জেলা পরিচিতিঃ (২)॥ রাসেল১৩-এর জেলা ফরিদপুর। ফরিদপুর জেলা সম্পর্কে জানুন ।

21
648

 

“আমার জেলা কুড়িগ্রাম । কুড়িগ্রাম জেলাকে জানুন” শিরোনামে আরেকটি পোস্ট দেখুনঃ| http://tunerpage.com/archives/17712
ঢাকা বিভাগের ১৭টি জেলার মধ্যে ফরিদপুর বৃহত্তম ও ঐতিহ্যবাহী জেলা। ফরিদপুর জেলার উত্তরে রাজবাড়ী ও মানিকগঞ্জ, দক্ষিণে গোপালগঞ্জ, পশ্চিমে মাগুরা ও নড়াইল এবং পূর্বে মাদারীপুর এবং মুন্সীগঞ্জ জেলা অবস্থিত।
অসংখ্য শিল্পী, কবি সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ, সমাজসেবকের জন্মস্থান এ ফরিদপুর জেলা। প্রাচীনকাল থেকেই ফরিদপুরের রয়েছে অনেক কীর্তিময় গৌরব- গাঁথা। পদ্মা, আড়িয়াল খাঁ, মধুমতি, ভূবনেশ্বর, কুমার নদী বিধৌত হযরত শাহ্ ফরিদ (রহঃ) এর পূণ্য স্মৃতিতে ভাস্মর এ ফরিদপুর জেলা।
এক নজরে ফরিদপুর জেলাঃ
আয়তনঃ ২০৭২ বর্গ কিলোমিটার।
জনসংখ্যাঃ ১৭,৪২,৭২০ জন(আদম শুমারী২০০১ অনুযায়ী)।
পুরুষঃ——৮,৯৩,২৮০ জন ।
মহিলাঃ——৮,৪৯,৪৪০ জন।
সংখ্যার ঘনত্বঃ ৮৪০.৭৮ জন প্রতি বর্গ কিঃ মিঃ।
উপজেলার সংখ্যাঃ ৯টি (ফরিদপুর সদর, মধুখালী, বোয়ালমারী, লফাডাঙ্গা, সালথা, নগরকান্দা, ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন)।
থানার সংখ্যাঃ ৯টি(কতয়ালী, মধুখালী, বোয়ালমারী, লফাডাঙ্গা, সালথা, নগরকান্দা, ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন)।
পৌরসভা সংখ্যাঃ———-৪টি।
ইউনিয়নের সংখ্যাঃ——-৭৯টি।
গ্রামের সংখ্যাঃ——১,৮৮৭টি।
সরকারী কলেজ সংখ্যাঃ—-৭টি।
বেসরকারী কলেজ সংখ্যাঃ-২৪টি।
সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় সংখ্যাঃ-৬টি।
বেসরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ঃ-১৮৯টি।
জুনিয়র হাই স্কুলঃ———-৫২টি ।
দাখিল মাদ্রাসাঃ————৩২টি ।
আলিম মাদ্রাসাঃ———–১০টি।
ফাজিল মাদ্রাসাঃ———–০৯টি।
কামিল মাদ্রাসাঃ———-০১টি(বিশ্ব জাকের মঞ্জিল)।
বেসরকারী এবতেদায়ী মাদ্রাসাঃ ৮৭টি।
সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ-৫৪৩টি।
বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ-২১৮টি।
অনিবন্ধিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ-২২টি।
শিক্ষার হারঃ—————৪৩%
মেডিকেল কলেজঃ———–০১টি।
পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউটঃ—০১টি।
কৃষি ইনষ্টিটিউটঃ———০১টি।
টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারঃ-০১টি।
হোমিওপ্যাথী মেডিকেল কলেজঃ-০১টি।
মুক ও বধির বিদ্যালয়ঃ——০১টি।
বাংলাদেশ নদী গবেষনা ইনষ্টিটিউটঃ-০১টি।
চিনি কলঃ————–০১টি।
পাটকলঃ—————০৪টি।
টেক্সটাইল মিলঃ———০২টি।
পাইপ কারখানাঃ——–০১টি।
তাঁত শিল্পঃ———–২০২টি।
কুটির শিল্পঃ নকশিকাঁথা, মৃত্‍ শিল্প, খেজুর পাতার পাটি, ছাতা তৈরি, স্বর্ণকার, মাধলী শিল্প, বাঁশ, বেত, খেজুরগুড় ইত্যাদি।
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালঃ-০১টি।
জেনারেল হাসপাতালঃ——-০১টি।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সঃ—–০৭টি।
অভ্যন্তরীন যোগাযোগঃ
পাকা রাস্তাঃ—–৯৬৬ কিঃমিঃ।
কাঁচা রাস্তাঃ—২,৭৫১কিঃমিঃ।
HBB:———৩৩৭কিঃমিঃ।
খাদ্য গুদামঃ—–৩০টি।
মসজিদঃ—-৩,২৪২টি।
মন্দিরঃ——-৪৭২টি।
গীর্জাঃ———-০৩টি।
ডাক বাংলোঃ—-০৯টি।
—–ফরিদপুর জেলার পত্র পত্রিকাঃ—–
———-দৈনিক পত্রিকাঃ———-
দৈনিক ঠিকানা,
দৈনিক ভোরের রানা,
দৈনিক ফরিদপুর,
দৈনিক পল্পব,
দৈনিক কুমার,
দৈনিক গণ সংহতি।
———-সাপ্তাহিক পত্রিকাঃ———-
সাপ্তাহিক গণমন,
সাপ্তাহিক ফরিদপুর কণ্ঠ,
সাপ্তাহিক আল জোয়াজ্জিন,
সাপ্তহিক ফরিদপুর ইদানিং,
সাপ্তাহিক ফরিদপুর বার্তা,
সাপ্তাহিক বুদ্ধি যুদ্ধ,
সাপ্তাহিক বাংলা সংবাদ,
সাপ্তাহিক মধুখালী বার্তা,
সাপ্তাহিক মেধা,
সাপ্তাহিক আল হেলাল।
দর্শনীয় স্থানঃ
পল্লী কবি জসীম উদ্দীনের বাড়ী ও কবর স্থান।
নদী গবেষনা ইনষ্টিটিউট।
হযরত শাহ্ ফরিদ মসজিদ।
জগদ্বন্ধু সুন্দর এর আশ্রম।
আটরশি বিশ্ব জাকের মঞ্জিল। বাইশ রশি জমিদার বাড়ি।
সাতৈর মসজিদ।
মথুরাপুরের দেউল।
পাতরাইল মসজিদ, ভাঙ্গা।
বিখ্যাতঃ
রাজনীতিবিদ হাজী শরিয়তুল্লাহ ইউসুফ আলী চৌধুরী।
শিক্ষাবিদ হুমায়ুন কবির । বিচারপতি মোহাম্মদ ইব্রাহিম। পল্লী কবি জসীম উদ্দীনঃ

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

১৯০৩ সালে ফরিদপুর জেলার সদর উপজেলার তাম্বুলখানা গ্রামে নানাবাড়ীতে এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মহান এ কবি ১৪ মার্চ ১৯৭৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আবদুর রউফঃ মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী স্বাধীনতার সূর্য সন্তান বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ ১৯৪৩ সালে ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার সালামতপুর (রউফনরগ) গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ তিনি চট্রগ্রামের ই.পি.আর-এ ১১ নং উইং এ কর্মরত ছিলেন। যুদ্ধ শুরু হলে তার উইং এ কর্মরত সকল সৈনিক ৮ মে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন।
সংস্কৃতিঃ
লোকগীতি, লোকসংগীতি, পল্লীগীতি, বাউল গানের বিখ্যাত মরমী কবি ও চারণ কবিদের লালন ক্ষেত্র এ ফরিদপুর। পল্লী কবি জসীমউদ্দিন, তাইজউদ্দিন ফকির, দেওয়ান মোহন, দরবেশ কেতারদি শাহ, ফকির তীনু শাহ, আজিম শাহ, হাজেরা বিবি, বয়াতি আসাদুজ্জামান, আবদুর রহমান চিশতী, আঃ জালাল বয়াতি, ফকির আব্দুল মজিদ প্রমুখের নাম উল্লেখযোগ্য। বাংলাদেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে ফরিদপুরের লোকগানের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে।
সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বঃ পল্লীকবি জমীস উদদীন।
তাইজদ্দিন ফকির।
দেওয়ান মোহন।
দরবেশ কেতাবদি শাহ।
ফকির তীনু শাহ।
আজিম শাহ।
হাজেরা বিবি।
বয়াতি আসাদুজ্জামান।
আবদুর রহমান চিশতী।
আঃ জালাল বয়াতি।
বাউল গুরু মহিন শাহ।
ফকির আব্দুল মজিদ।
কোরবান খান।
ছইজদ্দিন ফকির।
আজাহার মন্ডল।
আব্দুর রাজ্জাক বয়াতি।
বাউল রহমান সাধু।
মেঘু বয়াতি।
ডাঃ হানিফা।
শেখ সাদেক আলী।
\
বিঃদ্রঃ এই টিউন মোবাইল থেকে লেখা ও প্রকাশ করা হয়েছে।

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

21 মন্তব্য

  1. রাসের ভাইয়ের বাড়ি ফরিদপুরে কোথায়??????? আমার বাড়িও ফরিদপুর……….

    • ভাই ফরিদপুর টা খালি নাম, কাজে আমি কিছুই জানি না :প সরি আপনার কমেন্ট খেয়াল না করার জন্য !

      • এখন থাইকা পাইবেন। আমি মাইনষের টিউনে মন্তব্য করলে তার উত্তর এলে মেইলে পাইতেছি। কিন্তু আমার নিজের পোস্টের মন্তব্য মেইলে পাইতেছি না।

  2. আমার জেলা ঢাকা থাকি খিলখেত ঢাকা ১২২৯ এটা নিয়া কি কিছু লেখার আছে? নাই নাই…..থাকলে লেখেন হা হা হা

    • তামিম বাংলার মানুষ। যিনি থাকেন ঢাকা জেলার খিলখেতে। কেউ আবার ভাববেন না যে, খিল একটি ফসল আর সেই ফসলের ক্ষেতে তামিম বাংলার মানুষ থাকেন।। হাহ, লিখে ফেললাম। হে হে হে

  3. আমি জীবনেও নিজের জেলায় যাই নাই, কিন্তু আপনি যে পরিমান তথ্য দিয়েছেন এগুলা কউরে বললে সবাই মনে করবে আমি সারাজীবন ধরেই সেখানে থাকি !

    আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আমার জেলা নিয়ে লেখার জন্য ! দেশের আর বাকী জেলা গুলো নিয়েও আপনি লিখবেন এই আশা করছি !

    ধন্যবাদ !

  4. পারভেজ ভাই আমার জেলা লক্ষ্মীপুর। আমার জেলা সম্পর্কে কিছু লেখেন :P
    সুন্দর হয়েছে। এভাবে আস্তে আস্তে প্রত্যেকটি জেলা সম্পর্কে আমাদের জানাবেনম ধন্যবাদ

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

four × 1 =