নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যে কোনও সময় পৃথিবীতে আছড়ে পড়তে পারে চীনা স্পেস স্টেশন!

0
266

কক্ষপথ থেকে ছিটকে বেরিয়ে যাবতীয় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পৃথিবীর দিকে ছুটে আসছে ‘তিয়াংগন-১’। চীনের পাঠানো মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র যে কোনও মুহূর্তে ভেঙে পড়বে পৃথিবীতে। যে কোনও জায়গায়।

ঠিক কোন জায়গায়, ঠিক কোন সময় তা ভেঙে পড়বে পৃথিবীতে, আছড়ে পড়বে পৃথিবীর কোথায়, কোন প্রান্তে, তা কিন্তু কেউই জানেন না।

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি (ইএসএ বা ‘এসা’) শুক্রবার এ খবর দিয়েছে।

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যে কোনও সময় পৃথিবীতে আছড়ে পড়তে পারে চীনা স্পেস স্টেশন!

তবে কখন, কোথায় তা ভেঙে পড়বে তা বলা যাচ্ছে না কারণ, কক্ষপথ থেকে ছিটকে বেরিয়ে পৃথিবীর দিকে হু হু করে ছুটে আসা ওই চীনা স্পেস ল্যাবের সাথে গ্রাউন্ড স্টেশনের সব যোগাযোগই ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। ৪০ ফুট লম্বা ‘তিয়াংগন-১’ এখন আক্ষরিক অর্থেই, বেলাগাম। বিশৃঙ্খলও!

‘এসা’ জানাচ্ছে, ‘তিয়াংগন-১’-এর শেষ যে গতিবেগ মাপা সম্ভব হয়েছিল, এখনও যদি তা-ই থাকে, তা হলে ৩১ মার্চ বা ১ এপ্রিল ওই চীনা স্পেস ল্যাব আছড়ে পড়বে পৃথিবীতে। তবে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। মাটিতে বা সমুদ্রের পানিতে পড়ার আগেই তা বায়ুমণ্ডলের সংঘর্ষে ভষ্মীভূত হয়ে যাবে।

তবে চীনের ম্যানড স্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং-এর অফিস জানিয়েছে, ওই স্পেস ল্যাব ভেঙে পড়তে পারে ১ বা ২ এপ্রিল। এর আগে ভাবা হয়েছিল তা পৃথিবীতে আছড়ে পড়তে পারে ৪ তারিখের মধ্যে।

ওই চীনা স্পেস ল্যাবের আরেকটি নাম- ‘হেভেনলি প্যালেস’। চীন যে নিজেদের একটি মহাকাশ স্টেশন বানাতে চলেছে ২০২২ সালের মধ্যে, তার ‘প্রোটোটাইপ’ হিসাবে এই স্পেস ল্যাবটি উৎক্ষেপণ করেছিল ২০১১ সালে। তবে ২০১৬ সালের মার্চ থেকেই ওই স্পেস ল্যাবের কাজকর্ম বন্ধ হয়ে গিয়েছিল বলে চীনের পক্ষে গত বছর জাতিসংঘে জানানো হয়েছিল।

এর আগে ১৯৭৯ সালে নাসার স্পেস স্টেশন ‘স্কাইল্যাব’ ভেঙে পড়েছিল। আর ২০০১ সালে ভেঙে পড়েছিল রাশিয়ার ১৩৫ টন ওজনের ‘মির স্টেশন’।

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

17 + three =