বিক্রি না করেও আপনি নানা কাজে ব্যবহার করতে পারেন আপনার পুরনো স্মার্টফোনটি

0
378

স্মার্টফোনের আধিপত্যের যুগে কিছুদিন পরপরই আসছে নিত্যনতুন প্রযুক্তির স্মার্টফোন। আর এর সাথে তাল মিলিয়ে অনেকেই পরিবর্তন করে ফেলছেন তাদের আগের স্মার্টফোনটি। নতুন স্মার্টফোন কেনার পর আপনার আগের স্মার্টফোনটি কি করবেন? অনেকেই এই প্রশ্নের জবাবে বলবেন, ” বিক্রি করে দিবো।” কিন্তু বিক্রি না করেও আপনি নানা কাজে ব্যবহার করতে পারেন আপনার পুরনো স্মার্টফোনটি।

smart-phone বিক্রি না করেও আপনি নানা কাজে ব্যবহার করতে পারেন আপনার পুরনো স্মার্টফোনটি

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

১. ওয়ারলেস রাউটারঃ পুরনো স্মার্টফোনের সাহায্যে আপনি খুব সহজে তৈরি করতে পারবেন ওয়াই-ফাই জোন। এর ফলে আপনার অন্য সকল ডিভাইসে খুব সহজেই ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পাবেন । আর সহজে বহন করার সুবিধাতো আছেই।

২. টিভির জন্য মিডিয়া প্লেয়ারঃ আপনার স্মার্টফোনে যদি MHL বা HDMI কেবল ব্যবহারের সুবিধা থাকে, তাহলে আপনি মোবাইলটিকে টিভির সাথে সংযুক্ত করে বড় পর্দায় মুভি বা ভিডিও দেখার কাজ চালিয়ে নিতে পারবেন।

৩. নতুন অ্যাপস পরীক্ষা করাঃ বর্তমানে অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট খুবই সম্ভাবনাময় একটি শিল্প। আপনি যদি একজন অ্যাপ ডেভেলপার হয়ে থাকেন, তাহলে আপনার বানানো নতুন অ্যাপস পরীক্ষা করার জন্য আপনার পুরনো স্মার্টফোনটি ব্যবহার করতে পারেন।

৪. ওয়ারলেস সিকিউরিটি ক্যামেরাঃ বর্তমানে অনেক অ্যাপ্লিকেশন পাওয়া যায় যার মাধ্যমে খুব সহজে আপনার ফোনের ক্যামেরাকে সিকিউরিটি ক্যামেরায় রূপান্তর করতে পারবেন। এর মাধ্যমে আপনার বাসায় কিংবা অন্যান্য যায়গায় নিয়মিত নজর রাখতে পারবেন। আর যেকোন ব্রাউজার কিংবা ভিডিও প্লেয়ার থেকে অনলাইন স্ট্রিমিং করে খুব সহজেই দেখতে পারবেন আপনার কাঙ্ক্ষিত স্থানের ছবি।

৫. গেম খেলার কাজে ব্যবহারঃ আপনি যদি হয়ে থাকেন গেমভক্ত, তাহলে গেম খেলার কাজে ব্যবহার করতে পারেন আপনার পুরনো স্মার্টফোন। বিশেষ করে পুরনো অনেক গেম রয়েছে যেগুলো আমাদের আধুনিক স্মার্টফোনে খেলার জন্য ইমুলেটর ব্যবহার করতে হয়। চাইলে আপনি ইমুলেটর সফটওয়্যার ব্যবহার না করে সে সকল গেম খেলতে পারেন।

৬. জিপিএস নেভিগেটরঃ আপনি আপনার পুরনো ফোনের জিপিএস ব্যবহার করে আপনার ফোনটিকে বানিয়ে ফেলতে পারবেন একটি জিপিএস নেভিগেটর। নতুন কোন যায়গায় ঘুরতে বের হলে এটি আপনার দারুন কাজে লাগবে।

৭. কম্পিউটার রিমোটঃ বর্তমানে অনেক অ্যাপস রয়েছে যেগুলো ব্যবহার করে আপনার স্মার্টফোন থেকেই আপনার কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। আপনি চাইলে এই ক্ষেত্রেও কাজে লাগাতে পারেন আপনার পুরনো স্মার্টফোন।

৮. ডাটা ব্যাকআপঃ আপনার ডাটা ব্যাকআপ করার করা এবং দরকারমত সেগুলো দেখার জন্য ব্যবহার করতে পারেন আপনার স্মার্টফোনটিকে। কেবল একটি উচ্চ ধারনক্ষমতার মেমরি কার্ড লাগিয়ে নিন। এটিও আপনার বেশ কাজে আসবে।

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

five + 8 =