মজার তথ্য – জেনেনিন বিশ্বের সবচেয়ে দামি কিছু প্রসাধনীর সম্পর্কে

0
388
কমবেশি আমরা প্রসাধনীর ওপরই নির্ভরশীল। তবে এই প্রসাধনীর গুণগত মানের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। আবার ভালোমানের প্রসাধনীর জন্য আপনাকে ব্যায় করতে হবে উঁচু মানের অর্থ। আজ জেনেনিন বিশ্বের সবচেয়ে দামি কিছু প্রসাধনীর সম্পর্কে।
 
সবচেয়ে দামি কিছু প্রসাধনীর মজার তথ্য - জেনেনিন বিশ্বের সবচেয়ে দামি কিছু প্রসাধনীর সম্পর্কে
১. এসকে-টু এলএক্সপি আলটিমেট রিভাইভাল ক্রিম
এটা নিঃসন্দেহে বিশ্বের সবচেয়ে দামি একটি প্রসাধন সামগ্রী। কয়েক শ ডলারে এর মাত্র ২ আউন্স বিক্রি করা হয়। ক্রিমটির নির্মাতারা এতে ১৫টি বিশেষ উপাদানের সমন্বয় করেছেন বলে দাবি করেন। এর ব্যবহার করা হয় ত্বকের তারুণ্য ফিরে পাওয়া ও সুন্দর দেখানোর জন্য।

২. ক্লিভ ক্রিশ্চিয়ান পিওর পারফিউম
মূল্যবান এ পারফিউমটি কিনতে আপনার খরচ হবে দুই হাজার ডলার বা দেড় লক্ষাধিক টাকা। এর গন্ধ ‘মসলাদার’ ও ‘মাটির মতো’ বলে জানা গেছে। আর এতে নিহিত রয়েছে এলাচ, আদা, জুনিপার বেরি, ভ্যানিলা, দারচিনি, শৈবাল ও অ্যাম্বারের সৌরভ। এর সুগন্ধ আপনাকে এতোই আকর্ষিত করবে যে, এর জন্য আপনি বহু অর্থ খরচ করতেও কার্পণ্য করবেন না।

৩. লা প্রেইরি সেলুলার ক্রিম প্ল্যাটিনাম রেয়ার
ক্রিমটির নামেই বোঝা যায়, জিনিসটি মূল্যবান। এটি রতেœর মতো দেখতে একটি মূল্যবান মোড়কে থাকে। আর ক্রিমটির উপাদান অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এটি আপনার ত্বক খুঁজছে বলেই জানায় নির্মাতারা। ক্রিমটি সামান্য পরিমাণে কিনতেও ব্যয় হবে প্রায় এক হাজার ডলার।

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

৪. ক্রিমি ডি লা মের আলট্রারিচ ক্রিম
বহু মূল্যবান প্রসাধন সামগ্রীই এ ক্রিমটির কাছে খেলনা বলে মনে হবে। কারণ সামান্য পরিমাণে থাকা এ ক্রিমটির মূল্য দুই হাজার ডলার বা প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকা। অনেকের প্রশ্ন থাকতে পারে, ক্রিমটিতে এমন কী আছে, যে জন্য এর এতো দাম। এ প্রসঙ্গে নির্মাতারা জানান, ক্রিমটি ক্রমে শক্ত হতে যাওয়া ত্বকের জন্য উপযুক্ত। এটি বলিরেখা থেকে বাঁচায় এবং ব্যবহারকারীকে তরুণ করে তোলে। এর উপাদানগুলোও জাদুকরি বলে জানিয়েছেন নির্মাতারা।

৫. গিভেঞ্চি লে সয়েন নোয়ার সেরাম
ত্বকের যত্মে ব্যবহৃত এ পদার্থটির প্রত্যেক আউন্সের দাম চারশ’ ডলার বা ৩১ হাজারেরও বেশি টাকা। ব্ল্যাক অ্যালগি থেকে তৈরি এ পদার্থটিও কালো রঙের। আর কালো রঙের পদার্থটি ত্বকে প্রয়োগ করলে ত্বক কালো হয় না। বরং এটি ব্যবহারে ত্বকের বলিরেখা দূর করে এবং ত্বক উজ্জ্বল করে বলে দাবি করেন নির্মাতারা।

৬. রিভাইভ পিউ মিগনিফিকু লেস ইউক্স
ফরাসি নাম থাকলেই যে জিনিসটি মূল্যবান হবে, এমন কোনো কথা নেই। কিন্তু চোখের চারপাশে ব্যবহারের জন্য এ প্রসাধনীটি সত্যিই মূল্যবান। প্রসাধনীটির এক আউন্সের চার ভাগের এক ভাগ ওজনের জন্য ব্যয় করতে হয় এক হাজার ডলার, যা মাত্র একটি কাজেই ব্যবহার হয়। এটি ব্যবহারে চোখের চারপাশের দাগ ও কালো চক্র দূর হয় বলে দাবি করেন নির্মাতারা।

৭. ক্লি ডি পিউ বিউটি লা ক্রিম
ভেতরের পদার্থ যেমন মূল্যবান তেমন এর মোড়কটিও অতি সুদৃশ্য। ৭০০ ডলার বা ৫৪ হাজারেরও বেশি টাকা মূল্যের এ ক্রিমটি মাত্র দুইবার ব্যবহারে আপনার ত্বক ‘ব্র্যান্ড নিউ’ দেখা যাবে বলে দাবি করেন নির্মাতারা। নির্মাতাদের দাবি কতোটা সত্য তার প্রমাণ পাওয়া না গেলেও ব্যবহারকারীরা জানিয়েছেন এটি প্রয়োগ করলে ত্বক মসৃণ ও আরামদায়ক অনুভূতি হয়। –

Advertisement -
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

9 + ten =