ধূমপান প্রতিরোধী টিকা!

0
427
ধূমপান প্রতিরোধী টিকা!

kafi

বড় একটি কোম্পানিতে ছোট একটি জব করছি :) দেখা হলে বিস্তারিত আড্ডা হবে। ধন্যবাদ
ধূমপান প্রতিরোধী টিকা!

“ধূমপানে বিষপান”, এই সাবধানবানী জানার পরেও নিকোটিনে আসক্ত মানুষের সংখ্যা পৃথিবীতে কম নয়। বরং বর্তমানে আশঙ্কাজনকভাবে তরুণ তরুণীদের মাঝে বিস্তার লাভ করছে এই মারাত্নক নেশাটি। বন্ধুবান্ধবের চোখে স্মার্ট ও প্রগতিশীল হবার ব্যর্থ চেষ্টায় অনেকেই হাতে তুলে নেন একে। পরবর্তীতে এই নেশা থেকে বের হয়ে আসা হয়ে যায় অনেকে কঠিন এবং জীবন দিয়ে তার মাশুল গুনতে হয়। শুধু নিজের নয়, আশেপাশের মানুষের স্বাস্থ্যের ওপরেও নেতিবাচক ভূমিকা রাখে এই নেশাটি। তাই এর প্রতিকার খুঁজতে ব্যস্ত বিজ্ঞানীরা বহুদিন যাবত। কিন্তু প্রতিকারের চাইতে তো প্রতিরোধ ভালো, তাই না? কোন রোগ হয়ে যাবার আগেই যদি তার প্রতিরোধী টিকা নেওয়া হয় তাহলে আর সেই রোগে ভোগার সম্ভাবনা থাকবে না। তেমনিভাবে, ধূমপানে আসক্ত হবার আগেই যদি এমন একটি টিকা নেওয়া হয় যে এর ফলে আসক্তির আর কোন সম্ভাবনা থাকবে না, তবে সেটাই কি সর্বোত্তম সমাধান নয়?

ধূমপান প্রতিরোধী টিকা! ধূমপান প্রতিরোধী টিকা!

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

নিকোটিন আসক্তির থেকে মানুষকে মুক্তি দিতে পারবে এমন একটি ভ্যাকসিন তৈরির দাবি করেছেন নিউ ইয়র্কের ওয়েইল কর্নেল কলেজের গবেষকরা। Science Translational Medicine জার্নালে প্রকাশিত হয় এই তথ্য। তাদের দাবি অনুযায়ী, ইঁদুরের ওপর গবেষণা করে দেখা গেছে এই ভ্যাকসিনটি নিকোটিনের প্রভাব নষ্ট করে দেয় তা মস্তিষ্ক অথবা হৃদপিণ্ডে পৌঁছানোর আগেই। মনে হবে যেন নিকোটিন আদৌ রক্তে মেশেই নি।

এই ভ্যাকসিনটি আমাদের যকৃতের ওপর কাজ করে। এর ফলে যকৃত থেকে নিঃসৃত হয় অ্যান্টিবায়োটিকস এর একটি স্রোত যা রক্তে প্রবেশ করে নিকোটিন ধ্বংস করে দেয়। এর দ্রুত কার্যকারিতার ফলে নিকোটিন হৃৎপিণ্ড বা মস্তিষ্ক কোথাওই পৌঁছাতে পারে না। শরীরে কোনরকম নেতিবাচক প্রভাব রাখার আগেই রক্ত থেকে একে পরিষ্কার করে ফেলবে এই অ্যান্টিবায়োটিকগুলো। এর আগেও গবেষকরা এই প্রক্রিয়াটি নিয়ে কাজ করেছেন কিন্তু তাতে নিয়মিত এই ভ্যাকসিন গ্রহণ করতে হতো। রেডি-মেইড অ্যান্টিবায়োটিকের ইঞ্জেকশন দেওয়া হতো শরীরে এবং এর প্রভাব ফুরিয়ে যেতো মাত্র কয়েক সপ্তাহের মাঝে। সাম্প্রতিক এই গবেষণায় ব্যবহৃত ভ্যাকসিনটি একবার প্রয়োগ করলেই সারাজীবন ইঁদুরের যকৃতে এই অ্যান্টিবায়োটিক তৈরির প্রক্রিয়া চলতে থাকে।

পরবর্তী পর্যায়ে প্রাইমেটদের ওপর এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করে এর কার্যকারিতা দেখা হবে। এই গবেষণা সফল হলে একবার ভ্যাকসিন গ্রহণ করলেই সারাজীবন ধূমপানের অভিশাপ থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এ টিকা গ্রহণের পরে ধূমপান যে করা যাবে না তা নয়। আপনার শখ হলে আপনি ধূমপান করে দেখতে পারেন। কিন্তু এর ভয়ঙ্কর আসক্তি ঘাঁটি গাড়বে না আপনার মধ্যে। এছাড়া ধূমপানে ইতোমধ্যেই দীর্ঘদিন ধরে আসক্ত হয়ে আছেন এবং কোনভাবেই তা থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না, এমন ব্যক্তিদের ওপরেও এটি প্রয়োগ করা যাবে।

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

1 × 1 =