ব্যাংকিং সেক্টরে ভয়াবহ সাইবার ক্রাইম দিন দিন বেরেই চলেছে

0
221

ব্যাংক ডাকাতদের এখন আর ব্যাংক এর ভল্ট ভাঙতে হয়না। অনলাইনের মাধ্যমে ঘরে বসেই হাতিয়ে নিতে পারে ব্যাংকের তথ্য আর অর্থ। গত কয়েক বছরে সাইবার ক্রাইম বেড়ে গেছে কয়েক গুণ।

বাৎসরিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতি বছর ১.৫ মিলিয়ন বার বিভিন্ন হ্যাক হয়ে থাকে। হিসাব অনুযায়ী প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার সাইবার অ্যাটাক হয়। ইন্টারনেট ব্যবহারকারী সকলেই এই সাইবার ঝুকিতে রয়েছে। বিশ্ব বাজারেও পরেছে এই সাইবার ক্রাইমের প্রভাব। ঝুঁকি আর উদ্বিগ্নতায় রয়েছে বিশ্বের বড় বড় আর্থিক কোম্পানিরাও।

Advertisement
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

গত বছরে ব্যাংকিং সেক্টরে এমন কিছু সাইবার ক্রাইম হয়েছে যা শুনলে আপনিও অবাক হয়ে যাবেন।

download (6) ব্যাংকিং সেক্টরে ভয়াবহ সাইবার ক্রাইম দিন দিন বেরেই চলেছে

২০১৫ সালে কারবানাক নামের একদল হ্যাকার ৩০টিরও বেশি দেশের ১০০টির মত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ১০০ কোটি মার্কিন ডলার অনলাইনের মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছে। প্রথমে ইউক্রেন এর একটি ব্যাংকে এ গড়মিল ধরা পরে। তারা বুঝে উঠতে না পেরে রুশ সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ক্যাসপারস্কি ল্যাবকে বিষয়টি জানায়।

ব্যাংকের নাম প্রকাশ না করে ক্যাস্পারেস্কি ল্যাব প্রকাশ করে ব্যাংকিং সেক্টরে ভয়াবহ সাইবার ক্রাইমের তথ্য। হ্যাকাররা রাশিয়া, জাপান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ ৩০টি দেশের ১০০টি ব্যাংকের টাকা তাদের ভুয়া অ্যাকাউন্টে সরিয়ে নিয়েছে।

উত্তর আমেরিকা ক্যাসপারস্কি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক পরিচালক ক্রিস ডগেন জানান, ‘হ্যাকাররা ই-মেইলের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংকিং সিস্টেমে ম্যালওয়ার ছড়িয়ে দিয়ে সিস্টেমকে নিয়ন্ত্রণ করে ব্যাংক এর টাকা অন্য ব্যাংকে সরিয়েছে।’

ক্যাস্পারেস্কি ল্যাব এর চিফ স্টাফ অ্যান্টন সিঙ্গারিভ এই বিষয় বলেন, ‘হ্যাকাররা এক একটি ব্যাংক হ্যাক করার জন্য অন্তত দুই মাস কাজ করেছে।’

তিনি আরো জানান যে, হ্যাকাররা ব্যাংকিং সিস্টেমের সকল কিছুই তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে টাকা এক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে নিয়ে যায়, এমনকি তারা এটিএম মেশিনও নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং এটিএম মেশিনকে না ছুয়েই টাকা উত্তোলন করে নেয়।

হ্যাকাররা ওই সকল ব্যাংকের কোনো গ্রাহককে ক্ষতি না করেই সরিয়ে ছিল ব্যাংকের টাকা। এর জন্য তারা সফটওয়্যার ব্যবহার করে গ্রাহকের টাকার পরিমাণকে বাড়িয়ে সেই বাড়তি টাকা অন্য ব্যাংকের ভুয়া অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করে নিয়ে নিজেদের সুবিধা মত এটিএম মেশিন থেকে টাকা উত্তোলন করে নিয়েছিল। এটিএম মেশিনগুলোকেও তারা এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করেছিল যেন সময়মত টাকাগুলো মেশিন থেকে বের হয়ে আসে।

গত বছর এমন সাইবার ক্রাইমের কবলে পরেছে আরো বেশ কিছু দেশ ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ই-পেমেন্ট সার্ভিস। ব্রাজিলিয়ান পেমেন্ট সার্ভিস থেকে প্রায় ৩.৭৫ বিলিয়ন টাকা চুরি করে নিয়েছিল হ্যাকাররা।

Advertisement -
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

18 − four =