আজ ১৯শে ডিসেম্বর,বাংলা ব্লগ দিবস :ব্লগ ও বাংলা ব্লগের ইতিবৃত

6
546

ব্লগের উৎপত্তি:
১৯৯৭ এর ১৭ ডিসেম্বর, ” Jorn Barger” নামক এক ব্যাক্তি সর্বপ্রথম ‘ weblog ‘ শব্দটির উদ্ভাবন করেন। পরবর্তীতে, ‘Peter Merholz’- যিনি তার নিজস্ব ব্লগ Petermeএ একরকম কৌতুক করেই ‘ weblog ‘ শব্দটিকে ভাগ করে ‘ blog’ বলে সম্বোধন করেন ১৯৯৯ এর এপ্রিল বা মার্চের দিকে। তারপর থেকে ‘ blog ‘ শব্দটির ব্যাবহার বেড়ে যেতে থাকে। Evan Williams নামক এক ব্যাক্তি blog শব্দটিকে যথাক্রমে ‘ বিশেষ্য’ ও ‘ক্রিয়াপদ’- দু ভাবেই কাজে লাগান। তিনিই ‘Blogger’ কথাটির উদ্ভাবন করেন। ‘ব্লগিং’- এর জনপ্রিয়তার পূর্বে ‘ডিজিটাল কমিউনিটি’ বা ‘অনলাইন যোগাযোগ’ এর অন্যান্য জনপ্রিয় মাধ্যমগুলো ছিলো Usenet, GEnie, BiX, CompuServe, এবং BBS, ইত্যাদি। তখনকার জন্য এগুলো জনপ্রিয় হলেও এগুলোর সাহায্যে খুব কষ্ট করেই Running conversation- এর কাজগুলো করা হতো। কিন্তু আধুনিক ব্লগিং এর সুবাদে মানুষ এখন খুব সহজেই সামাজিক যোগাযোগ রক্ষা করতে পারছে। ব্লগিং মানুষকে দিয়েছে তার নিজস্ব একটি পরিচয়। যারা ব্লগিং করে, তাদেরকে বলা হয় ব্লগার। ব্লগাররা সাধারনত নিজেদেরকে ‘Diarists’ বা ‘Journalers’.ও বলতে পারে। Justin Hall, যিনি পার্সোনাল ব্লগিং শুরু করেছিলেন ১৯৯৪ সালে। তখন তিনি ‘Swarthmore College’-এ পড়তেন। তাকে ধরা হয় ব্লগিং-এর ইতিহাসের সবচেয়ে পুরনো ব্লগার। সেসময়ের চলমান কিছু জনপ্রিয় ব্লগের মধ্যে ‘Jerry Pournelle’ এবং ‘Dave Winer’s’- এর পার্সোনাল ব্লগ ছিলো অন্যতম। এগুলো ছিলো সবচেয়ে পুরনো এবং দীর্ঘসময় ধরে চলা জনপ্রিয় ব্লগ। ব্লগিং এর জনপ্রিয়তা বাড়ার সাথে সাথে এর চাহিদাও বাড়তে থাকে। এতে যোগ হয় বিভিন্নরকম প্রযুক্তি। তার বদৌলতে বর্তমানের ব্লগসাইটগুলো মেইনটেইন করার জন্য ব্রাউজার ভিত্তিক কিছু সফ্টওয়্যার ব্যাবহার করা হয় যা সাইটগুলোকে মেইনটেইন করার কাজ করে থাকে।
১৯৯৯ থেকে ব্লগিং- এর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায় এবং তা এখনও রয়েছে। Bruce Ableson নামক এক ব্যাক্তি ১৯৯৮ সালের অক্টোবরে ‘ওপেন ডায়েরি’ নামক একটি ব্লগ খোলেন এবং রাতারাতি তার ব্লগের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। হাজার হাজার ব্লগার তার ব্লগের সাথে যুক্ত হন এবং এটিই সর্বপ্রথম ব্লগ কমিউনিটি যেখানে, অন্যান্য ব্লগারদের লেখায় মন্তব্য করার সুযোগ দেয়া হয়। এছাড়া Evan Williams এবং Meg Hourihan যারা Pyra Labs-এ কাজ করতেন, ১৯৯৯ সালে তারা চালু করেন তাদের নিজস্ব ব্লগ সাইট “blogger.com”, যা ২০০৩ এর ফেব্রুয়ারিতে Google কিনে নেয়।

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

 জনপ্রিয়তা ও রাজনৈতিক প্রভাব
২০০২-এ ব্লগিং এর জনপ্রিয়তা অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়। চলমান বিশ্বের যাবতীয় খবর, খেলা-ধুলা, ব্রেকিং নিউস ইত্যাদি নিয়ে অনেক ব্লগ তৈরি হয়। পৃথিবীর যাবতীয় খবরাখবর চলে আসে মানুষের হাতের মুঠোয়। বিভিন্ন যুদ্ধ, বিশেষ করে ‘ইরাক যুদ্ধ’ নিয়েও অনেক ব্লগ লেখা হয় যা, ব্লগকে নিয়ে আসে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। আমেরিকার বিভিন্ন নামকরা রাজনৈতিক নেতারাও ব্লগ লেখা শুরু করেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যু উঠে আসে জনগনের সামনে। মার্কিন সেনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা ‘ট্রেন্ট লট’, একটি পার্টিতে মার্কিন সেনেটর ‘স্ট্রম থারমন্ড’ এর সাথে এক আলোচনায় বলেন, ‘থারমন্ড’ যদি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হন তাহলে তা আমেরিকার জন্য সুফল বয়ে আনবে। তখন ‘লট’ এর সমালোচকরা দেখলো যে, ‘লটের’ এই মন্তব্যের পেছনে একটি ‘জাতিগত বিভক্তি’ তত্ত্ব কাজ করছে যা ‘থারমন্ড’ একসময় চেয়েছিলেন। Josh Marshall’- এর ‘Talking Points Memo’ – নামক একটি ব্লগে এই কথোপকথন ও ভিডিও চিত্র উঠে আসে যা আরও অনেক ব্লগারদের নাড়া দেয়। ব্লগাররা নেমে পরে প্রতিবাদে। কোন প্রধান মিডিয়া প্রতিষ্ঠান এই ঘটনাটি মিডিয়ার সামনে প্রকাশ করেনি যতক্ষণ না ব্লগ এই ঘটনাটি ফাঁশ করে দেয়। পরবর্তীতে, ব্লগটি রাজনৈতিক সঙ্কট তৈরি করে যা ‘লট’-কে তার পদ থেকে সরে দাড়াতে বাধ্য করে। ২০০৪ সাল নাগাদ ব্লগ হয়ে ওঠে রাজনৈতিক আলোচনা, খবর, এবং পরামর্শের প্রধান মাধ্যম। বিভিন্ন যুদ্ধে ব্লগকে ব্যাবহার করা হয়েছে সাধারন তথ্য প্রবাহের নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে।
২০০৫ এর জানুয়ারিতে ‘Fortune magazine’ ৮ জন ব্লগারের একটি লিস্ট প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, এই ৮ জন ব্লগারকে পৃথিবীর যেকোন ব্যাবসায়িরা যেন একটু সমীহ করে চলে। এরা হলেন- পিটার রোজাস, জেনি জারডিন, বেন ট্রট, মেনা ট্রট, জোনাথন শোয়ার্জ, জেসন গোল্ডম্যান, রবার্ট স্কোবল, এবং জেসন কালাকানিস।

 

 

 

 

 

ব্লগের প্রকারভেদ
কোন ব্লগে কি ধরনের পোস্ট দেওয়া হয় তার উপর ভিত্তি করে ব্লগকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এদের মধ্যে কয়েকটি হল:

১. ব্যাক্তিগত ব্লগ
এখানে ব্যাক্তি কোন একটি বিষয়ের উপর তার মতামত পোষ্ট আকারে তুলে ধরেন এবং পাঠকদের সাথে এর উপর মতামত আদান প্রদান করেন। এই ধরনের ব্লগে সাধারনত কোন ব্যক্তি তার প্রতিদিনের জীবন যাত্রা এবং তার নিজস্ব মতামত প্রকাশ করে। ব্যক্তিগত ব্লগ বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয়। এ ধরণের ব্লগ ব্লগার তার নিজের শখ থেকে করে থাকে। তাদের ব্লগ কেউ পড়ুক বা না পড়–ক এতে তাদের কোন আসে যায় না। নিজের আনন্দ লাভ করা এ ধরণের ব্লগের মূল উদ্দেশ্য।

২. সামাজিক ব্লগ
সামাজিক ব্লগ হল এমন ব্লগ সাইট যেখানে বিভিন্ন ব্যক্তি তাদের মতামত বা মুক্ত চিন্তা তুলে ধরতে পারে। একজন ব্যক্তি একটি পোষ্ট দেবার পর উক্ত ব্লগের অন্যান্য ব্লগাররা তার পোষ্টর উপর মন্তব্য করতে পারে। যেমন- সামহয়্যারইন ব্লগ, আমার ব্লগ ইত্যাদি সামাজিক ব্লগের অন্তর্ভূক্ত।

৩. ব্যবসায়িক ব্লগঃ
কোম্পানী/ প্রতিষ্ঠান তাদের কোন পন্য বা সেবার উপর নতুন নতুন তথ্য প্রদান করেন এবং পাঠক তাদের মতামত প্রদান করতে পারেন। এ ধরনের ব্লগ সাধারণত কোন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান তাদের পন্যের প্রচার বা গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ রক্ষার্থে করে থাকে। যেমন- গুগল ব্লগ, অপেরা ডেস্কটপ টিম ইত্যাদি।

৪. প্রশ্ন ব্লগ
প্রশ্ন ব্লগে ব্লগার প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন। এই প্রশ্ন কোন ফর্ম বা ই-মেইলের মাধম্যে ব্লগাদের কাছে পৌছান হয়। যেমন: ইয়াহু এনসার হল প্রশ্ন ব্লগ।

৫. খবর ব্লগ:
যে সকল ব্লগে বিভিন্ন সাম্প্রতিক খবরের উপর বিশ্লেষন স্থান পায় তাদেরকে খবর ব্লগ বা News Blog বলে। আরো কয়েক ধরনের ব্লগ বর্তমানে খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে যেমন মাইক্রো ব্লগ, টুইটার এমন একটি ব্লগ। এটি ব্যক্তিগত ব্লগের ভেতরেও পরে। এখানে কোন ব্লগার এখন কি করছেন বা ভাবছেন তা অতি সংক্ষিপ্ত আকারে লিখে থাকেন। যেমন: আমার টুইটার ব্লগ।
পোষ্ট করা ব্লগের ধরন অনুযায়ী ব্লগকে আবার কয়েকভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হল:
১) ফটোলগ: এ ধরনের ব্লগে ব্লগার তাদের ডিজিটাল ক্যামেরা দিয়ে তোলা
বা স্ক্যান করা ছবি আদান প্রদান করে থাকে।
২) ভিলগ: যে ব্লগে ব্লগার ভিডিও শেয়ার করা হয় তাকে ভিলগ বলে।
৩) লিংকলগ: বিভিন্ন ওয়েব সাইটের ঠিকানা দ্বারা গঠিত ব্লগ হল লিংকলগ

 

 

একটি ভাল ব্লগ যেভাবে লিখতে হয়ঃ

ব্লগিং সার্থকতার অন্যতম প্রধান শর্ত হলো ব্যতিক্রমধর্মী রচনা। নিচের কয়েকটি পদ্ধতি অনুসরন করে আপনার ব্লগ লিখলে আপনার ব্লগটি শুধু জনপ্রিয়তাই পাবে না, এটি পাঠককে আবার আপনার ব্লগে আসতে আগ্রহীও করবে।

(১) ব্লগের মূলভাষ্যঃ
প্রতিটি ব্লগই একটি নির্দিষ্ট শ্রেণীর পাঠককে লক্ষ্য করে লেখা উচিত। আপনার ব্লগের প্রধান পাঠক শ্রেণী চিহ্নিত করুন। কোন কোন পাঠক আপনার ব্লগটি পড়বেন এবং কেন? আপনি আপনার ব্লগের মাধ্যমে কি অর্জন করতে চান শুধু এটাই ভাববেন না। পাঠক আপনার কাছ থেকে কি চায় সেটিও ভাবুন। তারপর সিদ্ধান্ত নিন, কোনটি আপনার জন্য উপযুক্ত এবং তারপর সেটির উপর লিখুন।

(২) দ্বিধাহীন বক্তব্যঃ
আপনার লেখায় মনের ভাব প্রকাশে কখনই দ্বিধা করবেন না। এতে লেখাটি পাঠকের কাছে আপনার পরিচয় করিয়ে দেবে। মনে রাখবেন পাঠকের সাথে আপনার সম্পর্ক যত বেশি ঘনিষ্ট হবে আপনার ব্লগ এর সফল হবার সম্ভাবনা তত বেশি থাকবে।

(৩) শুধু লিংক দিয়ে দায় মুক্ত হবেন নাঃ
ব্লগিং একটি সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। তাই অনেক সময় দেখা যায় অনেকে তাদের পোষ্টে অন্য আরেকটি অনলাইন পোষ্টের লিংক যোগ করে দিয়ে দায়মুক্ত হতে চান। এই ভুলটি কখনই করবেন না। পাঠক আপনার লিংকের মাধ্যমে কোন মজার কিছু পড়তে চান না। এমনও হতে পারে পাঠক আপনার ব্লগ থেকে আপনি তাকে যেখানে পাঠাচ্ছেন সেই ব্লগটি বেশি পছন্দ করে ফেলতে পারে। ফলে আপনি পাঠক হারাবেন। বরং পাঠক ধরে রাখতে আপনার ব্লগে উক্ত লিংকের উপর আপনার মতামত জানিয়ে বিস্তারিত জানার জন্য লিংকটি দিয়ে দিতে পারেন। মনে রাখবেন কোন মন্তব্য ছাড়া একটি লিংক পাঠক হারানোর প্রথম লক্ষণ।

(৪) উৎস সরবরাহ
কখনই কোন অনলাইন ব্লগ বা ওয়েবসাইট থেকে লেখা চুরি করে কপিরাইট লঙ্ঘনের চেষ্টা করবেন না। এতে যেমন আপনি আইনি জটিলতায় পড়তে পারেন তেমনি পাঠকও হারাতে পারেন। তবে আপনি যদি কোন ওয়েবসাইটে এমন কোন তথ্য পান যা আপনি আপনার ব্লগে আলোচনা করতে চান তাহলে ঐ ব্লগ বা ওয়েবসাইটের একটি লিংক যুক্ত করে দিন, তাহলেই আর কোন সমস্যা থাকবে না তবে কপি পেস্ট এড়িয়ে চলাটাই অতি উত্তম।

(৫) লেখাকে সাজান
আপনার ব্লগ পোষ্টের দৃষ্টিনান্দকিকতা আপনার আলোচনার বিষয় বস্তুর মতোই গুরুত্বপূর্ণ। আপনার ব্লগ পোষ্টটি ছোট ছোট অনেকগুলো প্যারা করে সাজান। প্রতিটি প্যারায় সম্ভব হলে দুই বা তিনের অতিরিক্ত বাক্য ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। বেশিরভাগ পাঠক অনেক বাক্যের জড়োসড়ো করে সাজানো ব্লগ পড়তে আগ্রহী হন না। ব্লগে যথেষ্ঠ ফাকা জায়গা পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষনে সক্ষম হয় এবং পাঠককে সম্পূর্ণ ব্লগ পোষ্টটি পড়তে আগ্রহী করে। তবে সবসময় অল্প কথায় পোষ্ট দেবার চেষ্টা করুন যা পাঠক সহজে পড়তে পারে।

ব্লগের শাস্তি
প্রত্যেক সামাজিক ব্লগ সাইটেরই নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম-নীতি থাকে যা মেনে চলে ব্লগিং করতে হয়। কোন ব্লগার যদি উক্ত নীতিমালা ভঙ্গ করেন তবে ব্লগ সাইটের মডারেশন বোর্ড তাকে শাস্তি দেবার অধিকার রাখেন। শাস্তি স্বরুপ আপনার নির্দিষ্ট পোস্ট কিংবা মন্তব্য আপনার কিংবা লেখকের অনুমতি ছাড়াই মুছে দিতে বা ব্লগ থেকে সরিয়ে দিতে পারেন। এছাড়াও আপনার নীতিমালা ভঙ্গের অপরাধের মাত্রা যদি খুব বেশী হয় তবে আপনাকে ব্লগের সুযোগ সুবিধা কমিয়ে দিতে পারে, এমনকি আপনাকে পুরোপুরি ব্যান বা লগইন ব্যান করতে পারে। লগইন ব্যান করলে আপনি আপনার একাউন্ট আর কখনই ব্যবহার করতে পারবেন না। তাই ব্লগ একাউন্ট খুলে প্রথমেই ব্লগের নীতিমালা গুলো ভালভাবে জেনে-বুঝে ব্লগিং করা উচিৎ।

বাংলা ব্লগের ইতিহাস:
২০০৬ সালের প্রথম মাস থেকে শুর হয় বাংলা ব্লগিং এর ইতিহাস। প্রথমে একটি বাংলা ব্লগিংসাইট তার যাত্র শুরু করার পরপরই আরও একাধিক সাইট অনলাইনে বাংলা ব্লগিং এর সুবিধা নিয়ে উপস্থিত হয়। এখন বেশ কয়েকটি ব্লগিং সাইট বাংলাভাষী অনলাইন ব্যবহারকারীদের কাছে পরিচিত হয়ে উঠেছে। কয়েক বছর পার হবার পরও এদের কেউ কেউ তেমন জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারেনি, কেউ জনপ্রিয় হবার চেষ্টা করছে, আবার কেউবা নতুন শুরু করে জনপ্রিয়তা অর্জনের লড়াইয়ে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রণ করছে। স¤প্রতি বেশ কিছু সামাজিক ব্লগ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। নিচে কয়েকটি প্রসিদ্ধ সামাজিক ব্লগ সাইটের ঠিকানা দেয়া হল-
1. http://www.sachalayatan.com/
2. http://www.somewhereinblog.net/
3. http://amarblog.com/
4. http://www.sonarbangladesh.com/blog/
5. http:// http://www.techtunes.com.bd/
6. http://www.prothom-aloblog.com/
7. http://www.nirmaaan.com/blog/
8. http:// http://www.biggani.com/
9. http:// http://www.banglablog.bdnews24.com/
10. http://www.nishorga.com/
11. http://www.drishtipat.org/bangla/
12. http:// http://www.bishorgo.com/
13. http://www.amarbornomala.com

এগুলোর মধ্যে সামহয়্যারইন ব্লগ সবচেয়ে বেশী জনপ্রিয়। এছাড়া আমার ব্লগ এবং সচলায়তন বেশ জনপ্রিয়। সম্প্রতি সোনারবাংলা ব্লগ নামে নতুন আরো একটি ব্লগ সাইট চালু হয়েছে যার জনপ্রিয়তা সন্তোষজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়াও আন্তর্জাতিক কয়েকটি কোম্পানী ব্লগিং সাইট হিসেবে সারাবিশ্বেই তাদের জনপ্রিয়তা অনেক আগেই অর্জন করেছে। বিভিন্ন ফিচার বা সুবিধা নিয়ে এই ব্লগিং সাইটগুলো বিশ্বে কয়েক মিলিয়নের বেশী ব্লগকে প্রতিদিন সেবা দিয়ে যাচ্ছে।

 

আজ ১৯ ডিসেম্বর বাংলা ব্লগ দিবস
ব্লগিং এর শক্তি ও সম্ভাবনাকে আরো নিবিড়ভাবে বিস্তৃতির জন্য বিগত দুই বছর যাবৎ বাংলা ব্লগ দিবস পালিত হয়েছে। বিজয়ের মাস ডিসেম্বর বাংলা ব্লগিং এর জন্য ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে। ২০০৫ সালের এ মাসে বাংলা কমিউনিটি ব্লগের যাত্রা শুরু হয়। সে অবদান ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষিতকে সামনে রেখে ২০০৯ সালের ১৯শে ডিসেম্বর প্রথমবারের মত পালিত হয় বাংলা ব্লগ দিবস। বিভিন্ন ব্লগ প্ল্যাটফর্মের সাথে পরিচয়, ব্লগারদের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি ও ব্লগের সাথে সাধারণ মানুষের পরিচয় করিয়ে দিতে দিবসটি ইতিমধ্যে ভূমিকা রাখতে শুরু করেছে।৩য় বাংলা ব্লগ দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় ‘গণজাগরণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সাইবার আইন

 

 

 

তথ্যসূত্র
• প্রথম আলো ব্লগ (এম মিজানুর রহমানের ব্লগ)
• উইকিপিডিয়া
• Origins of “Blog” and “Blogger”, American Dialect Society Mailing List (Apr. 20, 2008).
• Google Search

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

6 মন্তব্য

মন্তব্য দিন আপনার