মাষ্টার অফ এস ই ও সিরিজ (প্রথম-খণ্ড) সার্চ ইঞ্জিনের কাযর্প্রণালী – ষষ্ঠ অধ্যায়

0
385
এটি 8 পর্বের মাষ্টার অফ এস ই ও সিরিজ টিউনের 6 তম পর্ব

আগের পোস্টঃ পঞ্চম অধ্যায়

আমরা আগের (পঞ্চম অধ্যায়ে) যা যা করেছিলামঃ

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

সার্চ ইঞ্জিনে পেইড প্রোগ্রাম ব্যাবহার করা শিখেছি।
একটু ব্যাতিক্রমভাবে সার্চ এবং অ্যাডভান্সড অপারেটর ব্যাবহার করেছি।
ভার্টিকেল সার্চ ইঞ্জিনে নির্দিষ্ট ধরনের ফাইল টাইপ (Extension) খুজে বের করেছি।
উচ্চ ট্রাফিক এবং উচ্চ কনভার্সন এর মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করেছি।

[b]অধ্যায় -৬ (শেষ অধ্যায়)[/b]

স্প্যামঃ সার্চ ইঞ্জিনের সাথে প্রতারনা
* বিভিন্ন ধরনের স্প্যামিং সম্পর্কে ধারনা অর্জন করা।
* স্প্যামিং করার ফলাফল।
* নিশ্চিত ফলাফল এবং অন্যোন্য ভুয়া প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে সতর্কতা।

প্রথমেই আমি জানিয়ে দিচ্ছি যে, এটি আমার “মাষ্টার অফ এস ই ও সিরিজ” এর প্রথম খণ্ড “সার্চ ইঞ্জিনের কাযর্প্রণালী” এর শেষ অধ্যায়। এই খণ্ডে আশা করি আপনারা সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে কিছুটা ধারনা অর্জন করেছেন। এর দ্বিতীয় খণ্ড হবে “কিওয়ার্ড বিশ্লেষণ পদ্ধতি”।
এই অধ্যায়ে আমরা স্প্যাম নিয়ে আলোচনা করবো। আমরা জানি যে, এস ই ও এর দুইটি অংশ। অন পেইজ এবং অফ পেইজ। এবার আমরা একটু প্রকারভেদ এর দিকে যাই। এস ই ও দুই প্রকার। সাদা টুপি (White Hat SEO) এবং কালো টুপি (Black Hat SEO)।
মাষ্টার অফ এস ই ও সিরিজ (প্রথম-খণ্ড) সার্চ ইঞ্জিনের কাযর্প্রণালী – ষষ্ঠ অধ্যায়
সাদা টুপি বা হোয়াইট হ্যাট এস ই ও হচ্ছে, যে পদ্ধতিতে গুগোল এর সকল নীতিমালা মেনে সম্পূর্ণ বৈধভাবে একটি সাইটকে প্রথম পেইজে নিয়ে আসার চেষ্টা করা হয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে এস ই ও বলতে হোয়াইট হ্যাট এস ই ও কেই বোঝাই। হোয়াইট হ্যাট এস ই ও অনেক কষ্টকর। কিন্তু, এটি ঝুঁকিমুক্ত। এর ঠিক বিপরীত হোল ব্ল্যাক হ্যাট বা কালো টুপি এস ই ও। সহজ বাংলায় বললে, এটি হচ্ছে চুরি বা প্রতারনা। যেহেতু সার্চ ইঞ্জিন মানুষ নয়, তাই এর সাথে বিভিন্নভাবে প্রতারনা করার সুযোগ রয়েছে। এই প্রতারনা পদ্ধতিগুলোর মধ্যে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি হচ্ছে স্প্যামিং। আমি পূর্বে স্প্যামিং নিয়ে সামান্য বলেছিলাম। স্প্যামিং করে খুব সহজেই একটি সাইটকে গুগোল এর প্রথম পেইজে নিয়ে আসা যায়। কিন্তু, যদি একবার সেই কৌশল গুগোল এর কাছে ধরা পরে, তবে গুগোল তাকে কালো তালিকায় (Black List) ফেলে দেয়। ওই সাইটকে গুগোল এর ইনডেক্স থেকে মুছে ফেলে। যে সাইট একবার গুগোল এর কালো তালিকায় পড়ে যায়, তার পতন নিশ্চিত। আমরা এখানে কয়েকটি জনপ্রিয় স্প্যামিং পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করবো। বুঝতে পারবো যে, কোন কোন কাজকে সার্চ ইঞ্জিন স্প্যাম হিসেবে চিহ্নিত করে।
মাষ্টার অফ এস ই ও সিরিজ (প্রথম-খণ্ড) সার্চ ইঞ্জিনের কাযর্প্রণালী – ষষ্ঠ অধ্যায়
ü আমাদের বুঝতে হবে কোনটি স্প্যামিং
একটু ভেবে দেখুনতো, এস ই ও এর কাজ করার আগে আপনি স্প্যাম (spam) শব্দটি কোথায় দেখেছেন? মনে পড়েছে? হ্যাঁ, ঠিক ধরেছেন। আপনার মেইল এড্রেস এর ইনবক্স এর মত আরেকটি অপশন হোল স্প্যাম। আমরা একটু বাস্তব জীবনে ফিরে আসি। প্রতারনা কাকে বলেন আপনি? যখন কোন একটি বিষয়ে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে কেউ স্বার্থ আদায় করে নেয়, তাকে আপনি প্রতারক বলেন। তাই না? আমরা সবাই চাই খারাপ বিষয়গুলো থেকে বেছে ভালো বিষয়গুলো গ্রহন করার জন্য। আপনার ইনবক্সও তেমনি, আপনার কাছে আগত মেইলগুলো থেকে যেগুলোকে আপনার অপ্রয়োজনীয় মনে করে, সেগুলোকে আলাদা করে স্প্যাম ফোল্ডার এ ফেলে দেয়। এখানে উল্লেখ্য যে, স্প্যাম ফোল্ডার এর মেইলগুলো নির্দিষ্ট সময় পড়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যায়। সার্চ ইঞ্জিন স্প্যাম (একে spamdexing) ও বলা হয়) হোল ওই পদ্ধতি, যেটি ব্যাবহার করে সার্চ ইঞ্জিনকে কোন একটি সাইট সম্পর্কে ভুল বুঝিয়ে সাইটের গুরুত্ব বাড়িয়ে দেয়া হয়। এটি অভ্যন্তরীণ (On Page) এবং বাহ্যিক (Off Page) উভয় প্রকারের হতে পারে। এটি সরাসরি সার্চ ইঞ্জিনের নীতিমালার বিরোধী হতে পারে, আবার সামান্য ত্রুটিপূর্ণও হতে পারে। কি উদ্দেশ্যে এটি ব্যাবহার করা হয়েছে এবং এর পরিব্যাপ্তি কতটুকু, তার উপর নির্ভর করে সার্চ ইঞ্জিন এটিকে বিচার করবে।

আপনি যদি আপনার সাইটের Meta Tag (Description এবং Keyword) প্রচুর কিওয়ার্ড দিয়ে পরিপূর্ণ করে রাখেন, তাহলে আপনি সহজেই উচ্চ রেংকিং পেতে পারেন। আরেকটু ভেঙ্গে বলি। ধরুন আপনার দোকানে শার্ট, প্যান্ট, জুতা আছে। আপনি যদি সাইনবোর্ড এ লিখে রাখেন যে, এখান শার্ট, প্যান্ট, জুতা, মুদি মালামাল, সবজি, মাছ-মাংস, ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি, বই-পত্র সব পাওয়া যায়। তাহলে এটিই স্প্যাম বা প্রতারনা। আপনার সাইনবোর্ড দেখে সকল পণ্যের ক্রেতা আপনার দোকানে আসবে এবং প্রতারিত হবে। আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে একটি ঘটনা বলি। বন্ধুরা মিলে চট্টগ্রাম ঘুরতে গেলাম। ফয়েস লেক এ যাওয়ার পর পতেঙ্গা সি-বিচ এ যাব সিদ্ধান্ত নিলাম। GEC মোড় থেকে ক্যান্ডিতে বিরিয়ানি খেয়ে বাস এর জন্য অপেক্ষা। একটি বাস এ লেখা দেখলাম সি-বিচ। ঝটপট উঠে গেলাম। কাঠগড় পর্যন্ত যাওয়ার পর বলল যে, বাস আর যাবে না। বললাম যে, আমরাতো লেখা দেখে উঠেছি। ড্রাইভার বলল যে, লেখা থাকলেই সে যেতে বাধ্য না… ইত্যাদি ইত্যাদি। আমরা প্রতারিত হলাম। এই ঘটনা যদি আমাদের এলাকাতে হতো? তাহলে কি তার উত্তম-মধ্যম কেউ ঠেকাতে পারতো? হ্যাঁ, আমি এটাই বলতে চাচ্ছি। বাস্তব জীবনের মত গুগোলও স্প্যামারদের গুগোল এর রাজত্ব থেকে লাথি (Kick out) মারে। আপনার সাইটের টাইটেল ট্যাগ, মেটা ট্যাগ, ইমেজ অলটা ট্যাগ ইত্যাদি কিওয়ার্ড দিয়ে পরিপূর্ণ করে স্প্যামিং করতে পারেন (যদি কিক খাওয়ার ঝুঁকি নিতে চান)।

সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি কখনোই স্প্যাম পছন্দ করে না। কারন, এটি সার্চ ইঞ্জিনে সম্মান ক্ষুণ্ণ করে। তারা তাদের সর্ব ক্ষমতা দিয়ে চেষ্টা করে সম্পূর্ণ সঠিক ফলাফলটি ইউজারকে দেয়ার জন্য। আপনার স্প্যাম কন্টেন্ট অবশ্যই তাদের কাঙ্খিত ফলাফল না।

আপনি যদি কোন ওয়েবসাইট এ স্প্যাম দেখেন, তাহলে গুগোলকে রিপোর্ট করতে পারেন spamreport@google.com এই মেইল এড্রেসে। গুগোল খুব দ্রুত পরিক্ষা করে ব্যাবস্থা গ্রহন করবে।

এখন আমরা আরও কিছু কৌশল দেখবো, যেগুলো করলে সাইট গুগোল এর লাথি (penalized) খাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। হ্যাকিং এর বইগুলোতে লেখা থাকে, হ্যাকিং শিখবো অন্যের ক্ষতি করার জন্য নয়, নিজেকে রক্ষা করার জন্য। একইভাবে আমি আপনাদের স্প্যামিং এর কৌশলগুলো শেখাচ্ছি ব্যাবহার করার জন্য না, নিজের অজান্তে যেন এই কৌশলগুলো ব্যাবহার করে ধরা না খান, সেজন্য। এগুলো দেখলে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন এস ই ও ক্ষেত্রে কোন কোন কাজ করা উচিত, এবং কোন কোন কাজ করা উচিত নয়। তাহলে আপনার সাইট কোন ধরনের দুর্ঘটনায় পতিত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম থাকবে। ছোট বেলায় পড়া একটি প্রবাদ আবারো মনে করিয়ে দিই, অতি চালাকের গলায় দড়ি। সার্চ ইঞ্জিনের সাথে কৌশল খাটাতে যাবেন না। আপনার আমার মত ওভারস্মার্ট কৌশলীদের শায়েস্তা করার জন্য সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানিগুলো বিশাল পরিমান বেতন দিয়ে প্রকৌশলী রেখেছে। তাই সাবধান।

অদৃশ্য লেখা (Hidden text/links)
ওয়েবসাইটে অদৃশ্য লেখা ইউজ করলে সেটি সাইটের ভিজিটর দেখতে পায়না, কিন্তু সার্চ ইঞ্জিন দেখতে পায়। অদৃশ্য লেখায় সাধারণত কিওয়ার্ড এর একটি লম্বা তালিকা দেয়া থাকে। তাই, সার্চ ইঞ্জিন বলে যে, আপনার সাইটের সকল লেখা ভিজিটরকে দেখাতে হবে। যদি আপনার একান্ত বেক্তিগত কোন তথ্য সাইটে রেখে থাকেন। তাহলে সেটির লিংক Robot.txt ফাইলটি তৈরির মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনের কাছেও অদৃশ্য করে রাখতে হবে। আমরা Robot.txt ফাইলটি নিয়ে পরে আরও বিস্তারিত জানবো। এখন আমরা আমাদের মূল বিষয় (অদৃশ্য লেখা) নিয়ে আলোচনা করি।

১। লেখার রং এবং ব্যাকগ্রাউন্ড এর রং একই দেয়াঃ আপনাকে যদি একটি সাদা দেয়ালে সাদা চক দিয়ে লিখতে বলি, আপনি কি পারবেন? হ্যাঁ, পারবেন। কিন্তু দেয়ালে কিছুই দেখা যাবে না। একইভাবে ওয়েবপেইজে যদি আপনি একই কালার এর ব্যাকগ্রাউন্ড এবং টেক্সট ব্যাবহার করেন, তাহলে ইউজার কিছুই দেখতে পাবেনা। যেহেতু, সার্চ ইঞ্জিন একটি রোবট এর মত কাজ করে, তাই সে ওই লেখাগুলো কোড এর ভেতরে দেখতে পায় এবং ইনডেক্স করে।

২। লেখাকে লেয়ার দিয়ে ঢেকে দেয়াঃ এটি সাধারনত CSS (Cascade Style Sheet) ব্যাবহারকারিরা করে থাকে। লেখাকে কোন একটি অবজেক্ট দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়, যেন এটি খালি চোখে দেখা যায়, কিন্তু সার্চ ইঞ্জিন ঠিকই ইনডেক্স করে।

৩। কন্টেন্ট এর অবস্থান লুকিয়ে রাখাঃ এটিও একটি CSS কৌশল। ব্রাউজারের উইন্ডোতে কন্টেন্টকে এমনভাবে স্থাপন করা হয়, যেন সেটি দেখা না যায়।

৪। ক্লিক অযোগ্য লিংক তৈরি করাঃ অভ্যন্তরীণ ব্যাকলিংক বাড়ানোর জন্য এই স্প্যামিং কৌশলটি ব্যাবহার করা হয়। যেমন, আপনি একটি ফুলস্টপ (.) কে এঙ্কর টেক্সট হিসেবে ব্যাবহার করে লিংক দিয়েছেন। এতে করে ইউজার এর উপর ক্লিক করবে না। কিন্তু, সার্চ ইঞ্জিন ঠিকই এটিকে লিংক হিসেবে বিবেচনা করে ফলো করবে।
মাষ্টার অফ এস ই ও সিরিজ (প্রথম-খণ্ড) সার্চ ইঞ্জিনের কাযর্প্রণালী – ষষ্ঠ অধ্যায়
একই রং এর ব্যাকগ্রাউন্ড এবং টেক্সট ব্যাবহার করলে সেটি উপরের চিত্রের মত শুধুমাত্র সিলেক্ট করলে দেখা যায়।
অদৃশ্য লেখার আরেকটি কৌশল হচ্ছে Doorway page । এটি অধিক চালাক স্প্যামাররা ব্যাবহার করে। এটি হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য একটি পেইজ এবং ইউজার এর জন্য একটি পেইজ তৈরি করা। ইউজার এর জন্য তৈরি করা পেইজটি রোবট টেক্সট এর মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিন এর কাছ থেকে লুকিয়ে রাখা হয়।

ইউজারকে অন্য পেইজে নিয়ে যাওয়া (Redirection)
মাষ্টার অফ এস ই ও সিরিজ (প্রথম-খণ্ড) সার্চ ইঞ্জিনের কাযর্প্রণালী – ষষ্ঠ অধ্যায়

আপনার ক্ষেত্রে কি কখনও এরকম হয়েছে যে, আপনি একটি সাইটে ক্লিক করেছেন আর অন্য একটি সাইটে চলে গেছেন? একটি বাস্তব উদাহরণ দিই। আপনি bloggermaruf.blogspot.com এ ক্লিক করুন। সরাসরি আপনি bloggermaruf.com এ চলে যাবেন। এখানে প্রথম সাইটটি দ্বিতীয় সাইটে রিডিরেক্ট করে দেয়া আছে। এখানে বৈধভাবে করা হয়েছে। দুইটিই একই সাইট। কিন্তু, যখন আপনি একটি সাইট থেকে ইউজারকে অন্য একটি সাইটে রিডিরেক্ট করবেন, তখন এটি স্প্যামিং হিসেবে গণ্য হবে। ঢাকার ধানমণ্ডির একটি হাসপাতালে (সঙ্গত কারনেই নাম উল্লেখ করলাম না) আমার এক আত্মীয়কে নিয়ে গিয়েছিলাম। রিসিপসনিস্ট এর কাছে সমস্যা বলার পর তিনি বললেন, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ দেখানোর জন্য। সিরিয়াল ও দিয়ে দিলেন। আমরা গেলাম। মেডিসিন বিশেষজ্ঞ দেখে বলল যে, এটার জন্য আপনি নিউরলজি বিভাগের ডাক্তারকে দেখান (তিনি অলরেডি নিজের ফি রেখে দিয়েছেন)। তো এবার নিউরলজি বিভাগের ডাক্তার (ফি এর বিনিময়ে) কিছু পরিক্ষা এবং মেডিসিন দিলেন। বললেন, আপনার ঘাড় এর ব্যাথার জন্য থেরাপি দিতে হবে। থেরাপিস্ট এর কার্ড (একই হাসপাতালে) দিলেন। এবার আবার থেরাপিস্ট এর ফি, থেরাপির ফি। মোটামুটি খালি হয়ে বেরিয়ে আসলাম। এটিই হচ্ছে রিডিরেক্ট করা। ইউজার এর কাঙ্খিত সাইট বা পেইজ থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত কোন সাইটে ইউজারকে পাঠিয়ে দেয়া।

স্প্যামাররা একটি অবয়ব পেইজ (Shadow Page) বা সাইট তৈরি করে, যেটি একটি নির্দিষ্ট সার্চ কুয়েরি এর উপর প্রথম পেইজে থাকে। সেই পেইজে ক্লিক করলেই ইউজারকে রিডিরেক্ট করে স্প্যমার এর মূল পেইজে নিয়ে আসা হয়, যেটি কি না সার্চ কুয়েরির সাথে সম্পর্কযুক্ত নয়। এই রিডিরেক্ট এর কাজটি শেডো পেইজে একটি জাভাস্ক্রিপ্ট Refresh কমান্ড এর মাধ্যমে করা হয়। এই স্প্যামিং কৌশলটি অনেকদিন গুগোল এর অজানা ছিল। এবং, অনেকেই এই পদ্ধতি ব্যাবহার করে ব্যাবসায়িক সফলতাও অর্জন করেছে। কিন্তু, বর্তমানে গুগোল এসব সাইটকে ছুড়ে ফেলে দিচ্ছে।

সকল রিডিরেক্টই খারাপ নয়। বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সাইটে নিয়ে গেলে সেটি স্প্যাম। কিন্তু, ইউজার যে সাইট / পেইজ খুজছে সেই সাইটে যদি সে রিডিরেক্ট হয়ে যায়, তাহলে সেটি স্প্যাম হিসেবে চিহ্নিত হয় না। এই সিরিজ এর সপ্তম খণ্ডের তৃতীয় অধ্যায়ে কাস্টম রিডিরেক্ট নিয়ে আরও বিষদ আলোচনা করা হবে।

ক্লকিং (Cloaking)
স্প্যামিং এর আরেকটি উল্লেখযোগ্য পদ্ধতি হচ্ছে ক্লকিং। ক্লকিং হচ্ছে এমন একটি কৌশল, যে কৌশল অবলম্বন করে সার্চ ইঞ্জিন ও ইউজারকে আলাদা আলাদা কন্টেন্ট দেখানো হয়। সাইট একই থাকবে, কিন্তু ইউজার ভিজিট করলে সাধারণ লেখা দেখবে, আর সার্চ ইঞ্জিন এর ক্রাউলার/স্পাইডার ভিজিট করলে বিশেষ কিওয়ার্ড সংযুক্ত লেখা দেখবে। স্প্যামাররা ইউজার এবং ক্রাউলারকে আলাদা করে IP (Internet Protocol) Address এর উপর ভিত্তি করে। এটি একটি বিশেষ ধরনের কোডিং। সাইটের কোড এ একটি If Condition বা শর্ত জুড়ে দেয়া হয়। প্রথমে সাইট আইপি দিয়ে ভিজিটরকে নির্ণয় করে যে, সে কি মানুষ? নাকি সার্চ ইঞ্জিন রোবট? যদি মানুষ হয় তাহলে সাইটের সাধারণ ভার্সনটি প্রদর্শন করবে, আর যদি রোবট হয়, তাহলে বিশেষ ভার্সনটি প্রদর্শন করবে।

রিডিরেক্ট এর মত ক্লকিং এর ও সকল ব্যাবহার খারাপ নয়। এটি ভালো কাজেও ব্যাবহার করা হয়। যেমন, কিছু কিছু পত্রিকা বা ম্যাগাজিন এর ওয়েবসাইট আছে, যেগুলো ব্যাবহার করতে হলে ইউজারকে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। তো, সার্চ ইঞ্জিনকে ওই রেজিস্ট্রেশন পেইজ দেখিয়ে দিলেতো পুরো এস ই ও মাঠে মারা যাবে। তাই, ক্লকিং এর মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনকে সরাসরি সাইটের কন্টেন্ট প্রদর্শন করা হয়। এছাড়াও, কিছু কিছু সাইটে মাদকসংক্রান্ত, বিকৃত বা যৌন সংক্রান্ত তথ্য থাকে। এগুলো হোমপেইজে একটি মেসেজ বক্স রাখে, যে বক্সে জিজ্ঞেস করা হয় যে, আপনার বয়স ১৮ বা তার বেশী কি না? Yes বাটনে চাপলে ইউজার সাইটে প্রবেশ করে। অনেকক্ষেত্রে বয়স যাচাইও করা হয়। এসব ক্ষেত্রেও ক্লকিং এর মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনকে সরাসরি কন্টেন্ট দেখানো হয়ে থাকে।
মাষ্টার অফ এস ই ও সিরিজ (প্রথম-খণ্ড) সার্চ ইঞ্জিনের কাযর্প্রণালী – ষষ্ঠ অধ্যায়
অসঙ্গতিপূর্ণ কিওয়ার্ড (Unrelated Keyword)
এই বিষয়ে আমি পূর্বেও বলেছি। অনেক বেশী ট্রাফিক পাওয়ার জন্য উচ্চ রেংকিং কিওয়ার্ড ব্যাবহার করে সাইট তৈরি করা হয়, যেসব কিওয়ার্ড সাইটের অন্যোন্য কন্টেন্ট (ছবি, ভিডিও ইত্যাদি) এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ না। যেমন, কয়েকদিন আগে এস এস সি এর রেজাল্ট দিয়েছে। এখন, SSC Result লিখে অনেক বেশী সার্চ করা হয়। কেউ একজন একটি বানরের ছবির Alt ট্যাগ এ SSC Result লিখে দিল। সে প্রাথমিকভাবে রেংকিং এ আসবে ঠিকই। কিন্তু, ইউজার SSC Result লিখে সার্চ করে তার সাইটে আসলেই দেখবে যে, এখানে এস এস সি এর রেজাল্ট নেই বরং একটি বানরের ছবি আছে। এভাবে অনেক ইউজার যখন তার সাইটে এসেই কিছুক্ষণ অপেক্ষা না করে সরাসরি কেটে দেবে অথবা ব্যাক বাটনে চাপবে, তখনি সার্চ ইঞ্জিন তার সাইটটিকে ভালভাবে যাচাই করবে, এবং বিষয়টি বুঝতে পেরে সাইটটিকে ব্ল্যাকলিস্ট এ ফেলে দেবে।

কিওয়ার্ড স্টাফিং (Keyword stuffing )
কিওয়ার্ড স্টাফিং হচ্ছে একটি পেইজে কারন ছাড়াই একই কিওয়ার্ড অনেকবার ব্যাবহার করা। যেমন, আপনার সাইট মোবাইল ভিত্তিক। সার্চ কুয়েরিতে মোবাইল শব্দটির উপর জোর দেয়ার জন্য আপনি ৩০০ ওয়ার্ড এর একটি আর্টিকেল এ মোবাইল শব্দটিই ১০০ বার ব্যাবহার করলেন। এটিই কিওয়ার্ড স্টাফিং। এটি মেটা ট্যাগ, অলটা ট্যাগ এ অনেকেই ব্যাবহার করে। যেমন, আপনি একটি মোবাইল এর ছবিতে Alt ট্যাগ এ Mobile Mobile Mobile Mobile …… অনেক বার ব্যাবহার করলেন। এটি সহজেই স্প্যাম হিসেবে চিহ্নিত হবে। উপরের পদ্ধতি (হিডেন টেক্সট এবং ক্লকিং) ব্যাবহার করেও অনেকে কিওয়ার্ড স্টাফিং করে থাকে।
মাষ্টার অফ এস ই ও সিরিজ (প্রথম-খণ্ড) সার্চ ইঞ্জিনের কাযর্প্রণালী – ষষ্ঠ অধ্যায়
লিংক হুইল এবং লিংক ফার্ম (Link Wheel and Link Firm)
মাষ্টার অফ এস ই ও সিরিজ (প্রথম-খণ্ড) সার্চ ইঞ্জিনের কাযর্প্রণালী – ষষ্ঠ অধ্যায়
লিংক হুইল এবং লিংক ফার্ম প্রায় একই। উপরের চিত্র দেখেই হয়তো কিছুটা বুঝতে পারছেন বিষয়টি কি? এস ই ও এর ক্ষেত্রে এই দুইটি খুবই বিতর্কিত বিষয়। কারন, এই বিষয়গুলোতে অনেক অভিজ্ঞ এস ই ও বিশেষজ্ঞরা ভিন্ন ভিন্ন মতামত পোষণ করেছেন। এগুলো জানার আগে আমরা জেনে নিই, বিষয়গুলো কি? প্রথমত, দুইটিই অনেকগুলো সাইটের মধ্যে লিংক করার মদ্ধতি। ধরুন, আপনার ৬ টি সাইট আছে। ছয়টিই ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ের। একটি পত্রিকা সাইট, একটি গান, নাটক, ছবি ইত্যাদি ডাউনলোড সাইট, একটি ব্লগ ইত্যাদি ইত্যাদি। এখন আপনার এই ছয়টি সাইটের মধ্যে একটি প্রধান সাইট আছে, যেটিকে নিয়ে আপনি অন্যগুলোর তুলনায় বেশী সিরিয়াসলি কাজ করছেন। এক্ষেত্রে লিংক হুইল প্রযোজ্য। উপরের লিংক হুইল এর চিত্রের মত, একটি সাইট থেকে অন্য সাইটে চক্রাকারে লিংক করা হয়, আবার সবগুলো সাইট থেকে মূল সাইটে লিংক করা হয়। এই পদ্ধতিকে কেউ কেউ স্প্যাম বলেন, আবার কেউ কেউ পজিটিভ বলেন। আমার একটি নিজস্ব মতামত হোল, সাইটগুলো যদি কিছুটা হলেও সম্পর্কযুক্ত হয়, তাহলে লিংক হুইল করা উচিত। যেমন, একটি মুভি ডাউনলোড সাইট, একটি নাটক ডাউনলোড সাইট, একটি সফটওয়্যার ডাউনলোড সাইট এরকম হলে লিংক হুইল করতে পারেন। এবার আমরা লিংক ফার্ম নিয়ে আলোচনা করি। লিংক ফার্ম এ ও লিংক হুইল এর মত অনেকগুলো সাইটের মধ্যে লিংক করা হয়। এক্ষেত্রে কোন প্রধান সাইট নেই। কোন হুইলও নেই। এখানে সরাসরি সবগুলো সাইটে অন্য সকল সাইটের লিংক করা হয়। উপরের চিত্র দুইটির দিকে খেয়াল করে দেখুন, লিংক হুইল এ প্রধান সাইটের একটিও এক্সটারনাল ব্যাকলিংক নেই। অন্য সাইটগুলোর দুইটি করে ব্যাকলিংক রয়েছে। কিন্তু, লিংক ফার্ম এ প্রত্যেকটি সাইটে ৫ টি করে এক্সটারনাল ব্যাকলিংক রয়েছে। আমরা জানি যে, আপনার সাইটের এক্সটারনাল ব্যাকলিংক যত কম থাকবে, ততই আপনার সাইটের জন্য ভালো। তাছাড়া, হাতে গোনা কয়েকজন ছাড়া অধিকাংশ এস ই ও বিশেষজ্ঞই লিংক ফার্মকে স্প্যাম হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
লিংক ফার্ম আর সাধারণ ব্যাকলিংক এক্সচেঞ্জ একই নয়। সাধারণ ব্যাকলিংক এক্সচেঞ্জ ৯০% ক্ষেত্রেই একই বিষয়ের সাইটের করা হয়। কিন্তু লিংক হুইল বা লিংক ফার্ম একই বিষয়ের হয় না। একইজন যখন অনেকগুলো সাইট চালায়, ভিন্ন বিষয়ের সাইটই চালায়। কারন, একই বিষয়ের অনেকগুলো সাইট চালানোর চেয়ে সবগুলো সাইটের কন্টেন্ট একই সাইটে দিলেই ভালো।

প্রতারনা পরিত্যাগঃ সাধারণ সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (Ethical Search Marketing)

মাষ্টার অফ এস ই ও সিরিজ (প্রথম-খণ্ড) সার্চ ইঞ্জিনের কাযর্প্রণালী – ষষ্ঠ অধ্যায়
আমি আসলে চুরি শিখিয়ে শেষ চ্যাপ্টার নষ্ট করতে চাইনি, কিন্তু এই বিষয়গুলো থেকে সাবধানতা খুবই প্রয়োজন। আমাদের প্রথম খণ্ড পুরোটাই সার্চ ইঞ্জিন পরিচিতি। সুতরাং, সার্চ ইঞ্জিন এর সাথে পরিচিত হতে হলে আমাদের জানতে হবে, সার্চ ইঞ্জিন কি পছন্দ করে, কি কি অপছন্দ করে? আগের ৫ টি অধ্যায়ের অধিকাংশ লেখাতেই বলা হয়েছে যে, সার্চ ইঞ্জিন কি কি পছন্দ করে। তাই, আমি এই অধ্যায়ে সার্চ ইঞ্জিনের অপছন্দের বিষয়গুলো আপনাদের দৃষ্টিগোচর করার চেষ্টা করেছি। স্প্যাম আপনার সাইটকে তাৎক্ষনিকভাবে রেংকিং এ নিয়ে আসতে পারে, কিন্তু এটি ধরা পড়বেই। গুগোল খুব শক্ত মানের স্প্যাম প্রোটেকশন ব্যাবহার করে। স্থায়ীভাবে আপনার সাইটকে ব্ল্যাকলিস্ট করার জন্য যেকোন একটি স্প্যাম কৌশলই যথেষ্ট।

অনেক বছর ধরেই এস ই ও গবেষকরা সার্চ ইঞ্জিন নিয়ে গবেষণা করছে, এবং তাদের সাইট সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পেইজে নিয়ে আসার জন্য নিত্যনতুন কৌশল আবিষ্কার করছে। তাই দিনে দিনে এস ই ও কঠিন হয়ে যাচ্ছে। সহজে কঠিন কাজটি করার জন্য মানুষ প্রতারনার আশ্রয় নিচ্ছে এবং গুগোলকে কঠোর হতে বাধ্য করছে।

আপনাকে হোয়াইট হ্যাট এস ই ও করতে হলে অবশ্যই সার্চ ইঞ্জিনে নীতিমালা মেনে চলতে হবে।

অনেক ক্ষেত্রে কিক আউট হওয়ার পরও আবার এস ই ও করা সম্ভব। কিন্তু, সেটা প্রায় না পারারই সমান। কারন, আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী সাইটগুলো প্রতিনিয়ত এস ই ও করে যাচ্ছে। আপনি যদি একবার কিক আউট হয়ে যান, সেক্ষেত্রে সবগুলো স্প্যাম ইস্যু আমার সাইট থেকে তুলে দিয়ে আবার সাবমিট করবেন। যদিও না হওয়ার সম্ভাবনা বেশী, তবুও অনেক ক্ষেত্রে গুগোল আপনার সাইটের অনেক মূল্যবান এবং ইউনিক কন্টেন্ট বিবেচনা করে দয়া করে থাকে। তবে, কিক আউট হওয়ার পর পরই ঠিক করে রি-সাবমিট করবেন না। কিছু দিন অপেক্ষা করে চেষ্টা করতে পারেন। যদিও, গুগোল আবার ইনডেক্স করে, তবুও আপনি আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী সকল সাইটের পেছনে পড়ে গেলেন। এক্ষেত্রে আমরা ছোট বেলায় পড়া খরগোশ এবং কচ্ছপ এর দৌড় প্রতিযোগিতার গল্পটি স্মরণ করতে পারি।

মাঝে মাঝে কিছু ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান লোভনীয় বিজ্ঞাপন দেয়, যেমন নির্দিষ্ট পরিমান অর্থের বিনিময়ে আপনার সাইট যে কোন সার্চ কুয়েরিতে গুগোল এর প্রথম পেইজে এনে দেব। হাজার হাজার ব্যাকলিংক দেব, ইত্যাদি ইত্যাদি। এদের কাছ থেকে সাবধান। এই ধরনের অধিকাংশ বিজ্ঞাপন প্রচারকারীই স্প্যাম কৌশল ব্যাবহার করে। যার ফলাফল আমরা উপরে দেখেছি। এছাড়া, ইন্টারনেট এ কিছু সফটওয়্যার পাওয়া যায়, যেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাকলিংক তৈরি করে। এগুলোও স্প্যাম কৌশল ব্যাবহার করে। এগুলোও ব্যাবহার করা যাবে না। গুগোল এর নতুন কিছু নীতিমালা, পাণ্ডা আপডেট, পেঙ্গুইন আপডেট ইত্যাদি খুব কঠোর। এটিতে চেক করে আপনি কত বেশী ব্যাকলিংক তৈরি করছেন। একটি নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট পরিমানের বেশী ব্যাকলিংক তৈরি হলে সেটিকে স্প্যাম হিসেবে চিহ্নিত করে। যদিও আমরা ব্যাকলিংক তৈরি করি। কিন্তু, গুগোল চায়না যে, সাইটের এডমিন সাইটের ব্যাকলিংক তৈরি করুক। গুগোল চায় যে, আপনার সাইট দ্বারা উপকৃত হয়ে অন্য কোন সাইট , ব্লগ বা ফোরামে কেউ আপনার সাইটের কথা উল্লেখ করুক। এবং সেই কথাতে (টেক্সট) আপনার সাইটের লিংক দিয়ে দিক। এই ধরনের ব্যাকলিংক খুব মূল্যবান। ১০০ টি খারাপ ব্যাকলিংক থেকে ১ টি ভালো ব্যাকলিংক অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

মাষ্টার অফ এস ই ও সিরিজ (প্রথম-খণ্ড) সার্চ ইঞ্জিনের কাযর্প্রণালী – ষষ্ঠ অধ্যায়

আপনার সাইটে ভাইরাস বা কোন ক্ষতিকর কোড থাকলেও সার্চ ইঞ্জিন সেটিকে রিমুভ করে দিতে পারে। ইন্টারনেট এ অনেক লোভনীয় গেজেট, উইজেট, প্লাগ ইন ইত্যাদি (বিশেষ করে ব্লগস্পট ওয়ার্ডপ্রেস ইত্যাদি CMS এর জন্য) পাওয়া যায়, যেগুলোতে ভাইরাস বা ক্ষতিকর কোড থাকে। এগুলো ব্যাবহার করার ক্ষেত্রেও সাবধান হতে হবে। কপিরাইট © রেজিস্টার্ড ® ট্রেডমার্ক ™ ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যাবহারও আপনার সাইটের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। অন্যের করা কাজ (ছবি, ভিডিও ইত্যাদি) এডিট করে নিজের নামে প্রকাশ করা যাবে না।

একটি কথা মনে রাখবেন, স্প্যামাররা কখনো বিজয়ী হয় না এবং বিজয়ীরা কখনো স্প্যামিং করে না

মাষ্টার অফ এস ই ও সিরিজ (প্রথম-খণ্ড) সার্চ ইঞ্জিনের কাযর্প্রণালী – ষষ্ঠ অধ্যায়

মাষ্টার অফ এস ই ও সিরিজ (প্রথম-খণ্ড) সার্চ ইঞ্জিনের কাযর্প্রণালী – ষষ্ঠ অধ্যায়

এটিই আমার মাষ্টার অফ এস ই ও সিরিজ এর প্রথম খণ্ড “সার্চ ইঞ্জিন এর কার্যপ্রণালী” এর শেষ অধ্যায়। এই অধ্যায়ে আপনি আপনাদের এস ই ও শিখাইনি। এখানে শুধুমাত্র সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে কিছুটা ধারনা দেয়া হয়েছে। বর্তমানে অনেক এস ই ও কনসালটেন্ট প্রাথমিক ধারনা নিয়ে এস ই ও এর কাজ করে যাচ্ছে। তবে, প্রতিদিন এই সেক্টর এ প্রতিযোগিতা বাড়ছে। তাই, প্রাথমিক ধারনা নিয়ে একসময় আর অগ্রসর হওয়া যাবে না। এস ই ও বিষয়টি অনেক ব্যাপক। আমাদের গভীর থেকে গভীরতর পর্যায়ে প্রবেশ করতে হবে। আশা করি সকলে আমার সাথে থাকবেন।

দ্বিতীয় খণ্ড “কিওয়ার্ড বিশ্লেষণ পদ্ধতি” খুব শিগ্রই প্রকাশ করা হবে। আপনাদের উৎসাহ আমার অনুপ্রেরণা যোগাবে।

লেখাটি পূর্বে প্রকাশিত এখানে
এই লেখাটি PDF আকারে ডাউনলোড করতে পারেন এখানে

Series Navigation << মাষ্টার অফ এস ই ও সিরিজ (প্রথম-খণ্ড) সার্চ ইঞ্জিনের কাযর্প্রণালী – পঞ্চম অধ্যায়সার্চ ইঞ্জিনের কার্যপ্রণালী – সম্পূর্ণ এস ই ও টিউটোরিয়াল + প্রতিযোগিতা >>
টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

one × three =