সিম্ফনির নতুন ফ্লাগশীপ স্মার্টফোন Xplorer ZV কেনার পরিকল্পনা যারা করেছেন তাদের জন্য স্পেশাল রিভিউ।

0
758

যারা এই স্মার্টফোনটি কেনার পরিকল্পনা করছেন তাদেরকে বলবো- চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে এই লেখাটি পুরোটা পড়ুন। ১৫ হাজার টাকা রেঞ্জের স্মার্টফোনগুলোর মধ্যে Symphony xplorer zv এর কনফিগারেশন নিঃসন্দেহে খুবই আকর্ষণীয়। ফোনের দুই পাশে গরিলা গ্লাস, ১৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার সাথে সনি আইএমএক্স সেন্সর, অক্টাকোর প্রসেসর, ২ জিবি র‍্যাম এবং ১৬ জিবি রম!! লোভনীয় ফিচার সন্দেহ নেই। দামটাও সেই হিসেবে সহনীয়। যদিও ফোনটির কিছু দূর্বলতাও আছে। যাইহোক আমি এখন আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতার আলোকে xplorer zv ফোনটির রিভিউ দেবো। পুরো রিভিউটি পজেটিভ এবং নেগেটিভ এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রথমেই একটা তথ্য জানিয়ে রাখি,  Xplorer ZV ফোনটি নাইজেরিয়ার Infinix Zero এবং ভারতের Xolo hive ফোনটির রিব্র্যান্ড। ফোনটির ডিজাইন করেছে ফ্র্যান্সের একটি প্রতিষ্ঠান।

এবার ফোনটির নেগেটিভ সাইডগুলো সম্পর্কে বলি-
১। ব্যাটারী মাত্র ২০০০ MAH!! এত হাই কনফিগারেশনের একটি স্মার্টফোনে এত অল্প MAH এর ব্যাটারী আশানুরুপ নয়।
২। ব্যাটারী নন-রিমুভেবল। এরমানে ইচ্ছে হলেই ব্যাটারী খুলে ফেলতে পারবেন না। ব্যাটারী পরিবর্তনের জন্য সার্ভিস সেন্টারে যেতে হবে আপনাকে।
৩। স্ট্যান্ডার্ড সিম সাপোর্ট করে না। দুটো সিমই মাইক্রো।
৪। এসডি কার্ড এবং সিম কার্ড পরিবর্তন করতে হলে একটি পিন এর সাহায্য নিতে হয়। এটা একটু ঝামেলার কাজ।
৫। ফোনটির ফ্রন্ট ক্যামেরার একেবারেই যা তা অবস্থা! মোটেও সন্তোষজনক নয়।

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

এখন ফোনটির পজেটিভ সাইডগুলো দেখা যাক-
১। চাইনিজ স্মার্টফোনগুলোর ক্যামেরা সাধারনত ভাল হয় না। কিন্তু এই ফোনটি একেবারেই ব্যতিক্রম। ফোনটির রেয়ার ক্যামেরা দূর্দান্ত! ১৩ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরার সাথে সনির সেন্সর ব্যবহার করায় দিনের বেলায় ঝকঝকে ছবি পাওয়া যায়। এমনকি দ্বিগুন দামের স্যামসাং/এইচটিসি স্মার্টফোনের চেয়েও ভালমানের ছবি পাবেন এই ফোনটি দিয়ে।
২। ফোনটির প্রসেসর অক্টাকোর এবং র্যাম ২ জিবি, স্বাভাবিকভাবেই ফোনটি পারফরমেন্স অসাধারন। এইচডি গেমিং এর জন্য একদম পারফেক্ট। যে কোন এইচডি গেমস অনায়াসে খেলতে পারবেন। আমি নিজে এসফল্ট-৮ এবং নিড ফর স্পিড মোস্ট ওয়ান্টেড এর মত হাই প্রোফাইল এইচডি গেমস কোন প্রকার ল্যাগ ছাড়াই খেলে দেখেছি।
৩। ১৬ জিবি রম থাকায় যত ইচ্ছা তত এপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবেন। পুরো রমটাই এপ্লিকেশন স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহার করা যায়- যেটা অনেক ব্র্যান্ড ফোনেও সম্ভব হয় না।
৪। বিল্ড কোয়ালিটি এবং ডিজাইন সন্তোষজনক।
৫। দুই দিকেই রয়েছে গরিলা গ্লাস। ফলে স্ক্রাচ পড়ার কোন সম্ভাবনা নেই।
৬। স্পিকার এবং হেডফোন দুটোই যথেস্ট ভাল। সাউন্ড কোয়ালিটি দূর্দান্ত- বিশেষ করে হেডফোনে গান শুনলে বিটগুলো সেইরকম আসে! স্পিকারও যথেস্ট জোরালো।

৭। ডিসপ্লে কোয়ালিটি অসাধারন। টাচ সেনসিটিভিটিও নিখুত।

 

এক কথায়, দামের তুলনায় ফোনটির কনফিগারেশন এবং পারফরমেন্স প্রত্যাশার চেয়েও বেশি। আমি ফোনটির ভাল-মন্দ দুই দিকই তুলে ধরেছি। এবার সিদ্ধান্ত আপনার… যদি আমার মতামত জানতে চান তাহলে বলবো- যদিও ফোনটির ছোটখাটো কিছু দূর্বলতা আছে, কিন্তু এই দামে বাজারে এরচেয়ে ভাল কনফিগারেশনের ফোন আমার চোখে পড়েনি। 

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

two × five =