ইন্টারনেটে আয় এবং আয়কৃত টাকা দেশে আনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট

12
1450

আমরা অনেকেই জানি ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডলার/টাকা আয় করা যায়। এমেজিংআড্ডার বন্ধুরা অনেকেই মোটামুটিভাবে ইন্টারনেট সম্পর্কে ভাল ধারনা রাখেন। আমরা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্নভাবে অনলাইনে আয়ের বিষয়ে আলোচনা শুনি। অনেকেরই এই বিষয়ে স্পষ্ট ধারনা নেই। যাদের ধারনা স্বল্প বা একেবারেই নেই তাদের জন্য অর্থাৎ নবীনদের জন্য আজকের এই ধারাবাহিক আলোচনার সুত্রপাত করা হচ্ছে। যাতে করে তারা অনলাইনে আয়ের বিষয়ে খুটিনাটি বিষয় সম্পর্কে সম্যক ধারনা নিতে কাজে ঝাপিয়ে পরার প্রস্তুতি নিতে পারেন। বুঝার সুবিদারথে একে বারে প্রাথমিক পর্যায় থেকে আলোচনা করা হবে যাতে কারো কোন বিষয়ে বুঝতে অসুবিধা না হয়। আসুন তাহলে শুরু করা যাক মূল কথা

ইন্টারনেটের মাধ্যমে হাজার হাজার ডলার উপার্জন করার সুযোগ রয়েছে। এর জন্য প্রথমেই যা দরকার তাহল শুধুমাত্র নিজেকে প্রস্তুত করা। বিশ্বের অন্যান্য দেশের নাগরিকদের মত আপনি বাংলাদেশ থেকে নেট ব্যবহার করে আয় করতে পারেন অনলাইন থেকে। বন্ধুগন! ইন্টারনেটে আয় করার বিভিন্ন পন্থা রয়েছে। আপনি যদি একটি ওয়েব সাইটের মালিক হন তাহলে আপনার সাইটে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন প্রর্দশন করে আয় করতে পারেন। বিভিন্ন ধরনের কাজ করে ডলার আয় করার সুযোগ রয়েছে। যেমন, গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ, লোগো ডিজাইনারদের জন্য রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ, ছবি আপলোড করা মাধ্যমে আয় করার সুযোগ রয়েছে, ভিডিও এডিটিং, এ্যানিমেশন করার মাধ্যমে, সফটত্তয়্য� ��র তৈরির মত অসংখ্য পথ রয়েছে ইন্টারনেটে আয় করার। এরকম প্রায় ১০১টা কাজ রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আমাদেরকে এমন কাজ করতে হবে যাতে করে সহজেই আমরা আয় করতে পারি। কেননা বিদ্যুৎ সমস্যা, ইন্টারনেটের স্পীড ইত্যাদি সমস্যার কারণে অবশ্যই আমাদেরকে স্বল্প সময়ে বেশি আয় করার পন্থা বের করতে হবে বা তেমন পদ্ধতি খুজে বের করতে হবে।

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

টাকা হাতে পাওয়ার উপায় কি?

অনলাইনে আয় করতে গেলে প্রথমে একটি বিষয় আপনাকে মাথায় রাখতে হবে সেটি হল আপনি আপনার উপার্জিত ডলার কী ভাবে নিজের কাছে নিয়ে আসবেন। কেননা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সবগুলো পদ্ধতি অনুসরণ করা সম্ভব নয়। অনলাইনে বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় মাধ্যম হল পেপাল কিন্তু দু:খজনক কথা হল পেপাল বাংলাদেশে এখনও কারযক্রম শুরু করতে পারে নাই। তাই এ যাবত অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা পিছিয়ে রয়েছি। বেশিরভাগ সাইট অনলাইনে কাজের পেমেন্ট পেপাল এর মাধ্যমে করে থাকে। এছাড়া বর্তমান সময় এলার্টপে, মানিবুকারস সহ আরো বিভিন্ন পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে। তবে এলার্টপে অধিকাংশ সাইটে সমর্থন করে না। এবং অনলাইনে কোন কেনাকাটার সময় এলার্টপের ডলার ব্যবহার করা যায় না। তবে আশার কথা, – আগামী সেপ্টেম্বর’১২ইং নাগাদ বাংলাদেশে পেপালের কারযক্রম শুরু হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। পেপাল আসার মাধ্যমে আমাদের দেশে অনলাইনের মাধ্যমে আয়ের ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে সম্ভাবনার দুয়ার খুলে যাবে। তখন আর বাইরে থেকে ডলার আনার ব্যাপারে হতাশা থাকবে না। এখন বিভিন্নভাবে পেপালের ডলার দেশে আনা হচ্ছে। বিদেশে অবস্থানরত আত্নীয়স্বজনের মাধ্যমে পেপাল একাউন্ট তৈরি করে ডলারগুলো আনা হচ্ছে। তবে সীমিত সংখ্যক মানুষ এ সুবিধা পাচ্ছেন। ঝুকিপূর্ণ হত্তয়ার কারণে আমাদেরকে অন্যান্য পদ্ধতিসমূহ সর্ম্পকে পর্যাপ্ত ধারণা অর্জন করা প্রয়োজন।
ইন্টারনেটে অর্থ লেনদেনের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সহজ পদ্ধতি হচ্ছে “পেপাল”। আগেই বলা হয়েছে বাংলাদেশে এর কোন সার্ভিস বর্তমানে নেই তবে আশা করা হচ্ছে অদুর ভবিশ্যতে বাংলাদেশে পেপাল কে দেখা যাবে। পেপাল না থাকার জন্য সবচেয়ে বড় খেসারত দিতে হচ্ছে বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সারদের� �ে। পেপাল না থাকার কারণে অনেক রাস্তা ঘুরিয়ে, বিভিন্ন সার্ভিস চার্জ দিয়ে সবশেষে টাকা হাতে পাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে পেপালের বিকল্প না খোজে আমাদের আর কোন উপায় থাকে না। পেপালের প্রধান বিকল্প হিসেবে “মানিবুকার্স” অন্যতম। এটি পেপালের মতই একটি সহজ ও জনপ্রিয় পেমেন্ট পদ্ধতি। তবে মানিবুকার্সের প্রধান সমস্যা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে এর কোন সার্ভিস নেই, অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক কোন ওয়েবসাইট বা সেদেশের কোন ক্লায়েন্টের কাছ থেকে মানিবুকার্সের মাধ্যমে পেমেন্ট পাওয়া যায় না। সুতরাং মানিবুকার্সের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সারদের সমস্যার সমাধান পুরোপুরি হচ্ছে না। বিশেষ করে যারা ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসের ফি পাশ কাটিয়ে ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে সরাসরি টাকা পেতে চান তাদের জন্য মানিবুকার্স পেপালের ভাল বিকল্প নয়।

এই পর্বে একটি পেমেন্টপদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করব যা বাংলাদেশীদের জন্য একটি চমৎকার সমাধান বলা যায়। পদ্ধতিটি হচ্ছে এলার্টপে (www.AlertPay.com) ।
এটি একটি কানাডাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান। ২০০৪ সালে মাত্র ৬ জন কর্মচারী নিয়ে এলার্টপে যাত্রা শুরু করে এখন এটি ৭০ জনের অধিক কর্মচারী এবং ৪৫ লক্ষের বেশি ব্যবহারকারী নিয়ে একটি বিশাল প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ৪, ৫০০ নতুন ব্যাবহারকারী এলার্টপে সাইটের রেজিষ্ট্রেশন করছে। বিশ্বের ১৯০ টি দেশে এর সার্ভিস রয়েছে, যাতে ২৩টি মূদ্রায় অর্থ লেনদেন করা যায়। এলার্টপে ৪৬টি দেশে আঞ্চলিক ব্যাংকিং সুবিধা প্রদান করে থাকে।

একাউন্ট তৈরির প্রক্রিয়া:
এলার্টপে সাইটে তিন ধরনের একাউন্ট রয়েছে – Personal Starter, Personal Pro এবং Business। একাউন্টগুলোর যেকোন একটিতে বিনামূল্যে রেজিষ্ট্রেশন করা যায় এবং পরবর্তীতে যে কোন সময় একাউন্ট পরিবর্তন করা যায়। তিনটি একাউন্টের সাহায্যই ইন্টারনেটে নিরাপদে কেনাকাটা করা এবং বিনামূল্যে অন্য ব্যবহারকারীকে টাকা পাঠানো যায়। এর বাইরে তিনটি একাউন্টের আলাদা আলাদা সুযোগ সুবিধা রয়েছে, এগুলো হচ্ছে –

১) Personal Starter:
এই ধরনের একাউন্টের একমাত্র বড় সুবিধা হচ্ছে অন্য এলার্টপে ব্যবহারকারী থেকে টাকা গ্রহণ করতে কোন ধরনের ফি দিতে হয় না। তবে এই ধরনের একাউন্টে কেউ ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে টাকা দিলে তা পাওয়া যায় না। আরেকটি অসুবিধা হচ্ছে মাসে ৪০০ ডলারের বেশি টাকা গ্রহণ করা যায় না এবং সকল পেমেন্টসহ সর্বমোট ২, ০০০ ডলারের বেশি অর্থ গ্রহণ করা যাবে না।

২) Personal Pro:
ফ্রিল্যান্সারদের জন্য এই ধরনের একাউন্টে সকল ধরনের সুবিধা পাওয়া যায়। এখানে টাকা গ্রহণে কোন সীমাবদ্ধতা নেই। তবে এক্ষেত্রে অন্য একজন এলার্টপে ব্যবহারকারী থেকে টাকা গ্রহণ করলে ২. ৫% + ০. ২৫ ডলার ফি দিতে হয়। ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে কোন ব্যবহারকারী টাকা পাঠালে ফি এর পরিমাণ হয় ৪. ৯% + ০. ২৫ ডলার। এই ধরনের একাউন্টের একটি বড় সুবিধা হচ্ছে এর ব্যবহারকারী ইচ্ছে করলে নিজের ওয়েবসাইটে এলার্টপে যুক্ত করে কোন পণ্য বা সার্ভিস বিক্রি করতে পারবে এবং ক্রেতার কাছ থেকে সহজেই টাকা গ্রহণ করতে পারবে।

৩) Business:
এই একাউন্টটির সাহায্যে আপনার নিজস্ব ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের নামে অনলাইনে অর্থ লেনদেন করতে পারবেন। এখানে একটি একাউন্টের সাহায্যে একাধিক ব্যবসা পরিচালনা করা যায়। এই একাউন্টের আরেকটা সুবিধা হচ্ছে একসাথে একাধিক ব্যাবহারকারীকে টাকা পাঠানো যায়। আর টাকা গ্রহণ করার ক্ষেত্রে Personal Pro একাউন্টের মতই সমপরিমাণ ফি দিতে হয়।
এলার্টপে সাইটে রেজিষ্ট্রেশন পদ্ধতি পেপাল বা মানিবুকার্স মতই। এজন্য প্রথমে একাউন্টের ধরন নির্ধারণ করে নিজের ব্যক্তিগত তথ্য, ইমেইল ঠিকানা, পাসওয়ার্ড, পিন নাম্বার ইত্যাদি দিতে হবে। পিন নাম্বারটি পাসওয়ার্ডের মতই একটি গোপন নাম্বার যা অর্থ লেনদেনের সময় প্রয়োজন পড়বে। সফলভাবে রেজিষ্ট্রেশন করার পর একাউন্টটি টাকা গ্রহণের উপযোগী হবে। তবে টাকা নিজের ব্যাংক বা ক্রেডিট কার্ডে পাঠাতে একাউন্টটিকে Verify করতে হবে। এজন্য Become AlertPay Verified নামক একটি লিংক দেখতে পাবেন। এখানে নির্দেশনা অনুযায়ী বিভিন্ন ডকুমেন্ট যেমন পাসপোর্ট, ব্যাংক স্টেটমেন্টের স্ক্যান কপি জমা দিতে হবে। এছাড়া যাদের ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড আছে তারা এর মাধ্যমেও Verify হতে পারবেন। অনেক ক্ষেত্রে ফোন নাম্বার যাচাই করা হয়।

বাংলাদেশে টাকা আনার উপায়:
এলার্টপে একাউন্ট থেকে ৪টি ভিন্ন ভিন্ন উপায়ে টাকা আনা যায়। পদ্ধতিগুলো হল – চেক, ক্রেডিট কার্ড, ব্যাংক ট্রান্সফার এবং ব্যাংক ওয়্যার।

১) চেক:
এই পদ্ধতিতে একটি চিঠির মাধ্যমে চেক পাঠানো হয়। চেকের জন্য এলার্টপে-কে ৪ ডলার ফি দিতে হয় এবং একাউন্টে সর্বনিম্ন ২০ ডলার হলে চেকের জন্য আবেদন করা যায়। আবেদন করার ২ দিনের মধ্যে একটি চেক আপনার ঠিকানায় পাঠানো হবে, যা হাতে পেতে ২ থেকে ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। চেকটি ডলারে পাঠানো হয় তাই যেসব ব্যাংক ডলারে চেক গ্রহণ করে সেখানে এটি জমা দিতে হবে। এক্ষেত্রে আরো কয়েক সপ্তাহ লেগে যেতে পারেবে। সরকারী ব্যাংকের মাধ্যমে চেক থেকে টাকা তোলতে অল্প একটা ফি দিতে হয়, তবে সময় বেশি নিবে। আর বেসরকারী ব্যাংকে তুলনামূলকভাবে বেশি ফি দিতে হবে কিন্তু সময় অনেক কম লাগবে।

২) ক্রেডিট কার্ড:
যাদের ভিসা বা মাস্টারকার্ড রয়েছে তারা এই পদ্ধতিতে খুব সহজেই টাকা আনতে পারবেন। এলার্টপে সাইটে ক্রেডিট কার্ডের কথা বলা হলেও এটি ডেবিট কার্ডও সাপোর্ট করে। আমারদের দেশে বেশিরভাগ ফ্রিল্যান্সারদের Payoneer ডেবিট মাস্টারকার্ড রয়েছে। তারাও এই কার্ডে সহজেই টাকা আনতে পারবেন। এজন্য প্রথমে এলার্টপে সাইটে কার্ডটি যোগ করতে হবে। কার্ডটি যাচাই করার জন্য এলার্টপে আপনার কার্ড থেকে ১ থেকে ২ ডলারের মধ্যে একটি অর্থ এলার্টপে একাউন্টে নিয়ে আসবে। এরপর Payoneer সাইটে লগইন করে দেখতে হবে কত ডলার লেনদেন হয়েছে এবং সেই পরিমাণটি এলার্টপে সাইটে এসে একটি টেক্সটবক্সে প্রবেশ করাতে হবে। সঠিকভাবে ডলারের পরিমাণটি বলতে পারলে আপনার কার্ডটি অর্থ লেনদেনের জন্য উপযোগী হবে। লক্ষ্যণীয় যে, আপনার এলার্টপে একাউন্টে অর্থ লেনদেনের মূল মূদ্রা হিসেবে ইউরো থাকলে কার্ড যাচাইয়ের পূর্বেই ডলারে পরিবর্তন নিতে হবে। অন্যথায় সঠিকভাবে কার্ডটি যাচাই হবে না। এলার্টপে থেকে কার্ডে প্রতিবার লেনদেনে ৫ ডলার ফি দিতে হয় এবং সর্বনিম্ন ১০ ডলার উঠানো যায়, যা ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যে কার্ডে সরাসরি চলে আসে। এরপর নিকটস্থ ATM (যেগুলো মার্সারকার্ড সাপোর্ট করে – যেমন DBBL, Standard Chartered Bank) থেকে যে কোন সময় টাকা তোলা যায়। যাদের Payoneer মাস্টারকার্ড নেই তারা www.vworker.com সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করে একটি কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন। মাস্টারকার্ডটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে পর্যায়ক্রমে।

৩) ব্যাংক ট্রান্সফার:
এলার্টপে থেকে বাংলাদেশে ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে টাকা আনা যায় না। তবে যাদের Payoneer মাস্টারকার্ডে US Virtual Account নামক সার্ভিসটি আছে তারা এই পদ্ধতিতে মাত্র ০. ৫ ডলারের বিনিময়ে কার্ডে টাকা আনতে পারেন। আর সময় লাগে মাত্র ২ থেকে ৩ দিন। যারা এক বছর থেকে Payoneer কার্ডটি ব্যবহার করছেন তারা এই US Virtual Account এর জন্য Payoneer সাইটে আবেদন করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনাকে যুক্তরাষ্ট্রের First Bank of Delaware নামক ব্যাংকের একটি ভার্চুয়াল একাউন্ট দেয়া হবে। এই ব্যাংকের সাথে মাস্টারকার্ডটি যুক্ত থাকে। অর্থাৎ কেউ যদি আপনার ওই ব্যাংক একাউন্টে টাকা পাঠায় তখন এটি সরাসরি আপনার কার্ডে জমা হয়ে যাবে। তবে এই ব্যাংক একাউন্ট থেকে কখনও অন্যকে আপনি টাকা পাঠাতে পারবেন না, শুধুমাত্র গ্রহণ করতে পারবেন। এলার্টপে সাইটে এই ব্যাংক একাউন্টটি যুক্ত করতে প্রথমে Add Bank Account পৃষ্ঠায় গিয়ে দেশ হিসেবে United States সিলেক্ট করতে হবে। তারপর Bank Transfer সিলেক্ট করে একাউন্টটির নাম্বার, ABA Routing নাম্বার, ব্যাংকের নাম ইত্যাদি তথ্য দিতে হবে, যা Payoneer সাইট থেকে পাওয়া যাবে। এরপর এলার্টপে থেকে আপনার একাউন্টে ১ ডলারের কম দুটি অল্প অর্থ পাঠানো হবে যা ***** Deposit নামে পরিচিত। দুই দিন পর Payonner সাইটে লগইন করে ডলার দুটি দেখতে পাবেন। এই দুটি লেনদেনের পরিমাণ এলার্টপে সাইটে এসে দুটি টেক্সটবক্সে প্রবেশ করতে হবে। সফলভাবে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে পারলে আপনি সবচেয়ে কম খরচে এলার্টপে থেকে টাকা দেশে আনতে পারবেন।

৪) ব্যাংক ওয়্যার:
যাদের কোন ভিসা বা মাস্টারকার্ড নেই তারা এই পদ্ধতিতে দেশের ব্যাংকে সরাসরি টাকা আনতে পারবেন। এটি সাইটের সবচেয়ে ব্যয়বহুল পদ্ধতি। এক্ষেত্রে খরচ পড়বে ১৫ ডলার এবং সর্বনিম্ন ৪০ ডলার হলে এই পদ্ধতিতে টাকা উঠানো যাবে। ব্যাংক ওয়্যারের মাধ্যমে বাংলাদেশে আপনার ব্যাংক একাউন্টে টাকা আসতে প্রায় এক সপ্তাহের মত সময় লাগবে। ব্যাংক ওয়্যারের জন্য প্রথমে সাইটে আপনার ব্যাংক একাউন্টের নাম্বার, ব্যাংক কোড, ব্রাঞ্চ কোড এবং SWIFT BIC যোগ করতে হবে, যা আপনার ব্যাংকে যোগাযোগ করে তথ্যগুলো সংগ্রহ করতে পারেন।

প্রধান প্রধান আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেসগুলো� �ে এলার্টপে এখনও ব্যপকভাবে সমাদৃত হয়নি। তবে 99Designs, Magento, *****works এর মত সাইট, PTC সাইট এবং BUX সাইটগুলোতে ব্যাপকভাবে এলার্টপে এর মাধ্যমে প্রতিনিয়ত অর্থ লেনদেন হচ্ছে। বাংলাদেশী প্রচুর ফ্রিল্যান্সার ইতিমধ্যে এলার্টপে এর মাধ্যমে নিয়মিতভাবে টাকা দেশে নিয়ে আসছেন। এলার্টপে সাইটের একটি ভাল সার্ভিস হচ্ছে এর সাপোর্ট সেন্টার যার মাধ্যমে কোন সমস্যায় পড়লে খুব দ্রুতই সমাধান পাওয়া যায়। বিশেষ করে একাউন্ট ভেরিফিকেশন, ব্যাংক একাউন্ট বা ক্রেডিট কার্ড যাচাই এ কোন সমস্যায় পড়লে সাপোর্ট সেন্টার মাত্র কয়েকদিনেই সমস্যাগুলোর সমাধান করে দেয়। এইসকল সুবিধার কারণে এলার্টপে সার্ভিসটির প্রসার দিন দিন বাড়ছে।
আশা করি এলারটপে নিয়ে কিছুটা সমাধান পাওয়া গেছে।

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

12 মন্তব্য

  1. পোস্ট চমত্কার হয়েছে ভাইজান :দ আশা করি এইরকম পোস্ট আরো পাব আমরা :) ধন্যবাদ আপনাকে

  2. ধন্যবাদ ভাইয়া,আপনাদের ভালো সমর্থন পেলে মানিবুকার্স নিয়ে টিউন করব

  3. অনেক অনেক অনেক অনেক সুন্দর লিখেছেন ভাইয়া॥॥॥। আপনাদের মত মানুষ আছে বলেই আমাদের মত বোকারা কিছু শিখতে পারে॥॥॥॥ প্রচুর ধন্যবাদ॥॥॥ ভাল থাকবেন এবং আরও লিখতেন ॥

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

three − two =