেনের টিকেট, বাসের টিকেট, ট্রেনের টিকেট এই সব ধরনের টিকেট আপনি যখন খুশি তখন কিউকার্ডের মাধ্যমে কিনতে পারবেন। আপনি চাচ্ছেন ক্রিকেট ম্যাচের টিকেট কিনবেন? হ্যাঁ, আপনি ক্রিকেট সহ সব ধরনের খেলাধুলার ম্যাচের টিকেট আপনি কিউ কার্ড দিয়ে কিনতে পারবেন।

৪. পরীক্ষার ফিস দিনঃ সকল ধরনের পরীক্ষার ফিস দিন একটি কিউকার্ডের মাধ্যমে। ILETS, GMAT, GRE, SAT, ACCA, SEVIS সহ আর ২০ টি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার ফিস দিন কিউকার্ডের মাধ্যমে।

৫. ডোমেইন কিনুনঃ  টপ রাঙ্কিং ওয়েবসাইট গুলো থেকে আপনার ডোমেইন ও হোস্টিং কিনুন এই কিউকার্ড দিয়ে। যেমন- ব্লু হোস্ট, নেম ডট কম, ওয়েব ডট কম, গো ড্যাডি সহ আরও অনেক ওয়েবসাইট থেকে।

৬. অনলাইনে ক্যাম্পেইন করুনঃ আপনি একটি কিউ কার্ড দিয়ে ফেসবুক, গুগল, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম সহ সকল ধরনের সোশ্যাল মিডিয়াতে অনলাইনে বিজ্ঞাপনের ক্যাম্পেইনের জন্য পেমেন্ট করুন এই কিউ কার্ড দিয়ে।

৭. গুগল প্লে ষ্টোর থেকে কিনুনঃ স্মার্ট ফোন কিংবা কম্পিউটারে অনলাইন থেকে গেম, অ্যাপ, টুলস, গান, সিরিজ, মুভি সহ যাবতীয় সব কিছু আপনি গুগল প্লে ষ্টোর থেকে কিনতে পারবেন এই একটি মাত্র কিউকার্ড দিয়ে।

সুতরাং মাস্টার কার্ড, পেপাল এর বিকল্প এখন আপনার হাতের কাছেই। এখনি একটি ভার্চুয়াল কিউকার্ড কিনে নিন এবং ব্যবহার করুন মনের খুশিতে যত খুশি তত। কেননা আন্তর্জাতিক কার্ড গুলোতে আপনাকে সকল ধরনের চার্জ বা ফী প্রদান করতে হচ্ছে, কিন্ত কিউ কার্ডে কোন চার্জ বা ফী নেই। তাই একবারের জন্য কিনুন এবং সারা জীবন ব্যবহার করুন।   

1 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ