আবর্জনা থেকে বিদ্যুৎ-গ্যাস উৎপাদন

0
222

থেকে বিদ্যুৎ-গ্যাস উৎপাদনে আবর্জনা থেকে বিদ্যুৎ-গ্যাস উৎপাদনদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ বাড়াতে পচা আবর্জনা থেকে বিদ্যুৎ-গ্যাস উৎপাদনের জন্য উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহী। সোমবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত ‘প্র্যাকটিস অ্যান্ড সাকসেস স্টোরিস অব রিনিউএবল এনার্জি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন (এফবিসিসিআই) এবং ফ্রেডরিক নওম্যান ফাউন্ডেশন (এফএনএফ) বাংলাদেশ যৌথভাবে এই সেমিনারের আয়োজন করে।

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

সেমিনারে পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী বেসরকারি কোম্পানি-পাওয়ার ইউটিলিটি কোম্পানি লি., উইন সোর্স লি., সাসটেইনেবল এনার্জি ফর ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (জিআইজেড), বাংলাদেশ সোলার এনার্জি সোসাইটি, ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লি. (ইডকল), সরকারের সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউএবল এনার্জি ডেভেলপমেন্ট অথোরিটি (স্রেডা) এবং পাওয়ার ডিভিশনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

এ সময় এসব কোম্পানির প্রতিনিধিরা বায়োগ্যাস ও সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে তাদের সফলতার বিভিন্ন চিত্র তুলে ধরেন।

ড. তৌফিক-ই-এলাহী বলেন, বিদ্যুৎ খাতে ২০০৮ সালের পলিসি অনুযায়ী ২০১৫ সালে দেশে মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের ৫ শতাংশ নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ থেকে আসার কথা। আর ২০২০ সালের মধ্যে এর পরিমাণ হওয়ার কথা ১০ শতাংশ।

তিনি বলেন, কাঙ্ক্ষিত এই লক্ষ্য অর্জন করতে আমাদেরকে কিভাবে আরও বেশি নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়; সেদিকে মনোযোগী হতে হবে। এ বিষয়ে আরও বেশি বেশি গবেষণা করতে হবে। উন্নত দেশে কিভাবে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে সে বিষয়েও খোঁজ-খবর রাখতে হবে।

এ সময় তিনি পচা আবর্জনা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে এগিয়ে আসতে উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

সেমিনারে এফবিসিসিআই সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১৩ হাজার মেগাওয়াট। ২০২১ সাল নাগাদ বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করতে হলে বায়োগ্যাস, সৌরবিদ্যুৎ, হাইড্রোপাওয়ার ও বায়ু শক্তির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, অল্প সময়ে গ্রাম পর্যায়ে প্রত্যেক পরিবারে বিদ্যুৎ-গ্যাস পৌঁছানো সম্ভব নয়; তবে এসব পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ-গ্যাস উৎপাদন বাড়লে ব্যক্তি পর্যায়ে সেবা দেওয়া সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বিদ্যুৎ ও গ্যাস উৎপাদনকারী উদ্যোক্তারা বলেন, দেশের সর্বস্তরে বিদ্যুৎ সরবরাহ পৌঁছে দেওয়ার জন্য বায়োগ্যাস, সৌরবিদ্যুৎ, হাইড্রোপাওয়ার, বায়ু শক্তিসহ বিভিন্ন মাধ্যমে বিদ্যুৎ ও গ্যাস উৎপাদনে বেসরকারি কোম্পানিগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তারা বলেন, প্রত্যেক পরিবারে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সেবা দিতে হলে এসব খাতের ব্যবসায় সহজ শর্তে অর্থ সরবরাহ ও ইনসেনটিভ ট্যারিফ দেওয়া দরকার।

এসব ব্যবসার জন্য লাইসেন্স পেতে উদ্যোক্তাদের বেগ পেতে হয় এমন অভিযোগ করে তারা বলেন, সরকারের উচিত বিদ্যুৎ ও গ্যাস উৎপাদনকারীদের লাইসেন্স সহজে দেওয়া। একই সঙ্গে উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দেওয়া প্রয়োজন বলেও জানান তারা।

সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন, এফবিসিসিআইয়ের প্রথম সহসভাপতি মনোয়ারা হাকিম আলী, এফএনএফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. নাজমুল হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব এনার্জির পরিচালক ড. সাইফুল হক, স্রেডার চেয়ারম্যান তাপস কুমার রায় প্রমুখ।

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

eleven + 14 =