সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) পর্ব- ৪

16
1991
এটি 8 পর্বের সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং সিরিজ টিউনের 6 তম পর্ব
“বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম”

আমি আবার আপনাদের মাঝে ফিয়ে আসলাম আজ আমি আপনাদের মাঝে নিয়ে আসেছি আপনাদের সকলের জন্য প্রিয় টিউটোরিয়ালঃ সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) ধারাবাহিক টিউটোরিয়ালঃ পর্ব- ৪ ।

আপনারা সকলে কেমন আছেন । নিশ্চয় ভাল ? আপনারা ভাল থাকুন আর নাই বা থাকুন আমি কিন্তু ভালোই আছি আপনাদের দোয়ায় । আপনারা নিশ্চয় আমার আগের টিউন গুলো পড়েছেন । যদি না পড়ে থাকলে কিন্তু বিশাল মিস করেছেন । তাই আমার আগের টিউন গুলো পড়ে নিন তারাতারি দেরি না করে ।

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) পর্ব- ৪

সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) পর্ব- ৪সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) ধারাবাহিক টিউটোরিয়াল :পর্ব -১সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) পর্ব- ৪
সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) ধারাবাহিক টিউটোরিয়াল :পর্ব-২
সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) ধারাবাহিক টিউটোরিয়ালঃ পর্ব- ৩

 

সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) পর্ব- ৪

                         কম্পিউটার নেটওয়ার্কের উপাদানসমূহ

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে কম্পিউটারের বাইরে আরো কিছু অত্যাবশ্যকীয় উপাদানের প্রয়োজন হয় । কোন নেটওয়ার্কে কি কি উপাদান প্রয়োজন হবে তা নির্ভর করে ঐ নেটওয়ার্কের ধরন এবং বিস্ত্রৃতির উপর । আমরা আজ ঐ উপাদান সমূহের কথা জানব ।

নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড বা নিক

সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) পর্ব- ৪

এটিকে নিক বাদেও আরো অনেক নামে ডাকা হয় সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে নেটওয়ার্ক কার্ড ও নেটওয়ার্ক এডাপ্টার । এটি এমন একটি  হার্ড ওয়্যার যা প্রতিটি কম্পিউটারে ইন্সটল থাকতে হবে। এটি একটি কম্পিউটারের সাথে অন্য কম্পিউটারের ফিজিক্যালি সংযোগ স্থাপন করে ।এটি ডিজিটাল আকারে ডেটা একটি লেন্দেন করে থাকে । নেটওয়ার্ক কার্ডের একটি পোর্ট নেটওয়ার্ক ক্যাবলের সাথে যুক্ত থাকে । এটিকে সক্রিয় করার জন্য একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয় সেটিকে বলা হয় নিক ড্রাইভার । নিক যথাযথ ভাবে স্লটে স্থাপন করার পর পরেই নিক ড্রাইভার ইন্সটল দিতে হয় । অবশ্যই বর্তমানে সকল অপারেটিং সিস্টেম নিজ থেকে নিক কে চিনে নেয় ।এজন্য আলাদা করে সফটওয়্যার ইন্সটল দিতে হয় না

সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) পর্ব- ৪

রিপিটার(REPEATER)

সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) পর্ব- ৪

সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) পর্ব- ৪

নেটওয়ার্ক ট্রান্সমিশন মিডিয়ার মধ্যে দিয়ে যখন ইলেকট্রনিকম্যাগনেটিক ওয়েব চলতে থাকে তখন মিডিয়া সিগন্যালকে দুর্বল করে ফেলে । দুর্বল করার এই সিস্টেমকে বলা হয় এটিনিউয়েশন । এটিনিউয়েশন মিডিয়ার মধ্যে চলাচল কারী সিগন্যালের অতিক্রম যোগ্য সীমানরইপরিমান ঠিক করে দেয় । এটিনিউয়েশন সংক্রান্ত বাধা দূর করার জন্য রিপিয়ার ব্যবহার করা হয়

ব্রিজ(BRIGE)

সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) পর্ব- ৪

সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) পর্ব- ৪

নন- রাউট্যাবল প্রোটোকলের ক্ষেত্রে সিগন্যালকে এক সেগমেন্ট থেকে অন্য সেগমেন্ট পাঠাতে ব্রিজ ব্যবহার হয় । ব্রিজ ছোট খাটো নেটওয়ার্কের জন্য অনেক কার্যকারী কানেকটিভিটি ডিভাইস ।

রাউটার (ROUTER)

সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) পর্ব- ৪

আপনার সবাই কম বেশি রাউটারের নাম শুনেছেন । লজিক্যালি পৃথক এমন কিছু নেটওয়ার্কে সংযুক্ত করতে রাউটার ব্যবহার হয়ে থাকে । রাউটার সংযোগ প্রদানের কাজতি সম্পন্ন করে থাকে বড় বড় নেটওয়ার্ককে ছোট ছোট লজিক্যাল নেটওয়ার্ক সেগমেন্ট থেকে অন্য সেগমেন্টকে বিভক্ত করার মাধ্যম । এ জাতিয় ছোট ছোট সেগমেন্ট কে বলা হয় সাব নেটওয়ার্ক । রাউটার এ জাতীয় সাব নেটওয়ার্কের বিপরীতে একটি করে এড্রেস বরাদ্ধ থাকে ।

সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) পর্ব- ৪ব্রাউটার(BROUTER)সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) পর্ব- ৪

সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) পর্ব- ৪

ব্রাউতার হচ্ছে রাউটার এবং ব্রিজের সমষ্টি । এটি ব্যবহারের প্রধান সুবিধা হচ্ছে এটি দ্বারা যেকোন প্রোটোকল রাউটিং করা যায় ।রাউটিং হচ্ছে ডেটা প্যাকেট এক সেগম্যান্ট থেকে অন্য সেগম্যান্টে প্রেরন পদ্ধতি । ব্রাউটার মুলত একটি সফটওয়্যার যা কিনা রাউটারের উপর কাজ করে । 

গেটওয়ে (GATEWAY)

সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) পর্ব- ৪

সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) পর্ব- ৪

রাউটার শুধু মাত্র ঐ সকল নেটওয়ার্কে সংযুক্ত করতে পারে যে সকল নেটওয়ার্কের প্রোটোকল সমূহ একই পদ্ধতিতে কাজ করে । আর একই পদ্ধতিতে কাজ না করে তাহলে রাউটারের থেকে অধিক শক্তিশালী ও বুদ্ধিমান ডিভাইসের প্রয়োজন হয় আর সেই ডিভাইসটির নাম হচ্ছে গেটওয়ে

হাব (HUB)

সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) পর্ব- ৪

সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) পর্ব- ৪

হাবের অন্য নাম হচ্ছে সুইচ । হাব নেটওয়ার্কের একটি অতন্ত্য গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা স্টার টপোলজিতে  একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস হিসেবে কাজ করে । বর্তমানে হাবের পরিবর্তে সুইচ ব্যবহার হচ্ছে । সুইচের সাথে হাবের পার্থক্য হচ্ছে সুইচ তার টার্গেট পোর্টে সরাসরি আঘাত করে কিন্তু হাব তার টার্গেট পোর্ট ছাড়াও অন্যান্য পোর্টেও আঘাত করে । এক্ষেত্রে টার্গেট পোর্ট সিগন্যাল গ্রহণ করে এবং অন্যান্য পোর্ট গুলো তা অগ্রাহ্য করে ।

ট্রান্সমিশন মাধ্যম (TRANSMISSION MEDYA)

সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) পর্ব- ৪

যার মাধ্যমে একটি একটি নেটওয়ার্কের কম্পিউটার অন্য নেটওয়ার্ক কম্পিউটারের গুলোর সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে তাকে ট্রান্সমিশন মাধ্যম বলে ।যেমনঃ ক্যাবল, রেডিও ওয়েব , মাইক্রো ওয়েব ইত্যাদি ।

ক্যাবল কানেক্টর (CABLE CONNECTER)

সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) পর্ব- ৪

কানেক্টর অবস্থান করছে ক্যাবল এবং ইন্টারফেস কার্ডের মধ্যে । অর্থাৎ এটি ক্যাবল এবং নিক(NIC) এর মাঝে সংযোগ স্থাপন করেছে ।

সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) পর্ব- ৪প্রোটোকল ড্রাইভার ( PROTOCOL DRIVER)সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) পর্ব- ৪

সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) পর্ব- ৪ Protocol driver with data source as “SQLServer_destination”

প্রোটোকল একটি অন্য একটি নাম হচ্ছে নেটওয়ার্কের ভাষা ।এটি নিশ্চয় আপনাদের বুঝিয়ে ব্লতে হবে না নেটওয়ার্কের ভাষা নেটওয়ার্কের জন্য কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ ।প্রোটোকলের দ্বারা নেটওয়ার্কের ডেটা একপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পাঠানো হয় । এটি সেটআপের আগে আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে যে আপনার প্রতিটি ক্লায়েন্ট এবং সার্ভার কম্পিউটার অভিন্ন প্রোটোকল ড্রাইভার ব্যবহার করে । বর্তমানে বহুল ব্যবহার হয় এ সকল প্রোটোকল হচ্ছে নেতবই, আইপিএক্স এবং আইপি ।

ডেটা প্যাকেট (DATE PACKET)

সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) পর্ব- ৪

আপনার সকলেই ডেটা কি সে সম্পর্কে অবগত আছেন । ডেটা নেটওয়ার্কে প্যাকেট আকারে চলাচল করে।ডেটা প্যাকেটে থাকে বাইনারি বা ডিজিটাল আকারে অর্থাৎ ১ এবং ০ হিসেবে। নেটওয়ার্কিং এর সকল কাজই সম্পূর্ণ হয় ডেটাকে ঘিরে । নেটওয়ার্কিং এর জন্য যেমন ডেটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ তেমনি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ডেটা প্যাকেট ।ডেটা প্যাকেট হচ্ছে হচ্ছে অনেকটা চিঠি এর অন্য রুপ মানে চিঠির যেমন একটি সাইজ থাকে তেমনি ডেটা প্যাকেটের একটি নির্দিষ্ট সাইজ বিদ্যমান থাকে । একটি ছোট আকৃতির ডেটা প্যাকেটের সাইজ হচ্ছে মোটামুটি ২০০ বাইট এবং একটি বড় সাইজের ডেটা প্যাকেটের সাইজ হচ্ছে ২০ মেগাবাইট ।চিঠির যেমন একটি গন্তব্য নির্দিষ্ট করে দিতে হয় তেমনি ডেটা প্যাকেটেরও একটি নির্দিষ্ট গন্তব্য ঠিক করে দিতে হয় । প্রকৃত পক্ষে প্রত্যেকটি ডেটা প্যাকেটের প্রেরক এবং প্রাপক উভয়ই এড্রেস ই সংযুক্ত থাকে । যদি ডেটা প্যাকেটে কোন রুপ সমস্যা দেখা দেয়  তাহলে ডেটা প্যাকেট পুনরায় প্রেরনের জন্য প্রাপক ডিভাইস প্রেরন ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে

প্রতিটি ডেটা প্যাকেটে একটি প্রোটকল আইডি থাকে । এই আইডির সাহায্যে নেটওয়ার্ক ডিভাইস গুলো জানতে পারে কি ভাবে ডেটা প্যাকেটকে ডিকোড করার মাধ্যমে বিষয় বস্তু উদ্ধার করা যাবে । এছাড়া ডেটা প্যাকেট এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে যাবার সময় বিভিন্ন সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারে । এ সকল সমস্যা দ্বারা আক্রান্ত ত্রুটি পূর্ণ ডেটা প্যাকেট চিন্হিত করার জন্য ডেটা প্যাকেটে একটি সাইক্লিক রিডানডেন্সি

(CRC)চেক ফিল্ড সংযোজন করা হয় । প্রেরক ডিভাইস প্যাকেটের ডেটা ব্যবহার করেই সি আর সি ফিল্ডের মান নির্ধারণ করা হয় ।

(নেটওয়ার্ক সিগনাল)NETOYARK SIGNAL

সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) পর্ব- ৪

ট্রান্সমিশনের জন্য কম্পিউটার সিগন্যাল তৈরি করে অন্য কম্পিউটারে ক্যাবলে প্রেরন করে থাকে । কপার ক্যাবল ডেটাকে চিহ্নিত করে ইলেক্ট্রনিক সিগন্যাল ফাইবার অপটিক্যাবল ডেটাকে লাইট পালস হিসেবে চিনিয়ে থাকে । প্রাপক কম্পিউটার তার সিগন্যালকে সফটওয়্যারের সাহায্যে তার বোধগম্য করে পরিবর্তন করে নেয় এবং প্রয়োজনে প্রসেস করে থাকে

নেটওয়ার্ক প্রোটোকল (NETWORK PROTOCOL)

সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) পর্ব- ৪

ট্রান্সমিশনের জন্য কম্পিউটার ডিজিটাল সিগন্যাল তৈরি করে তা অপর কোন কম্পিউটারে প্রেরনের জন্য অন্য কম্পিউটারে ছেড়ে দেয় । কপার ক্যাবল ডেটাকে চিহ্নিত করে ইলেক্ট্রনিক সিগন্যাল আর ফাইবার অপটিক্যাল ফাইবার ডেটাকে লাইট পালস হিসেবে চিনে রাখে । প্রাপক কম্পিউটার এই সিগন্যাল সফটওয়্যারের সাহায্যে তার বোধগম্য উপযোগী বাইনারি বা ডিজিটাল সিগন্যাল পুনরায় পরিবর্তন করে নেয় এবং প্রয়োজনে প্রসেস করে থাকে  

আজ এই পর্যন্তই ।আজ এর নয় আবার দেখা হবে আগামীতে ।একটি কথা অবশ্যই মনে রাখবেন যে নিজে শিখুন এবং অন্যকে শিখতে সহয়তা করুন ।আপনি চিন্তা করে দেখুন এমন অনেক কিছু আছে জা আপনি জানেন কিন্তু অনেকেই জানে না । তাই আমাদের শিখতে এবং শিখাতে সহয়তা করুন

সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) পর্ব- ৪

Series Navigation << সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) ধারাবাহিক টিউটোরিয়ালঃ পর্ব- ৩সহজ বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) ধারাবাহিক টিউটোরিয়াল :পর্ব -৫ >>
টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

16 মন্তব্য

  1. আসসালামুয়ালাইকুম…

    আমার বাংলালায়ন উএসবি মডেম থেকে HUB দিয়ে ২ পিসি তে কিভাবে কানেকশন দিব???

    সেটিংসটা ঠিক করতে পারতেছি না।।

    সাহায্য চাই ।।সাহায্য চাই ।।সাহায্য চাই ।।

  2. তোমার এইবারের পর্বটি সবচেয়ে সুন্দর, ও সহজবোধ্য লেগেছে আমার কাছে। :P

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

3 × 4 =