I need Vedio Tutorial(Bangla) of Make NET Sharing Cable

4
430
I need Vedio Tutorial(Bangla) of Make NET Sharing Cable

অচেনা মানুষ

হাই আই সাকিব উদ্দিন । আই চিটাঈংগা পুলা । চিটাংগে থাকি । আইজু লেহাপড়া গরি । মাঝে মধ্যে টাইম পাইলে টিউনার পেজত পোস্ট গরি । তবে পত্তিদিন টিউনার পেজত ভিজিট গরি ।
I need Vedio Tutorial(Bangla) of Make NET Sharing Cable

assalamualikum ,

prioy admin, tj , author bayera ami kalkasunda apnader kach theke kibabee network sharing cable make koree O kivabee network sharing cable diya network 1pc 2 another pc the share kormu tar tutorial vedio in banglai chythachi . Jodi Tuner Pager kono admin Ba Shoridoy ban Tj amay tha ditha

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

paren tobe ami amar janeer bandarkee somriddo korthee partham r ei jaan amar bonduder o ditha partham . Apnara ki amay help korbeen .

TunEr PagE  help help help helphelp helphelp helphelp helphelp helphelp helphelp helphelp helphelp helphelp helphelp helphelp helphelp helphelp helphelp helphelp helphelp helphelp helphelp helphelp helphelp helphelp helphelp help

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

4 মন্তব্য

  1. এইটা দিয়ে চেষ্ঠা করুন । । ।।

    নেটওয়ার্কিং ও ইন্টারনেট শেয়ারিং

    আপনার বাসায় হয়তো দু’টো পিসি। কিন্তু নেট লাইন একটি। আপনি চান একটি লাইন ব্যবহার করেই একাধিক পিসিতে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে। সেক্ষেত্রে আপনি উইন্ডোজের ডিফল্ট ইন্টারনেট শেয়ারিং সিস্টেম এনাবল করে নিতে পারেন। কিন্তু সেটা খুব একটা কাজের জিনিষ নয়। বেটার অপশন হলো প্রক্সি সার্ভার করে নেয়া। কিন্তু প্রক্সি সার্ভার কনফিগার করা আসলে এত সহজ কাজ নয়। অনেক কিছু জানতে হয় পুরো প্রক্রিয়াটা বুঝতে হলে। তাহলে কি করবেন? উপায় একটা আছে। একদম সাধারন ব্যবহাকারীদের উপযোগী করে একটা ছোট প্রক্সি সার্ভার বানিয়ে ওয়েবে ফ্রি বিতরন করে ANALOGX নামের একটি ওয়েব। সেটি ব্যবহার করে একদম সাধারন ব্যবহাকারীরাও কিভাবে দু’টো পিসিতে নেট শেয়ার করে ভালভাবে নেট ব্যবহার করতে পারবেন তা নিয়ে আজকে আলোচনা করবো। পুরো বিষয়টাই সংক্ষেপে তুলে ধরার চেষ্টা করলাম। যা যা করতে হবে- ক) পিসি কানেক্ট করা ও আইপি কনফিগ করা খ) প্রক্সি সার্ভার সেটাপ গ) ক্লায়েন্ট সাইড কনফিগার ক) পিসি কানেক্ট করা ও আইপি কনফিগ করা: (এখানে যে পিসিতে নেট লাইন নিয়েছেন, সেটিকে আমরা হোস্ট বলবো এবং যে পিসিতে নেট শেয়ার করতে চান, সেটিকে গেস্ট বলবো।) ১) হোস্ট ও গেস্টে দু’টো ল্যান কার্ড লাগান ২) একটি ক্রস ক্যাবেল (বা হাব/সুইব ব্যবহার করে দু’টো ক্যাবেল) দিয়ে পিসি দুটোকে কানেক্ট করুন। ৩) হোস্টে আইপি দিন: ১৯২.১৬৮.৫.১ সাবনেট: ২৫৫.২৫৫.২৫৫.০ ৪) গেস্টে আইপি দিন: ১৯২.১৬৮.৫.২ সাবনেট: ২৫৫.২৫৫.২৫৫.০ (আরো পিসি যুক্ত করতে চাইলে ১৯২.১৬৮.৫.৩ – ৪ – ৫ ইত্যাদি দিতে পারেন) খ) প্রক্সি সার্ভার সেটাপ ১) হোস্ট কম্পিউটারে ইন্টারনেট থেকে ANALOGX PROXY SERVER ডাউনলোড করুন- http://www.analogx.com/files/proxyi.exe ২) ANALOGX PROXY টুলটি সাধারণ সফটওয়্যারের মত সেটাপ করে রান করুন

    গ) ক্লায়েন্ট সাইড কনফিগার
    -গেস্ট কম্পিউটারে ব্রাউজার ওপেন করে কনফিগ করুন।
    * মজিলা ফায়ারফক্সের জন্য:
    ১) Tools মেনুতে গিয়ে Option কমান্ড দিন
    ২) Advance ট্যাবের আন্ডারে Network ট্যাব ওপেন করুন
    ৩) Settings বাটনে ক্লিক করে নিচের চিত্রের মত করে পরিবর্তন করুন (লাল মার্ক করা আছে যেখানে যেখানে পরিবর্তন করতে হবে)

    * ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের জন্য:
    ১) Tools মেনুতে গিয়ে Internet Option কমান্ড দিন
    ২) Connection ট্যাবে গিয়ে Connections ট্যাবি গিয়ে প্রক্সি আইপিটি সেটাপ করে নিন উপরের মত করে।
    হোস্ট: ১৯২.১৬৮.৫.১ পোর্ট: ৬৫৮৮

    সাধারন ব্যবহারকারীদের উপযোগী সেটাপ হয়ে গেল। ব্রাউজ করে দেখুন… কেমন স্পিড পাচ্ছেন।

    এই প্রক্সি সেটাপ থেকে বাদবাকী সার্ভিসগুলো পেতে হলে গেস্টে আলাদা আলাদা পোর্ট সেটাপ করে নিতে হবে সংশ্লিষ্ট সফটওয়্যারে। নিচে পোর্ট লিষ্টগুলো দেয়া হলো-
    HTTP (web browsers) (port 6588)
    HTTPS (secure web browsers) (port 6588)
    SOCKS4 (TCP proxying) (port 1080)
    SOCKS4a (TCP proxying w/ DNS lookups) (port 1080)
    SOCKS5 (only partial support, no UDP) (port 1080)
    NNTP (usenet newsgroups) (port 119)
    POP3 (receiving email) (port 110)
    SMTP (sending email) (port 25)
    FTP (file transfers) (port 21)

    আইপি কনফ্লিক্ট সমস্যা ও সমাধান

    আমরা যারা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহার করি তারা অনেক সময় আইপি কনফ্লিক্ট সমস্যাতে পড়েছেন। কিছু অতি মাত্রার চালাক পাবলিক বেশি ব্যান্ডউইথের আশায় অন্যজনের আইপি ব্যবহার করে থাকে। আসলে এই সমস্যাটি হওয়ার প্রধান কারন হলো আইএসপি কর্তৃক ক্লায়েন্ট এর আইপির জন্য ম্যাক এড্রেস ফিক্সড করে না দেওয়া। যদি আপনার পিসিতে আইপি কনফ্লিক্ট এরর দেখায় তাহলে আপনি চাইলে নেটওয়ার্কের কোন পিসি আপনার আইপি ব্যবহার করার চেষ্টা করছে তা বের করতে পারেন। এজন্য নিচের ধাপ অনুসরণ করুন।

    ১ম পর্যায়

    ১. start>setting>control panel>Administrative Tools এ যান।
    ২. এবার event viewer প্রোগ্রামটি রান করান।
    ৩. event viewer চালু হওয়ার পর প্রোগ্রামটির বামপাশে system নামে একটি অপশন পাবেন। তাতে ক্লিক করলে সিস্টেম এরর সম্পর্কিত সকল তথ্য পাবেন।
    ৪. এবার ডানপাশে source এ tcpip লেখা লাইগুলো খুজে বের করুন। tcpip লাইনগুলোর মধ্যে যেসব লাইনে Error লেখা আছে তা খুজে বের করুন। এবার তাতে ডবল ক্লিক করুন। event properties নামে একটা উইন্ডো ওপেন হবে।
    ৫. event properties এ description এ যে পিসির সাথে কনফ্লিক্ট হয়েছে তার ম্যাক এড্রেস দেখাবে।

    ২য় পর্যায়

    এই পর্যায়ে আপনাকে বের করতে হবে আপনার আইপি ব্যবহারকারিটি কে? ভালো কোনো ম্যাক স্ক্যানার দিয়ে আপনার নেটওয়ার্ক স্ক্যান করুন। এই ক্ষেত্রে Fastresolver নামের সফটওয়্যারটি ব্যবহার করতে পারেন। এই ঠিকানা থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করুন।http://www.nirsoft.net/utils/fastresolver.html
    সফটওয়্যারটি রান করালে Resolve ip addresses range নামে একটি অপশন প[বেন। রেঞ্জ এর মধ্যে আপনার নেটওয়ার্কের আইপি রেঞ্জ বসান। যেমনঃ ১৭২.১৬.১১.২ – ১৭২.১৬.১১.১০০। এবার ok করার পর আপনার নেটওয়ার্কের পিসি সমুহের ম্যাক এড্রেস লিস্ট পেয়ে যাবেন। এবার যে ম্যাক এড্রেস এর সাথে আপনার কনফ্লিক্ট হয়েছে তা খুজে দেখুন। যদি পেয়ে যান তার আইপি এড্রেস নোট করে রাখুন। সবশেষে আপনার আইএসপির কাছে অভিযোগ করুন।
    ডিএনএস ক্যাশিং, সুবিধা, অসুবিধা

    জিনিস কি বা DNS কি এটা নিয়ে সাধারন কিছু আলোচনা করতে চাই আর কিভাবে ডোমেইন ক্যাসিং সমস্যা থেক পরিত্রান পাওয়া যায় তা নিয়ে কিছু বয়ান করার চেস্টা করি। ভুল ত্রুটি হলে ধরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ।

    ডিএনএস, নেম ডাটাবেজ, আইপি প্রতিটি নিয়ে অনেক কিছু বলা যায় কিন্তু আমি শুধু পার্টিকুলার কিছু জিনিস বলবো।

    নেম সার্ভার বা ডিএনএস সার্ভারঃ
    আমরা যখন ব্রাউজার লিখি google.com এবং এক খানা এন্টার চাপ দিয়ে দিই আর গুগলের সার্চ পেজ চলে আসে কিন্তু ব্যাকগ্রাউন্ডে অনেক কিছু ঘটে যায়। যাক সব কিছু আলোচনার বিষয় না। যা হয় ব্যাপারটা তা হলো এই রকম যে আমাদের যারা ইন্টারনেট দেয়(আইএসপি বা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আরো সহজ করে ইন্টারনেট কানেকশন না থাকলে যাদের আগে গালি দেয়) তাদের এক বা একাধিক নেম সার্ভার বা ডিএনএস সার্ভার থাকে যে সকল কম্পিউটারে ডাটাবেজে এই গুগল.কম কে গুগলের আইপি এড্রেসে পরিবর্তন করে দিতে সাহায্য করে। মোদ্দা কথা হলো আমরা লিখি গুগল ডট কম কিন্তু কিছু ব্রাউজার কিছুক্ষন পরে বুঝতে পারে একটা আইপি। এটাকেই নেম ট্রানশ্লেশন বলে। যদি ধরেন আইএসপির সার্ভার বেশি বিজি থাকে তাহলে কিন্তু আপনার ব্রাউজার এই আইপি এড্রেস নাও পেতে পারে। আর এক্ষেত্রেও আপনি পেক নয় ফাউন্ড বা এই ধরনের মেসেজ পেতে পারেন। দেখা যায় বার বার ট্রাই করার পর সাইট চলে আসে।

    ডিএনএস ক্যাশিং কিঃ
    এই যে আমরা গুগল ডট কম লিখে এন্টার দেয় আর সাইট চলে আসে, এর মাঝে অনেক কিছু সাথে নেম ট আইপি ট্রানশ্লেশন হয়ে যাচ্ছে, এটা যেন বার বার না করতে হয় সেই জন্য অপারেটিং সিস্টেম আইপি এড্রেসগুলো সাইট নেমের বিপরীতে ক্যাশ করে রাখে। এই ক্যাশিং টাইম ২৪ ঘন্টার মতো। তবে অপারেটিং সিস্টেম ভেদে ব্যাপারটা ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। আমি উইন্ডোজকে টার্গেট করে লিখছি।

    ডিএন এস ক্যাশিং এর সমস্যাঃ
    ধরুন আপনি কোন সাইট ওপেন করার চেস্টা করলে কিন্তু আসলো না। এক্ষেত্রে ঘটনা অনেক রকম হতে পারে। যেমন ক্যাশেতে যে আইপি এড্রেস ছিলো তা এখন পরিবর্তন হয়ে গেছে(এটার সম্ভাবনা খুব কম তবে হতে পারে) । অন্য কারন হতে পারে হোস্টিং সার্ভার ডাউন বা ঐ সাইটে হেবি ট্রাফিক বা ডিএনএস সার্ভার বেশি বিজি যে আপনাকে সার্ভ করতে পারলো না অথবা নেট কানেকশনের সমস্যা। এখন পজিটিভ রেসপন্স মানে নেম থেকে আইপিতে পরিবর্তন করে যেমন ক্যাশেতে রাখে তেমন নেগেটিভ রেসপন্সও ক্যাশেতে জমা হয়। এই ডাটা ডিএনএস ক্যাশেতে থাকে ৩০০ সে বা ৫ মিনিট। এই পাঁচ মিনিট ঐ পিসিতে সাইট আসার সম্ভাবনা কম। নেগেটিভ রেসপন্সও অনেক কারনে হতে পারে তা আর আলোচনা নাই করলাম।

    আপাতত এই টুকু বুঝা যাচ্ছে যে এই ক্যাশিং যেমন সুবিধা দেয় মানে বার বার নেম ট্রানশ্লেশন করতে হয় তেমন আবার অসবুধাও আছে যেমন আজকে আমার অনেক একটা দুইটা সাইট আসছিলো না।

    কিভাবে এই সমস্যা দূর করবেন?
    হুম আমি অন্তত উইন্ডোজের জন্য বলতে পারবো কারন আমি একটু আগে এটা ঠিক করলাম। উইন্ডোজে একটা কমান্ড আছে যা দিয়ে আপনি নিমিষেই ডিএনএস ক্যাশ ক্লিয়ার করে দিতে পারেন।
    রান থেকে লিখুনঃ ipconfig /flushdns
    ধরুন যদি দেখতে চান ক্যাশেতে এই মুহূর্তে কি আছে তা দেখতে তাহলে নিচের কমান্ড চালানঃ
    ipconfig /displaydns
    ডিএনএস ক্যাশিং সার্ভিস বন্ধ করতে লিখুনঃ
    net stop dnscache অথবা ফরম্যাট এই রকমঃ sc servername stop dnscache

    উইন্ডোজে রেজিস্ট্রি এডিট করেও এটা করা যায় তবে যারা আমার মতো বিপদের কথা মাথায় রেখে অবশ্যই রেজিস্ট্রি ব্যাকআপ রেখে দেবেন। কিভাবে রেজিস্ট্রি ব্যাকআপ ও রিস্টোর করতে হবে তা এখানে আছে।

    রেজিস্ট্রি এডিট করে ডিএনএস ক্যাশিং টাইম নিয়ন্ত্রনঃ
    রেজিস্ট্রি সম্পাদনা করে নেম টু আইপি ট্রানশ্লেশন এর নেগেটিভ বা পজিটিভ রেসপন্স ক্যাশেতে রাখার সময়(TTL বা টাইম টু লিভ) নিয়ন্ত্রন করা যায়। এখন দেখি কিভাবে তা করবো। আগেই বলে রেখেছি রেজিস্ট্রিতে আচঁড় দেওয়ার আগে ব্যাকআপ রাখতে ভুলবেন না অথবা যদি বিশেষ দরকারী কাজ পিসিতে হয় তাহলে এই গেমে অংশ নেবেন না।
    পজেটিভ রেসপন্স সেইভ থাকেঃ MaxCacheTtl কি ভ্যালুতে
    নেগেটিভ ” ” থাকেঃ MaxNegativeCacheTtl কি ভ্যালুতে

    যদি রান থেকে regedit লিখে এই লোকেশানে যান এবং
    HKEY_LOCAL_MACHINE\SYSTEM\CurrentControlSet\Services\DNSCache\Parameters
    এখন দুইটি নতুন ভ্যালু সেট করতে হবে।
    Parameters সিলেক্ট থাকা অবস্থায়-
    On the Edit menu, point to New , click DWORD Value, and then add the following registry values:

    Value name: MaxCacheTtl
    Data type: REG_DWORD
    Default value: 86400 seconds
    Value data: If you lower the Maximum TTL value in the client’s DNS cache to 1 second, this gives the appearance that the client-side DNS cache has been disabled.

    Value name: MaxNegativeCacheTtl
    Data type: REG_DWORD
    Default: 900 seconds
    Value data: Set the value to 0 if you do not want negative responses to be cached.

    উল্লেখ্য যে,
    The default TTL for positive responses is 86,400 seconds (1 day).
    এবং
    The default TTL for negative responses is 900 seconds (15 minutes).
    তাই যা যেভাবে সুবিধা হয় ভ্যালু সেট করে নেবেন।
    RJ45 এর সাথে ক্যাট ৫/৬ এর ক্যাবলিং পদ্ধতিঃ স্ট্রেইট থ্রো
    Monday, August 16, 2010 12:03 AM

    ইন্টারনেটে বা গুগলে সার্চ দিলে ক্যাট ৫ বা ৬ এর সাথে আরযে ৪৫ এর ক্যাবলিং নিয়ে অনেক লেখাই পাবেন।

    তবে অনেকই আছেন যারা কালার কোড বা ক্যাট ৫/৬ এর ‘তার’ এর কালার কম্বিনেশন মনে রাখতে পারেন না বা মনে রাখতে সমস্যা হয় তাদের জন্য জানাচ্ছি, আপনি ক্যাট ৫/৬ এর ৮টি তারের মাত্র যে কোনো ৪ টি তার দিয়ে ক্যাবলিং পদ্ধতিটি ব্যবহার করতে পারেন। তবে যে ৪টি তার ব্যবহার করবেন সেসব তার গুলো দুপ্রান্তেই ব্যবহার করতে হবে।

    তবে আরযে ৪৫ এর জন্য মনে রাখবেন pin নাম্বার ১,২,৩, ৬। এর মানে হচ্ছে RJ45 এর যেকোনো দিক দিয়ে ১ নম্বর, ২নম্বর, ৩নম্বর ও ৪ নম্বর পিন দিয়ে আপনার ক্যাবলিং কাজটি সাড়তে পারেন। তবে আপনি RJ45 এর এক প্রান্তে যেভাবে ক্যাবলিং এর জন্য তার ঢুকাবেন ঠিক অন্য প্রান্তে ঠিক একই ভাবে ঢুকাতে হবে। মানে RJ45 টি সোজা করে ধরলে দু প্রান্তে সোজা করে ধরতে হবে বা উলটা করে ধরলে দুপ্রান্তেই উলটা করে ধরতে হবে।

    যেকোনো পদ্ধতির জন্য প্রান্ত ১ কে ঠিক রাখুন। অর্থাৎ স্ট্রেইট, ক্রসওভার ও রোল ওভারের ক্ষেত্রে একটি প্রান্ত ঠিক রাখুন।

    ০১। স্ট্রেইট থ্রো ক্যাবলিং পদ্ধতিঃ
    প্রান্ত ক- একটি প্রান্তের ১, ২, ৩, ৬ নাম্বার পিনে ৪টি তার আলাদা ভাবে প্রবেশ করিয়ে ক্রিম্পার দিয়ে আটকিয়ে দিন। ক্রিম্পার হচ্ছে এমন একটি টুল যা দিয়ে ক্যাট ৫/৬ এর সাথে আরযে ৪৫ এর সংযুক্ত করা যায় শক্ত ভাবে, তার কাটা সহ অন্যান্য কাজ করা যায়।

    প্রান্ত খ- স্ট্রেইট থ্রো ওয়ারিং এর জন্য ক্যাবল কনফিগারেশন হবেঃ
    প্রান্ত ক এর পিন নাম্বার ১ এর তারটির অন্য প্রান্ত যাবে প্রান্ত খ এর পিন নাম্বার ১ এ,
    প্রান্ত ক এর পিন নাম্বার ২ এর তারটির অন্য প্রান্ত যাবে প্রান্ত খ এর পিন নাম্বার ২ এ,
    প্রান্ত ক এর পিন নাম্বার ৩ এর তারটির অন্য প্রান্ত যাবে প্রান্ত খ এর পিন নাম্বার ৩ এ,
    প্রান্ত ক এর পিন নাম্বার ৬ এর তারটির অন্য প্রান্ত যাবে প্রান্ত খ এর পিন নাম্বার ৬ এ।

    অর্থাৎ প্রান্ত খ এর জন্য প্রান্ত ক এর তার যাবে ১ এ, ২ যাবে ২ এ, ৩ যাবে ৩ এ, ৬ যাবে ৬ এ।
    সোজা হিসাবঃ ১-১, ২-২, ৩-৩, ৬-৬

    মনে রাখবেনঃ
    ১। স্ট্যান্ডার্ড নিয়ম অনুযায়ী কালার কম্বিনেশন মনে রেখে কাজ করা উচিত। তাহলে সবার জন্য কোম্পানি বা অফিসে ক্যাবলিং পদ্ধতিটি ব্যবহার করা সহজ হবে। তানাহলে তার কম্বিনেশন নিয়ে ২য়/৩য় ব্যক্তিকে সমস্যায় পড়তে হবে।

    ২। মেইন কাজ হয় উপরের ৪টি তার দিয়ে তবে বাকি চারট তার দিয়ে কাজ করলে আপনার আরজে এর সাথে ক্যাবলটি শক্ত ভাবে যুক্ত হবে।
    IP Address এর আরোকিছুঃ

    TCP/IP তে আমরা যে address ব্যাবহার করে থাকি তা মূলত ৩২ বিটের হয়ে থাকে। IP [১৯২.১৬৮.২৫৫.২৫৪] কে চারটি অংশে ভাগ করা থাকে। প্রতি ভাগে আমরা ডেসিমাল সংখা বসিয়ে থাকি। Computer এই ডেসিমাল সংখাকে বাইনারি ৩২ বিটে রুপান্তর করে থাকে। এবং প্রতি অংশের জন্য ৮টি করে বিট নির্ধারন করে।

    IP Address এর আরোতদাতাঃ-
    Internet Assigned Number Authority (IANA) এরা হচ্ছে IP Address এর আরোতদাতা। এরা IP Address সমূহকে দুটি প্রধান গ্রুপে বিভক্ত করেছে।(১)পাবলিক IP (২)প্রাইভেট IP । Internet ও প্রাইভেট network এ IP Address এসাইন করার দায়িত্বে আছে এই (IANA)।

    • ধন্যবাদ টিটু ভাই । আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট করে আমাকে এই নেটয়ার্ক সম্পর্কিত তথ্য দেওয়ার জন্য ।
      তবে আমাকে কিভাবে শেয়ারিং কেবল তৈরি মানে শেয়ার ক্যাব্লের কানেকশআন কিভাবে বানআতে তা ভিডিও দিলে ভালো হয়

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

15 − seven =