মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়ানোর উপায়

By | 18/03/2016

মস্তিষ্ক আমাদের সম্পূর্ণ দেহের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। কেননা এই মস্তিকে রাখা আমাদের সমস্ত স্মৃতি, এই মস্তিষ্কই হচ্ছে আমাদের মন আর আমাদের পরিচয়ের ধারক। এই মস্তিষ্কই হচ্ছে আমাদের বুদ্ধিমত্তার উৎস।

মানসিক শক্তি আমাদের বুদ্ধিমত্তা দিয়ে মাপা যায় না। কারণ মানসিক শক্তির কোনো সীমা নেই। তবে চেষ্টা করলে মানসিক শক্তি ও মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়ানো যায়।

index29

প্রতিনিয়ত কিছু অভ্যাস করলে সহজেই বাড়ে মনের জোর ও মস্তিষ্কের ক্ষমতা। আসুন জেনে নেই সেই অভ্যাসগুলো কী?

নতুন কিছু করা
নিত্যনতুন কিছু করলে মস্তিষ্ক সঠিকভাবে উদ্দীপ্ত হয়। প্রতিদিনের অভ্যাসকে মাঝে মাঝে বদলানো প্রয়োজন। তাহলেই মস্তিষ্কের ক্ষমতা বেড়ে যায়। এছাড়া এটি আপনার বুদ্ধিমত্তা বাড়াতে সাহায্য করে।

নিয়মিত শরীরচর্চা
একথা বৈজ্ঞানিকভাবে সত্য যে, শরীরচর্চা মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। প্রতিবার শরীরচর্চায় মস্তিষ্কে নতুন কোষ তৈরি হয় যা মনের জোর বাড়াতে মুখ্য ভূমিকা নেয়।
মস্তিষ্কের প্রশিক্ষণ
অনেকেরই মনে রাখার ক্ষমতা অনেক কম। তা নিয়ে অনুতাপও করেন। তবে ঘটনা হল, মনের রাখা অভ্যাস করলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা অনেকখানি বেড়ে যায়।

ইতিবাচক ভাবনা
ক্লান্তি ও উদ্বেগ আপনার মস্তিষ্কের কোষকে ধ্বংস করতে পারে। এছাড়া মস্তিষ্কের মধ্যে থাকা নিউরোনের বৃদ্ধিতেও বাধা দিতে পারে। তাই সবসময় ইতিবাচক ভাবনা ভাবুন ও অযথা টেনশন করবেন না।

নেভিগেশন
স্মার্টফোন আসার পরে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত উদ্বেগ বেড়েছে অনেকখানি। এর ফলে আমাদের মস্তিষ্ক কুঁড়ে হয়ে গিয়েছে ও কর্মক্ষমতা কমে গিয়েছে। এর থেকে যতটা পারবেন বেরিয়ে আসুন।

ক্যালকুলেটরের অভ্যাস
আগে ছোটখাটো হিসাব মানুষ মুখে মুখেই করত। তাতে মস্তিষ্ক সচল থাকত। এখন সবকিছুই কম্পিউটার বা ক্যালকুলেটরে করে। ফলে এসব ছেড়ে বেরিয়ে এসে কিছু হিসাব মনে মনে করলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়তে পারে।
বই পড়া
আগে বাঙালিরা বই পড়ে সময় কাটাতো। এখন যুগের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে তা পাল্টেছে। নতুন প্রজন্ম ট্যাব, আইফোনে আচ্ছন্ন। কিন্তু বই পড়লে টেনশন ও ক্লান্তি দুটোই কমে। বইয়ে লেখা অক্ষর মনে ভাবনা তৈরি করে। কল্পনাশক্তি ও মনের জোর বাড়িয়ে দেয়।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *