ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ন কিছু টিপস

0
341

→ না বুঝে কোথায় ক্লিক করবেনা। কম্পিউটারে ইন্টারনেট ইউজ করার পূর্বে সিস্টেমের সিকিউরিটি সম্পর্কে কিছু পড়াশুনা করে নিন।

→ বিশ্বাষযোগ্য একটি এন্টিভাইরাস ইউজ করুন। কিনতে চাইলে কেসপারস্কি সবচেয়ে ভালো। ফ্রিতে ইউজ করতে চাইলে এভিজি এন্টিভাইরাস ইউজ করতে পারেন। এই এন্টিভাইরাসটি আমার কাছে খুব ভালো মনে হয়েছে। যাদের বাসায় ইন্টারনেট নাই, সাইবার ক্যাফে থেকে ইন্টারনেট ইউজ করেন তারা ম্যানুয়ালী আপনার এভিজি আপডেট করতে পারেন।

→ আপনার কম্পিউটারে ফায়ারওয়াল চালু আছে কিনা দেখে নিন। এটা দেখার জন্য স্টার্ট মেনু থেকে সেটিংস এ কিক করুন। কন্ট্রোল পেনেলে যান। সিকিউরিটি সেন্টার নামের ফোল্ডারটি ওপেন করুন। এতে ফায়ারওয়াল লেখার ডানপাশে গোল চেক অপশনটি অন আছে কিনা দেখুন। আর যদি অফ থাকে তবে একদম নিচে দেখুন লেখা আছে —–“মেনেজ সিকিউরিটি সেটিংস ফর” । এতে তিনটি অপশন আছে । উইন্ডোজ ফায়ারওয়াল এ কিক করুন। যে স্ক্রীন টা এসেছে তাতে ”অন” অপশন এ কিক করে ওকে করুন।

→ অজানা, অচেনা কোন জায়গা থেকে আগত কোন মেইল খুলবেন না । সাধারনত ইমেইলের মাধ্যমেই বেশীরভাগ ভাইরাসগুলো ছড়ায়।

→ সন্দেহমূলক বা অনাকাংখিত কোন এটাচমেন্ট কখনোই খুলবেন না। আর যদি খুলতেই চান তবে আগে হার্ড ডিস্কে সেভ করে নিন। এবং আপডেটেট এন্টিভাইরাস দিয়ে স্ক্যান করে নিন।

→ আপনার অপারেটিং সিস্টেম এবং এপ্লিকেশন গুলো নিয়মিত আপডেট করুন। পুরনো ভার্সনের এপ্লিকেশনে ভাইরাস এটাক করে বেশী।

→ একান্ত প্রয়োজন না পড়লে কোন সফটওয়ারের ক্রাক বা প্যাচ ইউজ করবেন না। ক্রাক বা প্যাচে অনেক স্পাইওয়ার থাকে যা আপনার পিসির গুরুত্বপূর্ন তথ্য চুরি করতে পারে। এটা জেনে রাখা ভালো যে, অনেক ইন্টারনেট স্প্যামার , হ্যাকাররা জনপ্রিয় এবং বেশী ডাউনলোডকৃত (টাকা দিয়ে কিনতে হয় এমন)সফটওয়ার গুলোর ক্রাক করে ফ্রিতে নেটে ছেড়ে দেয়। অতএব, সাবধান।

→ সামনে যা পান তাই ডাউনলোড করতে বসে যাবেন না। ফাইলটি কি কাজে আসবে, এটি কোথা থেকে ডাউনলোড হবে , এগুলো ভালো করে জেনে নিয়ে তারপর ডাউনলোড করুন।

→ আপনার গুরুত্বপূর্ন তথ্যের ব্যাকআপ রাখুন নিয়মিত। মাঝে মধ্যে আমাদের পুরো কম্পিউটারটি ই ফরম্যাট দিতে হয়। তাতে বিপদে পড়ে যেতে পারেন।

একটি উত্তর ত্যাগ