আইফোন বনাম অ্যান্ড্রয়েড

1
565

আজকে খুবই সিম্পল কিছু ফিচারের তুলনা করবো আমরা। কেননা, ব্যবহারকারীদের মধ্যে অনেকেই হার্ডওয়্যার সংক্রান্ত কথা বুঝবে না এটাই স্বাভাবিক। ধরুন, মধ্যবয়সী একজন নন-টেক-রিলেটেদ ব্যাক্তির খুব ইচ্ছে দামী মোবাইল কিনবেন, এখন আপনি যদি বেচারাকে বুঝাতে যান যে ,’ভাই বা চাচা, অমুক স্মার্টফোনের প্রসেসর রয়েছে স্ন্যাপড্রাগন ৮০১! আরও আছে ওএসআই যুক্ত ক্যামেরা’ – তবে বেচারা কিন্তু শেষমেশ বুঝবে, ‘ও! ঐটা তাইলে ভালো!’ এজন্যে আজকের তুলনা মূলক বেসিক পোষ্ট! বেসিক ফিচার গুলোর তুলনা করেছি যা টেক-গিকদের অবশ্যই ভালো লাগবেনা! যাই হোক, চলুন শুরু করা যাক।

লক/লগিন স্ক্রিন

১ আইফোন বনাম অ্যান্ড্রয়েড

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

নিরাপত্তার কারণে আমরা আমাদের স্মার্টফোন গুলো লক করে রাখি। আইফোনের TouchID ফিঙ্গারপ্রিন্টের কারণে লক স্ক্রিন বাইপাস হয়ে সরাসরি মূল বা হোম স্ক্রিনে চলে আসে যায়। লক স্ক্রিন অনেক ব্যবহারকারীর কাছেই বিরক্তিকর লাগে। অন্যদিকে স্যামসাঙ্গেও প্রায় সিমিলার একটি ফিচার রয়েছে। অন্যান্য অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ফেস রিকোগনেশন রয়েছে যা দ্রুত কাজ করলেও নিরাপদ নয় এবং লো-লাইট কন্ডিশনে কাজ করতে সক্ষম নয়। তাই, লক বা লগিনের দিক থেকে আইফোন এগিয়ে আছে অ্যান্ড্রয়েডের তুলনায়।

কল করার ক্ষেত্রে

2 আইফোন বনাম অ্যান্ড্রয়েড

ফোনে সংরক্ষিত প্রিয় নাম্বারগুলো এবং কিছু কিছু রমে মোস্ট ইউসড নাম্বারগুলো খুব চমৎকার ভাবে দেয়া থাকে অ্যান্ড্রয়েডে, কিন্তু আইফোনের অন্যতম একটি চমৎকার ফিচার ‘FaceTime’ এর জন্যে এখানেও আইফোনই এগিয়ে থাকছে।

সময় দেখার ক্ষত্রে

3 আইফোন বনাম অ্যান্ড্রয়েড

আইফোনে আপনাকে ‘সময়’ দেখাবে যখন আপনি হোম বাটন বা লক বাটন প্রেস করবেন। কিন্তু, অ্যান্ড্রয়েডের টাইম ম্যানেজমেন্ট কিছুটা হলেও ভালো। মটোরোলা, স্যামসাং এবং এইচটিসিতে কিছু স্মার্ট কভার এবং সেন্সর আছে যা স্বয়ংক্রিয় ভাবে আপনাকে সময় দেখাবে যখনই আপনি স্মার্টফোনটি পকেট থেকে বের করবেন। এছাড়াও, অ্যান্ড্রয়েডে রয়েছে সুপার-ডিম ‘ডে-ড্রিম’ মোড যার মাধ্যমে আপনি চার্জিং এর সময় আপনার স্মার্টফোনটিকে ডিজিটাল বা অ্যানালগ ওয়াচ হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। তাই, এখানে এসে অ্যান্ড্রয়েড এগিয়ে থাকবে।

ছবি তোলা বা ভিডিও ধারণ করা

4 আইফোন বনাম অ্যান্ড্রয়েড

অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনগুলোতে যথেষ্ট রিচ ক্যামেরা হার্ডওয়্যার (হাই-এন্ড ডিভাইস) থাকে এবং অ্যান্ড্রয়েডের ক্যামেরা অ্যাপও ফুল স্ক্রিন তথা ব্যবহারকারীদের জন্য ক্যামেরাকে চমৎকার ভাবে ইউটিলাইজ করে কিন্তু তারপরেও আইফোনের ক্যামেরা ‘সিম্পলি বেস্ট’! যদিও, ছবি ম্যানেজ করা অ্যান্ড্রয়েডে সহজ এবং কম মূল্যের অ্যান্ড্রয়েডে বেশ ডিসেন্ট কোয়ালিটির ইমেজ পাওয়া যায় তবুও ছবি তোলার ক্ষেত্রে জনপ্রিয়তা আইফোনেই বেশি।

টাইপ করার ক্ষেত্রে

5 আইফোন বনাম অ্যান্ড্রয়েড

অ্যান্ড্রয়েডের স্টক কী-বোর্ড অ্যাপলের কী-বোর্ডের তুলনায় বেশ ভালো। অ্যান্ড্রয়েডে একই স্ক্রিনে লেটার এর পাশাপাশি পাঙ্কচুয়েশন সিম্বল গুলোও ব্যবহার করা যায়। তবে, থার্ড-পার্টি কীবোর্ডের ক্ষেত্রে আইফোনেও তা সম্ভব। তবে, স্টক কী-বোর্ডের দিক দিয়ে চিন্তা করলে জয় পাচ্ছে অ্যান্ড্রয়েডই।

অ্যাপলিকেশন

5 আইফোন বনাম অ্যান্ড্রয়েড

অ্যাপল এবং গুগল – উভয়েরই রয়েছে চমৎকার অ্যাপ স্টোর। তবে, অ্যান্ড্রয়েডের অ্যাপ স্টোর অ্যাপলের অ্যাপ স্টোর থেকে অনেক বেশি সুপারিয়র। অ্যান্ড্রয়েডের অ্যাপ স্টোরটিতে সফটওয়্যার মানেজ থেকে শুরু করে ইউসফুল অ্যাপ, এডিটরস রিভিউ – ইত্যাদি বেশ চমৎকার ভাবে সাজানো থাকে এবং অন্যদিকে অ্যাপল স্টোর ঠিক তার ব্যাতিক্রমই বলা চলে!এছাড়াও, অ্যান্ড্রয়েডে রয়েছে অনেক বেশি অ্যাপ এবং উইগেটও। এগিয়ে থাকছে, অ্যান্ড্রয়েড।

নোটিফিকেশন

6 আইফোন বনাম অ্যান্ড্রয়েড

আইফোনের ‘অ্যাকটিভ নোটফিকেশন’ সিস্টেম একটি অ্যাপ না ওপেন করেও সেই নোটিফিকেশন ম্যানেজ করার সুবিধা দিয়ে থাকলেও অ্যান্ড্রয়েডের নোটিফিকেশন সিস্টেম জনপ্রিয়। কেননা, অ্যান্ড্রয়েডে আপনি খুব সহজেই শুধু একবার সোয়াইপের মাধ্যমেই নোটিফিকেশন গুলো ক্লিয়ার করতে ফেলতে পারছেন। অন্যদিকে আইওএস ৮-এ নোটিফিকেশন মুছে ফেলা কিছুটা হলেও পীড়াদায়ক। এছাড়াও, অ্যান্ড্রয়েডের কিলার অ্যাপ, ‘গুগল নাও’ অনেক কাজে আসে। এখনও এগিয়ে থাকছে অ্যান্ড্রয়েড।

মিউজিক

7 আইফোন বনাম অ্যান্ড্রয়েড

অ্যাপলের আইটিউনস সুবিধার জন্য অ্যাপল এক্ষেত্রে এগিয়ে থাকবে। তবে, অ্যান্ড্রয়েডেও আপনি পাবেন চমৎকার মিউজিক এক্সপেরিয়েন্স।

ম্যাপ

8 আইফোন বনাম অ্যান্ড্রয়েড

গুগল ম্যাপকে বলা চলে এখন পর্যন্ত নির্মিত বেস্ট মোবাইল অ্যাপ। এটি অ্যাপল এবং অ্যান্ড্রয়েড – দুটির জন্যেই প্রযোজ্য, তবে ন্যাটিভলি শুধু অ্যান্ড্রয়েডেই ব্যবহার করা হয়। এর মানে হচ্ছে, Siri এটি ব্যবহার করতে পারেন। অবশ্যই এক্ষেত্রে অ্যান্ড্রয়েড এগিয়ে থাকবে।

কন্টাক্টস

4 আইফোন বনাম অ্যান্ড্রয়েড

অ্যান্ড্রয়েডের ক্ষেত্রে কন্টাক্টসে সংরক্ষিত নাম্বার গুলো নেভিগেট করা সহজ এবং এর সাথে বড় আকারের ছবি যোগ করা যায় বিধায় খুব সজকেই প্রয়োজনীয় মানুষটিকে খুঁজে পাওয়া যায়। অন্যদইকে আইফোন স্বয়ংক্রিয় ভাবে ফেসবুকের সাথে সংযুক্ত হয়ে সংরক্ষিত কন্টাক্টস গুলোর তথ্য আপডেট করে রাখা যা বেশ কাজে দেয়। তাই, এই ক্ষেত্রে দু’টি ডিভাইসই এগিয়ে থাকছে।

সার্চ

9 আইফোন বনাম অ্যান্ড্রয়েড

সার্চের ক্ষেত্রে গুগল এগিয়ে থাকবে এটা খুবই স্বাভাবিক তবে অ্যাপল আইওএস ৮-এ স্পটলাইট সার্চ আপডেটের মাধ্যমে সারপ্রাইজিংলি চমৎকার উন্নতি করেছে। স্পটলাইট বলা চলে গুগলের থেকেও বেশি স্টাফ সার্চ করতে সক্ষম। কিন্তু, অ্যান্ড্রয়েডে আপনি আপনার পছন্দমত সার্জ ইঞ্জিন ব্যবহার করতে পারবেন তবে অ্যাপলে আপনাকে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে Bing-এ!!

ভাইব্রেশন মোড

া4 আইফোন বনাম অ্যান্ড্রয়েড

এজন্যে অ্যাপলে রয়েছে ফিজিক্যাল কী যেখানে আপনাকে অ্যান্ড্রয়েডে লক খুলে ভল্যিউম বাটন প্রেস এবং হোল্ড করে ধরে রাখতে হবে! এই সুবিধাটি তুলে ধরলাম কেননা, স্টুডেন্টদের ক্ষেত্রে এই ভাইব্রেটর মোড অসাধারণ ভূমিকা পালন করে আসছে কি না!

ফোনের সাথে কথা বলা!

4 আইফোন বনাম অ্যান্ড্রয়েড

Siri’র বলতে গেলে, কীভাবে বলা যায়… হুম, Siri’র পার্সোনালিটি রয়েছে তবে খুব বেশি কিছু করতে সক্ষম নয়। অন্যদিকে, অ্যান্ড্রয়েডের ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট এর কোন প্রকার পার্সোনালিটি নাই এবং সিরির সাথে তুলনা যোগ্য না হলেও আপনি এর মাধ্যমে কথা বলে (কমান্ড) চমৎকার সার্চ রেজাল্ট পাবেন। এটি অফলাইনে কাজ করতে সক্ষম এবং আপনি শুধুমাত্র ‘Ok Google’ বলেও ফিচারটি চালু করতে পারবেন।

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

1 মন্তব্য

  1. Post kub valo lagse..after that I’m very much fan of Android device………….Iphone a third party downloader use korte hoy kisu donwload korte but android a default deya thake..Easy File trnasfer and sharing in good Android….apple sucks……….also easily access your mass storage using Android……but Apple Iphone they dont have this

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

four × three =