আসুন আমরা একজন ভবিষ্যত ডাক্তারকে বাচাই

6
298

আসুন আমরা একজন ভবিষ্যত ডাক্তারকে বাচাইচন্দন কুমার ঘোষ। মা বাবার স্বপ্নপূরনে অদম্য মেধাবী এক তরুণ। মানুষের তরে নিজেকে বিলিয়ে দিতে স্বপ্ন দেখেছিল এক দিন ডাক্তার হয়ে অসহায় মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করবে। এক দিন মেডিক্যালেও সুযোগ পেয়ে যায়। অনেক ত্যাগ ও কষ্টের বিনিময়ে মেডিক্যাল শেষ বর্ষেও পদার্পণ করে। কিন্তু আশা পূরণ হওয়া নিয়ে এখন সংশয় দেখা দিয়েছে। স্বপ্ন পূরনে যখন আর মাত্র কয়েকদিন বাকী, তখন কালবৈশাখী ঝড় যেন আঘাত হানলো তার জীবনে। ডাক্তার হয়ে যেখানে তার স্বপ্ন ছিল মৃত্যুপথযাত্রী মানুষকে জীবন ফিরিয়ে দিতে, সেখানে স্বপ্ন পূরনের আগে নিজেই আক্রান্ত হয়ে বসল অসুখে। প্রকৃতির কি এক নির্মম পরিহাস। যার চিকিৎসায় লাখো মানুষের চোখে আলো ছড়ানোর কথা, আজ নিজেই টাকার অভাবে অন্ধ হতে বসেছে।

স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজের ৩৫তম ব্যাচের এই চন্দন কুমার ঘোষ (২৩) ‘ইডিওপ্যাথিক ইন্ট্রাক্রেনিয়াল হাইপারটেনশন’ (Idiopathic Intracranial Hypertension) রোগে আক্রান্ত। কিছুদিন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. নারায়ণ চন্দ্র কুণ্ডুর অধীনে চিকিৎসা নেবার পর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটায় সে এখন চেন্নাইয়ের Mercury Hospital এর প্রফেসর দিপক অর্জুন দাসের অধীনে চিকিৎসাধীন। তার মস্তিষ্কে যত দ্রুত সম্ভব অপারেশন করতে হবে এবং দীর্ঘদিন চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকতে হবে। তার চিকিতসার জন্য আনুমানীক ১০ লক্ষাধীক টাকার প্রয়োজন, যা তার হতদরিদ্র পরিবারের পক্ষে যোগান দেয়া সম্ভব নয়।

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে চন্দন সবার ছোট। বাবা অতি দরিদ্র। ঝুরিভাজা ভেজে কোনো মতে দিন যাপন করেন। চোখের সামনে ছেলেকে অন্ধ হতে দেখে হতভাগ্য বাবাও অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। অসুস্থ ছেলেকে বাঁচাতে তার বাবা হৃদয়বানদের সহযোগিতা কামনা করেছেন। চন্দনের বাড়ি রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার ক্ষুদিরাম সরকারপাড়া গ্রামে। সে জানুয়ারী ২০১২ এর ফাইনাল পেশাগত পরীক্ষায় মেডিসিন প্রথম পত্র পরীক্ষা দেওয়ার পর অসুস্থতার কারনে আর পরীক্ষা দিতে পারে নাই। শুধু মাত্র টাকার অভাবে এভাবে একটা মেধাবী প্রাণ অকালে ঝরে যাবে, এটা আমাদের কারও কাম্য না।
১০ লক্ষ টাকা। একজনের কাছে এটা হয়ত অনেক ‘বড় কিছু’। কিন্তু ১০ হাজার মানুষ যখন মাত্র ১০০ টাকা করে দেয় তখন সেটা আসলে ‘মাত্র’ই হয়ে যায়। ব্লগের সকলের কাছে বিনীত অনুরোধ, আপনাদের যদি মানবিক মূল্যবোধ বলে এখনও কিছু থেকে থাকে, এই ভাইটার সাহায্যে এগিয়ে আসুন। আপনাদের এই সামান্য সাহায্যে আবারও চন্দন আগের মত হাসিখুশি জীবনে ফিরে আসবে, চিকিৎসক হওয়ার মহান ব্রত নিয়ে যে চন্দনের এই মেডিক্যাল কলেজে আগমন, আপনাদের সাহায্যে সুস্থ হয়ে সে মানুষের কল্যানে নিজেকে নিয়োজিত করবে, এটাই এখন আমাদের প্রার্থনা।

আমাদের মাঝে অনেকেই দেশের বাইরে আছেন, অনেকেই ইন্টারনেটে আউটসোর্সিং করে মাসে হাজার হাজার টাকা আয় করছেন। তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, ভাই, মানুষকে সাহায্য করলে কখনো কেউ ফকির হয়ে যায় না। বরং এতে বরকত আরও বাড়ে। যারা দেশের বাইরে আছেন এবং আউটসোর্সিং করছেন, তাদের সুবিধার্থে একটি এলার্টপে ও ভেরিফাইড পেপাল একাউন্ট খোলা হয়ে হয়েছে চন্দনের নামে। আপনাদের পাঠানো কিছু ডলার/টাকা একটা মানুষের জীবনে “জীবন” ফিরিয়ে আনতে পারে। আর যারা দেশে আছেন, তারা ব্যাংক একাউন্টে দিতে পারেন অথবা চন্দনের মা’র সাথে ফোনে কথা বলে নিতে পারেন।

সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা:

গৌরী রানী ঘোষ (চন্দনের মা),
সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর-৯৭৫১, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, গোয়ালন্দ বাজার শাখা, গোয়ালন্দ, রাজবাড়ী।

চন্দন কুমার ঘোষ,
সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর-০০২১০২৩১-৫, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, গোয়ালন্দ উপজেলা কমপ্লেক্স শাখা, গোয়ালন্দ, রাজবাড়ী।
মোবাইল ফোন নম্বরঃ ০১৭৫৭৩২১৭৩৭

এলার্টপে ডোনেটঃ chandan.kumar.ssmc@gmail.com
পেপাল ডোনেটঃ chandan.kumar.ssmc@gmail.com

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

6 মন্তব্য

  1. বর্তমান পরিস্তিতি কি , আপনি জানেন ? আমরা তার সুস্ততা কামনা করি ।

  2. আল্লাহ যেন তাকে নেক হায়াত বাড়িয়ে দেন , সবাই বলি আল্লাহ-হুম্মাআমিন।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

twelve + 13 =