ছোট ফ্রীলেন্সিং কাজে কত টাকা

0
425

ফ্রীলেন্সিং কাজে কত টাকা ছোট ফ্রীলেন্সিং কাজে কত টাকাকোনো কাজই ছোট নয়। তবে ‘মাইক্রো ওয়ার্ক’ বা ‘ছোট কাজ’ দিন দিন অনলাইনে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। কখনো সামাজিক যোগাযোগের সাইট ব্যবহার করে লাইক দেওয়া, ফরমায়েশে অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়া, অনলাইনে ভোট দেওয়া, মন্তব্য করা, বিজ্ঞাপনে ক্লিক করা, বিজ্ঞাপন দেখা প্রভৃতি মাইক্রো ওয়ার্কের মধ্যে পড়ে। দেশের অনেক ফ্রিল্যান্সার এখন ঘরে বসে ‘মাইক্রো ওয়ার্ক’ করেও আয় করছেন। কিন্তু শ্রম ও সময় ব্যয়ের সঙ্গে পারিশ্রমিক ঠিকঠাক মিলছে তো?

অনলাইনে ‘মাইক্রো ওয়ার্ক’-এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। নানা ধরনের ছোটখাটো কাজের জন্য ভারচুয়াল কর্মী নিয়োগের হার বাড়ছে প্রতিষ্ঠানগুলোতে। এ ধরনের সাইটগুলোতে কাজ করতে প্রথমে অ্যাকাউন্ট খুলে নিজের প্রোফাইল তৈরি করতে হয়। এরপর সাইটে পোস্ট করা কাজগুলোর মধ্য থেকে নিজের দক্ষতা অনুযায়ী কাজ বেছে নেওয়া যায়।

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, পুরো এক সপ্তাহে মাইক্রো ওয়ার্কিং সাইট বা প্ল্যাটফর্মগুলোতে ৩৭ ঘণ্টার বেশি পরিশ্রম করে সর্বোচ্চ এক হাজার ৫০০ টাকা আয় করা সম্ভব হয়। বিবিসির একজন কর্মী ওই প্রতিবেদনে লিখেছেন, তিনি এক সপ্তাহ ধরে মাইক্রো ওয়ার্কিং সাইটগুলোতে প্রাণান্ত পরিশ্রম করেন। নিজের দক্ষতার পাশাপাশি সময়ের অপচয় করে ‘মাইক্রো ওয়ার্কিং’ সাইটে এক সপ্তাহ কাজ করার বাস্তব অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে বলেন, এই সাইটগুলো থেকে আশানুরূপ আয় করা সম্ভব হয় নয়।

‘মাইক্রো ওয়ার্ক’ বা ক্ষুদ্র কাজদাতা হিসেবে অনলাইনে বিভিন্ন সাইট রয়েছে। এসব সাইটে কাজের মধ্যে রয়েছে ‘সাইন আপ’, ‘লাইক’, ‘ভোট’, ‘গেম’, ‘বিজ্ঞাপন ক্লিক’, ‘ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখা ও রেটিং দেওয়া’, ‘জরিপ’, ‘অনুবাদ’, ‘রিভিউ’ ‘ক্ষুদ্র ব্লগ’ প্রভৃতি। প্রতিটি কাজের জন্য খুবই কম পারিশ্রমিক নির্ধারণ করেন কাজদাতা। পরীক্ষা করে দেখা গেছে, ‘মাইক্রো ওয়ার্কার্স’ নামের একটি সাইটে ‘সাইনআপ’-এর মতো একটি কাজ করে মাত্র সাত টাকা আয় হয়। এ ধরনের কাজে পাঁচ মিনিট থেকে এক ঘণ্টার বেশি সময় লাগে।

বিভিন্ন সাইটে লাইক দেওয়া, সাইন আপ করা প্রভৃতি ক্ষুদ্র কাজের মাধ্যমে ২০ ডলার জমা হলেই কেবল অর্থ উত্তোলনের জন্য আবেদন করা যায়। এ অর্থ থেকে আবার কিছু কেটেও রাখা হয়। তবে কিছু সাইটে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য এক ডলার পর্যন্ত বোনাস দেয়। এ ধরনের কাজের জন্য নিজের সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট, ই-মেইল অ্যাকাউন্ট, ব্যক্তিগত তথ্য প্রভৃতি ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে।

মাইক্রো ওয়ার্কিংয়ের জন্য জনপ্রিয় একটি সাইট হচ্ছে ‘ক্লিক ওয়ার্কার’। এ সাইটে অ্যাকাউন্ট খোলা ও প্রোফাইলের তথ্য শতভাগ পূরণ হলে তবে কাজ পাওয়া যায়। এসব সাইটে কাজ করার পর অর্থ পরিশোধের বিষয়টি নির্ভর করে কাজদাতার ইচ্ছার ওপর।

বিভিন্ন সাইটে কাজের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, সময় ও শ্রমের তুলনায় পারিশ্রমিক নামমাত্র। এ ক্ষেত্রে বাস্তবিক দুনিয়ার কাজের মতো দ্রুত টাইপ, সৃজনশীল লেখা, সামান্য গবেষণা ও দক্ষতার ছোঁয়া দেখাতে পারলে অবশ্য শ্রমের মূল্য আসতে পারে।

মাইক্রো ওয়ার্কিংয়ে অভিজ্ঞদের পরামর্শ হচ্ছে, যাঁরা নতুন এবং মাইক্রো ওয়ার্ক করার কথা ভাবেন, তাঁদের অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে যে, ভালো পারিশ্রমিক পেতে অমানুষিক শ্রম দিতে হবে।

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

3 × 5 =