আধুনিক প্রযুক্তির জনকেরা

17
613

আধুনিক যুগ প্রযুক্তির যুগ। প্রযুক্তির অসীম শক্তিতে মানুষ আজ প্রকৃতিকে যেন হাতের মুঠোয় এনে ফেলেছে। প্রযুক্তির অগ্রগতির সাথে যুগ যুগ ধরে বহু ব্যাক্তির নিরলস শ্রম, মেধা, সাধনা, অধ্যবসায় জড়িত। তাদের সর্ম্পকে আমরা কতটুকু বা জানি!! হয়তো অনেকে জানেন, অনেকে জানেন না। যারা জানেন না তাদের জন্য আমার এই ধারাবাহিক টিউনের আজ দ্বিতীয় পর্ব।
১ম পর্ব পড়তে চাইলে, এখানে ক্লিক করুন

উইকিলিকস -এর জনক

বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত, সমালোচিত ও অন্যতম জনপ্রিয় নাম উইকিলিকস (Wikileaks)। দুষ্প্রাপ্য ও কূটনৈতিক গোপন নথি প্রকাশের মাধ্যমে সারা বিশ্বে এক অভাবনীয় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এই অলাভজনক প্রতিষ্ঠানটি। এই ওয়েব সাইটিতে গোপন নথি ফাঁস করা হয়, তাই এই সাইটির নাম ‘লিকস’।

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

জুলিয়ান পল অ্যাসাঞ্জ আধুনিক প্রযুক্তির জনকেরা

বিশ্বের যে কোন প্রান্তের যে কোনো মানুষ যাতে গোপন যে কোন নথি সাইটটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাতে পারে, এ জন্য ইন্টারনেটের মুক্ত বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়ার আদলে এখানে কাঠামো দাঁড় করানো হয়েছে। উইকিলিকস (Wikileaks) এর জনক বা প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান পল অ্যাসাঞ্জ।
তিনি ৩ জুলাই ১৯৭১ সালে অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডে জম্মগ্রহন করেন।তার জন্মদাতা পিতার নাম জন সিপটন ও মাতার নাম হচ্ছে ক্রিস্টিন। যখন অ্যাসাঞ্জের বয়স এক বছর, তখন তার মা ব্রেট অ্যাসাঞ্জ নামে এক ব্যাক্তিকে বিয়ে করেন। জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের ভাষ্যমতে তিনি ৫০ এর অধিক শহরে বসবাস করেছেন এবং ৩৭ টি বিভিন্ন স্কুলে পড়াশুনা করেছেন।

নাম: জুলিয়ান পল অ্যাসাঞ্জ (ইংরেজি ভাষায়: Julian Paul Assange)
জন্ম: ৩ জুলাই ১৯৭১
ধর্ম: নাস্তিক
নাগরিকত্ব: অস্ট্রেলিয়ান
জাতি: শ্বেতাঙ্গ
জন্মস্থান: টাউনসভিল, কুইন্সল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া
পেশা: সাংবাদিক, হ্যাকার, কম্পিউটার প্রোগ্রামার, উইকিলিকসের সম্পাদক এবং বার্তা প্রধান।

মোবাইল ফোন -এর জনক

মোবাইল ফোন! যা ব্যাতিত আমরা কি চলতে পারি? আমার বিশ্বাস, বাংলাদেশের টেকনাফ থেকে তেতুঁলিয়া পর্যন্ত কোটি মানুষের কন্ঠ হতে একটি মাত্র উত্তর ভেসে আসবে; না। বর্তমানে আমরা একটি দিনও মোবাইল ফোন ছাড়া কল্পনা পারি না। কিন্তু আজ থেকে দশ বছর আগে আমাদের অনেকের কাছে এই জিনিসটি আলাদিনের প্রদীপের মত মহা-মূল্যবান ছিল, যা হাতে পেলে নিজেকে রাজপুত্র বা রাজা বলে মনে হত, তা বর্তমানে আমাদের কাছে সাধারন একটি জিনিস এবং যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। আমরা সেই মোবাইল ফোনের জনক, যার সৃষ্টির জন্য আমাদের জীবন অনেক সহজ থেকে সহজতর হয়েছে, তাকে (মার্টিন কুপার) হয়তো আমরা অনেকেই চিনি না। মার্টিন কুপারই ১৯৭৩ সালে প্রথম মোবাইল ফোন উদ্ভাবন করেন।

মোবাইল ফোন উদ্ভাবনের প্রচেষ্টা শুরু হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর। টেলিফোন ও রেডিও কারিগরি প্রযুক্তিকে সমন্বিত করে তারবিহীন ফোন উদ্ভাবনের জন্য অনেকে কাজ শুরু করে। এ টিএন্ডটি কোম্পানির প্রকৌশলী বেল ল্যাবস ১৯৪৭ সালে প্রথম এ ধরনের ফোন ব্যবস্থার বেজ স্টেশন উদ্ভাবন করেন। এ বেজ স্টেশনের সূত্র ধরে বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানি মোবাইল প্রযুক্তির পথ খুঁজতে থাকে। অবশেষে ১৯৭৩ সালে মটোরলা কোম্পানির প্রকৌশলী ড. মার্টিন কুপার প্রথম মোবাইল ফোন উদ্ভাবন করেন। তিনি ১৯৭৩ সালের ৩ এপ্রিল ডা. জোল এস. এঞ্জেল (DR. Joel S. Engel) এর সাথে কথা বলেন, যা বিশ্ব ইতিহাসের প্রথমবার মোবাইল ফোনে কথা বলা।
মার্টিন কুপার ১৯২৮ সালের ২৬ ডিসেম্বর আমেরিকার শিকাগোতে জন্মগ্রহন করেন। ৮২ বছর বয়সী মার্টিন কুপার প্রতি দুই মাস অন্তর একটি নতুন স্মার্টফোন কিনেন এবং তার ব্যবহর্ত স্মার্টফোন নাতিকে দিয়ে দেন।
বিশ্বের প্রথম মোবাইল ফোন হল Motorola DynaTac 8000X. মান্ধাতার আমলের মোবাইল ফোন বলতে যা বোঝায়, এটি তাই ছিল। এর দৈঘ্য ছিল প্রায় এক ফুট, ওজন প্রায় ১ কেজি (২.২ পাউন্ড)এবং এই মোবাইল ফোন দিয়ে সবোর্চ্চ ৩৫ মিনিট কথা বলা যেত।
বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ফোন চালু হয় ১৯৯৩ সালের এপ্রিল মাসে। Hutchison Bangladesh Telecom Limited (HBTL) ঢাকা শহরে AMPS মোবাইল প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল ফোন সেবা শুরু করে।

 

নাম: মার্টিন লরেন্স কুপার (ইংরেজি ভাষায়: Martin Lawrence Cooper)
জন্ম: ২৬ ডিসেম্বর ১৯২৮
জন্মস্থান: শিকাগো, ইলিনয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
নাগরিকত্ব: আমেরিকান
পেশা: বিজ্ঞানী

মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলন -এর জনক

মুক্ত সফটওয়্যার (কোন সফটওয়্যার ব্যবহার, কপি, অধ্যয়ন, পরিবর্তন, পরিমার্জন, পরিবর্ধন এবং পুনঃ বিতরণের জন্য স্বাধীনতাকে মুক্ত সফটওয়্যার বলা হয়) আন্দোলন (ইংরেজি Free Software Movement) একটি সামাজিক আন্দোলন, যার উদ্দেশ্য হল কম্পিউটার ব্যবহারকারীর অধিকার সংরক্ষণ করা। রিচার্ড ম্যাথিউ স্টলম্যান একজন বিশ্বখ্যাত মার্কিন কম্পিউটার প্রোগ্রামার, হ্যাকার ও সমাজকর্মী যিনি মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলনের প্রবর্তক। তিনি এ আন্দোলন বাস্তবায়নের জন্য গনু প্রকল্প (যার লক্ষ্য হল ইউনিক্স-সদৃশ একটি অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করা যা হবে মুক্ত সফটওয়্যার) শুরু করেন। রিচার্ড স্টলম্যান এমআইটি তে থাকাকালীন সময়ে ২৭ সেপ্টেম্বর ১৯৮৩ সালে এই প্রকল্পের ঘোষনা দেন। ১৯৮৪ সালের জানুয়ারী মাসে এই প্রকল্পের মাধ্যমে গনু (GNU) অপারেটিং সিস্টেম তৈরীর কাজ শুরু হয় এবং ১৯৯২ সালে এই সফটওয়্যারের কাজ শেষ হয়। তিনি ১৯৮৫ সালের অক্টোবরে তিনি ফ্রি সফটওয়্যার ফাউন্ডেশন স্থাপন করেন।

রিচার্ড স্টলম্যান কপিলেফট ধারণার প্রবক্তা। মুক্ত সফটওয়্যারের বিতরণ এবং রূপান্তর যেন কপিরাইটের হুমকির মুখে না পড়ে সেজন্য তিনি এই নতুন ধারণার জন্ম দেন (সাধারণত, কপিরাইট আইনের আওতায় আপনি কোনোকিছু কিনলে সেটা বিতরণ করতে পারবেন না, পরিবর্তন/পরিবর্ধন করতে পারবেন না। কিন্তু এই কপিলেফট শব্দটি ঠিক এর উল্টো। এটা ব্যবহৃত হয় ব্যবহারকারীকে ক্ষমতা প্রদানের জন্য। কপিলেফটের ফলে একটি সফটওয়্যার স্বাধীনভাবে ব্যবহার করা ছাড়াও ব্যবহারকারী কে এর পরিবর্তন করার, এমনকি এই সফটওয়্যারকে রূপান্তর করে একটি নতুন সফটওয়্যারও তৈরি করা ও ক্ষমতা দেওয়া থাকে। যার জন্য কারো অনুমতি নিতে হবে না। যেমন : GNU GPL, LGPL, FDL এবং ক্রিয়েটিভ কমন লাইসেন্স)।

স্টলম্যান ১৯৮০ সালের একদিন ৫০ পাতার একটি জরুরী ফাইল প্রিন্ট করতে দিয়েছিলেন। লেজার প্রিন্টারটি ছিল অন্য তলায়। স্টলম্যান গিয়ে দেখেন প্রিন্টারের ট্রে-তে মাত্র চারটিপাতা পড়ে আছে, তাও অন্য আরেকজনের। তার ফাইলের একটা পাতাও প্রিন্ট হয়নি। জ়েরক্স ৯৭০০ মডেলের এই প্রিন্টারটি এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান থেকে বিনামূল্যে পাওয়া। স্টলম্যান এই সমস্যা সমাধানের জন্য প্রিন্টার সফটওয়্যারের সোর্স কোডে কিছু পরিবর্তন করতে চাইলেন, কিন্তু প্রিন্টার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি অনুসারে এমআইটির এআই ল্যাব সোর্সকোড দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এই ঘটনার ফলে তার উপলব্ধি দৃঢ়তর হয় যে, প্রত্যেক ব্যবহারকারীর সফটওয়্যার পরিবর্তন করার অধিকার থাকা উচিত। ১৯৮৪ সালের জানুয়ারি মাসে এমআইটি’র প্রোগ্রামারের চাকুরি ছেড়ে দেন এবং পুরো সময় গনু প্রকল্পে ব্যয় করতে থাকেন। গনু প্রকল্পের ঘোষনা অবশ্য আগের বছরের সেপ্টেম্বর মাসেই দিয়েছিলেন।

মুক্ত সফটওয়্যার লাইসেন্সের মধ্যে সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত গনু জেনারেল পাবলিক লাইসেন্স বা জিপিএল (GPL)-এর মূল লেখক ও তিনি। বহুলভাবে ব্যবহৃত বেশ কয়েকটি সফটওয়্যারও তিনি লিখেছেন, যেমন- ইম্যাক্‌স , গনু কম্পাইলার কালেকশন এবং গনু ডিবাগার ।

রিচার্ড স্টলম্যান ১৯৫৩ সালের ১৬ মার্চ নিউইয়র্ক সিটিতে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর বাবা ড্যানিয়েল স্টলম্যান এবং মা এলিস লিপম্যান। তিনি প্রথম প্রোগ্রামটি লিখেন হাই স্কুল উত্তীর্ণ হবার কিছুদিন পরে। তখন তিনি রকফেলার ইউনিভার্সিটির জীববিজ্ঞান বিভাগের গবেষণাগারে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতেন। তবে ইতিমধ্যে তার কর্মজীবন গণিত এবং পদার্থবিজ্ঞানের পথেই এগিয়ে গেছে, যদিও তার তত্ত্বাবধায়ক শিক্ষকরা মনে করতেন তিনি হয়তো জীববিজ্ঞানেই উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করবেন।

১৯৭১ সালের জুন মাসে হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ছাত্র হিসেবে তিনি ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণাগারে একজন প্রোগ্রামার হিসেবে কাজ করার সুযোগ লাভ করেন। একজন হ্যাকার হিসেবেও তার হাতেখড়ি হয় সেখানেই। তখন কম্পিউটার এবং এর নিরাপত্তা সম্পর্কে যারা খুব দক্ষ ছিলেন তাদেরকে হ্যাকার বলা হতো। হ্যাকিংয়ের যাত্রা শুরু এমএইটির কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণাগারেই। স্টলম্যান “RMS” নামে খুব অল্প দিনের মাঝে এমআইটি-র হ্যাকার সমাজে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। উল্লেখ্য, “RMS” তার পুরো নাম রিচার্ড ম্যাথিউ স্টলম্যান-এর আদ্যক্ষর নিয়ে তৈরি করা সংক্ষিপ্ত রূপ। হ্যাকার হিসেবে তার বেশ কিছু আলোচিত ঘটনাও আছে। ১৯৭৭ সালে এমএইটির কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের গবেষণাগারে প্রত্যেক ছাত্রকে কম্পিউটারে লগইন করার জন্য আলাদা আলাদা পাসওয়ার্ড দেয়া হয়। স্টলম্যানের এই পাসওয়ার্ডের শৃঙ্খল মোটেও পছন্দ হয় নি। তাই তিনি পাসওয়ার্ড ভেঙ্গে সবার পাসওয়ার্ড তুলে দিয়ে সবাইকে তা ই-মেইলে জানিয়ে দিলেন।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৪ সালে পদার্থবিজ্ঞানে বিএ(BA) ডিগ্রী অর্জনের মাধ্যমে তিনি স্নাতক হন।এর পর স্টলম্যান এমআইটি -তে পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর পড়াশোনার জন্য ভর্তি হলেও কিছুদিন পর সেটা বাদ দেন যদিও এমআইটির ল্যাবে তিনি কাজ চালিয়ে গেছেন। এমআইটিতে থাকা অবস্থায় তিনি যেসব প্রজেক্টে কাজ করেছেন তার মধ্যে টেকো , ইম্যাক্‌স ও লিস্প মেশিন অপারেটিং সিস্টেম অন্যতম।

স্টলম্যান একজন সাধারণ ছাত্রের মতো সস্তা জীবন-যাপনই বেশি পছন্দ করেন। মহাত্মা গান্ধী , মার্টিন লুথার কিং , নেলসন ম্যান্ডেলা , অং সান সু চি -র মতো মানুষেরাই তার জীবনে বেশি প্রভাব ফেলেছেন বলে মনে করেন তিনি। ব্যাক্তিগত জীবনে নাস্তিক; জন্মসূত্রে খ্রিস্টান হলেও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা কখনও পালন করা হয় না। কাজ শেষে অফিসেই ঘুমিয়ে পড়েন। মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন না। তার ব্যাক্তিগতসম্পদ বলে তেমন কিছুই নেই। আসলে প্রায় গত তিন দশক ধরে তার ধ্যান-জ্ঞান একটাই, আর তা হলো মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

নাম: রিচার্ড ম্যাথিউ স্টলম্যান (ইংরেজি ভাষায়: Richard Matthew Stallman)
অন্য নাম: RMS
জন্ম: মার্চ ১৬, ১৯৫৩
জন্মস্থান: নিউ ইয়র্ক সিটি, নিউ ইয়র্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
পেশা: ফ্রি সফটওয়্যার ফাউন্ডেশনের সভাপতি
ধর্ম: নাস্তিক
ওয়েবসাইট: http://www.stallman.org

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

17 মন্তব্য

    • ধন্যবাদ অনি আপু… দোয়া করবেন, যাতে টিউন নিয়মিত করতে পারি…..

    • আপনাকে ধন্য+75, আর লিতু আপাকে ধন্য+25… লিতু আপার জান, হিসাব ঠিক আছে???

    • মন্তব্যের জন্য, আপনাকে ও ধন্যবাদ, আদি ভাই…..

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

nineteen − thirteen =