জানুন, প্রযুক্তিতে বিশ্ববিখ্যাত তিন তাঁরার কথা !

0
485

 

jakarbarge জানুন, প্রযুক্তিতে বিশ্ববিখ্যাত তিন তাঁরার কথা !

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

 

মার্ক এলিয়ট জুকারবার্গ
বিশ্বখ্যাত টাইম সাময়িকীর দৃষ্টিতে মার্ক জুকারবার্গ ছিলেন ২০১০ সালের ‘পারসন অব দি ইয়ার’।  ২৬ বছরের টগবগে এক মার্কিন তরুণ, সফল একজন ব্যবসায়ী। যার সহায়তায় ইন্টারনেটে গড়ে উঠেছে সামাজিক সম্পর্কের শক্তিশালী এক নেটওয়ার্ক, যে নেটওয়ার্কে বসে হাজার হাজার মাইল দূরে থাকা আপন মানুষটির সাথে মনের কথা বলা যায়। খুঁজে বের করা যায় হারিয়ে যাওয়া পুরনো বন্ধুটিকে। সাইবার দুনিয়ায় সামাজিক যোগাযোগের সর্ববৃহৎ এই নেটওয়ার্কের নাম ফেসবুক। ফেসবুকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মার্ক এলিয়ট জুকারবার্গ।

নিউইয়র্কের হোয়াইট প্লেইনস গ্রামে ১৯৮৪ সালের ১৪ মে জন্মগ্রহণ করেন জাকারবার্গ। বাবা অ্যাডওয়ার্ড দন্ত চিকিৎসক। মা কারেন একজন মনোরোগ চিকিৎসক। শৈশব থেকেই মার্ক পড়াশোনা ও কাজকর্মে ছিলেন চৌকস। কৈশোরেই ইংরেজির পাশাপাশি ফরাসি, লাতিন ও প্রাচীন গ্রিক ভাষায় কথা বলা ও লেখা রপ্ত করেন জুকারবার্গ। কম্পিউটারের প্রতি ঝোঁক হতে ১৯৯০ সাল থেকে নিজেই প্রোগ্রামিং শুরু করেন। যদিও জুকারবার্গ তখন মাত্র ছয় বছরের শিশু। ছেলেবেলা থেকেই কম্পিউটার প্রোগ্রাম ও ভিডিও গেম নিয়ে আগ্রহ ছিল জুকারবার্গের।

বাবার রোগী দেখার চেম্বার আর বাড়ির গুটিকতক কম্পিউটারের জন্য একটি প্রোগ্রাম দিয়ে শুরু করেন জুকারবার্গ। যার নাম ছিল ‘জাকনেট’।    ‘কোর্সম্যাচ’ নামের একটি সফটওয়্যার তৈরি করেন। কলেজের তরুণ-তরুণীদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করতে মাথায় ‘ফেসম্যাশ’ নামের আরেকটি সফটওয়্যার বানান জুকারবার্গ। আর এর হাত ধরেই জুকারবার্গের হাতে জন্ম নেয় পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বৃহত্তম সামাজিক যোগাযোগের সাইট ফেসবুক।

২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে হার্ভার্ডের ডরমিটরিতে ফেসবুকের উদ্বোধন করেন এর চার প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ, ডাস্টিন মস্কোভিৎজ, চেরিস হুগেস ও এডোয়ার্ডো স্যাভেরিন। প্রথমে এর নাম ছিল ‘দ্য ফেসবুক ডটকম’ পরে ২০০৫ সালের আগস্টে নাম পাল্টে রাখা হয় শুধু ‘ফেসবুক’। ২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে ফেসবুক ভার্চুয়াল গিফট শপ চালু করে। ২০১০ সালে ফেসবুকের গ্রাহক সংখ্যায় ব্যাপক পরিবর্তন দেখা গেছে। এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে এর গ্রাহকসংখ্যা ছিল ৪০ কোটি, জুলাইতে এ সংখ্যা ৫০ কোটি ছাড়িয়ে যায়। আর ডিসেম্বরে এ সংখ্যা পৌঁছেছে ৫৫ কোটিতে।

বর্তমানে ক্যালিফোর্নিয়ার প্যালো আল্টোতে ফেসবুকের কার্যালয় অবস্থিত। ২০১০ সক্রিয় ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৫ কোটিতে। এর মধ্যে সাড়ে তিন কোটি ব্যবহারকারী রোজ তাদের স্ট্যাটাস হালানাগাদ করে। প্রতিদিন সাড়ে পাঁচ কোটিরও বেশি স্ট্যাটাস আপডেট হয়। ২৫০ কোটির বেশি ছবি রাখা হচ্ছে ফেসবুকে প্রতি মাসে। মার্কিনিরা ফেসবুকের পেছনে অফুরন্ত সময় ব্যয় করেন। সম্প্রতি এক জরিপে দেখা গেছে, মার্কিনিরা বছরে এক হাজার ৩৯০ কোটি মিনিট সময় ব্যয় করেন ফেসবুক ব্যবহার করে। সারা বিশ্বে বর্তমানে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা এখন ৫৫ কোটি। ব্যাপক জনপ্রিয়তা থাকার পরও বিশ্বের কিছু দেশে বর্তমানে ফেসবুক নিষিদ্ধ। যার তালিকায় রয়েছে সিরিয়া, চীন, ভিয়েতনাম ও ইরান। ফেসবুকের কর্মরত কর্মীর সংখ্যা দুই হাজার। ২০১০ সালে মার্কের সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৯০ কোটি ডলারে।

ফেসবুকের জনপ্রিয়তা এবং মার্ক জুকারবার্গের জীবনী নিয়ে তৈরি হয়েছে চলচ্চিত্র। যার নাম দ্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক। তবে ছবিটি দেখে হতাশ জুকারবার্গ। তিনি এ চলচ্চিত্রের বিরুদ্ধে জোর গলায় প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, ‘আমার জীবদ্দশায় এমন ছবি যেন আর কেউ না তৈরি করে।’

মজার ব্যাপার হলো অল্প বয়সে প্রতিষ্ঠা এবং সাথে বিরাট অঙ্কের টাকার মালিক হয়েও নিজের পথ হতে সড়ে দাঁড়াননি জুকারবার্গ। উচ্চাভিলাষী কোনো চিন্তাভাবনা নেই তার। নিতান্তই একজন সাদাসিধা মানুষ। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিল গেটস, ওয়ারেন বাফেটের মতো ধনকুবেরদের সাথে জুকারবার্গ একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। এই চুক্তিতে মার্ক জুকারবার্গ তার জীবনের অর্ধেক সম্পত্তি দাতব্য কাজে দান করে দেয়ার অঙ্গীকার করেছেন। ফেসবুকের মতোই শ্রেণিবৈষম্যহীন এক বিশ্বের স্বপ্ন দেখেন জুকারবার্গ, যেখানে মানুষের মধ্যে মানবিক গুণগুলো আরো জীবন্ত হয়ে ফুটে উঠবে।

জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ
সাইবার যুদ্ধের দামামা বাজিয়ে পৃথিবীবাসীকে নড়েচড়ে বসিয়েছেন হালকা, ছিপছিপে গড়নের দীর্ঘকায় মানুষটি। আপাতদৃষ্টিতে নিরীহ গোছের মানুষ তিনি। চোখজোড়া বুদ্ধির দীপ্তি। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের আড়াই লাখ ডিজিটাল তথ্য ইন্টারনেটে ফাঁস করে মানুষের ঘুম হারাম করে দিয়েছেন জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ। চলতি বছরের এপ্রিলে ইন্টারনেটে স্পর্শকাতর তথ্য ফাঁস করে সবার নজর কাড়েন। প্রথমটি ছিল একটি ভিডিওচিত্র। মার্কিন হেলিকপ্টার থেকে ইরাকিদের গুলি করে হত্যার একটি দৃশ্য। দ্বিতীয়টি, আফগানিস্তান যুদ্ধের ওপর ৭৬ হাজার ৯০০ তথ্যের একটি সঙ্কলন। গত নভেম্বরের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের আড়াই লাখ কূটনৈতিক বার্তা ফাঁস করে দেন অ্যাসাঞ্জ। তার প্রতিষ্ঠিত উইকিলিকস (www.wikileaks.org) সাইটে প্রকাশ করা হয় এসব তথ্য। উইকিলিকস অলাভজনক আন্তর্জাতিক একটি সংবাদ সংস্থা। ভক্তদের অনুদানে চলে এই ওয়েবসাইটটি। জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ নিজে এর প্রধান সম্পাদক। উইকি (রিশর) যুক্ত করার কারণ, যে কেউ ওয়েবসাইটটিতে কোনো কিছু প্রকাশ ও সম্পাদনা করতে পারে।

বছর তিনেক আগে উইকিলিকসের আত্মপ্রকাশ ঘটে। পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতিসংক্রান্ত খবর বা দলিল-দস্তাবেজের প্রতি অদম্য আগ্রহ উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের। ৩৯ বছর বয়সী সাবেক এই হ্যাকার জন্মসূত্রে অস্ট্রেলীয়। জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের জন্ম ১৯৭১ সালের ৩ জুলাই অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের টাউনসভিলে। গণিত ও পদার্থবিজ্ঞানে ডিগ্রি নিয়েছেন। রাতের পর রাত জেগে, দু’দিনে একবেলা খেয়ে অঙ্ক কষতেন অ্যাসাঞ্জ। মাত্র ষোলো বছর বয়সে হ্যাকারদের খাতায় নাম লেখান তিনি। সমবয়সী আরো দুই হ্যাকারকে নিয়ে গড়ে তোলেন একটি দল। সেখানে তার নাম ছিল ‘মেনড্যাক্স’।

২০ বছর বয়সে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন অ্যাসাঞ্জ। ব্যাপক পড়াশোনার মাধ্যমে ইতিহাস জানা ও সমসাময়িক বৈশ্বিক পরিস্থিতির দিকে রাজনীতিসচেতন দৃষ্টিতে নজর রাখার মধ্য দিয়ে অ্যাসাঞ্জ পরিণত বয়সে এমন এক ধারণায় পৌঁছান যে, সব সরকার ও মতাধর প্রতিষ্ঠান মিথ্যা বলে, জনগণের সাথে প্রতারণা করে। সরকারমাত্রই ষড়যন্ত্রপ্রবণ। অ্যাসাঞ্জ মনে করেন, ষড়যন্ত্রকারীদের প্রধান অস্ত্র হচ্ছে গোপনীয়তা। গোপনীয়তা ভেঙে দিতে পারলেই ষড়যন্ত্র ভণ্ডুল করা সম্ভব। এ রকম ভাবনা বা দর্শন থেকে তিনি ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে চালু করেন উইকিলিকস নামের এক নতুন ধরনের ওয়েবসাইট, যার কাজই হবে জনগুরুত্বপূর্ণ গোপন নথিপত্র বিশ্ববাসীর সামনে প্রকাশ করা।
এ বছরের এপ্রিলে ইন্টারনেটে স্পর্শকাতর তথ্য ফাঁস করে সবার নজর কাড়েন। পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় তথ্য কেলেঙ্কারির এ ঘটনায় নড়েচড়ে বসে মার্কিন কর্তৃপ। খোঁজ পড়ে জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের। সর্বশেষ গত ২৮ নভেম্বর উইকিলিকস মার্কিন কূটনীতিকদের তারবার্তা প্রকাশের পর অ্যাসাঞ্জ ও উইকিলিকসের প্রতি এসেছে প্রচণ্ড আঘাত। যুক্তরাষ্ট্র উইকিলিকস বন্ধ করার এবং অ্যাসাঞ্জকে কঠোর শাস্তি দেয়ার চেষ্টা করছে, বড় বড় দেশের সরকারগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সাথে হাত মিলিয়েছে, এমনকি তার স্বদেশ অস্ট্রেলিয়ার সরকারও। অবশেষে সুইডেনে দুই নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইন্টারপোল তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। ৭ ডিসেম্বর ব্রিটেন পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন অ্যাসাঞ্জ। তার জামিনের আবেদন প্রথমে খারিজ হয়েছে, দ্বিতীয় দফায় তিনি জামিন রয়েছেন। জামিনে মুক্ত হয়েই তিনি তার অনুসারীদের সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তথ্য প্রকাশ অব্যাহত থাকবে। তবে এর মাঝে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, অ্যাসাঞ্জহীন উইকিলিকস কি পারবে বাকি নথিগুলো ঠিকঠাক প্রকাশ করতে? উত্তরে সাবেক এই হ্যাকারের সমর্থকরাই জানিয়েছেন, পারবে। কারণ আত্মসমর্পণের আগে অ্যাসাঞ্জ তথ্যগুলো এমন গোপন জায়গায় রেখে গেছেন যেখানে পরমাণু বোমা ফেলেও ধ্বংস করা সম্ভব হবে না।

স্নায়ুযুদ্ধকালে ব্যবহার হতো এমন একটি বাংকারকে বেছে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। সেখানে মাটির ১০০ ফুট নিচে গড়ে তোলা হয়েছে বিশাল তথ্যভাণ্ডার (ডেটাবেইস সার্ভার)। মাটির ১০০ ফুট নিচ পর্যন্ত গ্রানাইটের ঢালাই দেয়া হয়েছে। যা পরমাণু বোমার হামলা ঠেকাতে সম। বানাফ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে তার সার্ভার ভাড়া দেয়। বিনিময়ে যরে ধনের মতো আগলে রাখে গোপন সে তথ্য। এ ছাড়া এখন অ্যাসাঞ্জের সমর্থকরাই তৈরি করছেন একের পর এক মিরর-ওয়েবসাইট। যা মূল ওয়েবসাইটটি মুছে ফেললেও মিরর সাইটগুলো উইকিলিকসকে জিইয়ে রাখবে যুগ যুগ ধরে।
জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের এই গুপ্ত জীবন এক মহান মিশনের অংশ হিসেবে কাজ করতে পারে পৃথিবীর সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য। অ্যাসাঞ্জ গোটা বিশ্বকে এক অভিন্ন জাতিরাষ্ট্র বলে মনে করেন এবং সেই ন্যায়পরায়ণ মুক্ত সমাজ বা ‘ওপেন সোসাইটি’ প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে নেমেছেন, যুগে যুগে মানুষ যার স্বপ্ন দেখে এসেছে।

সালমান খান
জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগলের খেতাবপ্রাপ্ত সালমান খানকে মনে আছে নিশ্চয়ই। বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত এই উদ্যমী তরুণ পৃথিবীর শিাব্যবস্থাকেই বদলে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। আর তার এ উদ্যোগের স্বীকৃতি দিয়েছে গুগল। এ বছর সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগলের ‘প্রজেক্ট টেন টু দ্য হানড্রেড’ প্রকল্পের শীর্ষ ‘আইডিয়াদাতা’ হিসেবে জিতে নিয়েছেন দুই মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

পৃথিবী বদলে দিতে পারে এমন সব ‘আইডিয়া’ জনসমে তুলে আনার লক্ষ্যে গুগল ২০০৮ সালে ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের ‘প্রজেক্ট টেন টু দ্য হানড্রেড’ পুরস্কার ঘোষণা করে। প্রতিযোগিতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে জমা পড়া এক লাখ ৫৪ হাজার থেকে দুই বছর যাচাই-বাছাই শেষে এ বছরের সেপ্টেম্বরে সেরা পাঁচ আইডিয়ার নাম ঘোষণা করে গুগল কর্তৃপ। এর মধ্যে ‘শিক্ষা’ বিভাগে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছিল বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রের অধিবাসী সালমান খানের প্রজেক্ট। সালমানের বিনা মূল্যে অনলাইন ভিডিও টিউটোরিয়াল  www.khanacademy.org  এখন বিশ্বব্যাপী পরিচিত।

২০০৬ সালের ১৬ নভেম্বর চালু হওয়া খান একাডেমির ইউটিউব চ্যানেলে বর্তমানে এক হাজার ৮ শ’র বেশি ভিডিও টিউটোরিয়াল রয়েছে। এই সাইট থেকে ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখা হয়েছে আড়াই কোটিরও বেশিবার। আর এ সাইটের স্থায়ী দর্শকসংখ্যা এখন প্রায় ৮০ হাজার। তরুণ এ প্রতিভাবানের জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানার নিউ অর্লিয়ন্স শহরে। যদিও তার দাদাবাড়ি বাংলাদেশের বরিশালে। সে হিসেবেই সালমানের সৃষ্টিকর্মে সারা বিশ্বে বাংলাদেশ নতুন পরিচয় পেয়েছে।

পোস্ট টি ভাল লাগলে আমার বাংলা নিউ টেকনোলজি

ব্লগ  একবার গুরে আসুন…ট্রুওটিপস২৪.কম

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

11 − two =