DHS 22: ।। মাদ্রাসা নিয়ে কিছু কথা ।।

1
283
DHS 22: ।। মাদ্রাসা নিয়ে কিছু কথা ।।

ফুসকাওয়ালী

World Wide Web পাঠশালা মোর,
সবার আমি ছাত্র,
টিউনারপেজে আমি শিখছি দিবারাত্র,
চেনে আমায় কেউ, বোঝেনা কেউ,
তবুও . . . . . .
টিউন করে যাই,
আপন মনে,
DHS 22: ।। মাদ্রাসা নিয়ে কিছু কথা ।।

বাংলাদেশের মাদ্রাসা নিয়ে অনেক কাহিনী শোনা যায় । অনেক উল্টাপাল্টা ঘটনা ঘটে মাদ্রাসা গুলোতে । যারা মাদ্রাসা লাইনে পড়ালেখা করে , তারা অনেকেই ফেস করে অনেক ঘটনার সাথে। মাদ্রাসার কিছু ঘটনা আজ শেয়ার করা হলো ।

এই ঘটনাটি হয়তো বেশীর ভাগ মানুষই জানে । একবার এক মাদ্রাসার ছাত্র বাইরে থেকে ক্লান্ত হয়ে এসে তার রুমে ঢুকলো । তার সাথের রুমমেট তখন বিছানাতে শুয়ে ছিলো । ক্লান্ত ছাত্র টা তার রুমমেট কে বললো , ‘ ফ্যান টা ছেড়ে দাও তো ।’ রুমমেট বিছানা থেকে শুয়েই হাত বাড়িয়ে দিলো দূরের সুইচবোর্ডের দিকে । হাত লম্বা হতে হতে বোর্ডের কাছে পৌছে গেলো এবং ফ্যান অন করে দিলো । ক্লান্ত ছাত্র এই ব্যাপার দেখেই বেঁহুশ !!

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

এক মাদ্রাসাতে গভীর রাতে মাদ্রাসার বারান্দায় কোরআন শরীফ তেলাওয়াতের আওয়াজ পাওয়া যেতো । মাদ্রাসার সবাই এই ব্যাপার জানতো বিধায় রাতে ঐ সময় কেউ বারান্দায় ধারে কাছেও ঘেঁষতো না । এক নতুন ছাত্র এই ব্যাপারে আগ্রহ দেখালো । তাকে সাবধান করে দেয়ার পরও সে চুপিচুপি এক রাতে ঐ সময়ে বারান্দায় গেলো কে কোরআন শরীফ পড়ে তা দেখার জন্য । সে হয়তো কিছু একটা দেখেছিলো । কিন্তু কি দেখেছিলো তা কেউ জানে না কারণ ঐ ছাত্র কে পরদিন থেকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি ।

এখনকার ঘটনা গুলো একটি বিখ্যাত মাদ্রাসার । যার থেকে ঘটনা গুলো সংগ্রহ করা হয়েছে তিনি দীর্ঘদিন ঐ মাদ্রাসায় পড়ালেখা করেছিলেন । ঐ মাদ্রাসায় অনেক আগে থেকেই উল্টাপাল্টা ঘটনা ঘটতো । কিন্তু এর ফলে কারো কোন ক্ষতি হয়নি । মাদ্রাসার টয়লেট গুলো সব এক সারিতে ছাত্রদের রুম থেকে কিছুটা দূরে বানানো হয় । এক রাতে এক ছাত্রের টয়লেটে যাওয়ার দরকার পড়লো । একা যাওয়ার সাহস হলোনা বলে সে তার রুমমেটকেও সাথে করে নিয়ে গেল । রুমমেট কে বাইরে দাড়া করিয়ে ছাত্র টা টয়লেটে ঢুকলো । ৩০ মিনিট গেল , ১ ঘন্টা পার হলো , ছাত্র আর বের হয়না । রুমমেট দরজা ধাক্কাতে লাগলো । ভেতর থেকে সাড়া নেই । রুমমেট মাদ্রাসার হুজুর সহ সবাই কে ডেকে আনলো । টয়লেটের দরজা ভেঙে ফেলা হলো । ভেতরের দৃশ্য দেখে সবাই আঁতকে উঠলো । কি ছিলো ভিতরে ? তেমন কিছুনা , ঐ ছাত্র টার লাশ ছিলো ভিতরে । সে কিভাবে মারা গেলো ? তার শরীর টাকে কিছু একটা যেন প্রচন্ড শক্তিতে কমোডের ভিতরে গেঁথে রেখেছে ! দাড়া করিয়ে ! মাথা কমোডের ভিতর ! আর পা দুইটা উপরের দিকে !

এর কিছুদিন পরের ঘটনা । ঐ মাদ্রাসায় বিশাল বড় আর গভীর একটা পুকুর ছিলো । ছাত্রদের কে নিষেধ করা হয়েছিলো যেন কেউ পুকুরের মাঝে সাঁতার না কাটে । এক দুপুরে পুকুরে গোসলের সময় এক ছাত্র নিখোঁজ হয় । পুকুরের আশেপাশে তাকে প্রচুর খোঁজা হয় । পাওয়া যায়নি । পরে ডুবুরী নামানো হয় । ডুবুরী ঐ ছাত্রের লাশ পুকুরের একেবারে মাঝখান থেকে উদ্ধার করে । ছাত্রটা পুকুরের মাঝখানে গেলো কি করে ? এটা কেউ জানে না । কিন্তু সবাই জানে তাকে কিভাবে মারা হয়েছিলো । আগের ঘটনাটার মতো করে । ছাত্রের মাথা পুকুরের মাটিতে গেঁথে রাখা হয়েছিলো , আর পা দুইটা উপরে !

বলা হয় , ঐ মাদ্রাসার উপর খুব খারাপ কিছু একটার বদনজর ছিলো এবং সেইই এই ঘটনাগুলো ঘটাতো । ছাত্ররা প্রায়ই দেখতো যে , মাগরিবের আজানের সময় কাছের একটা সুপারী গাছ থেকে বিশাল লম্বা দুইটা পা ঝুলে আছে । শুধু দুইটা পা । আর কিছুই না !

মাদ্রাসার হুজুররা অনেক কিছুই নাকি করেছিলেন ঐ বদ জিনিস টাকে তাড়ানোর জন্য । কিন্তু কোন লাভ হয়নি । পরে ঐ মাদ্রাসা বন্ধ করে দেয়া হয় ।

আপনার পরিচিত কেউ হয়তো মাদ্রাসাতে পড়ে । তার সাথেও এমন কিছু ঘটছে না তো ?? খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন । আরো ভয়ানক কিছুও ঘটতে পারে !!

ঘটনাগুলো জানিয়েছেনঃ আসিফ জামান।

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

1 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

16 + seventeen =