নাটকীয় জয়ে সেমিতে বরিশাল

2
229
বরিশালের ফরহাদ-শাহরিয়ারের উদ্যাপনের ছবি

প্রথম আলো

কঠিন শর্ত ছিল বরিশাল বার্নার্সের সামনে। শুধু জিতলেই চলবে না, চিটাগং কিংসের দেওয়া ১৫১ রানের লক্ষ্য টপকাতে হবে ১৬ ওভারের মধ্যে। চরম নাটকীয়তার পর শেষ পর্যন্ত ১৫ ওভারেই হয়ে গেল লক্ষ্য অর্জন। ৫ উইকেটে ম্যাচ জিতে দুরন্ত রাজশাহীর পর বিপিএলের সেমিফাইনালে উঠে গেল বরিশালও।
১০ ম্যাচে এখন বরিশাল-চিটাগং দুই দলের পয়েন্টই ১০। তবে নেট রান রেটে এগিয়ে বরিশাল। তাদের নেট রান রেট যেখানে ০.১৭৮, চিটাগং কিংসের ০.০৭৮। ৯ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট করে আছে ঢাকা আর খুলনারও। দুই দলই আজ লিগ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচ খেলবে যথাক্রমে রাজশাহী ও সিলেটের বিপক্ষে।
বরিশাল বার্নার্স ও চিটাগং কিংস দুই দলের জন্যই ছিল লিগ পর্বের শেষ ম্যাচ। চিটাগং কিংস জিতলে ১০ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে বরিশালের বিপিএল শেষ হয়ে যেত কালই। সিলেট রয়্যালসের সম্ভাবনা আরও আগে মরে যাওয়ায় রাজশাহীর সঙ্গে তখন শেষ চার নিশ্চিত হয়ে যেত ঢাকা, খুলনা ও চিটাগংয়েরও। কিন্তু বরিশালের জয় ঝুলিয়ে রাখল তিন দলকেই।
আজ লিগ পর্বের শেষ দুই ম্যাচের আগে নিশ্চিত করে বলার উপায় নেই সেমিফাইনালের বাকি দুই দল কারা। অবশ্য চিটাগং কিংসের সম্ভাবনার পুরোটাই গণিত-নির্ভর। আজ ঢাকা ও খুলনা খুব বাজেভাবে হারলেই কেবল সেমিফাইনালের দরজা খুলবে তাদের সামনে।
কঠিন সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়েও যেন ১৬ ওভারে ম্যাচ জেতার পণ করেই নেমেছিলেন বরিশালের দুই ওপেনার আহমেদ শেহজাদ ও ব্র্যাড হজ। বিধ্বংসী এক উদ্বোধনী জুটিতে মাত্র ৯.৫ ওভারে ১০৯ রান! দলের প্রথম ৫০ রান এসেছে মাত্র ৪.২ ওভারে! অবদানটা বেশি ছিল ৩৬ বলে ৬৭ রান করা হজেরই। ২৪ বলে ফিফটি, ছয় বাউন্ডারির সঙ্গে সেখানেই তিনটি ছক্কা।
মাহমুদউল্লাহর বলে ‘সংশয়পূর্ণ’ এলবিডব্লু হওয়ার আগে বাউন্ডারি মেরেছেন আরও ২টি। সঙ্গে শেহজাদের ৩০ বলে ৪৩ ও পরে ফিল মাস্টার্ডের ১৮ বলে ২৪ রান ১৫ ওভারেই জিতিয়ে দেয় ম্যাচ।
এর আগে ৩.৫ ওভারে ৫১ রানের জুটিতে চিটাগং কিংসের শুরুটা ভালো করে দিয়েছিলেন দুই ওপেনার জেসন রয় ও জিয়াউর রহমান। কিন্তু শুরুর গতিটা ধরে রাখতে পারেনি চিটাগং কিংস। ১৫ ওভার শেষে রান ছিল ৩ উইকেটে ১২৩। ৩৬ বলে ২৫ করা ব্রেন্ডন টেলরকেই দায় নিতে হবে এর। ১৬তম ওভারের প্রথম বলে টেলর আউট হওয়ার পরও আর গতি পায়নি রানের চাকা। শেষ ৫ ওভারে রান এসেছে মাত্র ২৭! উইকেট পড়েছে ৬টি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
চিটাগং কিংস: ২০ ওভারে ১৫০/৯ (জেসন ৪২, ব্রাভো ২৬, টেলর ২৫, জিয়া ২৪, নাসির জামশেদ ১১; ইয়াসির আরাফাত ৩/২৫, নাজমুল অপু ২/২৪, ফরহাদ হোসেন ১/১৩, আল আমিন ১/১৫, কবির ১/৩৮)। বরিশাল বার্নার্স: ১৫ ওভারে ১৫১/৫ (হজ ৬৭, শেহজাদ ৪৩, মাস্টার্ড ২৪; আরাফাত সানি ২/২১, এনামুল জুনিয়র ২/২৩, মাহমুদউল্লাহ ১/১৭)। ফল: বরিশাল বার্নার্স ৫ উইকেটে জয়ী। ম্যান অব দ্য ম্যাচ: ব্র্যাড হজ।

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

2 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

16 − eight =