পা-গোলের খেলা ফুটবল। জেনে নিন ফুটবল খেলার নিয়ম কানুন॥ পর্ব২ল

0
5345

ফুটবলেয় আইন নিয়ে প্রথম পর্ব দেখুন এখানেঃ http://www.tunerpage.com/archives/27179
আইনঃ অফসাইডঃ অফসাইড মানে প্রতিপক্ষের অর্ধে প্রতিপক্ষের সব খেলোয়াড়ের (গোলরক্ষক ছাড়া) পেছনে থাকা। তবে বল যতক্ষণ না তাঁর পায়ে যাচ্ছে, ততক্ষণ ওই খেলোয়াড় অফসাইডের ফাঁদে পড়বেন না। ধরুন, একজন খেলোয়াড় প্রতিপক্ষের শেষ ডিফেন্ডারের সঙ্গে একই লাইনে কিংবা তাদের আগে দাঁড়িয়ে আছে, এ অবস্থায় তাঁর সতীর্থ একটা থ্রু-পাস বাড়াল এবং সতীর্থের বল ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দৌড় শুরু করে যদি তিনি প্রতিপক্ষের সবাইকে ছাড়িয়ে বল ধরে গোলমুখের দিকে যান, সেটা অফসাইড হবে না। কারণ, তাঁর সতীর্থ বল ছাড়ার সময় তিনি অনসাইডেই ছিলেন। আবার ধরুন, একজন খেলোয়াড় পেনাল্টি বক্সের বাইরে ডানদিকে অফসাইডে দাঁড়িয়ে আছেন কিন্তু আক্রমণ হচ্ছে বাঁ দিক দিয়ে, তখন তিনি অফসাইডের ফাঁদে পড়বেন না। কারণ, দলের আক্রমণে তাঁর কার্যকর ভূমিকা নেই। আবার অফসাইডে দাঁড়ানো কোনো খেলোয়াড় বল ছাড়াই যদি পরোক্ষভাবে আক্রমণে অংশ নেন কিংবা অংশ নেওয়ার মতো অবস্থানে থাকেন, তখন রেফারি অফসাইডের বাঁশি বাজাতে পারেন। তবে ‘একটিভ প্লে’ দিয়ে অফসাইড ধরা খুব কঠিন কাজ।

আইনঃ ফাউল ও মন্দাচরণঃ কোনো খেলোয়াড় প্রতিপক্ষের কাউকে লাথি, ধাক্কা অথবা বেপরোয়া হয়ে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করলে তাঁর বিরুদ্ধে ফাউলের বাঁশি বাজাবেন রেফারি। বাজেভাবে ট্যাকল, ইচ্ছাকৃতভাবে বল হাত দিয়ে আটকালে কিংবা সময় নষ্ট করলেও ফাউল হবে।

আইনঃ ফ্রিকিক ও ইনডিরেক্ট ফ্রি-কিকঃ ‘বিপজ্জনকভাবে খেলা’ বা ‘শরীর দিয়ে প্রতিপক্ষের কোনো খেলোয়াড়ের গতিরোধ করা’র অপরাধে ইনডিরেক্ট ফ্রি- কিকের বাঁশি বাজাতে পারেন রেফারি। এ কিক দ্বিতীয় কোনো ব্যক্তির স্পর্শ ছাড়া গোলে ঢুকলে সেটা গোল হবে না, এ জন্যই এটা ইনডিরেক্ট।
ডিরেক্ট ফ্রিকিকঃ ডিরেক্ট ফ্রিকিকে দ্বিতীয় কোনো খেলোয়াড়ের স্পর্শের প্রয়োজন নেই, বল সরাসরি গোলপোস্টে আশ্রয় নিলেই গোল। অসতর্কভাবে পা চালানো, বেপরোয়া হয়ে খেলা এবং অতিরিক্ত শক্তিপ্রয়োগ করা, মূল এ অপরাধ তিনটি। তবে স্থান-কাল- পাত্রভেদে এসব বিবেচনা করে রেফারি ডিরেক্ট ফ্রি-কিকের বাঁশি বাজাতে পারেন। বল নিয়ে আক্রমণে ওঠা এক খেলোয়াড়কে প্রতিপক্ষের কেউ বেপরোয়াভাবে পা চালিয়ে কিংবা তাঁর জার্সি টেনে ধরে তাঁকে আটকানোর চেষ্টা করলে তখনই রেফারি ডিরেক্ট ফ্রি-কিকের বাঁশি বাজান।

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

আইনঃ পেনাল্টি কিকঃ এটাও একটা ডিরেক্ট ফ্রি-কিক, তবে পেনাল্টি স্পট থেকেই কিকটা নিতে হয়। বল পেনাল্টি বক্সের ভেতর না বাইরে, তা বিবেচনায় আনার প্রয়োজন নেই, ফাউলটা পেনাল্টি বক্সে হলো কি না এবং তা কতটা গুরুতর, সেসব বিবেচনা করেই পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি।

আইনঃ থ্রো-ইনঃ যে জায়গা দিয়ে বল টাচলাইন বা সাইডলাইনের বাইরে চলে যাবে, সেখান থেকেই থ্রো-ইন করতে হবে। দুই পা মাটিতে রেখেই এবং মাথার ওপর থেকেই বল থ্রো করতে হবে। যেদলের খেলোয়াড়ের স্পর্শে বল বাইরে যাবে তার বিপক্ষ দল থ্র-ইন করার সুযোগ পাবে।

আইনঃ গোল কিকঃ অ্যাটাকিং দলের কারো পায়ে লেগে বল ডিফেন্ডিং দল গোললাইন অতিক্রম করলে তখনই গোল কিক পাবে। নিজেদের পেনাল্টি বক্সের ভেতর থেকেই তারা গোলে কিক নেবে এবং কিকটি অবশ্যই পেনাল্টি বক্স অতিক্রম করতে হবে। গোল কিক থেকেও সরাসরি গোল হতে পারে।

আইনঃ কর্নার কিকঃ ডিফেন্ডিং দলের কারো পায়ে বা শরীর স্পর্শ করে বল তাদের গোললাইন অতিক্রম করলে অ্যাটাকিং দল কর্নার কিক পাবে। কর্নার কিক নেওয়ার সময় প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের অন্তত ১০ গজ দুরে থাকতে হয়।
\
এই টিউন মোবাইল থেকে লেখা ও প্রকাশ করা হয়েছে।

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

two + twenty =