খুব সহজে ভিডিও এডিটিং শিখুন- পর্ব-6-ডিউরেশন নিয়ে আলোচনা

11
1613
খুব সহজে ভিডিও এডিটিং শিখুন- পর্ব-6-ডিউরেশন নিয়ে আলোচনা

এciড Azmol

সর্বদা কম্পিউটারে কাজ করতে ভালবাসি। প্রথম জীবন শুরু করি ডিসের বিজ্ঞাপন দিয়ে। যেটা ছিলভিজুয়্যাল বেসিক দিয়ে তৈরী। পরে একটি প্রতিষ্ঠানে ভিডিও এডিটিং এর কাজ করি ৩ বছর। সেখান থেকে হার্ডয়্যার ও কম্পিউটার ট্রেনিং করায় আরো ৪ বছর। তারপরে দীর্ঘ সময় কাজ করি এ্যাড ফার্মে, এখানে ভিজিটিং কার্ড থেকে শুরু করে মাথার উপর বড় বড় সাইন বোর্ড ডিজাইন করতাম। পরে একটি পত্রিকার বিজ্ঞাপন বুথে কাজ করি। এভাবেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করে প্রচুর সফটওয়্যারের উপর অভিজ্ঞতা হয়। আরো অনেক কিছু আছে পরে জানতে পারবেন.............
স্বাক্ষর!... সেটা আবার কি?
ভাই আমি তো নিরক্ষর
খুব সহজে ভিডিও এডিটিং শিখুন- পর্ব-6-ডিউরেশন নিয়ে আলোচনা
প্রথমে সবাইকে জানাই আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও সালাম আসসালামু আলাইকুম। সবাইকে কেমন আছেন? আমি আল্লাহর রহমতে খুব ভাল আছি। মাঝে হঠ্যাৎ করে আমার পেশার লো হয়ে যায় এবং সারা রাত আমাকে স্যালাইন দেয়া হয়। যার ফলে আমি কিছূটা সময় পিসি থেকে দূরে ছিলাম। মাঝে আমাকে দূবাই পাঠানোর কথা ছিলো। কিন্তু আমার মন মানছিল না তাই আমার নানাকে বললাম আমি যাইতে পারব না।
আরো কত কিছু হয়ে গেছে। সব মিলিয়ে এত দেরী হলো। যাইহোক আজকে একটি কথা বলে রাখি সর্বদা মনে রাখবেন, ভিডিও এডিটিং যখন শুরু করেছি তখন এর শেষ করেই ছাড়ব। ভিডিও এডিটিং এর কাজ আমি কুষ্টিয়া থেকে শিখেছি। কুষ্টিয়া শহরের যে ২য় গুরু তার কাছে আমি কাজ করতাম। যে খুবই একজন ভালো মনের মানুষ। সত্যিকথা বলতে গেলেকি আমি প্রথম ভিডিও এডিটিং বা মল্টিমিডিয়া কি জানতাম না। একদিন ওনি আমাকে ডেকে বললো মাল্টিমিয়ার কাজ করবে? আমি বললাম মাল্টিমিডিয়া কি? ওনি বললো সন্ধ্যায় আমার দোকানে এসো আমি দেখিয়ে দিব। তারপর থেকে যতটুকু পেরেছে, যাবতীয় ভিডিও এডিটিং এর কাজ আমাকে হাতে ধরে শিখিয়েছে। যার ফলে কুষ্টিয়াতে যেখানে এডিটিং এর কাজ হয় আর যারা জানে আমি তার কাছে কাজ শিখেছি বা কাজ করি তারা সবাই খুব সম্মান দেয় এবং অন্যদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় যে কুষ্টিয়া শহরের ২য় গুরু আশরাফ ভাই এর লোক খুব ভালো কাজ জানে। আর এভাবেই আমার কাজ আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে। এত কথা বলার কারণ হলো সেই ভাই ভিডিও এডিটিং এর কাজ শিখাতে কোন কার্পন্ন করে নাই। উনার যা ছিলো সব দিয়েছে আর আমি যতটা পেরেছি ধরে রেখেছি। সেই মোতাবেক আমিও আপনাদের সব শিখাবো । কিন্তু তার জন্য সময় দরকার, আমাকে সময় দিবেন। আমার পোষ্টগুলো খুব ভালো করে পড়বেন, মাঝে মাঝে আমার ব্লগে যাবেন সেখানেও আমার পোষ্টে কমেন্ট করবেন। পুরাতন গুলো চর্চা করছেন কিনা তা জানাবেন। কোন পর্বটা বেশি বেশি করে চর্চা করছেন সেই পোষ্ট এর নিচে কমেন্ট করে জানাবেন আর কোন সমস্যা হলো কিনা তাও বলবেন। যাতে করে আমি  সমস্যার সমাধান করতে পারি। তবে আমার কাছে খারাপ লাগে যে, এখন পর্যন্ত কেউ কোন  সমস্যার কথা বললো না? তাহলে আমি কি ধরে নিব যে আপনারা আমার পোষ্ট পড়ে বুঝেন নাই। সমস্যা যদি থাকে তবে তার সমাধান আছে, তাই আমার পোষ্ট ভালো লাগলে, ভাল কথা না বলে তার পরিবর্তে কমেন্ট করে বলবেন যে “আপনার পোষ্ট পড়ে সম্পূর্ণ রূপে বুঝতে পেরেছি”। তবেই আমার সার্থকতা। কারণ ভাল লাগলো কি আর না লাগলো কি যদি তা বুঝতে না পারেন তাহলে কোন লাভ নেই। তাই আপনাদের কাছে এতটুকু অনুরোধ রইল যে, বুঝতে কোন কষ্ট হচ্ছে কি না তা শুধু জানালেই আমি খুশি। এবার বলি ভিডিও এডিটিং এর আর কোন কোন সফট আপনাদে শিখাবো-ইউলিড মিডিয়া স্টুডিও ৭.০ ও ৮.০, ইউলিড কুল থ্রি ডি-, থ্রি ডি এ্যালবাম, পার্টিক্যাল ইলুশন, ফটোসফ। প্লাগিন্স হলো- হলিউড এক্স, হলিউড এক্স গোল্ড, ক্যানোপাস। কাউকে কিছু শিখালে জ্ঞান কমে না বরং বারে।আর সত্যি কথা বলতে গেলে কি আমার ব্লগে ভিজিটর কম ছিল কিন্তু যেদিন থেকে টিউনারপেজে পোষ্ট করা শুরু করলাম সেদিন থেকে আমার ব্লগের ভিজিটর বেড়ে গেল এই জন্য আমি টিউনারপেজের কাছে কৃতজ্ঞ। আর কিছু দিন পরে আমি আপনাদের জন্য নিয়ে আসছি এডোব ফটোশপ পিএস ৩ এর পোষ্ট। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমি যতটুকু জানি আপনাদের সম্পূর্ণ ফটোসফ শিখিয়েই ছাড়বো ইনশাআল্লাহ। দেখবো কিভাবে ফটোসফ না শিখে থাকতে পারেন। তবে একটু দেরি হচ্ছে কারণ ফটোসফ পিএস৩ আপলোড করতে গিয়ে সমস্যা পড়ছি। যাই হোক এখন আসি আসল আলোচনা। গত পর্বে দেখিয়েছি ডিজিটাল এ্যালবাম নিয়ে আরো একটু আলোচনা করব। আজকে আমি আপনাদের দেখাব   কিভাবে টাইম ঠিক রেখে এবং ডিউরেশণ ঠিক রেখে স্টীল ছবি দিয়ে ডিজিটাল এ্যাবাম তৈরী করা যায়। যারা গত পর্ব পরেননি তারা ডান পাশের ব্যানার এ ক্লিক করে পড়ে নিবেন। তাহলে শুরু করি-
প্রথম ইউলিট মিডিয়া স্টুডিও ৭.০ চালু করুন। কিছু সময় ধরে সম্পূর্ণ ইন্টারফেস দেখুন আর মনে মনে ভাবুন আপনি এডিটিং এর কাজ খুব ভালো করেই জানেন। কারণ অনেকেরই মনের ভিতরে একটি ভয় কাজ করে। এই ভয়কে বের করতে হবে তা না হলে কাজ করতে গিয়ে ইজি কাজকে বিজি বানিয়ে ফেলবেই। এই কাজটি করতে আপনাকে গত পর্ব টি দেখতে হবে। কারণ পর্ব-৫ এ আমি দেখিয়েছি কিভাবে স্টীল ছবি দিয়ে ডিজিটাল এ্যালবাম তৈরী করতে হয়। কিন্তু সমস্যা হলো যে সেখানে শুধু ছবি আর ইফেক্ট দিয়ে তৈরী করেছি। আজকে দেখাবো সেই এ্যালবাম এর দুই সেকেন্ড করে ইফেক্ট দেয়া। যাকে ভিডিও এডিটিং এর ভাষায় বলে ডিউরেশন। এর জন্য কিছু ছবি প্রয়োজন হবে। আপনি চাইলে যে কোন ছবি নিতে পারেন অথবা আমার আগের টিউনে কিছু ছবি আপলোড করে দেয়া আছে তা ডাউনলোড করতে পারেন। গতে পর্বে-৫ এর মত একটি এ্যালবামতৈরী করুন নিচে আমার ছবি লক্ষ করুন
 খুব সহজে ভিডিও এডিটিং শিখুন- পর্ব-6-ডিউরেশন নিয়ে আলোচনা এখানে আমাদের দেয়া ইফেক্ট এর কোন ডিউরেশন নেই। ধরে ছেড়ে দেয়াতে যা হবার সেই ডিউরেশন মত হয়েছে। কিন্তু আমি এখন সব ইফেক্ট এর ডিউরেশন দেব ২ সেকেন্ড করে। এই জন্য প্রথম ইফেক্ট এর গায়ে মাউসের বাম বাটনে ক্লিক করে রাইট বাটন ক্লিক করে ডিউরেশন এ ক্লিক করুন নিচে আমার ছবির মত।

খুব সহজে ভিডিও এডিটিং শিখুন- পর্ব-6-ডিউরেশন নিয়ে আলোচনা এবার সেকেন্ডের ঘরে ০২ সেকেন্ড লিখুন আর অন্য সব ঘর ০০ করে দিন। নিচে আমার ছবির মত।
খুব সহজে ভিডিও এডিটিং শিখুন- পর্ব-6-ডিউরেশন নিয়ে আলোচনা
 ওকে ক্লিক করুন তাহলে ইফেক্ট একটু বড় হবে নিচে আমার ছবি লক্ষ করুন।
খুব সহজে ভিডিও এডিটিং শিখুন- পর্ব-6-ডিউরেশন নিয়ে আলোচনা
এবার ইফেক্টটিকে সিলেক্ট করে প্রথম ছবির শেষ অংশ এবং ইফেক্ট এর শেষ অংশ একসাথে থাকবে। নিচের আমার পাশাপাশি দুটো ছবি তে লক্ষ করুন।
খুব সহজে ভিডিও এডিটিং শিখুন- পর্ব-6-ডিউরেশন নিয়ে আলোচনা
 এর পরে পূর্বের নিয়মে দ্বিতীয় ইফেক্টটি, তৃতীয় ইফেক্ট, ৪র্থ ইফেক্টটি সব গুলো ইফেক্ট একটি একটি করে সিলেক্ট করে ০২ সেকেন্ড ডিউরেশন দিন। তাহলে দেখতে আমার ছবির মত হবে।
 খুব সহজে ভিডিও এডিটিং শিখুন- পর্ব-6-ডিউরেশন নিয়ে আলোচনা
এবার যেইভাবে বলেছি ঠিক সেই ভাবে দ্বিতীয় ইফেক্টটি ২য় ছবির প্রথমে হবে, তৃতীয় ইফেক্ট ২য় ছবির শেষে হবে আবার ৪র্থ ইফেক্টটি ৩য় ছবির প্রথম এ হবে। এই ক্ষেত্রে উপরের ছবির অনুসারে করবেন।  ইফেক্ট উপরের ছবির সাথে শেষের অংশ মিল করুন। তাহলে দেখতে  হবে আমার ছবির মত
খুব সহজে ভিডিও এডিটিং শিখুন- পর্ব-6-ডিউরেশন নিয়ে আলোচনা
 এবার এই কাজ শেষ হলে নিচের যে ছবিগুলো আছে তার কাজ। ২য় ইফেক্ট ধরে নিয়ে নিচের প্রথম ছবির শেষে সাথে মিল করুন।  তারপরে আমার ২য় উপরের ছবিটি ধরে ২য় ইফেক্ট এর কাছে আনুন। এভাবে সবগুলো কাছে আনুন তাহলে দেখতে হবে ঠিক আমার ছবির মত।
খুব সহজে ভিডিও এডিটিং শিখুন- পর্ব-6-ডিউরেশন নিয়ে আলোচনা
 এবার কার্সরটি প্রথমে রেখে এন্টার চাপুন আর দেখুন কত মজার ইফেক্ট।

মূল বিষয় আসিÑআজকে যা শিখলাম তাহলো ডিউরেশন গত পর্ব-৫ এ শিখেছি ছবির ডিউরেশন দেয়া। মানে হলো আমার ছবিটি কতটুকু সময় স্ক্রীনে থাকবে। দেখা গেল আমার ৫০০ ছবি আছে। তখন আপনি যদি ১ ঘন্টার এ্যালবাম করতে চান। তখন আপনাকে ৬০ গুন ৬০ সমান=৩৬০০ সেকেন্ড ভাগ ৫০০ সমান ৭.২ তখন আপনি নিবেন ছবির ডিউরেশন সেকেন্ড ০৭ এবং নেনো সেকেন্ড হবে ০২। এটি ছিলো পর্ব-৫ এর কাজ। আজকে যা দেখালাম তা হলো আপনার ছবির কতটুকু অংশ ইফেক্ট দেখাবে। ধরি আপনি ছবির ডিউরেশন নিয়েছেন ৭.২ সেকেন্ড তখন ইফেক্ট যদি দেন ০২ সেকেন্ড তাহলে ০২ সেকেন্ড যোগ ০২ সেকেন্ড সমান ০৪ সেকেন্ড আপনার ছবির ইফেক্ট হবে আর ৩.০২ সেক্টেন্ড স্কীনে ছবিটি স্টীল থাকবে। আশা করি বুঝতে কষ্ট হচেছ না। আজ এই পর্যন্ত, ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করুন আস্তে আস্তে সব শিখানো হবে।

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

সতর্ক বার্তাঃ কোনদিন যদি টিউনার পেজের কোন পিকনিক হয় বা কোন সেমিনার সেখানে আপনারা যারা আসবেন তাদের পরীক্ষা নেয়া হবে। কে কতখানি শিখলেন। কারণ আমি শিখাবো আর আপনার যদি তা না শিখেন তাহলো তো আমার কাজের কোন মূল্য থাকলো না। যাদের ভিডিও এডিটিং এর উপরে ভালবাসা আছে কাজের প্রতি শ্রদ্ধা আছে আশা করবো শুধু তারাই আমার কথা রাখবেন।

পূর্বে আমার ব্লগে প্রকাশিত-www.total-sw.blogspot.com

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

11 মন্তব্য

  1. অসাধারণ হয়েছে ! ডিউরেশন খুব গুরুত্ব পুর্ন ।

  2. No problem… এই কাজ শেখার জন্য যা বলবেন তাই করব… By the way,, আমি এত বড় মানুষ না । আমাকে আপনি করে না বললে ভাল লাগবে .

    • তুমি কুষ্টিয়াতে কোথায় থাক? সম্পূর্ণ ঠিকানা লিখে আমার কাছে মেইল কর অথবা মোবাইল কর ০১৯১৪৭১৮২৯৯। পরে আমি যে ঠিকানা দিব সেখানে গেলে তোমাকে তারা ভিডিও এডিটিং এর ব্যাপারে অনেক হেল্প করবে। কারণ সেই ব্যক্তি হলো আমার ছাত্র।

    • আমি আগে কুষ্টিয়াতে ছিলাম। সেখানে হাউজিং ডি ব্লকে কুষ্টিয়া-প্রি-ক্যাডেট এ লেখাপড়া করি। ২০০৩ সালে এসএসপি পরীক্ষা দিয়ে কম্পিরুটার শিখি পরে কুষ্ঠিয়ার ট্রাফিক মোড়ে স্যাট কমিউনিকেসন এর ডিসের বিজ্ঞাপন তৈরী করতাম। পরে আমরা সবাই ঢাকায় চলে আসি। কুষ্টিয়ার অনেকেই আমাকে চিনে। লাভলী টাওয়ারে এরিস্টো কম্পিউটার, কম্পিউটার সোর্স, মাইক্রোলিংক কম্পিউটার , নট্রামস্ট, মজমপুর গেটে আগা ইউসুফ মার্কেটে আমাদের দোকান ছিল খান বিজনেস সেন্টার বর্তমানে দোকানটি ভাড়ায় আছে

  3. এciড Azmol ভাইয়া …. ওয়ালাইকুম ছালাম… Tunerpage এ আমি অনেক আগে থেকেই আছি । কিন্তু কারও টিউন এ কমেন্ট করা হয় না.. আমি PC কিনেছি ২ মাস হল. PC কিনেই ভিডিও এডিটিং এর কাজ শিখার ঝোক মাথায়.. এক ভাইয়াকে বললাম সে নানা অজুহাত দেখায় । শেষ পর্যন্ত গুগল এ খুজাখুজি করে অনেক কিছু পেলাম । কিন্তু , আপনার মত এভাবে ধারাবাহিক ভাবে হাতে ধরে শিখানো কোন জায়গায় পাইনি । আপনার পোষ্ট গুলো পড়ে অনেক কিছু শিখেছি এবং আরও অনেক কিছু শিখতে চাই । দয়াকরে পোষ্ট বন্ধ করবেন না , চালিয়ে যান । প্রয়োজনে আপনার সাথে দেখাও করতে পারি । কুষ্টিয়া থেকে আমার বাসা বেশি দুরে নয় । আমি ভিডিও এর কাজ শেখার জন্য প্রায় সারাদিন PC নিয়া পড়ে থাকি । চালিয়ে যান ভাইয়া , চালিয়ে যান ।

    • আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। মাঝে সাঝে আমার ব্লগে গিয়ে একটু ঘুরে আসলে ভাল লাগত

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

fourteen − 8 =