ইউনিকোড এবং ওপেনসোর্স কী ? আসুন জেনে নিই …।।

10
345
ইউনিকোড এবং ওপেনসোর্স কী ? আসুন জেনে নিই ...।।

শিক্ষানবিস

আমি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে পড়াশুনা করছি।
প্রযুক্তির বিশেষতঃ কম্পিঊটারের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানা আমার Passion ।ভাল লাগে গল্পের বই পড়তে। নিজেকে অনেক ভালবাসি । আর ভালবাসি আমার পরিবারের সবাইকে।
ইউনিকোড এবং ওপেনসোর্স কী ? আসুন জেনে নিই ...।।

ইউনিকোড

ইউনিকোড হচ্ছে অক্ষর সঙ্কেতায়নের একটি ব্যবস্থা, যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। আমরা সবাই জানি, কমপিউটারের ইংরেজি বা বাংলা কোনো ভাষাই বোঝার সাধ্য নেই। কমপিউটার শুধু দুটি জিনিস বুঝতে পারে, তা হচ্ছে- বিদ্যুতের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতি। কমপিউটার বিদ্যুতের উপস্থিতিকে ১ হিসেবে এবং অনুপস্থিতিকে ০ হিসেবে ধরে। ১ ও ০-এর নানারকম বিন্যাস ঘটিয়ে প্রতিটি বর্ণের জন্য ভিন্ন ভিন্ন কোড তৈরি করার ফলে কমপিউটার বর্ণ চিনতে পারে। এই কোডকে বলা হয় বাইনারি কোড। উদাহরণস্বরূপ, ইংরেজি বর্ণ অ-এর জন্য বাইনারি কোড হচ্ছে ০১০০০০০১ এবং ই লেখার জন্য ০১০০০০০১০, ছোট হাতের অক্ষরের জন্য আবার ভিন্ন বিন্যাসের বাইনারি কোডের প্রয়োজন পড়ে। আমেরিকানরা এই ব্যবস্থায় তাদের বর্ণমালার একটি ছক বানিয়ে তার নাম দিলো American Standard Code of Information Interchang (ASCII) বা সংক্ষেপে আসকি। আসকি কোডে ২৫৬টি বিন্যাস করার ব্যবস্থা ছিল, তাই অনেক দেশ এই কোড ব্যবহার করে তাদের বর্ণমালার ছক তৈরি করে নিল। আমাদের প্রতিবেশী দেশ তাদের জন্য বানিয়ে নিল ইসকি নামের কোড। আমাদের দেশের কমপিউটার কাউন্সিলের উচিত ছিল বাংলা ভাষার জন্য আসকি কোড ব্যবহার করে বাংলাদেশের আসকি বা বাসকি নামের কোডের উদ্ভাবন করা। কিন্তু তা কোনো কারণে করা সম্ভবপর হয়ে ওঠেনি, তাই বাংলা ভাষার জন্য আলাদা কোনো কোড তৈরি হলো না এবং আমরা প্রযুক্তির দৌড়ে কিছুটা পিছিয়ে পড়লাম। পরবর্তী সময়ে কয়েকজন বাঙালির নিরলস প্রচেষ্টার ফলে কমপিউটারে বাংলা লেখার পদ্ধতি আবিষ্কার হলো বটে, কিন্তু তাতে রয়ে গেলো কিছু ত্রুটি। এক কমপিউটারে লেখা কোনো কিছু অন্য কমপিউটারে পড়া সম্ভব হতো না। এর কারণ ছিল প্রত্যেকটি বর্ণের জন্য নির্দিষ্ট কোনো কোড ছিল না। এই ব্যবস্থায় ডাটা প্রসেসিংয়ের সময় তা বিকৃত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকত। যখন আসকি কোডে একটি কমপিউটারে দুইয়ের অধিক ভাষা ব্যবহার কষ্টকর হয়ে দাঁড়ালো, তখন সবাই চাইল এমন একটি ব্যবস্থা যাতে সব ভাষার বর্ণের জন্য ভিন্ন ভিন্ন কোড থাকে। পৃথিবীর সব ভাষাভাষীর জন্য তাদের ভাষায় কমপিউটিং করা সহজ করার লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশের পন্ডিতরা মিলে তৈরি করলেন ইউনিকোড।

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

সংক্ষেপে ইউনিকোডের সংজ্ঞা দিতে হলে বলা যায়, ইউনিকোড এমন একটি ব্যবস্থা যা বিশ্বের প্রত্যেকটি ভাষার প্রত্যেকটি বর্ণের জন্য একটি পরিচয় দিয়ে থাকে এবং তা কোনো প্ল্যাটফর্ম, প্রোগ্রাম বা ভাষার ওপর নির্ভরশীল নয়। ইউনিকোডে ৬৫,৫৩৬টি বিন্যাস রয়েছে, যার ফলে বিশ্বের শত শত ভাষার হাজার হাজার বর্ণের জন্য মিলল নির্দিষ্ট পরিচয়। ইউনিকোডে লেখা কোনো অক্ষর বিশ্ববাসী একইভাবে দেখতে পাবে, তার কোনো পরিবর্তন হবে না। এমনকি ডান দিক থেকে বাম দিকে লেখা ভাষার ( আরবি ও হিব্রু) বেলায়ও কোনো সমস্যা হয় না। তাই একে বলা হয় ইউনিভার্সাল ক্যারেক্টার সেট। আন্তর্জাতিক ও এলাকাভিত্তিক পর্যায়ে বানানো সব সফটওয়্যারে ইউনিকোডের ব্যবহার জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। XML, ECMAScript (Java Script), LDAP, COBRA 3.0, WM, Java, Microsoft .NETFramework ও আধুনিক অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে ইউনিকোডের ব্যবহার লক্ষণীয় হারে দেখা যাচ্ছে। বিশ্বের প্রযুক্তি শিল্পের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো যেমন- Apple, Hewlett-Packard, JustSystem, Microsoft, Oracle, SAP, SunMicrosystem, Sybase, Unisysmnসহ আরো অনেক প্রতিষ্ঠান ইউনিকোডে গ্রহণ করছে। ইউনিকোড দুই ধরনের ম্যাপিং সংজ্ঞায়িত করে, যার একটি হচ্ছে Unicode Transformation Format (UTF) এনকোডিং ও অপরটি হচ্ছে Universal Character Set (UCS) এনকোডিং। ইউনিকোডে অন্তর্ভুক্ত লিপিসমূহের মধ্যে রয়েছে- আরবি, আর্মেনীয়, বাংলা, ব্রাই বা ব্রেইল, কানাডীয় আদিবাস, চেরোকী, কপ্টীয়, সিরিলীয়, দেবনাগরী, ইথিওপীয়, জর্জীয়, গ্রিক, গুজরাটি, গুরুমুখী (পাঞ্জাবি), হান (কাঞ্জি, হাঞ্জা, হাঞ্জি), হাঙ্গুল (কোরীয়), হিব্রু, হিরাগানা ও কাতাকানা (জাপানি), আ-ধ্ব-ব, খমের (কম্বোডীয়), কন্নড়, লাও, লাতিন, মালয়ালম, মঙ্গোলীয়, বর্মী, ওডিয়া, সিরীয়, তামিল, তেলেগু, থাই, তিববতি, টিফিনাঘ, য়ি, ঝুয়িন ইত্যাদি।

ইউনিকোড কনসোর্টিয়াম

ইউনিকোডের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছে ইউনিকোড কনসোর্টিয়াম নামের একটি প্রতিষ্ঠান। এই সংস্থাটি একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। ইউনিকোড কনসোর্টিয়াম পরিচালনায় International Organization for Standardization (ISO), Internet Engineering Task Force (IETF), European Association for Standardizing Information and Communication Systems (Ecma International), Internet Engineering Consortium (IEC) এবং World Wide Web Consortium (W3C) সহায়তা করে থাকে যাতে সবস্তরে ইউনিকোডের ব্যবহার সুষ্ঠুভাবে হয় এবং এর সর্বব্যাপী বিকাশ হয়। কমপিউটারবিষয়ক কোম্পানি, সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান, ডাটাবেজ ভেন্ডর, সরকারি মন্ত্রণালয়, গবেষণা কেন্দ্র, আন্তর্জাতিক এজেন্সি এমনকি ব্যক্তিগতভাবেও ইউনিকোড কনসোর্টিয়াম সদস্যপদ দিয়ে থাকে। তাদের সদস্যপদ গ্রহণের জন্য ৬টি ভিন্ন ভিন্ন পদ রয়েছে এবং একেক ধরনের সদস্যপদের জন্য একেক রকম টাকা পরিশোধ করতে হয়। তাদের সদস্যপদের বিভাগ ও সদস্যপদ গ্রহণের মূল্য তালিকা হচ্ছে- পূর্ণ সদস্যপদ ১৫০০০ ডলার, প্রাতিষ্ঠানিক ১২০০০ ডলার, সমর্থিত ৭৫০০ ডলার, সহযোগী ২৫০০ ডলার, একক মালিকানা ১৫০ ডলার ও ছাত্রদের জন্য মাত্র ৫০ মার্কিন ডলার।

আমাদের জন্য খুবই আফসোসের বিষয় যে আমাদের দেশ এখনো এই সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেনি। কিন্তু আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত, পাকিসত্মান তা করে ফেলেছে। ইউনিকোডের অন্যতম সদস্যদের মধ্যে রয়েছে Adobe, Apple, DENIC eG, Google, IBM, Microsoft, NetApp, Oracle Corporation, SAP AG, Sun Microsystems, Sybase, Yahoo! ছাড়াও আরো অনেক প্রতিষ্ঠান।

ওপেনসোর্স
ইউনিকোড এবং ওপেনসোর্স কী ? আসুন জেনে নিই ...।।
ওপেনসোর্স সফটওয়্যার বলতে অনেকে মনে করেন সব সফটওয়্যার বিনামূল্যে পাওয়া যায়, কিন্তু আসলে তা নয়। ফ্রিওয়্যার হচ্ছে ফ্রি সফটওয়্যার। ফ্রিওয়্যার আর ওপেনসোর্সের মধ্যে রয়েছে অনেক তফাত। কোনো প্রোগ্রাম লেখার জন্য প্রয়োজন হয় কিছু কোডের এবং এই কোডগুলোকে বলা হয় সোর্স কোড। টাকা দিয়ে কিনতে হয় বা কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বানানো সফটওয়্যারের সোর্সকোড পরিবর্তন করার অনুমতি বা সুযোগ কোনোটাই দেয়া হয় না। আর ওপেনসোর্স নাম থেকেই বোঝা যাচ্ছে, ওপেনসোর্সের ক্ষেত্রে সোর্সকোড উন্মুক্ত থাকে। তাই এই সফটওয়্যারগুলোকে উন্মুক্ত বা ওপেনসোর্স সফটওয়্যার বলা হয়ে থাকে। এগুলোর সোর্সকোডের পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করে অন্যান্য প্রোগ্রামার নিজের মতো করে সফটওয়্যারের গঠন দিতে পারেন বা কোনো সফটওয়্যারের ভুলত্রুটি দূর করে তা আরো উন্নত করতে পারেন। এইসব সফটওয়্যার সাধারণত বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়, তবে সবই যে বিনামূল্যে পাওয়া যায় তা কিন্তু নয়, যেমন- মাইএসকিউএল, অ্যাপাচি, লিনআক্স ইত্যাদি বিনামূল্যে পাওয়া যায় না। লিনআক্সের কিছু ডিস্ট্রিবিউশন বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়, যেমন- উবুন্টু, কুবুন্টু, এডুবুন্টু ইত্যাদি কিন্তু অন্য লিনআক্সগুলো পেতে টাকা খরচ করতে হবে।

ওপেনসোর্স কোনো প্রতিষ্ঠান নয়। এটি হচ্ছে প্রোগ্রামার, ডিজাইনার ও ব্যবহারকারীদের একটি দল বা কমিউনিটি। পারস্পরিক সাহায্য-সহযোগিতা ও যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের মাঝে এই নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠে। ওপেনসোর্স সফটওয়্যারগুলোকে সংক্ষেপে FOSS (Free Open Sourc Software) বলা হয়। আমাদের দেশে আইটি খাতে আরো উন্নয়নের জন্য মেধাবী তরুণদের ভূমিকা রাখার সুযোগ করে দিচ্ছে এই ওপেনসোর্স সফটওয়্যার। আমাদের দেশে গড়ে উঠেছে ওপেনসোর্স নেটওয়ার্ক, যারা লিনআক্স ব্যবহারের সুযোগসুবিধার কথা জানান দিয়ে কমপিউটার ব্যবহারকারীদের লিনআক্সের প্রতি আগ্রহী করে তুলছেন। পাইরেটেড উইন্ডোজ কপি ব্যবহার না করে বিনামূল্যে সরবরাহ করা এই অপারেটিং সিস্টেম আপনি ঘরে বসে পেতে পারেন। তাই তাদের কণ্ঠে বেজে ওঠে চুরির চাইতে ফ্রি ভালো। নববইয়ের দশকের শুরুর দিকে সফটওয়্যার স্বাধীনতার যোদ্ধা রিচার্ড ম্যাথিউ স্টলম্যান অনেক স্বেচ্ছাসেবীদের সহযোগিতায় গড়ে তোলেন ওপেনসোর্সভিত্তিক গনুহ (GNU) নামের অপারেটিং সিস্টেম, কিন্তু তা মুক্ত করার অন্তরায় ছিল অপারেটিং সিস্টেমের কার্নেল। কারণ, কার্নেল বানানোটাই ছিল কঠিন একটি কাজ। কিন্তু এই কাজটি শখের বশে করে বসেন ফিনল্যান্ডের হেলসিঙ্কে ইউনিভার্সিটির ছাত্র লিনাস টরভেলটে। ১৯৯১ সালে তিনি তৈরি করেন অপারেটিং সিস্টেম কার্নেল মিনিক্স। এই কার্নেলের সহযোগিতায় তৈরি হয় শক্তিশালী অপারেটিং সিস্টেম লিনআক্স। লিনাস ও তার বানানো মিনিক্সের নামের সাথে মিল রেখেই লিনআক্সের নাম রাখা হয়েছে।

ওপেনসোর্সের মিছিলে অগ্রগামী পতাকাবাহী হিসেবে রয়েছে লিনআক্স অপারেটিং সিস্টেম। আগে লিনআক্স অপারেট করাটা কিছু ঝামেলার ছিল। কারণ, এটি উইন্ডোজের মতো ইউজার ফ্রেন্ডলি ছিল না। কিন্তু বর্তমানে লিনআক্সের নতুন ভার্সনগুলো অনেকাংশে ইউজার ফ্রেন্ডলি এবং ব্যবহার করা তেমন একটা কঠিন কিছু নয়। লিনআক্সের দুটি ফ্রি ডিস্ট্রিবিউশন রয়েছে, একটি উবুন্টু ও অপরটি কুবুন্টু। প্রথমটি জিনোম ও দিবতীয়টি কেডিই ডেস্কটপের ওপরে নির্ভর করে বানানো হয়েছে। দুটিতে কাজ করার প্রক্রিয়া অনেকটা এরকম। কিন্তু নতুন ইউজারদের জন্য উবুন্টুই বেশি ভালো হবে। কারণ, এটি নিয়ে যেকোনো সমস্যায় পড়লে উবুন্টু ফোরাম থেকে যথেষ্ট সাহায্য পাবেন। উবুন্টুর ব্যবহারে আগ্রহী হলে www.ubuntu.shipit.com-এ গিয়ে Launchpad-এ একটি অ্যাকাউন্ট খুলে নিজের ঠিকানা দিয়ে উবুন্টু সিডি পাঠানোর জন্য আবেদন করুন। ৬-৭ সপ্তাহের মধ্যে আপনার ঠিকানায় সিডি পৌঁছে যাবে। এতে আপনার একটি টাকাও খরচ হবে না। কারণ, সিডি পাঠানোর খরচও তারাই বহন করবে। অথবা স্বল্পমূল্যের বিনিময়ে আপনি তা শনি, রবি ও বৃহস্পতিবার বিডিওএসএনের অফিস থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন। উবুন্টু ব্যবহার করার মধ্যে দিয়ে আপনি প্রাথমিকভাবে লিনাক্স চর্চা করতে পারেন এবং নিজেকে ওপেনসোর্স নেটওয়ার্কের আওতায় আবিষ্কার করতে পারেন। ওপেনসোর্সের আওতায় নিজেকে একজন দক্ষ প্রোগ্রামার হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন। কারণ এখানে আপনি বিশ্বের নামকরা প্রোগ্রামারদের সহযোগিতা পাবেন। বাংলা কমপিউটিংয়ের সফল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের দেশে রয়েছে অনেক ওপেনসোর্স প্রতিষ্ঠান তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হচ্ছে- অঙ্কুর, বিডিওএসএস, একুশে, উবুন্টু বাংলাদেশ ইত্যাদি। এই প্রতিবেদনে ওপেনসোর্সভিত্তিক ও বাণিজ্যিক উভয় ধরনের প্রতিষ্ঠানের বাংলায় অবদানের পাশাপাশি তুলে ধরা হয়েছে দেশের বাইরের কিছু প্রতিষ্ঠানের পদক্ষেপও।

এই লেখাটি এই ব্লগে প্রকাশিত

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

10 মন্তব্য

  1. ধন্য+++++++++++ভাই.
    এত বিসদ ভাবে বুঝ্য়ে দেয়ার জন্যে…..
    মাঝে নদ্ধে দি এক তা ছবি দিলে আরো ভালো হত…..
    টিপি তে আপনাকে সাগতম……….
    সাথেই থাকবেন ধন্য+++++

  2. পড়ে ভালো লাগলো! অনেক কিছুই জানতাম না! :)
    আর টিউনার page এ আপনাকে স্বাগতম!

  3. ভালো লেগেছে…..ধন্যবাদ আপনাকে জ্ঞান গুলো শেয়ার করার জন্য…

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

fifteen − eleven =