4th dimension (চতুর্থ মাএা) এবং অজনার অনেক কিছু ।

16
1059

আসসালামু আলাইকুম,  বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই। আশা করি ভাল আছেন, ভাল থাকবেন এই কামনাই করি ।এই পোস্ট টা বিজ্ঞান মনস্কদের জন্য। বাকিদেরও পড়ে দেখার আমন্ত্রন। বিঙ্গান বিষয়ক একটি ব্লগ বানানোর ইচ্ছা আছে, জানি না কতটুকু সফল হতে পারব । সবার উৎসাহ পেলে চালিয়ে যাবো।
মাত্রা জিনিসটা আমরা সবাই কম-বেশী জানি। যেমন মানুষ হল তৃমাত্রিক প্রানী (যার দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা আছে), একটা প্লেইন কাগজ হল দ্বিমাত্রিক (যার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ আছে, পুরুত্বকে যদি আমরা শুন্য ধরে নেই!)

তেমনি চতুর্থ একটা মাত্রা হল সময়। এখানে বলে রাখা ভালো আমাদের ধারনা জগত এই ৪ টা মাত্রার মাঝে সীমাবদ্ধ, এর বেশি আরো কোনো মাত্রা আছে কিনা তা আমাদের ধারনারও বাহিরে।কারন আমাদের পৃথিবী আবর্তিত এই চারটি মাত্রার মাঝে।
প্রথম তিনটি মাত্রা আমরা চাইলেই পরিবর্তন করতে পারি (দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা) কিন্তু চতুর্থটিকে (সময়) আমরা পরিবর্তন করতে পারিনা। ঠিক যেমনি একটি দ্বিমাত্রিক বস্তু তার উচ্চতাকে পরিবর্তন করতে পারে না, আবার চতুর্থ একটা মাত্রা আছে, এটা সে জানেই না!!!
এখন কথা হল দ্বিমাত্রিক বস্তু কি জিনিস? মনে করুন আপনার একটা ছবি, সেইটাকে আমরা বলতেআরি দ্বিমাত্রিক (আপেক্ষিক ভাবে)। বস্তুত দ্বিমাত্রিক কিছুকে ধারন করার জন্য আমরা আরেকটা ত্রিমাত্রিক বস্তুর সাহায্য নেই, যাকিনা আপেক্ষিক ভাবে আমরা দ্বিমাত্রিক বলে চালিয়ে দেই (একটা ডাইমেনশান ইগনোর করে)!! এখন এমন অসংখ্য স্থির ছবি নিয়ে পরপর সাজালে হবে একটা ত্রিমাত্রিক জগত, এইটা আমরা সবাই জানি।
ঠিক তেমনি অনেকগুলো ত্রিমাত্রিক জগৎ কে পরপর সাজালে হবে একটা চতুর্মাত্রিক জগৎ। এইখানেও সেই একই কথা প্রযোজ্য, আর তা হল ত্রিমাত্রিক জগৎ কে ধারন করার জন্য একটা চতুর্মাত্রিক বস্তু প্রয়োজন (যাকে আমরা একটা নির্দিষ্ট সময় বলতে পারি। ক্যালকুলাসের ভাষায়
d/dt (x,y,z)= constant)
এখন আসি আমার ধারনা ও ব্যাখ্যায়।
আপনার সামনে একটা বইয়ের অনেক গুলো পাতা, আপনি চাইলে সেই লিখাগুলো আপনি পড়তে পারেন, কিন্তু ঐ লিখা (আমি পাতার কথা বলছিনা, হরফের কথা বলছি) এর গভীরতা আপনার পক্ষে মাপা সম্ভবনা, আর যদি মাপতেও পারেন তাহলে সেটা হবে খুব নগন্য!
ঠিক একই রকম ভাবে একটা চতুর্মাত্রিক বস্তু বা প্রানীর সামনে যদি অনেকগুলো ত্রিমাত্রিক বস্তু রেখে দেয়া হয়, তাহলে সে সেগুলোকে পড়তে পারবে, তবে কোনটা কোন সময়ের সেইটা সে বুঝতে পারবে খুব সামান্য! এর কারন হল তার কাছে সময় স্থির, সে এটাকে ইচ্ছামত পরিবর্তন বা ভাগ করতে পারে (যেমন আমরা দৈর্ঘ্য, প্রস্থ বা উচ্চতা পরিবর্তন করতে পারি)। এখন তার সামনে আজকের তৃমাত্রিক জগতের বিম্ব ও ১০০ বছর আগের বা ১০০ বছর পরের একটা বিম্ব মনে হবে ঠিক তেমনই, যেমন আমাদের কাছে একটা বই!! আমরা চাইলেই বইয়ে যেকোনো জায়গা থেকে পড়া শুরু করতে পারি, ঠিক তেমনি সে চাইলেই যেকোনো সময়েরটা পড়তে পারে বিনা কষ্টে।
তাহলে দাড়াঁলো, তার কাছে এই মহা বিশ্ব একটা থালায় সাজানো অনেকগুলো ত্রিমাত্রিক জগতের সমন্নয়! বড় মজার ব্যপার হল, তার কাছে অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত বলতে কিছু নেই, সবই সমান!!তাহলে সে কিসের উপর পরিবর্তিত হয়?? (আমরা যেমন সময়ের আবর্তে আবর্তিত হই!)। তার মানে, ৫ম মাত্রা বা এর উপরেও কিছু আছে (যা আমাদের ভাবনারও বাহিরে)!!!!!
কুরআনের কিছু কিছু লাইনে আমরা এই সময় বা চতুর্থ মাত্রা সম্পর্কে কিছুটা ধারনা পেতে পারি। একটু খেয়াল করে দেখুন, কিছু কিছু আয়াতআছে, যেগুলোতে বলা হচ্ছে ভবিষ্যতের কথা কিন্তু বর্তমান কাল দিয়ে! কেয়ামতের দিন কি হবে, বেহেস্ত, জাহান্নামে কে যাবে, কি ধরনের শাস্তি কাকে দেয়া হবে.. এর কিছু লাইন বর্তমানকালে দেয়া হয়েছে রেফারেন্স হিসাবে। এর পিছনে মূল কারন হয়তো ঐ একটাই। কারন আমাদের স্রস্টার কাছে সময় স্থির বা এত নগন্য পরিবর্তন যে সেটা অনাহাসে ইগনোর করা যায়! তাই ১ কোটি বছর পর কি হবে বা ১ কোটি বছর আগে কি হয়েছিল সবই তাঁর কাছে বর্তমান! (আমার ধারনা ভুল হলে মাপ পরে দিবেন)। হজরত মুহাম্মদ (সাঃ) যখন মিরাজে গমন করেছিলেন (আমি মিরাজ বিশ্বাস করি আমার নিজের কিছু যুক্তিতে, যা আপনারা চাইলে অন্য কোনো লিখায় শেয়ার করব) তখন অনেক ঘটনা উনার চোখের সামনে ঘটেছিল, যা অদুর ভবিষ্যতে বা অতীতে হয়েছিল বা হবে। কিন্তু আমদের সময় সাপেক্ষে যা হয়তো কল্পনা প্রসুত! তার মানে উনি সময় পরিবর্তন করে ছিলেন (একটা বইয়ের পাতাকে যদি আমরা একটানির্দিষ্ট সময় চিন্তা করি তাহলে দরুন বইয়েরপাতা ছিদ্র করে অন্য পাতায় যাওয়ার মত!) এরজন্য উনি সাহায্য নিয়েছিলেন বোরাক নামের যান!
তাহলেকি কোনো বিশেষ কিছুর সহায়তায় আমরা অতীত বা ভবিষ্যতে যাওয়া সম্ভব??? আমার উত্তর হবে – না!!!
কারন আলোর গতির চেয়ে বেশি গতি আমাদের সূত্র মতে সেটার কোনো অস্তিত্ব নেই বা থাকবেনা (কারন সেটা সম্পূর্ন শক্তিতে রুপান্তরিত হয়ে যাবে E= mc2)। সেখানে একটা সময় ছেদ করে আরেকটা সময়ে যাওয়ার কোনো অবস্থা আমাদের নেই! আমি এখান থেকে বাংলাদেশে ৩ ঘন্টায় ও যেতে পারি, বা ৩ মাসেও যেতে পারি। এখন কোনো কারনে যদি আমি বাংলাদেশে ১ মিনিটে চলে যাই তাহলে কি আমি ভবিষ্যতে চলে যাবো?? অবশ্যই না! কারন আমি শুধু সময় বাচিঁয়েছি মাত্র, সময়ের অক্ষ ব্যবস্থার পরিবর্তন করি নি। (কারন আমার কাছে মিনিট, সেকেন্ড বা ঘন্টাই ধ্রুব সত্য!!)
সময়কে অতিক্রম করতে গেলে লাগবে সময়ের অক্ষ ব্যবস্থাকে পরিবর্তন করা (ঠিক যেমন জ্যামিতিতে আমরা একটা গ্রাফের মানকে অন্য একটা মানে রুপান্তরিত করি)। সেটা ব্যাখ্যা করার জন্য আরো অনেক কিছু বলতে হবে।
লিখা/বকবক অনেক বেশী হয়ে গেছে মনে হয়!! আজকে এতটুকুই, আপনাদের বুঝে আসলে/ ভালো লাগলে পরেআরো লিখার ইচ্ছা আছে। আর নাহলে এই পর্বেই শেষ।
ধন্যবাদ কষ্ট করে আমার লিখাটা পড়ার জন্য।4th dimension (চতুর্থ মাএা) এবং অজনার অনেক কিছু ।

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

 

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

16 মন্তব্য

  1. @সিফাত: সময়ের সাথে স্ট্যাটিক বস্তু বলতে এমন কিসু বুঝানো হয়েসে যে সময় কে কন্ট্রোল করতে পারে, মানে এক স্টেট থেকে অন্য স্টেট এ যাবার ক্ষমতা রাখে…..i shared what i know from other ref.

  2. নিজে যা অন্য মানুষ কে তাই ধারনা করবেন না। আমি শুধু জানতে চেয়েছিলাম এটা কি আপনি নিজে থেকে লিখেছেন কিনা।লিখে থাকলে আপনার ধারনায় অনেক ভুল আছে। আমি এখানে এইসব নিয়ে কিছু বলব না।সময়ের সাথে গতিশীল বা স্টাটিক বস্তু বলতে আপনি কি বুজান ? আশা করি আরও ভেবে চিনতে পোস্ট দিবেন।

  3. ভাই আপনার ৫ নাম্বার লাইন এ বললেন ৪ থ মাত্রা হচ্ছে সময় আবার ১৮ নাম্বার লাইন এ বললেন ৪ থ মাত্রা হচ্ছে বস্তু বা প্রাণী … interesting ..আবার স্ট্রিং theory মতে মাত্রা ১১ টা … এটা কি আপনি নিজে ধারনা করে লিখসেন ? নাকি copy – paste …

    • এখানে একটা চতুর্মাত্রিক বস্তু বা প্রানী বলতে সময়র সাথে গতিশীল বস্তুকে বুঝানু হয়েছে । আপনার বুঝায় ভুল আছে । মন্তব্য করার আগে একটু ভেবে চিন্তে মন্তব্য করবেন । আপনার মত সবাইকে কপি পেস্টকারী ভাববেন না । ও হে আরেকটি কথা আপনি স্ট্রিং theory এর কথা বলছেন, স্ট্রিং theory মতে মাএা ১১ টি , যা আমাদের ধারনারও বাহিরে। কারন আমাদের পৃথিবী আবর্তিত এই চারটি মাত্রার মাঝে। ৫ম লাইনটা ভাল ভাবে পড়েন বুঝতে পারবেন । আশা করি এবার ধরনা ক্লিয়ার হয়েছে ।

  4. আপনার তথ্য ও যুক্তি ভালো লাগলো । বাজার তো এখন ৪ডি নিয়ে মেতে আছে । এরি আলতো ছোঁয়া এখানে প্রতিফলিত হলও ।

  5. ব্যাপারটি সম্পরকে আগে কিছু সুনেছিলাম কিন্তু ধারনা সম্পূর্ণ ছিলনা আজকে আপনার টিউন পড়ে আরও বেসি জানতে পারলাম
    ধন্নবাদ

  6. এ ধরনের বিজ্ঞান ভিত্তিক লেখা পড়তে আমার ভীষণ ভাল লাগে…্আরো লেখা চাই … নিয়েমিত

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

two + four =