মুদ্রার এপিঠ—ওপিঠ দুই দিকই আছে

0
259

মানবতা নিয়ে অনেক লেখা পড়ছিলাম। মানব জাতির অনেক অবনতি দেখলাম। কি ভেবে আবার সম্পদশালী ব্যাক্তিদের কিছু তালিকা দেখলাম। দরিদ্র শ্রেণীর মানুষেরও জীবন যাবন দেখলাম।সবাই জানি যে তারা কি ভাবে জীবন যাপন করে। যাই হোক সব সময় আমরা কোরাণের খারাব আয়ায় গুলো নিয়ে পর্যালোচনা করি। মানে কোরানের সেই সব আয়াত নিয়ে যার জন্য মানব জাতি আজ চরম বিরম্বনা শিকার। কিন্তু একক ভাবে খারাব দিক গুলো নিয়ে তো কথা বলা মনে হয় না ঠিক। যাই হোক আমি হয়তো অতোটা বুঝিনা। কিন্তু মুদ্রার এপিঠ—ওপিঠ দুই দিকই আছে। কোরান সূরা আল–হুমাযাহ ( ১০৪ ) ১. প্রত্যেক পশ্চাতে ও সম্মুখে পরনিন্দাকারীর দূর্ভোগ, ২. যে অর্থ সঞ্চিত করে ও গণনা করে। ৩. সে মনে করে যে, তার অর্থ চিরকাল তার সাথে থাকবে! ৪. কখনও না, সে অবশ্যই নিক্ষিপ্ত হবে পিষ্টকারীর মধ্যে। ৫. আপনি কি জানেন পিষ্টকারী কি? ৬. এটা আল্লাহুর প্রজ্জ্বলিত অগ্নি, ৭. যা হৃদয় পর্যন্ত পৌছবে। ৮. এতে তাদেরকে বেঁধে দেওয়া হবে, ৯. লম্বা লম্বা খুঁটিতে। এখন একটু ভাবুন , মানব সমাজ যদি পরনিন্দা না করে। ( সমালোচনা ও পরনিন্দা ভিন্ন জিনিস। পরনিন্দা হলো কারও উপর মিথ্যা অপবাদ দেওয়া ও তা নিয়ে আলোচনা করা ) এবং ধনীরা তাদের অর্থ সম্পদের কিছুটা অংশ দরিদ্র শ্রেণীর মানুষের সাথে ভাগাভাগি করে তাহলে এই দুনিয়াটাই কপ্লনার বেহেস্ত হয়ে যাবে। কোন রকম ঈশ্বরের প্রয়োজন তখন থাকবে না।মানবতা নিয়ে অনেক লেখা পড়ছিলাম। মানব জাতির অনেক অবনতি দেখলাম। কি ভেবে আবার সম্পদশালী ব্যাক্তিদের কিছু তালিকা দেখলাম। দরিদ্র শ্রেণীর মানুষেরও জীবন যাবন দেখলাম।সবাই জানি যে তারা কি ভাবে জীবন যাপন করে। যাই হোক সব সময় আমরা কোরাণের খারাব আয়ায় গুলো নিয়ে পর্যালোচনা করি। মানে কোরানের সেই সব আয়াত নিয়ে যার জন্য মানব জাতি আজ চরম বিরম্বনা শিকার। কিন্তু একক ভাবে খারাব দিক গুলো নিয়ে তো কথা বলা মনে হয় না ঠিক। যাই হোক আমি হয়তো অতোটা বুঝিনা। কিন্তু মুদ্রার এপিঠ—ওপিঠ দুই দিকই আছে। কোরান সূরা আল–হুমাযাহ ( ১০৪ ) ১. প্রত্যেক পশ্চাতে ও সম্মুখে পরনিন্দাকারীর দূর্ভোগ, ২. যে অর্থ সঞ্চিত করে ও গণনা করে। ৩. সে মনে করে যে, তার অর্থ চিরকাল তার সাথে থাকবে! ৪. কখনও না, সে অবশ্যই নিক্ষিপ্ত হবে পিষ্টকারীর মধ্যে। ৫. আপনি কি জানেন পিষ্টকারী কি? ৬. এটা আল্লাহুর প্রজ্জ্বলিত অগ্নি, ৭. যা হৃদয় পর্যন্ত পৌছবে। ৮. এতে তাদেরকে বেঁধে দেওয়া হবে, ৯. লম্বা লম্বা খুঁটিতে। এখন একটু ভাবুন , মানব সমাজ যদি পরনিন্দা না করে। ( সমালোচনা ও পরনিন্দা ভিন্ন জিনিস। পরনিন্দা হলো কারও উপর মিথ্যা অপবাদ দেওয়া ও তা নিয়ে আলোচনা করা ) এবং ধনীরা তাদের অর্থ সম্পদের কিছুটা অংশ দরিদ্র শ্রেণীর মানুষের সাথে ভাগাভাগি করে তাহলে এই দুনিয়াটাই কপ্লনার বেহেস্ত হয়ে যাবে। কোন রকম ঈশ্বরের প্রয়োজন তখন থাকবে না।মানবতা নিয়ে অনেক লেখা পড়ছিলাম। মানব জাতির অনেক অবনতি দেখলাম। কি ভেবে আবার সম্পদশালী ব্যাক্তিদের কিছু তালিকা দেখলাম। দরিদ্র শ্রেণীর মানুষেরও জীবন যাবন দেখলাম।সবাই জানি যে তারা কি ভাবে জীবন যাপন করে। যাই হোক সব সময় আমরা কোরাণের খারাব আয়ায় গুলো নিয়ে পর্যালোচনা করি। মানে কোরানের সেই সব আয়াত নিয়ে যার জন্য মানব জাতি আজ চরম বিরম্বনা শিকার। কিন্তু একক ভাবে খারাব দিক গুলো নিয়ে তো কথা বলা মনে হয় না ঠিক। যাই হোক আমি হয়তো অতোটা বুঝিনা। কিন্তু মুদ্রার এপিঠ—ওপিঠ দুই দিকই আছে। কোরান সূরা আল–হুমাযাহ ( ১০৪ ) ১. প্রত্যেক পশ্চাতে ও সম্মুখে পরনিন্দাকারীর দূর্ভোগ, ২. যে অর্থ সঞ্চিত করে ও গণনা করে। ৩. সে মনে করে যে, তার অর্থ চিরকাল তার সাথে থাকবে! ৪. কখনও না, সে অবশ্যই নিক্ষিপ্ত হবে পিষ্টকারীর মধ্যে। ৫. আপনি কি জানেন পিষ্টকারী কি? ৬. এটা আল্লাহুর প্রজ্জ্বলিত অগ্নি, ৭. যা হৃদয় পর্যন্ত পৌছবে। ৮. এতে তাদেরকে বেঁধে দেওয়া হবে, ৯. লম্বা লম্বা খুঁটিতে। এখন একটু ভাবুন , মানব সমাজ যদি পরনিন্দা না করে। ( সমালোচনা ও পরনিন্দা ভিন্ন জিনিস। পরনিন্দা হলো কারও উপর মিথ্যা অপবাদ দেওয়া ও তা নিয়ে আলোচনা করা ) এবং ধনীরা তাদের অর্থ সম্পদের কিছুটা অংশ দরিদ্র শ্রেণীর মানুষের সাথে ভাগাভাগি করে তাহলে এই দুনিয়াটাই কপ্লনার বেহেস্ত হয়ে যাবে। কোন রকম ঈশ্বরের প্রয়োজন তখন থাকবে না।মানবতা নিয়ে অনেক লেখা পড়ছিলাম। মানব জাতির অনেক অবনতি দেখলাম। কি ভেবে আবার সম্পদশালী ব্যাক্তিদের কিছু তালিকা দেখলাম। দরিদ্র শ্রেণীর মানুষেরও জীবন যাবন দেখলাম।সবাই জানি যে তারা কি ভাবে জীবন যাপন করে। যাই হোক সব সময় আমরা কোরাণের খারাব আয়ায় গুলো নিয়ে পর্যালোচনা করি। মানে কোরানের সেই সব আয়াত নিয়ে যার জন্য মানব জাতি আজ চরম বিরম্বনা শিকার। কিন্তু একক ভাবে খারাব দিক গুলো নিয়ে তো কথা বলা মনে হয় না ঠিক। যাই হোক আমি হয়তো অতোটা বুঝিনা। কিন্তু মুদ্রার এপিঠ—ওপিঠ দুই দিকই আছে। কোরান সূরা আল–হুমাযাহ ( ১০৪ ) ১. প্রত্যেক পশ্চাতে ও সম্মুখে পরনিন্দাকারীর দূর্ভোগ, ২. যে অর্থ সঞ্চিত করে ও গণনা করে। ৩. সে মনে করে যে, তার অর্থ চিরকাল তার সাথে থাকবে! ৪. কখনও না, সে অবশ্যই নিক্ষিপ্ত হবে পিষ্টকারীর মধ্যে। ৫. আপনি কি জানেন পিষ্টকারী কি? ৬. এটা আল্লাহুর প্রজ্জ্বলিত অগ্নি, ৭. যা হৃদয় পর্যন্ত পৌছবে। ৮. এতে তাদেরকে বেঁধে দেওয়া হবে, ৯. লম্বা লম্বা খুঁটিতে। এখন একটু ভাবুন , মানব সমাজ যদি পরনিন্দা না করে। ( সমালোচনা ও পরনিন্দা ভিন্ন জিনিস। পরনিন্দা হলো কারও উপর মিথ্যা অপবাদ দেওয়া ও তা নিয়ে আলোচনা করা ) এবং ধনীরা তাদের অর্থ সম্পদের কিছুটা অংশ দরিদ্র শ্রেণীর মানুষের সাথে ভাগাভাগি করে তাহলে এই দুনিয়াটাই কপ্লনার বেহেস্ত হয়ে যাবে। কোন রকম ঈশ্বরের প্রয়োজন তখন থাকবে না। মানবতা নিয়ে অনেক লেখা পড়ছিলাম। মানব জাতির অনেক অবনতি দেখলাম। কি ভেবে আবার সম্পদশালী ব্যাক্তিদের কিছু তালিকা দেখলাম। দরিদ্র শ্রেণীর মানুষেরও জীবন যাবন দেখলাম।সবাই জানি যে তারা কি ভাবে জীবন যাপন করে। যাই হোক সব সময় আমরা কোরাণের খারাব আয়ায় গুলো নিয়ে পর্যালোচনা করি। মানে কোরানের সেই সব আয়াত নিয়ে যার জন্য মানব জাতি আজ চরম বিরম্বনা শিকার। কিন্তু একক ভাবে খারাব দিক গুলো নিয়ে তো কথা বলা মনে হয় না ঠিক। যাই হোক আমি হয়তো অতোটা বুঝিনা। কিন্তু মুদ্রার এপিঠ—ওপিঠ দুই দিকই আছে। কোরান সূরা আল–হুমাযাহ ( ১০৪ ) ১. প্রত্যেক পশ্চাতে ও সম্মুখে পরনিন্দাকারীর দূর্ভোগ, ২. যে অর্থ সঞ্চিত করে ও গণনা করে। ৩. সে মনে করে যে, তার অর্থ চিরকাল তার সাথে থাকবে! ৪. কখনও না, সে অবশ্যই নিক্ষিপ্ত হবে পিষ্টকারীর মধ্যে। ৫. আপনি কি জানেন পিষ্টকারী কি? ৬. এটা আল্লাহুর প্রজ্জ্বলিত অগ্নি, ৭. যা হৃদয় পর্যন্ত পৌছবে। ৮. এতে তাদেরকে বেঁধে দেওয়া হবে, ৯. লম্বা লম্বা খুঁটিতে। এখন একটু ভাবুন , মানব সমাজ যদি পরনিন্দা না করে। ( সমালোচনা ও পরনিন্দা ভিন্ন জিনিস। পরনিন্দা হলো কারও উপর মিথ্যা অপবাদ দেওয়া ও তা নিয়ে আলোচনা করা ) এবং ধনীরা তাদের অর্থ সম্পদের কিছুটা অংশ দরিদ্র শ্রেণীর মানুষের সাথে ভাগাভাগি করে তাহলে এই দুনিয়াটাই কপ্লনার বেহেস্ত হয়ে যাবে। কোন রকম ঈশ্বরের প্রয়োজন তখন থাকবে না।মানবতা নিয়ে অনেক লেখা পড়ছিলাম। মানব জাতির অনেক অবনতি দেখলাম। কি ভেবে আবার সম্পদশালী ব্যাক্তিদের কিছু তালিকা দেখলাম। দরিদ্র শ্রেণীর মানুষেরও জীবন যাবন দেখলাম।সবাই জানি যে তারা কি ভাবে জীবন যাপন করে। যাই হোক সব সময় আমরা কোরাণের খারাব আয়ায় গুলো নিয়ে পর্যালোচনা করি। মানে কোরানের সেই সব আয়াত নিয়ে যার জন্য মানব জাতি আজ চরম বিরম্বনা শিকার। কিন্তু একক ভাবে খারাব দিক গুলো নিয়ে তো কথা বলা মনে হয় না ঠিক। যাই হোক আমি হয়তো অতোটা বুঝিনা। কিন্তু মুদ্রার এপিঠ—ওপিঠ দুই দিকই আছে। কোরান সূরা আল–হুমাযাহ ( ১০৪ ) ১. প্রত্যেক পশ্চাতে ও সম্মুখে পরনিন্দাকারীর দূর্ভোগ, ২. যে অর্থ সঞ্চিত করে ও গণনা করে। ৩. সে মনে করে যে, তার অর্থ চিরকাল তার সাথে থাকবে! ৪. কখনও না, সে অবশ্যই নিক্ষিপ্ত হবে পিষ্টকারীর মধ্যে। ৫. আপনি কি জানেন পিষ্টকারী কি? ৬. এটা আল্লাহুর প্রজ্জ্বলিত অগ্নি, ৭. যা হৃদয় পর্যন্ত পৌছবে। ৮. এতে তাদেরকে বেঁধে দেওয়া হবে, ৯. লম্বা লম্বা খুঁটিতে। এখন একটু ভাবুন , মানব সমাজ যদি পরনিন্দা না করে। ( সমালোচনা ও পরনিন্দা ভিন্ন জিনিস। পরনিন্দা হলো কারও উপর মিথ্যা অপবাদ দেওয়া ও তা নিয়ে আলোচনা করা ) এবং ধনীরা তাদের অর্থ সম্পদের কিছুটা অংশ দরিদ্র শ্রেণীর মানুষের সাথে ভাগাভাগি করে তাহলে এই দুনিয়াটাই কপ্লনার বেহেস্ত হয়ে যাবে। কোন রকম ঈশ্বরের প্রয়োজন তখন থাকবে না।মানবতা নিয়ে অনেক লেখা পড়ছিলাম। মানব জাতির অনেক অবনতি দেখলাম। কি ভেবে আবার সম্পদশালী ব্যাক্তিদের কিছু তালিকা দেখলাম। দরিদ্র শ্রেণীর মানুষেরও জীবন যাবন দেখলাম।সবাই জানি যে তারা কি ভাবে জীবন যাপন করে। যাই হোক সব সময় আমরা কোরাণের খারাব আয়ায় গুলো নিয়ে পর্যালোচনা করি। মানে কোরানের সেই সব আয়াত নিয়ে যার জন্য মানব জাতি আজ চরম বিরম্বনা শিকার। কিন্তু একক ভাবে খারাব দিক গুলো নিয়ে তো কথা বলা মনে হয় না ঠিক। যাই হোক আমি হয়তো অতোটা বুঝিনা। কিন্তু মুদ্রার এপিঠ—ওপিঠ দুই দিকই আছে। কোরান সূরা আল–হুমাযাহ ( ১০৪ ) ১. প্রত্যেক পশ্চাতে ও সম্মুখে পরনিন্দাকারীর দূর্ভোগ, ২. যে অর্থ সঞ্চিত করে ও গণনা করে। ৩. সে মনে করে যে, তার অর্থ চিরকাল তার সাথে থাকবে! ৪. কখনও না, সে অবশ্যই নিক্ষিপ্ত হবে পিষ্টকারীর মধ্যে। ৫. আপনি কি জানেন পিষ্টকারী কি? ৬. এটা আল্লাহুর প্রজ্জ্বলিত অগ্নি, ৭. যা হৃদয় পর্যন্ত পৌছবে। ৮. এতে তাদেরকে বেঁধে দেওয়া হবে, ৯. লম্বা লম্বা খুঁটিতে। এখন একটু ভাবুন , মানব সমাজ যদি পরনিন্দা না করে। ( সমালোচনা ও পরনিন্দা ভিন্ন জিনিস। পরনিন্দা হলো কারও উপর মিথ্যা অপবাদ দেওয়া ও তা নিয়ে আলোচনা করা ) এবং ধনীরা তাদের অর্থ সম্পদের কিছুটা অংশ দরিদ্র শ্রেণীর মানুষের সাথে ভাগাভাগি করে তাহলে এই দুনিয়াটাই কপ্লনার বেহেস্ত হয়ে যাবে। কোন রকম ঈশ্বরের প্রয়োজন তখন থাকবে না।মানবতা নিয়ে অনেক লেখা পড়ছিলাম। মানব জাতির অনেক অবনতি দেখলাম। কি ভেবে আবার সম্পদশালী ব্যাক্তিদের কিছু তালিকা দেখলাম। দরিদ্র শ্রেণীর মানুষেরও জীবন যাবন দেখলাম।সবাই জানি যে তারা কি ভাবে জীবন যাপন করে। যাই হোক সব সময় আমরা কোরাণের খারাব আয়ায় গুলো নিয়ে পর্যালোচনা করি। মানে কোরানের সেই সব আয়াত নিয়ে যার জন্য মানব জাতি আজ চরম বিরম্বনা শিকার। কিন্তু একক ভাবে খারাব দিক গুলো নিয়ে তো কথা বলা মনে হয় না ঠিক। যাই হোক আমি হয়তো অতোটা বুঝিনা। কিন্তু মুদ্রার এপিঠ—ওপিঠ দুই দিকই আছে। কোরান সূরা আল–হুমাযাহ ( ১০৪ ) ১. প্রত্যেক পশ্চাতে ও সম্মুখে পরনিন্দাকারীর দূর্ভোগ, ২. যে অর্থ সঞ্চিত করে ও গণনা করে। ৩. সে মনে করে যে, তার অর্থ চিরকাল তার সাথে থাকবে! ৪. কখনও না, সে অবশ্যই নিক্ষিপ্ত হবে পিষ্টকারীর মধ্যে। ৫. আপনি কি জানেন পিষ্টকারী কি? ৬. এটা আল্লাহুর প্রজ্জ্বলিত অগ্নি, ৭. যা হৃদয় পর্যন্ত পৌছবে। ৮. এতে তাদেরকে বেঁধে দেওয়া হবে, ৯. লম্বা লম্বা খুঁটিতে। এখন একটু ভাবুন , মানব সমাজ যদি পরনিন্দা না করে। ( সমালোচনা ও পরনিন্দা ভিন্ন জিনিস। পরনিন্দা হলো কারও উপর মিথ্যা অপবাদ দেওয়া ও তা নিয়ে আলোচনা করা ) এবং ধনীরা তাদের অর্থ সম্পদের কিছুটা অংশ দরিদ্র শ্রেণীর মানুষের সাথে ভাগাভাগি করে তাহলে এই দুনিয়াটাই কপ্লনার বেহেস্ত হয়ে যাবে। কোন রকম ঈশ্বরের প্রয়োজন তখন থাকবে না। – সূত্র: http://prothombarta.com

Advertisement -
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

9 − six =