সহজ কৌশলে ল্যাপটপের চার্জ দীর্ঘায়িত করুন

    0
    502

    ল্যাপটপ একটি প্রয়োজনীয় জিনিস। ল্যাপটপ দিয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ন কাজ করা হয়। কারেন্ট সমস্যা আমাদের দেশে তো আর নতুন কোন সমস্যা না। প্রয়োজনীয় কাজের সময় বিদুৎ চলে গেল। তখন কাজের সময় হঠাৎ করে ল্যাপটপের ব্যাটারির চার্জ ফুরিয়ে গেল। তখন তো মাথা নষ্ট হবারি কথা।   ল্যাপটপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে এ ধরনের সমস্যায় হরহামেশাই পড়তে হয়।  ব্যাটারির আয়ু দীর্ঘায়িত করার কিছু সহজ সমাধান রয়েছে। ল্যাপটপ ব্যবহারকারীদের উচিত এ বিষয়গুলোকে দৈনন্দিত অভ্যাসে পরিণত করে নেয়া। তা হলে আর অনাকাঙ্খিত বিড়ম্বনায় পড়তে হবে না।

    laptop,ল্যাপটপ,ট্যাবলেট পিসি, কম্পিউটার, ল্যাপটপ টিপস সহজ কৌশলে ল্যাপটপের চার্জ দীর্ঘায়িত করুন

    Unlimited Web Hosting
    Unlimited Web Hosting
    Unlimited Web Hosting
    Unlimited Web Hosting

    এক্সটার্নাল ডিভাইস: আমার কাজের ক্ষেত্রে অনেক সময় কিছু এক্সটার্নাল ডিভাইস ব্যবহার করি। তাই   ল্যাপটপের ইউএসবি পোর্টে যে কোন ধরনের এক্সটার্নাল ডিভাইস চালু থাকলে, তা আপনার ল্যাপটপ থেকে অনবরত পাওয়ার টানতে থাকবে। এক্সটার্নাল ডিভাইসটির কাজ শেষ হয়ে গেলে, সেটি ইউএসবি পোর্ট থেকে খুলে ফেলার চেষ্টা করুন।

    ডিসপ্লে: অবশ্যই ল্যাপটপের ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখুন। ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখলে চার্জ থাকে অনেক সময় ধরে। মোবাইলের মতো ল্যাপটপ স্ক্রিনও বেশি পাওয়ার ব্যবহার করে। সে কারণে স্ক্রিনের ব্রাইটনেস বা উজ্জ্বলতা চোখের জন্য সহনীয় মাত্রায় যতোটা কমিয়ে ব্যবহার করা যায়, ততোটাই ভালো। যদি কিবোর্ডে ব্যাকলাইট থাকে, তবে সেটিও সেটিংস থেকে বন্ধ করে দিন। এতে ব্যাটারির আয়ু দীর্ঘায়িত হবে।

    অতিরিক্ত গরম হওয়া: ল্যাপটপ দিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা কাজ করে থাকি। তার ফলে ল্যাপটপ অনেক সময় প্রচুর গরম হয়ে যায়। ল্যাপটপ বেশি গরম হলে, ভেতরের ফ্যানগুলো আরও দ্রুত ঘুরতে শুরু করে। আর তা স্বাভাবিকভাবেই বেশি ব্যাটারি খরচ করে। সে কারণে একটি ল্যাপটপ কুলার কিনে নিন। এতে আপনার ল্যাপটপটি অতিরিক্ত গরম হবে না।

    হাইবারনেশনে রাখুন: কাজের সময় অনেক প্রয়োজনীয় কাজে বাহিরে যেতে হয়। তখন মোড অফ করে যেতে হয়। ল্যাপটপ স্ট্যান্ডবাই মোডে না রেখে হাইবারনেশনে রাখুন। এতে আপনার কম্পিউটারটি বন্ধ হয়ে যাবে ও ব্যাটারির চার্জ অনেক বেশি সময় থাকবে। হাইবারনেশনে ল্যাপটপ বন্ধ হলেও, আপনি শেষ যেভাবে কাজগুলো সংরক্ষণ করছিলেন বা যে উইন্ডোগুলো খুলেছিলেন, ল্যাপটপটি চালু করলে ঠিক সে অবস্থাতেই সেগুলো পাবেন।

    উইন্ডোজের পাওয়ার প্ল্যান: ল্যাপটপে উইন্ডোজের সঙ্গে বিল্ট-ইন পাওয়ার প্ল্যান সেটিংসও পাচ্ছেন। তাই চিন্তার কিছু নেই। বিভিন্ন অপশন; যেমন- ডিসপ্লে ব্রাইটনেস বাড়ানো বা কমানো, কখন ডিসপ্লে ডিম বা অনুজ্জ্বল করতে এবং বন্ধ করতে চান, হার্ড-ড্রাইভসমূহ ও ইউএসবি পাওয়ার বন্ধ করতে চান, সেগুলো সংযোজিত রয়েছে।

    ব্যাটারি কেস: এই অ্যাপ্লিকেশনটি  দিয়ে সম্পূর্ন ব্যাটারির  একটুকু ক্ষমতা বা চার্জ আছে তা দেখা যায়। শুধু তাই নয়। কতোটুকু ব্রাইটনেসে ব্যাটারি কতোক্ষণ চলবে সে সম্পর্কে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে সেখানে। ব্যাটারির বর্তমান কন্ডিশন কেমন, তাও জানতে পারবেন। সিপিইউ ও হার্ড-ড্রাইভ অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলেও, সেটা প্রদর্শন করেব্যাটারি কেস অ্যাপ্লিকেশন।

    টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
    Unlimited Web Hosting
    Unlimited Web Hosting
    Unlimited Web Hosting
    Unlimited Web Hosting

    একটি উত্তর ত্যাগ

    Please enter your comment!
    Please enter your name here

    2 × 4 =