ইলেকট্রনিক্সের প্রথম দিকের কথা । একটু দেখে নেবেন ।

1
381

আসসালামু আলাইকুম । আপনাদের জন্য একটু তথ্য নিয়ে আসলাম । হইত এর অনেক কিছুই অনেকের জানা আসে
তবে বাকি জত টুকু নতুন পাবেন তাতেই আমার সফলতা ।

“ইলেকট্রনিক্স” শব্দটি ইলেকট্রন থেকে এসেছে। আর ইলেকট্রন হচ্ছে পদার্থের এক ধরনের মৌলিক কণিকা। মোটামটি ১৯০৪ সালে ভ্যকিউম টিউব আবিষ্কারের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক্স নামের আজকের এই আধুনিকতম টেকনোলজির প্রাথমিক সূচনা ঘটে বলে মনে করা হয়। কিন্তু বর্তমানে ইলেকট্রনিক্স ক্ষেত্রে ভ্যকিউম টিউবের ব্যবহার আর নেই। এর স্থান দখল করে নিয়েছে বিভিন্ন ধরনের আধুনিকতম সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস। ১৯৪৭ সালে ট্রানজিস্টর আর ১৯৫৯ সালে সমন্বিত বর্তনী বা (integrated circuit or IC) আবিষ্কারের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজি আধুনিক রূপ লাভ করে। এর পর প্রতিনিয়ত নতুন নতুন জিনিস উদ্ভাবনের মাধ্যমে এমন একটি পর্যায়ে গিয়ে দারিয়েছে যেখানে ইলেকট্রনিকসকে বাদ দিয়ে আর আধুনিক বিশ্বকে কল্পনা করা যায় না। বিজ্ঞান বা প্রকৌশলবিদ্যার এমন কোন প্রয়োগক্ষেত্র খুজে পাওয়া যাবে না যেখানে ইলেকট্রনিক্সের ব্যবহার নেই। ভাষা শিখতে হলে যেমন বর্ণমালা শিখতেই হয় ঠিক তেমনি ভাবে আধুনিকবিশ্বে জন্ম নিয়ে আমাদের জীবনকে আধুনিকতার সংমিশ্রনে সাজাতে হলে ইলেকট্রনিক্স জানার বা শেখার কোন বিকল্প নেই।

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

 

 

ইলেকট্রন কি ?

পদার্থ যে তিনটি স্থায়ী মৌলিক কণিকা নিয়ে গঠিত তাদের একটি ইলেকট্রন । যা ঋণাত্নক চার্জ বিশিষ্ট এবং এর চার্জের পরিমান –১.৬০২ ১৭৬ ৫৩ × 10১৯ কুলম্ব ।  ইলেকট্রনের ভর ৯.১০৯ ৩৮২৬ × ১০৩১ কেজি । যা পরমাণুতে নিউক্লিয়াসের বাইরে কতগুলো উপবৃত্তাকার কক্ষপথে সর্বদা ঘূর্ণায়মান অবস্থায় অবস্থান করে । ১৮৯৭ সালে জে জে থমসন পরমাণুতে ইলেকট্রনের উপস্থিতি প্রমাণ করেন ।

 

ইলেকট্রনিক্স কি?

ইলেকট্রনিক্স হচ্ছে ইন্জিনিয়ারিং বা প্রকৌশল বিদ্যার একটি সাখা যেখানে সেমিকন্ডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী পদার্থের মধ্যদিয়ে ইলেকট্রনের প্রবাহ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

* “ইলেকট্রনিক্স” সংজ্ঞাটিকে বিশ্লেষণ করলে যে দুইটি বিষয় বিশেষভাবে আমাদের নজরে পড়ে তা হল অর্ধপরিবাহী পদার্থ এবং এর মধ্যদিয়ে ইলেকট্রনের প্রবাহ।

 

পরিবাহীঅর্ধপরিবাহী এবং অপরিবাহী সম্পর্কে ধারণা:

মৌলিক ও যৌগিক পদার্থ মিলিয়ে পৃথিবীতে বিচিত্র রকমের পদার্থ রয়েছে যাদের সকলের বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতা এক রকম নয়। কোন কোন পদার্থ খুব ভাল  বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে আবার কোনটি একেবারেই করে না আবার কোনটি করলেও খুব ভাল নয়।

সাধারণ অবস্থায় যে সকল পদার্থ বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে তাদেরকে পরিবাহী বলা হয়। আর এই বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতা  যে সকল পদার্থের খুব ভাল তাদেরকে বলা হয় সুপরিবাহী বা অতিপরিবাহী, যেমন সোনা, রূপা, তামা, লোহা ইত্যাদি। সচরাচর পারমাণবিক গঠনের দিকদিয়ে যে সকল পদার্থের সর্বশেষ কক্ষপথের ইলেকট্রন সংখ্যা ৪ এর কম হয় সে সকল পদার্থ সমূহ সুপরিবাহী হয়। আর যে সকল পদার্থ সাধারণ অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করে না যেমন রাবার, কাঁচ, ইবোনাইট, প্লাসটিক এধরণের পদার্থকে অপরিবাহী বা কুপরিবাহী বলা হয়। কিন্তু ইলেকট্রনিক্সে অতি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সেমিকন্ডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী, যার বিদ্যুৎ পরিবহণ ক্ষমতা সুপরিবাহী এবং কুপরিবাহীর মাঝামাঝি যেমন সিলিকন ও জার্মেনিয়াম। পারমাণবিক গঠনের দিকদিয়ে এদের সর্ববহিস্থ কক্ষপথের ইলেকট্রন সংখ্যা ৪ হয়।  আর তাই বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যবহারিক প্রযোজন অনুযায়ী এসব পদার্থের বিদ্যুৎ পরিবহন বৈশিষ্টের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব বলেই ইলেকট্রনিক্সের এই বিশাল দুনিয়া এই সেমিকন্ডাক্টর পদার্থের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

ভাল লাগলে জানাবেন ।
ধন্যবাদ ।

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

1 মন্তব্য

মন্তব্য দিন আপনার