আমাদের রান্নাঘরে এবার থাকবে একটি থ্রিডি প্রিন্টার!!! ব্যাস রান্না ত এখন হাতের মুয়া

0
450

আমাদের রান্নাঘরে মাইক্রোওয়েভ ও মিক্সির মতো যন্ত্র আগেই ঢুকে পড়েছে৷ কিন্তু রান্নার কাজটা এখনো নিজেকেই করতে হয়৷ ভবিষ্যতে থ্রিডি প্রিন্টার কিন্তু সেই কাজ অনেকটাই সেরে ফেলবে৷ মানুষের কাজ যাবে কমে৷ খাবিয়ের আর স্যার্খিও টোরেস যাকে বলে ‘স্টার শেফ’৷ বার্সেলোনা শহরে নিজেদের স্প্যানিশ রেস্তোরাঁয় যমজ দুই ভাই নানা রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন৷ তাজা উপকরণ ও আধুনিক প্রযুক্তিই তাঁদের সাফল্যের রহস্য৷ তাঁদের রান্নাঘরে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি রাখা থাকে৷

স্যার্খিও এই প্রথমবার খাবারের থ্রিডি প্রিন্টার পরীক্ষা করে দেখছেন৷ তাতে পায়েস ‘প্রিন্ট’ হচ্ছে৷ এই উদ্ভাবন রন্ধন শিল্পের ভবিষ্যতকে কতটা বদলে দেবে, স্যার্খিও এখনই সেটা বলতে পারছেন না৷ তিনি বলেন, ‘‘আমার মতে, অনেক নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে যাচ্ছে৷ বিষয়টা দেখেশুনে, এক্সপেরিমেন্ট করে, বিশ্লেষণ করতে হবে৷”

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

index আমাদের রান্নাঘরে এবার থাকবে একটি থ্রিডি প্রিন্টার!!! ব্যাস রান্না ত এখন হাতের মুয়া

উপকরণ হতে হবে মাখামাখা৷ যেমন বিস্কিট তৈরির মালমশলা৷ ক্যাপসুলে ভরে ফেললেই হলো৷ তারপর বিস্কিট প্রিন্ট হবে৷ এবার শুধু ওভেনে বেক করতে হবে৷ প্রিন্ট করা পিৎসার উপরেও পছন্দমতো টপিং দিতে হয় ও তা ওভেনে ঢোকাতে হয়৷

স্পেনের এক স্টার্টআপ কোম্পানি ‘ফুডিনি’ নামের খাবার তৈরির এই ত্রিমাত্রিক প্রিন্টার উদ্ভাবন করেছে৷ থ্রিডি প্রিন্টার কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতাদের একজন লিনেট কুচমা৷ তিনি বলেন, ‘‘এটাকে আসলে অ্যাসেমব্লি ডিভাইস হিসেবে ভাবাটাই সহজ৷ ইটালিয়ান রাভিওলি-র কথাই ধরুন৷ বাজারে এত পাস্তা তৈরির মেশিন থাকা সত্ত্বেও বাসায় কে আর সেটা তৈরি করে! অর্থাৎ যারা তাজা খাবার পছন্দ করে, তাদের জন্যই এটা বিক্রি হয়৷ কিন্তু রেস্তোরাঁর দৃষ্টিভঙ্গি থেকে খাবারের ডিজাইনের বিষয়টি অত্যন্ত জরুরি৷”

চলতি বছরেই এই যন্ত্র বাজারে আসছে৷ দাম ধরা হয়েছে ১,০০০ ইউরো৷ রাঁধুনি নিজে কম্পিউটারে খাবারের ডিজাইন স্থির করবেন৷ এ ক্ষেত্রে সৃজনশীলতার প্রায় কোনো সীমাই নেই৷ প্রিন্টার দিয়ে হোক, বা প্রিন্টার ছাড়া হোক – খাবারের স্বাদ রাঁধুনির গুণের উপরই নির্ভর করে৷ যেমন প্রিন্টার এই কেকের স্বাদে কোনো পরিবর্তন আনতে পারবে না৷ মাস্টার শেফ স্যার্খিও টোরেস বলেন, ‘‘ভাগ্য ভালো, আমাদের হাত লাগাতেই হবে৷ যন্ত্র স্বাদ বাড়াতে পারে না, কারো জন্য রান্নাও করে না৷ আমরাই রাঁধুনি হিসেবে থাকবো৷ প্রিন্টার শুধু খাবারের চেহারা সুন্দর করতে ও কঠিন ডিজাইন তৈরি করতে সাহায্য করে, যা খালি হাতে করা কঠিন৷”

টোরেস ভাইদের রেস্তোরাঁর মেনু-কার্ডে রয়েছে এই পদটি৷ থ্রিডি প্রিন্টারের সাহায্যে এটিকে আরও আকর্ষণীয় করার চেষ্টা চলছে৷ স্যার্খিও বলেন, ‘‘আমরা সবজিটাকে ঘোরাতে পারি, তাতে কিছু আঁকতেও পারি৷ অথবা ঝোল দিয়ে তার উপর ডিজাইন করতে পারি৷ প্র্যাকটিস করতে আমরা একটা প্রোটোটাইপ অর্ডার করেছিলাম৷ সেটা কাজে লাগানোর অনেক আইডিয়াও আমাদের রয়েছে৷ হাতেনাতে কিছু তৈরি করে দেখতে চাই, ঠিকমতো হচ্ছে কিনা৷ সফল হলে তাজ্জব বনে যেতে হবে৷”

সবজির পেস্ট দিয়ে তৈরি রেস্তোরাঁর নাম – সবে প্রিন্ট করা হয়েছে৷ একদিন এমন খাবার টেবিলে আসবে৷ প্রথম থ্রিডি প্রিন্টার দিয়ে এক্সপেরিমেন্ট সফল হয়েছে৷

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

15 − 3 =