আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স পৃথিবী নিয়ন্ত্রণ করবে

0
239

এক যুগ আগে ‘আওয়ার ফাইনাল সেঞ্চুরি?’ নামের একটি বই লিখেছিলেন ব্রিটিশ কসমোলজিস্ট মার্টিন রিজ। বইটির প্রকাশনী সংস্থা এর নাম থেকে প্রশ্নবোধক চিহ্নটা কেটে দেয়। এমনকি শেষ পর্যন্ত বইয়ের নামটিও বদলে ‘আওয়ার ফাইনাল আওয়ার’ করে দেয় প্রকাশন। বইয়ের বিষয়টি ছিল, আমাদের গ্রহ ৪৫ মিলিয়ন সেঞ্চুরি পুরনো। কিন্তু এই শতাব্দি একেবারে অন্যরকম। এই জ্যোতির্বিজ্ঞানী ভবিষ্যতের দুনিয়া নিয়ে জানিয়েছেন তার ভাবনার কথা।  

 পৃথিবী আগের চেয়ে অনেক বেশি ঘনবসতিপূর্ণ হয়েছে। আরো উষ্ণ হয়েছে। ২০৫০ সাল নাগাদ পৃথিবীতে আরো ২ শো কোটি মানুষ আসবে। সবার পদচারণা আমাদের গ্রহটার প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট করে দেবে। আজকের স্মার্টফোন ২০ বছর আগেও কল্পনার বন্তু ছিল। কাজেই আগামী কয়েক যুগ পর বিজ্ঞান এমন কিছু আনবে যা আমাদের বর্তমান কল্পনায় স্থান দখল করে রয়েছে।

প্রযুক্তি কল্যাণে বর্তমানের মানুষ আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। একে ছাড়া পৃথিবীটার কথা চিন্তাই করা যায় না। আর এটা হঠাৎ করেই হয়নি। একটি ঘটনাই বড় কিছুর জন্ম দিতে পারে। সাইবার অ্যাটাকের মাধ্যমে বিশাল কিছু ধ্বংস করার ক্ষমতা এখন মানুষের রয়েছে। এর জন্যে একপার্ট দল বা একজন ব্যক্তিই যথেষ্ট।

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

বায়োটেক ক্ষেত্রেও বিজ্ঞান অসম্ভবরকম এগিয়ে গেছে। ওষুধ এবং কৃষিক্ষেত্রে প্রচুর উন্নতি সাধিত হয়েছে। গত মাসে চীনের বিজ্ঞানীরা নতুন প্রযুক্তি সিআরআইএসপিআর এর মাধ্যমে জিন এডিটিং করে মানুস ভ্রূণ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছেন। এর মাধ্যমে মনের মতো শিশুর ‘ডিজাইন’ করে নেওয়া যাবে যা ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

বায়ো হ্যাকিং অনেকের কাছে খেলা বা নেশার মতো। যেমন- এমন উদ্ভিদ জন্মানোর চেষ্টা করা হচ্ছে যা অন্ধকারে বেড়ে ওঠে। আবার এমন উদ্ভিদের জন্ম দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে যা ল্যাম্পপোস্টের স্থান দখল করবে।

ভবিষ্যতের প্রযুক্তি কেমন হবে?  আমরা বর্তমানে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর ব্যাপক এগিয়ে গেছি। এর মাধ্যমে যন্ত্র আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। একের একের পর এক বড় মাপের কাজ করে যাচ্ছে। তারা এমনভাবে শিখছে যেভাবে আমরাও শিখতে পারিনি।

সম্প্রতি গুগল লন্ডনের একটি প্রতিষ্ঠানকে কিনে নিয়েছে ৪০০ মিলিয়ন ডলার দিয়ে। এরা এমন একটি যন্ত্র বানাচ্ছে যা পুরনো অ্যাটারি গেমসের নিয়ম-কানুন নিজে নিজেই বুঝে ফেলবে। এখন পর্যন্ত রোবট কল্পনাকে ছাড়িয়ে যেতে পারেনি। এরা এখনো আপনার জুতোর ফিতে বেঁধে দিতে পারে না। কিন্তু সেন্সর প্রযুক্তি বহুদূর এগিয়ে গেছে।

গুগলের চালকবিহীন গাড়ি ইতিমধ্যে হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে ফেলেছে। কিন্তু এটা কি জরুরি কাজগুলো মানুষের মতোই করতে পারবে? এদের সামনে হঠাৎ কিছু একটা চলে আসলে গাড়িটি কি করবে? এরা কি বুঝতে পারবে যে, এটা কাগজ নাকি কুকুর নাকি মানুষ?
বর্তমান যুগে কম্পিউটার দারুণভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। এমন ভবিষ্যত খুব দ্রুত দেখতে চলেছি যেখানে মানুষের যুগ শেষ হবে। অর্গানিক মস্তিষ্ক তৈরি করতে রাসায়নিক এবং মেটাবলিক বিষয় চলে আসছে। ভবিষ্যতে সিলিকন বা কোয়ান্টাম কম্পিউটার বের হবে। এরা হয়তো মানুষের মতো অর্গানিক মস্তিষ্ক তৈরি করবে। তবে পৃথিবীটাকে যে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স বদলে দেবে তার লক্ষণ এখোনি স্পষ্ট দেখা যায়।

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

12 − three =