কম্পিউটার পণ্যে ভ্যাট বিভ্রান্তি !!!!

0
130

কম্পিউটার পণ্যে ভ্যাট প্রত্যাহার নিয়ে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) একটি প্রজ্ঞাপন (২০১৬ সালের এসআরও নং ৩২) জারির পর তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। গণমাধ্যমেও এই ভ্যাট প্রত্যাহার নিয়ে এক ধরনের অস্পষ্ট সংবাদ এসেছে। আসলে কীভাবে কোথায় কতটুকু ভ্যাট প্রত্যাহার হলো আর হলো না, তা নিয়েই এই লেখা। এর মাধ্যমে আশা করছি বিভ্রান্তি কেটে যাবে।

মূলত এই প্রজ্ঞাপন জারির পর গণমাধ্যমে সংবাদ আসতে থাকে যে, এখন থেকে বিনা শুল্কে কম্পিউটার তথা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের সব পণ্য আমদানি করা যাবে। একইসঙ্গে এই সংবাদও আসে যে, কম্পিউটার পণ্য হতে ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছে। দু’একটি গণমাধ্যমে এনবিআর চেয়ারম্যানকেও উদ্ধৃত করে খুচরা পর্যায়ে কম্পিউটার বিক্রির ওপর যে ভ্যাট ধার্য করা হয়েছিল তাও প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে বলে প্রচার করা হয়।এর পরিপ্রেক্ষিতে তথ্যপ্রযুক্তি খাতসংশ্লিষ্ট কেউ কেউ কথিত ভ্যাট প্রত্যাহারে তৃপ্ত হয়ে বলছেন, এটি আমাদের বাড়তি পাওনা।

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

প্রজ্ঞাপনটি ভাল করে খতিয়ে দেখলে বোঝা যাবে আসলে কোনো কম্পিউটার পণ্যকেই শুল্কমুক্ত আমদানির কথা এতে বলা হয়নি । এর তালিকায় যেসব পণ্যের নাম রয়েছে সেসব আমদানিকালে ২ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে । তাছাড়া যে বিষয়টি প্রজ্ঞাপনটিতে উল্লেখ নেই তা হচ্ছে শুল্কনীতি মোতাবেক ঐসব পণ্যের জন্য ৪ শতাংশ অগ্রীম ভ্যাট (অ্যাডভান্স ট্রেড ভ্যাট, সংক্ষেপে এটিভি) আবশ্যকীয়ভাবে দিতে হবে। অন্যদিকে আমদানিকৃত পণ্য ছাড় করাতে গেলে ক্ষেত্রভেদে ০.২৫ শতাংশ থেকে ০.৫ শতাংশ হারে অন্যান্য সারচার্জ প্রদান করতে হয়।

BD Gezzette1 কম্পিউটার পণ্যে ভ্যাট বিভ্রান্তি !!!!BD Gezzette2 কম্পিউটার পণ্যে ভ্যাট বিভ্রান্তি !!!!

অতএব দেখা যাচ্ছে, এই প্রজ্ঞাপনে তালিকাভুক্ত পণ্যসমূহের জন্য আমদানি কালে শুল্ক, এটিভি এবং অন্যান্য সারচার্জ বাবদ আমদানি মূল্যের উপর সর্বসাকুল্যে ৬.২৫ হতে ৬.৫ শতাংশ হারে অর্থ প্রদান করে তবেই সেসব খালাস করা যাবে, একেবারে বিনাশুল্কে নয় ।

আরেকটি বিষয়, যেহেতু এই প্রজ্ঞাপন জারিকে কেন্দ্র করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের অনেকেই এবং গণমাধ্যমেও ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে স্বস্তিপ্রকাশ করছেন, সেহেতু ভ্যাট সংক্রান্ত বিষয়টি যতটুকু সম্ভব স্পষ্ট করা প্রয়োজন । ঐসব ব্যক্তিবর্গ এবং মিডিয়া ‘ভ্যাট’ বলতে যা বুঝিয়েছেন তা হচ্ছে পণ্য উৎপাদন, সরবরাহ এবং বিক্রয় পর্যায়ে প্রদেয় ভ্যাট। মজার ব্যাপার হচ্ছে- প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখিত ‘সমুদয় মূল্য সংযোজন কর হইতে অব্যাহতি প্রদান করিল’- এই শব্দগুচ্ছ দেখে উনারা সম্ভবত উৎপাদন, সরবরাহ এবং বিক্রয় পর্যায়ের ভ্যাট বুঝে নিয়েছেন ।

আসলে এতে কোনভাবেই উৎপাদন, সরবরাহ এবং বিক্রয় পর্যায়ে ভ্যাটের কথা বুঝানো হয়নি। বুঝানো হয়েছে যেসব পণ্যের আমদানি শুল্ক ২ শতাংশ এর অধিক হয়ে থাকে সেসব পণ্য ছাড় করাতে কাস্টমস্ হাউজ থেকে ছাড়পত্র আনতে হলে অন্যান্য শুল্কাদির সাথে পণ্যভেদে যে পরিমাণ ভ্যাট (সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ) পরিশোধ করতে হয় সেই ভ্যাটের কথা।

এখানে ‘সমুদয়’ শব্দটি ব্যবহারের কারণে বোঝার ক্ষেত্রে বিপত্তি ঘটে থাকতে পারে। সে কারণে বলা বাঞ্ছণীয় ‘সমুদয় ভ্যাট’ এবং ‘সকল পর্যায়ের ভ্যাট’ কোনভাবেই এক কথা নয়। ‘সমুদয় ভ্যাট’ বলতে কোন একটি বিশেষ পর্যায়ের ‘সকল ভ্যাট’ বুঝায় এবং ‘সকল পর্যায়ের ভ্যাট’ বলতে যত পর্যায়ে ভ্যাট হতে পারে (আমদানি, উৎপাদন, সরবরাহ ও বিক্রয়) তার সবগুলো পর্যায়ের ভ্যাট সম্পর্কে যখন যা বলা হবে তখন তা বুঝে নিতে হবে। এই প্রজ্ঞাপনে উল্লেখিত পণ্যসমূহের জন্য আমদানি পর্যায়ে ‘সমুদয় ভ্যাট’ অব্যাহতির কথা বলা হয়েছে, অন্য কোনো পর্যায়ের নয় ।

কাজেই কম্পিউটার পণ্যের উপর হতে সরবরাহ ও বিক্রয় পর্যায়ে ভ্যাট প্রত্যাহার হয়নি। স্ব-স্ব ক্ষেত্রে আগের মতোই তা বহাল রয়েছে। এই ব্যাখ্যায় কারো সংশয় থাকলে অনুগ্রহপূর্বক এনবিআরের সংশ্লিষ্ট বিভাগে জিজ্ঞেস করে তিনি বা তারা এ ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারেন।

মূলত এনবিআরের কাঠামো এবং সেই ভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে ভ্যাট সংক্রান্ত ভুল বুঝাবুঝির কোনো অবকাশ থাকার কথা নয়। উক্ত প্রতিষ্ঠানের অনেকগুলো বিভাগের মধ্যে আলোচনার সংশ্লিষ্টতা হেতু এখানে দু’টি বিভাগের কথা উল্লেখযোগ্য, যথা- ভ্যাটনীতি বিভাগ এবং শুল্কনীতি বিভাগ। পণ্য উৎপাদন, সরবরাহ ও বিক্রয় পর্যায়ে ভ্যাট সংক্রান্ত বিষয়াদির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত এবং তা কার্যকরে ব্যবস্থা করে থাকে ভ্যাটনীতি বিভাগ।অন্যদিকে আমদানিকালীন পণ্যের সকল প্রকার প্রদেয় শুল্ক, ভ্যাট বা অগ্রীম ভ্যাট, অগ্রীম আয়কর, সারচার্জ ইত্যাদি সংক্রান্ত বিষয়াদির ব্যাপারে শুল্কনীতি বিভাগ সিদ্ধান্ত এবং তা কার্যকরে ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

ভ্যাটনীতি বিভাগ থেকে যেসব প্রজ্ঞাপন জারি হয়ে থাকে সেসবের শিরোনামের শেষাংশে ‘মূসক’ লেখা থাকে, যেমন- ‘এস,আর,ও, নং-১১৯-আইন/২০১৫/৭২৫-মূসক’। আর শুল্কনীতি বিভাগ থেকে যেসব প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় সেসবের শিরোনামের শেষাংশে ‘কাস্টমস্’ লেখা থাকে। এক্ষেত্রে বক্ষমান প্রবন্ধসংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপনটির শিরোনাম- ‘এস, আর, ও নং ৩২-আইন/২০১৬/০২/কা্স্টমস্’-এর শেষাংশ (‘কা্স্টমস্’) লক্ষণীয়। এতে প্রমাণিত হয় যে, এই প্রজ্ঞাপন সংক্রান্ত সিদ্ধান্তসহ এর যাবতীয় কার্যক্রম সাধন করেছে শুল্কনীতি বিভাগ। তাইএর মাধ্যমে কেবলমাত্র এতে তালিকাভুক্ত পণ্যসমূহের আমদানিকালীন প্রদেয় শুল্ক ও ভ্যাটই নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে, অন্য কোনও পণ্যের কোনও পর্যায়ের কোনও কিছু সম্পর্কে কিছুই নির্ধারণ করে দেয়া হয়নি।

আশা করছি শুল্ক, অগ্রীম ভ্যাট এবং সরবরাহ ও বিক্রয় পর্যায়ের ভ্যাট সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত কোন বিভাগ কী গ্রহণ করবে সে ব্যাপারে মোটামুটি একটি স্পষ্ট ধারণা দেওয়া গেছে। প্রসঙ্গত, এখানে বলা বাহুল্য হবে না যে, সব মিলিয়ে এই প্রজ্ঞাপন জারির মধ্য দিয়ে ভ্যাট সংক্রান্ত ব্যাপারে একটি ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ অবস্থার উদ্রেক ঘটেছে বলে মনে হলেও এতে আসলে কোনো ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ নেই। যা আছে তা হচ্ছে ভ্যাট সংক্রান্ত বিষয়াদিতে অস্পষ্ট ধারণা এবং একই সাথে গণমাধ্যমের প্রচারণায়ও অস্পষ্টতা। এই প্রজ্ঞাপনটি জারির আদ্যোপান্ত বর্ণনার মাধ্যমে বিষয়টি আরও পরিস্কার হয়ে যাবে।

আট মাস আগের কথা। স্বনামখ্যাত একটি অ্যান্টিভাইরাসের বাংলাদেশে আমদানি ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ইলেক্ট্রনিক ডেলিভারির মাধ্যমে তাদের আমদানিকৃত সফটওয়্যার ছাড় করাতে গেলে চোখ ছানাবড়া হয়ে যায়। কারণ বিগত নয় বছর ধরে তারা ২ শতাংশ শুল্ক, ৪ শতাংশ এটিভি এবং ০.২৫ থেকে ০.৫ শতাংশ অন্যান্য সারচার্জসহ সর্বসাকুল্যে আমদানি মূল্যের উপর ৬.২৫ হতে ৬.৫ শতাংশ হারে শুল্কাদি পরিশোধ করে সফটওয়্যার ছাড় করে আসছিলেন। কিন্তু চলতি অর্থবছরের (২০১৫ – ২০১৬) বাজেট ঘোষণার পর হঠাৎ করে এই ধারার বত্যয় ঘটতে দেখা যায়। কারণ এবার উক্ত সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের আমদানিকৃত সফটওয়্যারের উপর ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক, ৪ শতাংশ অ্যাডভান্সড ট্রেড ভ্যাট, ১৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ০.৫ শতাংশ অন্যান্য সারচার্জ, অর্থাৎ সব মিলিয়ে আমদানি মূল্যের উপর ২৪.৫ শতাংশ শুল্কাদি নির্ধারণ করা হয়- যা প্রদান করে পণ্য ছাড় করাতে গেলে নির্ঘাত ব্যবসায় লাটে উঠবে।

সে অবস্থায় অতিরিক্ত ট্যারিফ আরোপ সংক্রান্ত বিষয়টির সুরাহা করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা্ গ্রহণের জন্য আমদানিকারক ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানটি বিগত ২৯ জুন ২০১৫ তারিখে সংশ্লিষ্ট ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন বেসিসকে চিঠি পাঠায়। সেই চিঠির বরাতে বিগত ৫ জুলাই ২০১৫ তারিখেএনবিআরের চেয়ারম্যান বরাবর বেসিসের সভাপতি লিখিত “Anti-virus / Security Software-এর Import Duty নির্ধারণ প্রসঙ্গে” বিষয়ক একটি চিঠিসহ সম্মিলিত একটি টিম তার সাথে সাক্ষাত করে। চেয়ারম্যান বিষয়টির সুরাহা করে দেয়ার আশ্বাস প্রদান করেন।এরপর আমদানিকারকের পক্ষ হতে এনবিআর এবং বেসিসের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে প্রতিবার একই উত্তর পাওয়া যায় যে, বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। এভাবে চলতে থাকার এক পর্যায়ে নভেম্বর ২০১৫ এরমাঝামাঝি সময়ে একটি সূত্রে জানা যায় অ্যান্টিভাইরাস/সিকিউরিটি সফটওয়্যারের অতিরিক্ত আমদানি শুল্ক রহিতপূর্বক ন্যূনতম শুল্ক আরোপ করে একটি প্রজ্ঞাপন জারির জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়া গেছে।

এনবিআরের সাথে যোগাযোগ করে প্রাথমিকভাবে খবরের সত্যতা পাওয়া গেলেও দিন কয়েক পর জানা যায় ইতিপূর্বে এনবিআর জারিকৃত অনুরূপ একটি প্রজ্ঞাপনের (২০১১ সালের এস,আর,ও, নং ১৫৭) সাথে সমন্বয় সাধন করে তবেই নতুন একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে । এর অর্থ দাঁড়ালো এ রকম যে, পুরো কর্মকাণ্ডটি পুনঃপ্রক্রিয়াকরণের পর সম্পন্ন করতে হবে।অর্থাৎ এনবিআরের নীচ-উপর, উপর-নীচ এবং একইভাবে অর্থ মন্ত্রণালয়েও নীচ-উপর ও উপর-নীচ করে অনুমোদনের পর এনবিআরে ফিরে আসবে। তারপর সেখানে সংশ্লিষ্ট শাখায় এসআরও,’র খসড়া তৈরি হবে। তাতে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রধান এবং প্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্তৃক সন্মতি প্রদানের পর পুনরায় অনুমোদনের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। অর্থ মন্ত্রণালয় হতে অনুমোদনের পর তা ভেটিং এর জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। ভেটিং এর পর তা এনবিআরে ফিরে আসলে এসআরও’র চূড়ান্ত বিষয়বস্তু তৈরি হবে। তাতে একটি চূড়ান্ত নম্বর প্রদানের জন্য পুনরায় তা আইন মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হবে। নম্বর প্রদানের পর তা মুদ্রণের জন্য তেজগাঁওয়ের সরকারি মুদ্রণালয়ে প্রেরণ করা হবে। মুদ্রণের জন্য কমপক্ষে এক সপ্তাহ সময়ের প্রয়োজন হবে।

আসলেই উপরোক্ত প্রক্রিয়াদি শেষ করে শেষ পর্যন্ত ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তারিখে সমন্বিত এই প্রজ্ঞাপনটি (এস, আর, ও, নং ৩২) জারি এবং ১৭ ফেব্রুয়ারি তা মুদ্রিত আকারে প্রকাশ করা হয়। এ কথা স্বীকার করতেই হবে যে, এই প্রজ্ঞাপন জারির মধ্য দিয়ে শুল্কনীতি বিভাগ হতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের জন্য আমদানিকৃত বিভিন্ন পণ্যের উপর আরোপনীয় শুল্কাদির হার সমন্বিত একক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। আর সেসব শুল্কাদি ন্যূনতম হারেই ধার্য করা হয়েছে, যা কম কিছু নয়। এজন্য সরকার ধন্যবাদ প্রাপ্য।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কম্পিউটার পণ্যের উৎপাদন, সরবরাহ এবং বিক্রয় পর্যায়ে ভ্যাট প্রত্যাহার বা ন্যূনতম হারে তা ধার্য করার জন্য লিখিতভাবে কেউ এনবিআরকে অনুরোধ করেছেন বলে জানা যায়নি। সম্ভবত সে কারণেই এসব পর্যায়ের ভ্যাট সংক্রান্ত বিষয়ে এনবিআরের তরফ থেকে সম্প্রতি কোনও প্রজ্ঞাপন বা আদেশ জারি করা হয়নি। তবে সরকার স্বপ্রণোদিত হয়ে ন্যূনতম হারে উৎপাদন, সরবরাহ এবং বিক্রয় পর্যায়ে ভ্যাটনির্ধারণ করা যুক্তিযুক্ত। তাতে করে তথ্যপ্রযুক্তি পণ্যের মূল্য বেশ কিছু কম থাকার কারণে সাধারণ গ্রাহকরাই উপকৃত হবেন।

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

five × 2 =