কোন প্রকার অসুবিধা ছাড়াই কিনুন কম দামে বিদেশি পণ্য

By | 15/02/2016

 

অনেক সময় অনলিনে নানা ধরনের বিদেশী জিনিস আমাদের পছন্দ হয় টাকা থাকলেও আমরা কিনতে পারিনা কারন একটাই, আমাদের পেপাল না থাকায় আর শিপিং এর সমস্যার কারনে আমাজন,ই-বে ইত্যাদি আন্তর্জাতিক প্লাটফর্ম থেকে বাংলাদেশে কেনাকাটা করা অনেকটাই দু:সাধ্য ব্যাপার। আমাদের আমাজন,ইবে থেকে অনেক কিছু কেনার ইচ্ছা থাকলেও এসব ঝামেলার কারনে কিনতে পারিনা। কিছু বিকল্প ব্যবস্থা মাধ্যমে অনেকে কিছু ইমপোর্টার,ফেসবুকগ্রুপ থেকে প্রোডাক্ট আনাতে গিয়ে বেশীর ভাগ সময়ে নানান দুর্ভোগের স্বীকার হন। একেতো তাদের ডলার রেট অনেক বেশী তাই খাজনা থেকে বাজনা পরে বেশী আর সময়ও লাগে ১-২ মাস। তার উপর তারউপর প্রতারণার স্বীকার হওয়ার আভিজ্ঞতা। বাংলাদেশীদের হাতে অ্যামাজন ইবের প্রোডাক্ট তুলে দিতে দায়িত্ব নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালিতে তরুন বাংলাদেশী দুই উদ্যোগতা তাদের ব্যাকপ্যাক নামক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। যারা এটা সম্পর্কে জানেন না তাদের বলি,এটা একটা বাংলাদেশী উদ্যোগ।যেটি কিছু দিন আগে সিলিকন ভ্যালি থেকে বিশাল অঙ্কের ইনভেস্ট পেয়েছে। কি ভাবে কিনবেন? কেনাকাটা করার জন্য প্রথমে তাদের সাইটে নিবন্ধন করে সরাসরি প্রোডাক্ট এর নাম দিয়ে সার্চ দিতে পারেন তারা সরাসরি অ্যামাজন থেকে সরাসরি খুঁজে বের করে দিবে। আর যদি না পান তবে অ্যামাজন থেকে আপনি খুঁজে প্রোডাক্ট লিংকটি দিয়ে তাদের সাইটে ম্যানুয়াল রিকুয়েস্ট করে কিনতে পারবেন। কেন তাদের থেকে কিনবেন? অ্যামাজন ইবে থেকে যারা প্রোডাক্ট দেশে আনে তাদের মধ্যে কিছু ইমপোর্টার, ফেসবুক গ্রুপ আছে তাদের দিয়েই সাধারণত আমরা আমেরিকা ইউকে থেকে প্রোডাক্ট আনিয়ে থাকি। কিন্তু তাদের ডলার রেট সার্ভিস চার্জ অনেক বেশী এবং আসতে সময় লাগে ১-২ মাস। আর এই সব প্রতিষ্ঠানের কোন ভবিষ্যৎ বা স্থায়িত্ব নেই। সে হিসাবে ব্যাকপ্যাকই প্রথম ও একমাত্র পেশাদারী ইকমার্স সাইট যারা বৈধ ভাবে বিদেশ থেকে পণ্য এনে দেয়। চলুন ব্যাকপ্যাকের সাথে অন্যান্যদের পার্থক্য দেখা যাক। ১। ডলার রেটঃ *অন্যান্য ইমপোর্টার, ফেসবুক গ্রুপ এর ডলার রেট ৯৫-১১০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। * ব্যাকপ্যাকের ডলার রেট মাত্র ৭৮.৫০ টাকা। যা আন্তর্জাতিক মুদ্রার পরিবর্তনের হারের উপর উঠানামা করতে পারে। ২। সার্ভিস চারজঃ *অন্যান্য ইমপোর্টার, ফেসবুক গ্রুপ এর সার্ভিস ক্ষেত্র বিশেষে ২০- ৫০% হয়ে থাকে। * অপর দিকে ব্যাকপ্যাকের সার্ভিস চার্জ মাত্র ১৫-২০% যা পণ্যের ধরন পরিমান ইত্যাদির উপর নির্ভর করে। ৩। ট্যাক্সঃ *অন্যান্য ইমপোর্টার, ফেসবুক গ্রুপ থেকে পণ্য আনতে গেলে অনেক প্রোডাক্টের ক্ষেত্রে বিপুল পরিমানে ট্যাক্স ধরে যার কোন মা বাপ নেই। *অন্যান্য দিকে ব্যাকপ্যাক থেকে প্রোডাক্ট আনতে কোন ট্যাক্স নেই। কারন ট্রাভেলার যাত্রী হিসেবে নিজে বহন করে নিয়ে আসে যা কাস্টম ট্যাক্স লাগে না। লাগলেও তা খুব রেয়ার। ৪। ডেলিভারিঃ *অন্যান্য ইমপোর্টার, ফেসবুক গ্রুপে প্রোডাক্ট পেতে সময় লাগে ১ মাস থেকে ২ মাস। * অপর দিকে ব্যাকপ্যাকের ডেলিভারি ১০-১৫ দিনে আর ক্ষেত্র বিশেষে ১৬ থেকে ২০ দিনে। যদি ট্রাভেলার না থাকে তবেই একটু দেরি হতে পারে। একাউন্ট খুললে সুবিধা কি ব্যাকপ্যাকে সাইনআপ করলেই ৫০০ টাকা বোনাস ক্রেডিট হিসেবে দেওয়া হয় তবে তা রেফারালে। এই ৫০০ টাকা তারা আপনাকে বিকাশ করেও দিবে না বা ফ্লেক্সিলোডও করবে না। এই ৫০০ টাকা আপনি ব্যাকপ্যাকের মাধ্যমে যে কোনো প্রোডাক্ট কেনার জন্য ব্যায় করতে পারবেন। আর আপনি যদি ট্রাভেলার হিসেবে আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে আসার সময় ব্যাকপ্যাকএর প্রোডাক্ট নিয়ে আসেন তাহলে বোনাস ক্রেডিট হিসেবে ১৫০০ টাকা সহ প্রোডাক্ট প্রতি কমিশনও তারা দিয়ে থাকে। আপনি যদি ট্রাভেলার না-ও হোন তবুও সেই বোনাস ৫০০ টাকা আপনি যে কোনো প্রোডাক্ট কেনার ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারেন, তবে যেই প্রোডাক্টই কিনুন না কেন সেই প্রোডাক্ট এর দামের ৫০% কাটবে বোনাস ক্রেডিট থেকে আর বাকী ৫০% আপনাকে পে করতে হবে।এটা কোনো ধরনের স্ক্যাম নয় কেননা আমি নিজেই ব্যাকপ্যাক থেকে বেশ কয়েকবার প্রোডাক্ট আনিয়েছি এবং আরও একটা প্রোডাক্ট প্রসেসিংএ আছে। আমি জানি এই ৫০০ টাকা বোনাস এর বিষয়টা অনেকটা ফেসবুকে টিউমেন্টে দেখা ২ মিনিটে ৫০০ টাকা ইনকাম করুন টিউনের মতো লাগছে কিন্তু আসলে এটা তেমন নয়। এখান থেকে সাইন আপ করে আপনার ৫০০৳ ক্রেডিট বুঝে নিন।

মাসুদ রানা

(এখান থেকেও Signup করতে পারেন)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *