আকাশ থেকে মুসলধারে জল নয় বরং বৃষ্টির মতো পড়তে শুরু করে হীরক খণ্ড

0
307

ঘরের জানালায় বসে মুসলধারে বৃষ্টি আর দাওয়ায় থই থই জল দেখতে আমরা অভ্যস্থ সবাই। কিন্তু এমন যদি হয়, আকাশ থেকে মুসলধারে জল নয় বরং বৃষ্টির মতো পড়তে শুরু করে হীরক খণ্ড তাহলে নিশ্চই অবাক হওয়ারই কথা।  কিন্তু সেটাই ঘটছে সুদূর মহাশূণ্যের গ্যাসীয় দানব নামে পরিচিত বৃহস্পতি ও শনি গ্রহে। কারণ কিছু দিন ধরেই শক্তিশালী টেলিস্কোপের মাধ্যমে শনি ও বৃহস্পতিতে মাঝে মাঝেই উজ্জ্বল আভা দেখা যাচ্ছে। আর এর কারণ হিসেবে আমেরিকান অ্যাস্ট্রোনমিকাল সোসাইটির মহাকাশ বিষয়ক দপ্তরের বার্ষিক সভায় দুই বিজ্ঞানী জানিয়েছেন, হীরা বৃষ্টির কারণেই নাকি দুই গ্রহের হঠাৎ উজ্জ্বল অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

tech news আকাশ থেকে মুসলধারে জল নয় বরং বৃষ্টির মতো পড়তে শুরু করে হীরক খণ্ডস্থানীয় একটি পত্রিকা দেয়া সাক্ষাৎকারে ক্যালিফর্নিয়া স্পেশালিটি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের গবেষক মোনা ডেলিটস্কি বলেন, ‘আমরা মানুষকে এটা বোঝাতে চাইছি না যে, আমরা টাইটানিক সাইজের হীরারখণ্ড আবিষ্কার করেছি। বরং এটাই বোঝাতে চাইছি শনি ও বুধ গ্রহে সম্ভবত হীরা বৃষ্টির মতোই কিছু হচ্ছে।’

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

গবেষকরা তাদের গবেষণা পত্রে বলেছেন, ‘প্রচণ্ড চাপের ফলে গ্রহদুটির বায়ুমণ্ডলে কার্বন হীরায় রূপ নিতে পারে। গ্রহদুটির বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরে মিথেন কণার সঙ্গে মুক্ত অবস্থায় আছে কার্বনও। যা হাইড্রোজেন ও হিলিয়ামের সংস্পর্শে এসে প্রচণ্ড তাপ ও চাপের ফলে হীরায় রূপান্তরিত হয়ে ঝরে পড়ে।

বিজ্ঞানীদের এই তত্ত্ব অনুযায়ি এই গ্রহদুটির বায়ুমণ্ডলে শুধু মিথেন নয় সেইসঙ্গে রয়েছে প্রচণ্ড চাপ ও তাপ। যাতে কার্বনও হীরায় রূপান্তরিত হতে পারে। যেই তাপ প্রায় ৩ হাজার ৬৩২ ডিগ্রি ফারেনহাইটের সমান।  বিজ্ঞানীরা অবশ্য অনেক আগে থেকেই বিভিন্ন গ্যাসীয় গ্রহে হীরা বৃষ্টি এমনকি হীরার সমূদ্রের ধারণা করেছিলেন। বিজ্ঞানীদের অনেকেরই ধারণা ছিল নেপচুন ও ইউরেনাসে এই ধরনের হীরার অস্তিত্ব থাকলেও থাকতে পারে। তবে বৃহস্পতি ও শনি গ্রহের ব্যপারে এবারই প্রথম এই ধারণা করা হলো।

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

sixteen − 16 =