কমপিউটারের রেজিস্ট্রি ফাইলের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করুন

4
423

রেজিস্ট্রি মেকানিকের সাহায্যে খুব সহজেই উইন্ডোজের রেজিস্ট্রি ফাইলকে ক্লিন, রিপেয়ার ও অপটিমাইজ করা যায়। রেজিস্ট্রি ফাইলের বিভিন্ন ভুল বা সমস্যার কারণে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ক্র্যাশ করতে পারে, সিস্টেম ধীর গতি হওয়া বা ঘন ঘন এরর দেখা দিতে পারে। রেজিস্ট্রি ক্লিনার প্রতিনিয়ত ব্যবহারের ফলে ও রেজিস্ট্রি এররগুলো রিপেয়ার করার ফলে সিস্টেমের পারফরমেন্স যথেষ্ট উন্নত হবে।

রেজিস্ট্রি মেকানিকের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে হাই-পারফরমেন্স ডিটেকশন অ্যালগরিদম ব্যবহার করে খুব দ্রুতগতিতে অকার্যকর ও হারিয়ে যাওয়া ফাইলগুলোকে শনাক্ত করতে পারে। ঘন ঘনভাবে সফটওয়্যার ইনস্টল এবং আন-ইনস্টল করলে বা ঠিকভাবে সফটওয়্যার আন-ইনস্টল না করলে বা সমস্যাযুক্ত ড্রাইভার বা সফটওয়্যার ইনস্টল করলে রেজিস্ট্রিতে এসব সমস্যা দেখা দিতে পারে।

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

registry-mechanic_main_large কমপিউটারের রেজিস্ট্রি ফাইলের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করুন

রেজিস্ট্রি মেকানিক সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা খুবই সহজ। এই ওয়েবসাইটে সফটওয়্যারের লিঙ্ক দেয়া আছে, এখান থেকে সফটওয়্যারটি আপনার কমপিউটারে ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন। ইনস্টলেশন পদ্ধতি সাধারণ সফটওয়্যার ইনস্টলেশনের মতোই, তাই এখানে ইনস্টলেশন পদ্ধতি দেখানো হয়নি। ইনস্টলেশনের পর ইন্টারনেটে সংযুক্ত থাকা অবস্থায় সফটওয়্যারটি চালু করে আপডেট বাটনে ক্লিক করে সফটওয়্যারটি আপডেট করে নিন।

রেজিস্ট্রি মেকানিক ব্যবহার পদ্ধতি

রেজিস্ট্রি মেকানিক সফটওয়্যার চালু করলে নিচের মতো একটি উইন্ডো প্রদর্শিত হবে।

০১. হোম মেনু :

Home মেনুতে রয়েছে Scan Your Registry, Optimize Your System, Monitor Your Registry, Compact Your Registry, Tuneup Your Services, Restore নামে বেশ কিছু অপশন।

ক. স্ক্যান ইয়োর রেজিস্ট্রি : এই অপশনে ক্লিক করলে রেজিস্ট্রি ফাইলগুলোকে স্ক্যান করবে এবং স্ক্যান করার পর যদি কোনো এরর পায়, তবে মেসেজ দেবে এবং সেখান থেকে রিপেয়ারে ক্লিক করে খুব সহজেই রেজিস্ট্রির ফাইলসমূহের এররগুলোকে রিপেয়ার করতে পারবেন।

খ. অপটিমাইজ ইয়োর সিস্টেম : এই অপশনে ক্লিক করলে আপনার সামনে একটি উইন্ডো প্রদর্শিত হবে যার উপর দিকে বেশ কিছু অপশন রয়েছে- অপটিমাইজেশন, প্রসেস, পারফরমেন্স, ড্রাইভ/স্পেস, সিস্টেম ইনফরমেশন। বাইডিফল্ট অপটিমাইজেশন অপশনে দু’ধরনের অপশন থাকে, যথা : অপটিমাইজ ইয়োর সিস্টেম ও স্টার্ট ডিফ্র্যাগ। প্রসেস অপশনে মাউস দিয়ে ক্লিক করলে সিস্টেমে যেসব ফাইল চলছে তার লিস্ট দেখাবে। পারফরমেন্স অপশনে ক্লিক করলে সিপিইউ ও র্যা মের পারফরমেন্স দেখাবে। ড্রাইভ/স্পেসে ক্লিক করলে সিস্টেমের সব ড্রাইভ পার্টিশন ও ড্রাইভের স্ট্যাটাস দেখাবে যে কোন ড্রাইভ কতটুকু খালি আছে বা কোন ড্রাইভের বর্তমান অবস্থা কি। সিস্টেম ইনফরমেশন অপশনে ক্লিক করলে সহজেই সিস্টেমের বর্তমান তথ্যগুলো পেয়ে যাবেন। আপনার চাহিদা অনুযায়ী অপশন সিলেক্ট করে নিন।

গ. মনিটর ইয়োর রেজিস্ট্রি : এই অপশনে ক্লিক করলে রেজিস্ট্রি মেকানিক উইন্ডোটি কমপিউটারের টাস্কবারে মিনিমাইজ হয়ে চলে আসবে। টাস্কবারের আইকনে ক্লিক করলে আবার উইন্ডোটি প্রদর্শিত হবে।

ঘ. কম্প্যাক্ট ইয়োর রেজিস্ট্রি : রেজিস্ট্রির গ্যাপ, অপচয় হওয়া স্পেস ও সিস্টেমের পারফরমেন্সকে অপটিমাইজ করার জন্য এই অপশন। এ প্রসেসটি হতে বেশ সময় লাগতে পারে এবং প্রসেসটি সম্পন্ন হওয়ার পর কমপিউটার রিস্টার্ট দিতে হবে।

ঙ. টিউনআপ ইয়োর সার্ভিস : এই অপশনটি আপনার কমপিউটারের পারফরমেন্সকে বাড়াতে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা দেবে এবং এই অপশনে রয়েছে তিন ধরনের সার্ভিস যেমন : রিকোমেন্ডেড সার্ভিসেস, মিনিমাল সার্ভিসেস, রিস্টোর সার্ভিসেস। আপনার চাহিদা অনুযায়ী সার্ভিসটিতে ক্লিক করে সিস্টেমের পারফরমেন্সকে বাড়াতে পারেন।

চ. রিস্টোর : আগের সব ব্যাকআপ ডাটাকে রিস্টোর করার জন্য এ অপশনটি।

০২. কমপিউটার :

এই মেনুতেও বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে। যেমন : কমপিউটার ম্যানেজমেন্ট, উইন্ডোজ আপডেট, সিস্টেম রিস্টোর, সিস্টেম প্রোপার্টিজ, সিস্টেম ইনফরমেশন, কন্ট্রোল প্যানেল ইত্যাদি।

লোকাল ও রিমোট কমপিউটারকে ম্যানেজ করার জন্য কমপিউটার ম্যানেজমেন্ট অপশন। উইন্ডোজের ইনস্টলেশন আপডেট করার জন্য এই উইন্ডোজ আপডেট অপশন। এই অপশন ব্যবহার করার আগে ব্যবহার পদ্ধতি দেখে নিন। আপনার কমপিউটারের আরো বেশ কিছু সুবিধার জন্য রয়েছে সিস্টেম রিস্টোর, সিস্টেম প্রোপার্টিজ, কন্ট্রোল প্যানেল ইত্যাদি অপশন।

০৩. সিকিউরিটি :

সিকিউরিটি মেনুতে চার ধরনের অপশন রয়েছে। যেমন : লোকাল সিকিউরিটি সেটিং, লোকাল ইউজার অ্যাড গ্রুপস, গ্রুপ পলিসি, এডিটর, উইজার, উইন্ডোজ সিকিউরিটি সেন্টার। এ অপশনগুলো সিস্টেমের বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য সুবিধা দিয়ে থাকবে।

০৪. সিস্টেম :

ডিভাইস ম্যানেজার, ডিস্ক ম্যানেজমেন্ট, ইভেন্ট ভিউয়ার, পারফরমেন্স মনিটর নামে চার ধরনের অপশন রয়েছে সিস্টেম মেনুতে, যা ব্যবহারে সিস্টেমের অনেক কিছু সহজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

০৫. হেল্প সেন্টার :

পিসিটুল ল্যাব ও উইন্ডোজ রেজিস্ট্রির গাইড দেখার জন্য এই মেনুটি। হেল্প সেন্টারের হেল্প পাওয়ার জন্য কমপিউটারকে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকতে হবে।

০৬. অপশন :

রেজিস্ট্রি মেকানিকের সেটিংস পরিবর্তন বা রিস্টোর বা আপডেট করার জন্য এ মেনুটি। এ মেনুর সাহায্যে খুব সহজেই রেজিস্ট্রি মেকানিক সফটওয়্যারের সেটিং পরিবর্তন করে নিতে পারেন।

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

4 মন্তব্য

  1. আমার একটা পিসি ওপেন হচ্ছেনা।
    প্লিজ প্লিজ। ইমারজেন্সি হেল্প।
    প্লিজ হেল্প।
    আমার ডেক্সটপ এ উইন্ডোজ এক্সপি স্টাইল এডিশন দেওয়া।
    আমি আজকে ওঁটাতে অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস ইন্সটল করি।
    এতে ৪০০০ ভাইরাস পাই।
    শব ভাইরাস ডিলিট করি।
    এরপর পিসি রিস্টার্ট করলে উইন্ডোজ ইউসারনেম এন্ড পাস্বয়ারদ চায়।
    কিন্তু আমি কোন ইউসারনেম পাসওয়ার্ড দেইনি।
    আগেও একবার এই প্রব্লম হইসিল।
    অ্যাভাস্ট দিএ স্কান করার পর রিস্টার্ট দিলে এই প্রব্লম হয়সে।
    তখন উইন্ডোজ আবার ইন্সটল করতে হইসিল।
    এখন ওঁ শেই প্রবল্ম।
    কেউ প্লিজ হেল্প করেন।
    আমাকে ০১৯৮৩১২৯১৪৪ এ জানান।
    অথবা ইমেইল [email protected]

    • Win XP এর ক্ষেত্রেঃ- যখন পাসওয়ার্ড এর পর্দা আসবে তখন একসাথে Ctrl+Alt+Del চাপুন।
      দেখবেন নতুন একটি পর্দা আসবে। সেখানে ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড চাইবে।
      ইউজার নেম এর ঘরে- Administrator ও
      পাসওয়ার্ড এর ঘর খালি রেখে Enter দিন।
      …দেখবেন কাজ হবে।
      এতেও নাহলে কিছু করার নেই। আবার উইন্ডোজ সেটআপ দিন।
      ……কাজ হলে আমাকে জানাবেন।
      ভাল থাকবেন।

  2. বস এই সফটওয়্যার এর লাইসেন্স কি আছে আপনার কাছে অথবা ক্রাক. থাকলে দিবেন ,

    অপেক্ষায় আছি.

মন্তব্য দিন আপনার