নেতিবাচক সহকর্মীদের মাঝেও ইতিবাচক থাকতে যা করনীয়

0
148

কর্মক্ষেত্রে নেতিবাচক ও বিরক্তিকর সহকর্মীর দেখা পাবেন। এরা শুধু ক্ষতিকারকই নয়, তারা সংক্রমকের মতো। ফ্রামিংহাম হার্ট স্টাডিতে কর্মক্ষেত্রে নেতিবাচক দিকগুলো সম্পর্কে হাজারো তথ্য সংগ্রহ করেছেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। অফিসে কর্মীদের সুখ কেড়ে নেয় নেতিবাচক মানসিকতার সহকর্মীরা। এমন কর্মী বা ক্লায়েন্টের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে দূরে দূরে থাকতে চান সবাই। কারণ এরাই আপনার উৎপাদনশীলতা নষ্ট করে। অফিসে কাজের মানসিকতা যাচ্ছেতাই করে দেয়। বিশেষজ্ঞরা জানান, কিছু উপায় রয়েছে যার মাধ্যমে নেতিবাচক সহকর্মীদের কার্যকলাপের মাঝেও মনটাকে উৎফুল্ল রাখতে পারবেন। এখানে জেনে নিন উপায়গুলো।

index82 নেতিবাচক সহকর্মীদের মাঝেও ইতিবাচক থাকতে যা করনীয়

Advertisement
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

১. সুখকর পোশাক পরুন : এমন কয়েকটা প্যান্ট রয়েছে যেগুলো পরলেই আপনার মন ভালো হয়ে যায়। আবার একটা সাদা শার্ট রয়েছে যা দেখলেই পরতে মন চায়। এমন পোশাক পরে অফিসে আসুন। ভালো পোশাক পরলে মনটাও সব সময় ভালো থাকে। খারাপ কিছু ঘটলেও মনটা সজীব থাকবে কেবলমাত্র পোশাকের কারণে।

২. প্রস্তুতি রাখুন : যদি এমন হয় যে আপনার অফিসে এমন কিছু সহকর্মী রয়েছেন যারা ভেজাল সৃষ্টি করেন, তবে মানসিক প্রস্তুতি নিয়েই অফিসে আসুন। আপনি ধরেই নেবেন, তারা আজও কোনো না কোনো যন্ত্রণা দেবে। আগাম প্রস্তুতি থাকলে হঠাৎ মন খারাপের ঝামেলা পোহাতে হবে না। এদের সঙ্গে যেকোনো নেতিবাচক কথোপকথনের প্রস্তুতি রাখুন।

৩. সহজাত সমবেদনা জানান : যিনি আপনাকে নিয়ে অযথাই অভিযোগ দাখিল করছেন তার প্রতি সমব্যথী থাকাটা সহজ কাজ নয়। তবে তাকে এমন কথা বলুন যেন, যদি কিছু করে থাকেন তবে সেজন্য দুঃখিত। আর তা সমাধানে কি করা যায় সে বিষয়ে আপনার আন্তরিকতা প্রদর্শন করুন। আপনার ইতিবাচক যেকোনো আচরণে নেতিবাচক দিকগুলো ধীরে ধীরে দুর্বল হতে থাকবে।

৪. অঙ্গভঙ্গিতে ইতিবাচক থাকুন : উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের মতো ঘটনায় বা নেতিবাচক আলোচনায় আপনার আচরণ হবে শান্ত ও ভদ্রোচিত। মানসিক চাপ আপনার মাঝে প্রকাশ পাওয়া চলবে না। এর জন্যে নিজের যত্ন নিতে হবে। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে দেহ-মনটাকে সুখকর অনুভূতিতে ভরিয়ে রাখা যায়। এতে খারাপ পরিস্থিতি বেশ শান্ত মনেই সামলে ওঠা সম্ভব। আপনার আত্মনিয়ন্ত্রণ, মনোযোগ এবং স্মৃতিশক্তি যেকোন স্ট্রেসপূর্ণ পরিস্থিতি থেকে সহজে বের করে আনতে পারে।

৫. মনোযোগের সঙ্গে কিছু শিক্ষাপ্রদান করুন : কুকুরকে কিভাবে ট্রেনিং দিতে হয় তা নিশ্চয়ই কিছুটা হলেও জানেন? তাদের অসংলগ্ন আচরণ এড়িয়ে যান। নিজের মধ্যে এমন আচরণ ফুটিয়ে তুলুন যেন তা অন্যদেরও চোখে পড়ে। এসব আচরণ তাদের কাছে অনুকরণীয় হয়ে উঠবে। নেতিবাচক সহকর্মীদের কটু মন্তব্যে দুই একটি শব্দের ব্যবহারে সমাধানমূলক জবাব দিন। আলোচনায় গঠনমূলক থাকুন। আপনার কথা ও কাজ তাদের কাছে শিক্ষণীয় হয়ে উঠবে।

Advertisement -
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

17 + five =