চিকিৎসাবিজ্ঞানের রহস্যময় ৭টি অসুখ

0
384

আজকাল চিকিৎসাবিজ্ঞানের অভূত পূর্ব উন্নতি সাধিত হয়েছে। নিত্য-নতুন ওষুধ আর প্রযুক্তির উদ্ভাবন মানুষকে অনেক প্রাণঘাতী রোগের বিরুদ্ধে করেছে জয়ী। কিন্তু তারপরও কিছু রোগের সামনে আজো মানুষ অসহায়। আজকের গল্প এই রোগগুলোকে নিয়েই।

(১) এইডস

২৫ বছর আগেই আবিষ্কৃত হওয়া এই রোগের এখনো কোন কার্যকরী প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয় নি। এইচ আই ভি ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট এই রোগটি এখনো মানবজাতির জন্য মাথাব্যথার কারণ। প্রাথমিক ভাবে বানর থেকে এইচ আই ভি ভাইরাস মানুষে সংক্রমিত হয় । মাঝে মাঝে কিছু প্রতিষেধক উদ্ভাবনের কথা শোনা গেলেও সেগুলো খুব কার্যকর ফল দেয় নি।

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

(২) আলঝেইমার’স ডিজিজ

বার্ধক্যে গেলেই যে মানুষের স্মৃতিবিভ্রাট হবে এমন কোন কথা নেই। এই যেমন আলঝেইমার’স রোগের কথাই ধরা যাক। এটি যাদেরকে আক্রমণ করে তাদের সবার ক্ষেত্রেই ভিন্ন ভিন্ন ভাবে প্রভাব ফেলে। কিন্তু এর কারণ এখনো অস্পষ্ট। আর একারণে এখনো এর কোন প্রতিষেধক উদ্ভাবিত হয় নি।

(৩) সর্দি-কাশি

শুধু আমেরিকায় প্রতি বছর এক বিলিয়ন লোক সর্দি-কাশি, জ্বরে আক্রান্ত হয়। কিন্তু এই খুব সাধারণ জ্বর-সর্দি-কাশির কোন কারণ বিজ্ঞানীরা খুঁজে পান নি। সাধারণভাবে ধূলোবালি, ময়লাকে এর কারণ হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু প্রকৃত কারণ হিসেবে একশ’র বেশি ধারণা বিদ্যমান। সাধারণভাবে স্যুপ জাতীয় খাবার খেলে আর কিছু সময় থাকার পর সর্দি-কাশি এমনিতেই চলে যায়।

(৪) এভিয়ান ফ্লু

এভিয়ান ফ্লু ভাইরাস মূলত ছড়ায় পাখির মাধ্যমে। ভাইরাসটি পাখি থেকে মানুষে সংক্রমিত হয়। আর এ রোগে মানুষের মৃত্যুহার শতকরা ৫০ ভাগ। এছাড়া বিভিন্ন কেস স্টাডি বলছে, আক্রান্ত মানুষ থেকে এভিয়ান ফ্লু ভাইরাস সুস্থ মানুষের দেহেও যেতে পারে।

(৫) পিকা

এই রোগে আক্রান্ত মানুষের স্বভাব হলো খাদ্যদ্রব্য নয় এরকম জিনিস যেমন কাদা, ইটের গুঁড়ো, কাগজ এসব খাওয়া। ধরা হয়, যাদের দেহে খণিজ পদার্থের অভাব আছে তাদের এরকম প্রবণতা থাকতে পারে। যদিও এর কারণ বিজ্ঞানীদের এখনো অজানা। তাই প্রতিষেধকও নেই।

(৬) সিজোফ্রেনিয়া

মানসিক রোগগুলোর মাঝে সবচেয়ে জটিল ও দুর্বোধ্য হচ্ছে সিজোফ্রেনিয়া। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি বাস্তব ও কল্পনার মাঝে পার্থক্য করতে পারে না। প্রধান লক্ষণগুলো হচ্ছে, দৃষ্টি ও স্মৃতিবিভ্রাট এবং অসংলগ্ন কথাবার্তা। কিন্তু এটার কোন চিকিৎসা এখনো বের হয় নি।

(৭) ক্রুজফেল্ড জ্যাকব ডিজিজ

সাধারণভাবে এটি ‘ম্যাড কাউ’ রোগ নামেও পরিচিত। গরুর নষ্ট হয়ে যাওয়া মাংস খেলে মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হয়। আর রোগটি খুব দ্রুত গতিতে মানুষের দেহে ছড়িয়ে পড়ে। মূল কারণ এখনো অজানা।

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

15 − 6 =