ক্যামেরা কেনার আগে ও পরে কিছু লক্ষণীয় বিষয়

11
992

কে না চায় একটি ভাল ক্যামেরা নিজের হাতের নাগালে থাকুক? তাই হাতের নাগালে রাখুন আর একটু দুরেই রাখুন, ক্যামেরা কেনার আগে ও পরে নিন কিছু প্রস্তুতিমুলক সতর্কতা।

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

ক্যামেরা কেনার আগেঃ

এক একজনের পছন্দ একেকরকম। যেমন এক জনের পছন্দ ও প্রয়োজনের সাথে আরেক জনের মিল নেই। একটি ভাল ক্যামেরা কেনার ক্ষেত্রে তাই নিজের পছন্দ অ প্রয়োজনকে প্রাধান্য দিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া উচিৎ। ক্যামেরাভেদে তার ফিচার/ফাংশন দেখে আপনি নিজেই সিদ্ধান্ত নিন কোন ধরণের ক্যামেরা আপনার দরকার, সে ক্যামেরাতে কি কি ফিচার অবশ্যই থাকা চাই এবং কোন ফিচার থাকলে ভালো, না থাকলেও চলে ইত্যাদি। যারা অনেকদিন ধরে ডিজিটাল ক্যামেরা ব্যবহার করে তাদের থেকেও পরামর্শ নিতে পারেন।

প্রথমে সিদ্ধান্ত নিন: মেগাপিক্সেল কত হবে, অপটিক্যাল জুম কত, ডিসপ্লের সাইজ এবং আপনার বাজেট। এরপর পছন্দনীয় ফিচার/ফাংশনগুলোর একটি তালিকা করুন। শুধুমাত্র ব্রান্ডের নাম দেখে পছন্দ করবেন না, ইদানিং লিডিং সব কোম্পানীর ক্যামেরার মানই ভালো। এবার আপনার কাঙ্খিত ক্যামেরাটি ক্যামেরা নির্মাতা কোম্পানীর ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখতে পারেন। একেবারে ১০০% আপনার মনের মত পাবেন তেমন কোন নিশ্চয়তা নেই, সেক্ষেত্রে আপনাকে হয়তো কিছুটা আপোষ করতে হবে। যদি কোন ক্যামেরা পছন্দ হয়, ব্রান্ড ও মডেলের পূর্ণনাম ও ফিচারগুলো নোট করুন। বিভিন্ন রিভিউ সাইটে গিয়ে দেখতে পারেন আপনার পছন্দের ক্যামেরা সম্পর্কে এক্সপার্টরা কী বলে। এবার দোকানে গিয়ে ক্যামেরাটি ভালোভাবে দেখে সবকিছু (দাম, সার্ভিস, গ্যারান্টি, প্যাকেজের অন্যান্য উপকরন) পছন্দ হলে কিনে নিন।

অভিনন্দন!
বিভিন্ন দোকানের মধ্যে দামের তেমন একটা পার্থক্য হয় না। কয়েকশ টাকা বাচাঁনোর জন্য এমন দোকান থেকে কিনবেন না যেখানে পরে ক্যামেরার কোন সমস্যা নিয়ে গেলে ওরা আপনাকে আর চিনবে না!
ক্যামেরা কেনার পরেঃ
আমরা সবাই প্রায়ক্ষেত্রে যে ভুলটা করি তা হচ্ছে অদম্য কিউরিসিটি! তাড়াতাড়ি ক্যামেরার প্যাকেট খুলে জেনে বা না-জেনে বিভিন্ন বাটন বা অপশন নিয়ে টিপাটিপি। তরতাজা নতুন ক্যামেরাটির এখন ল্যাবরেটরীর অসহায় গিনিপিগের মত অবস্থা!
প্রথমে ক্যামেরার সাথে যা যা থাকার কথা সবকিছু আছে কিনা দেখুন। তারপর ৩০টি মিনিট ধৈর্য ধরে প্যাকেটের ব্যবহার গাইড/ম্যানুয়েলটি পড়ুন। ইদানিং PDF ফরমেটে সিডিতে ম্যানুয়েল দেয়া হয় যা কমপিউটারে পড়তে হয়। সেখানকার নির্দেশ অনুসারে প্রাথমিক সংযোজন শেষ করে আপনার ক্যামেরার সাথে পরিচিত হউন। কোন বাটন কী কাজ করে ও কোন অপশনটি কোন মেনুতে গেলে পাবেন ইত্যাদি জেনে আপনার প্রিয়তম মানুষটির শট নিয়েই না হয় পরীক্ষানিরীক্ষা শুরু করুন।

ডিজিটাল ক্যামেরার জগতে আপনাকে স্বাগতম!

অটোমুডে ছবি তোলা
কমপাক্ট ক্যামেরার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত অপশন।

১) ক্যামেরা অন করে অটো মুড নির্বাচন করুন।

২) দৃশ্যের গুরুত্বপূর্ণ বস্তু/ব্যক্তিকে ভিউ ফাইন্ডার/মনিটরের মাধ্যমে ফোকাস এরিয়াতে (সেন্টার পয়েন্ট) কম্পোজ করুন।

৩) শাটার বাটনকে অর্ধেক (উচ্চতার ৫০%) চাপ দিয়ে এ জায়গায় স্থির রাখুন। ক্যামেরা এখন আপনার নির্বাচিত দৃশ্যের ছবির জন্য প্রোগ্রাম সেটিং করবে। যখন দেখবেন কম্পোজ ফ্রেমের রং পরিবর্তন হয়েছে বা একটা বিপ দিয়েছে, তার অর্থ ক্যামেরা রেডি।

৪) এখন শাটার বাটনের বাকী অর্ধেক চাপ দিন। ক্যামেরা ছবিটি উঠিয়ে মেমোরিতে সেভ করবে। ঠিক এই মুহুর্তে ক্যামেরা একটি বিপ দিতে পারে।

৫) ভিউ/প্লে অপশন নির্বাচন করে ছবিটি মনিটরে দেখতে পারেন।

উল্লেখ্য, বিভিন্ন সময় ও অবস্থানের ছবির জন্য সরাসরি প্রি-প্রোগ্রাম সীন মুড থেকে অপশন সিলেক্ট করবেন যদি সে ধরনের মুড থাকে। এতে ক্যামেরার জন্য কম্পোজ করা সহজ হয়।

এখন অনেকেই শখের বশে ক্যামেরা হাতে নিয়ে ফটোগ্রাফি শিখতে চান, তাই ক্যামেরা কেনার আগে ও পরে চাই একটু বাড়তি সতর্কতা।

সুত্রঃ খবরটোয়েন্টিফোর.কম:

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

11 মন্তব্য

  1. খুব সুন্দর ও কাজের পোস্ট। প্রিয়তে নিলাম।

  2. দারুন টিপস গুলো আমার কাজে লাগবে ….. কারন কয়েকদিন পরে ক্যামেরা কিনতে পারি ….
    শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ । সারভার কুইন ভাই / আপু ( কোনটা বলবো ) ;) :D

  3. রিয়াল্লি এটা একটা অসাদারন পোস্ট আমি গ্রাফিক্স Design করি স আমার একটা কামের দরকার দিয়ার এডমিন আপনি কি বলতে পারেন লো কোস্ট এ মোটামোটি একটা কামেরা আর বাপেরি বললে উপকৃত হতাম.Tnx

  4. অসাধারন পোষ্ট! আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, ভাল থাকবেন।

মন্তব্য দিন আপনার