পৃথিবীর অন্যতম ভয়ঙ্কর দ্বীপ

By | 18/03/2016

ইহা দি কোয়াইমাদা গ্রান্দে। পর্তুগীজ এই শব্দের অর্থ ভূমি পরিষ্কার করে এমন আগুনের দ্বীপ। ব্রাজিলের সাও পাওলো থেকে ৯০ মাইল দূরে অবস্থিত এই দ্বীপের সমস্ত গাছ একসময় জবালিয়ে দিয়ে সেখানে কলা চাষের পরিকল্পনা হয়। সেই থেকেই এই দ্বীপের নাম আগুনের দ্বীপ। কিন্তু মাঝ পথে কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কলার দ্বীপ পরিণত হয় সাপের দ্বীপে। জি নিউজের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানা যায়।

index32

হয়তো অনেকেই প্রশ্ন করতে পারেন, কলার সঙ্গে সাপের কি সম্পর্ক রয়েছে? ইহা দি কোয়াইমাদা গ্রান্দে, এই ব্রাজিলীয় দ্বীপের সঙ্গে সাপের সম্পর্কটা অনেক পুরনো। ধীরে ধীরে সমুদ্রপৃষ্ঠ উঁচু হতে থাকায় অনেক দিন ধরেই এই দ্বীপে আটকে পড়ে বহু বিষধর সাপ। কলা চাষের পরিকল্পনা সফল হলে এই সাপেরা হয়ত থাকত না কিন্তু তা না হওয়ায় এই দ্বীপ পরিণত হয়েছে ‘স্নেক আইল্যান্ড’-এ।

পৃথিবীর সবথেকে ভয়ঙ্কর বিষধর সাপ থাকে এই দ্বীপে। এখানে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে একটি করে বিষধর সাপ পাওয়া যায়। এই সাপ একবার কামড়ালে আর জীবন ফিরে পাওয়ার উপায় নেই। তাই ব্রাজিলের সৌন্দর্য উপভোগ করলেও কখনই স্নেক আইল্যান্ডে অ্যাডভেঞ্চারের কথা ভাববেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *