আক্রমণের শিকার অ্যান্ড্রয়েড, ব্ল্যাকবেরি, সিমবিয়ান

5
521
আক্রমণের শিকার অ্যান্ড্রয়েড, ব্ল্যাকবেরি, সিমবিয়ান

বান্দা_ ইখতিয়!র

আসসালামু আলাইকুম। স্বাগতম আপনাকে। কেমন আছেন আপনি? আশা করি ভাল আছেন। আমি তথ্য প্রযুক্তিকে ভালবাসি। তাই দীর্ঘ
দিন যাবত এখানে আছি। https://www.facebook.com/amidorunto
আক্রমণের শিকার অ্যান্ড্রয়েড, ব্ল্যাকবেরি, সিমবিয়ান

২০০৪ সালে প্রথম মোবাইল ভাইরাস আক্রমণের কথা জানা যায়। এ পর্যন্ত যে সব ভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে সেগুলো পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, মোবাইল উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে চালিত ফোনগুলোই আক্রমণের শিকার। তবে, বর্তমানে অ্যান্ড্রয়েড, ব্ল্যাকবেরি, বা অ্যাপলের হ্যান্ডসেটও আক্রমনের শিকার হচ্ছে বলে জানা গেছে। যেসব মোবাইল ফোন সেট শুধু কল রিসিভ কিংবা কল করার কাজে ব্যবহার করা হয়ে থাকে সেগুলো ঝুঁকিমুক্ত। অর্থাৎ সাধারণ মানের সেটগুলোও ভাইরাস থেকে পুরোপুরি মুক্ত। এ ছাড়াও বর্তমানে চীনের তৈরি বিভিন্ন মোবাইল পাওয়া যায়। এসব মোবাইলে নির্দিষ্ট কোনো অপারেটিং সিস্টেম থাকে না। এ ছাড়াও এগুলোতে ব্যবহার করা মেমোরি কার্ডের মাধ্যমে অজানা ভাইরাস আক্রমণ করারই আশংকা করছেন বিশেষজ্ঞরা। এসব মোবাইল ভাইরাস আক্রান্ত হলে পুরো হ্যান্ডসেটই অচল হয়ে যেতে পারে।

আক্রমণের শিকার অ্যান্ড্রয়েড, ব্ল্যাকবেরি, সিমবিয়ান

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

মোবাইল ফোনে এখন পর্যন্ত যেসব মোবাইল ভাইরাস খুঁজে পাওয়া গেছে সেগুলো মূলত পরীক্ষামূলক সফটওয়্যার। এদিকে, গুগলের অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম চালিত স্মার্টফোনেও সম্প্রতি ভাইরাস ‘জিনিমি’ আক্রমণ করে। অন্য মোবাইল ভাইরাস থেকে এ ভাইরাস অনেক শক্তিশালী বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। ইতিমধ্যে চীনের লক্ষাধিক অ্যান্ড্রয়েডচালিত স্মার্টফোনে এ ভাইরাস আক্রমণ করেছে বলে জানিয়েছে অ্যান্টিভাইরাস নির্মাতা লুকআউট মোবাইল সিকিউরিটি। প্রতিষ্ঠানটির ধারণা, কম্পিউটার থেকে মোবাইলে সফটওয়্যার ডাউনলোডের সময়ই এ ভাইরাস মোবাইলে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে মোবাইল ফোন উপযোগী গেম ডাউনলোড করলেই এ ভাইরাস মোবাইলে ছড়িয়ে পড়ছে। ভাইরাসটি আক্রান্ত মোবাইলে সংরক্ষিত ব্যবহারকারীর সব তথ্য চুরি করছে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

গুগলের অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চলে, এমন সব মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অর্থ চুরি করতে সক্ষম একটি ভাইরাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। শুধু তা-ই নয়, এটি মোবাইল ফোনগুলোতে ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ছে। ভাইরাসটি মিডিয়া প্লেয়ারের ছদ্মবেশে ঘাপটি মেরে থাকে। সক্রিয় করার চেষ্টা করলেই ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে এবং অসংলগ্ন এসএমএস পাঠানো শুরু করে। অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ক্যাসপারস্কি ল্যাবস এই ক্ষতিকর ভাইরাসের অস্তিত্ব আবিষ্কার করেছে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের জন্য এটাই প্রথম ভয়ংকর ভাইরাস।

সম্প্রতি, ভারত এবং সার্ক অঞ্চলের ট্রেন্ড মাইক্রো এর কান্ট্রি ম্যানেজার অমিতনাথ জানিয়েছেন, ব্ল্যাকবেরি স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা জিউস ট্রোজান ভাইরাস হামলার মুখে রয়েছেন। এই ভাইরাসটি আপনার অজান্তেই মোবাইলের ডেটা চুরি করে নিতে পারে। এই ভাইরাসটি নিজে নিজে অসংখ্য কপি হয়ে কল ব্লক করে দেয়, অ্যাডমিনের কন্ট্রোল নিয়ে নেয়, ইনবক্স অচল করে দেয়, মেসেজ চুরি করে অজান্তেই সর্বনাশ ঘটিয়ে ফেলে। এটি এমনকি অ্যান্টিভাইরাস আপডেট করতেও দেয় না।

নকিয়ার সিমবিয়ান অপারেটিং সিস্টেমে স্কাল নামের ভাইরাস আক্রমণের কথা বলেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। এটি মুলত একটি ট্রোজান। এই ট্রোজানটি ছড়ায় মূলত ফোনকলের মাধ্যমে। এই ভাইরাস ডাউনলোড হবার পর মোবাইলের কন্টাকটস, ফোন বুক, ক্যালেন্ডার, ইমেইল সব নষ্ট করে ফেলে। এমনকি এগুলোর লোগো বদলে গিয়ে দেখা যাবে মাথার খুলির লোগো। সিমবিয়ান প্ল্যাটফর্মে আক্রমণ করতে সক্ষম কমওয়ারিয়ার নামের আরও একটি ফোন ভাইরাস রয়েছে। স্কালের সঙ্গে তুলনায় বেশি ক্ষতিকারক এই ভাইরাসটি ফোনে ঢুকে পড়ার পর ব্লু টুথ অথবা মাল্টিমিডিয়া মেসেজিং, এমএমএসের মাধ্যমে অন্য ফোনে ছড়িয়ে পড়ে। ফোন বুক থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই এই ভাইরাস অন্য মোবাইল ফোনে বার্তা পাঠায়। বিশেষজ্ঞরা কমওয়ারিয়র ভাইরাসটির প্রথম খোঁজ পান ২০০৫ সালের জানুয়ারিতে। এটি এমএমএস এবং ব্লুটুথের মাধ্যমে ছড়ায়। কোনো মোবাইল আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহারকারির অজান্তেই কপি হয়ে এটি অন্যান্য মোবাইলে ছড়াতে থাকে। কাবির নামে অপর একটি ভাইরাস প্রথম ধরা পড়ে ১৫ জানুয়ারি ২০০৪-এ। এটি শুধু ব্লুটুথ এর মাধ্যমে ছড়ায়।

Advertisement -
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

5 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

4 × two =