উইন্ডোজ ৭ ও ৮ এর মধ্যে মূল পার্থক্য ৩ (সিকিউরিটি, ক্লাউড ও টাস্ক ম্যানেজার)

1
461

আসা করি সবাই ভালো আছেন এবং আগের পর্ব গুলো দেখেছেন। উইন্ডোজ ৮ অপারেটিং সিস্টেমে নতুন কী কী বৈশিষ্ট্য সংযোজিত হয়েছে। এ লেখায় উইন্ডোজ ৮-এর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বৈশিষ্ট্য তুলে ধরার পাশাপাশি উপস্থাপন করা হয়েছে উইন্ডোজ ৭ ও ৮ অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে কিছু পার্থক্য, যার আলোকে ব্যবহারকারীরা যথার্থ উপযোগী অপারেটিং সিস্টেম কোনটি হবে, তা নির্বাচন করতে পারবেন খুব সহজেই।

windows 7 vs 8 উইন্ডোজ ৭ ও ৮ এর মধ্যে মূল পার্থক্য ৩ (সিকিউরিটি, ক্লাউড ও টাস্ক ম্যানেজার)সিকিউরিটি, ক্লাউড ও টাস্ক ম্যানেজার


উইন্ডোজ ৮-এ তুলনামূলকভাবে ছোটখাটো আরো কিছু পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়। তবে সেগুলো ছোটখাটো হলেও বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এসব ফিচার উইন্ডোজ ৭ ব্যবহারকারীদেরকে উইন্ডোজ ৮-এ আপগ্রেড করার জন্য অনুপ্রাণিত করবে। উইন্ডোজ ৮-এ ক্লাউড কেন্দ্রীভূত করা হয়েছে, যা এক প্রলুব্ধকর ফিচার। মাইক্রোসফট সব সেটিং এবং কাস্টোমাইজেশন ক্লাউডে স্টোর করে। সুতরাং উইন্ডোজ ৮ মেশিনে লগঅন করে কাজ করা যাবে।

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

জি-মেইল থেকে ই-মেইল টেনে আনাসহ ক্লাউড সিস্টেমে অন্যান্য উপাদান যেমন ফেসবুকে ফটো ভিউ করা যায়। প্রতিটি উইন্ডোজ ৮ ডিভাইস ক্লাউডভিত্তিক স্টোরেজ স্কাইড্রাইভ (SkyDrive) অ্যাকাউন্ট এনাবল্ড। এটি ইন্টিগ্রেড করতে পারে উইন্ডোজ ফোনের সাথে। ফলে উইন্ডোজ ফোনে শুট করা ছবি স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্কাইড্রাইভ অ্যাকাউন্টে সেন্ড হয়। স্কাইড্রাইভ অ্যাকাউন্ট থাকলে ব্যবহারকারীরা যেকোনো জায়গা থেকে স্টোর করা রিসোর্সে ট্যাব করতে পারবেন। স্কাইড্রাইভের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা স্টোর করা যেকোনো জিনিস বৈধ অন্যান্য ব্যবহারকারীর সাথে শেয়ার করতে পারবেন।

উইন্ডোজ ৮-এ সমন্বিত করা হয়েছে ফিচার লক স্ক্রিন, যার মাধ্যমে ফটো পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারবেন। এর অর্থ হচ্ছে আপনি ছবি জুড়িয়ে দিতে পারবেন স্ক্রিন করার জন্য। গতানুগতিক ধারার উইন্ডোজ ৭ ব্যবহারকারীরা লকড কমপিউটারে অ্যাক্সেস পাওয়ার জন্য পাসওয়ার্ড টাইপ করেন। কিন্তু উইন্ডোজ ৮-এ যুক্ত করা হয়েছে পিকচার পাসওয়ার্ড। ফলে যখনই ব্যবহারকারী লগইন করে, তখনই উপস্থাপিত হয় পিকচার তথা ছবি দিয়ে এবং ডান দিকে পিকচারে স্পর্শ করে ডিভাইসকে আনলক করতে পারবেন।

সিকিউরিটির বিষয়টিকে মাথায় রেখে মাইক্রোসফট তার নতুন অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ৮-এ অ্যান্টিভাইরাসকে প্রথমবারের মতো সমন্বিত করেছে মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনশিয়াল ফর্মে, যা অবস্থান করে সিকিউরিটি সেন্টারে ফায়ারওয়াল সফটওয়্যারের পাশে। এর ফলে সিকিউরিটি সফটওয়্যারের জন্য আর বাড়তি অর্থ খরচ করতে হবে না ব্যবহারকারীকে।

উইন্ডোজ ৭ ও ৮-এর মধ্যে আরেকটি উল্লেখযোগ্য পার্থক্য হলো টাস্ক ম্যানেজারকেন্দ্রিক। আপাতদৃষ্টিতে উইন্ডোজ ৭ হলো অপারেটিং সিস্টেমের শেষ ভার্সন, যেখানে ব্যবহার হচ্ছে এই সহায়ক ফিচার টাস্ক ম্যানেজার। নতুন টাস্ক ম্যানেজার অর্থাৎ উইন্ডোজ ৮-এর টাস্ক ম্যানেজার আরো সহজ এবং ইউজার ফ্রেন্ডলি। এখানে শুধু টাস্ক এবং প্রসেস প্রদর্শিত হয় যেগুলো বর্তমানে রান হচ্ছে। এগুলোর মধ্যে যেকোনো আইটেমকে থামানো যায় এক ক্লিকের মাধ্যমে। এর ফলে সিস্টেম রিসোর্স কিছুটা ফ্রি হয়। টাস্ক ম্যানেজারের আরো কিছু অ্যাডভান্স ফিচার আছে যেগুলোর অ্যাক্সেস করা যায় শুধু More Details-এ ক্লিক করে।

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

1 মন্তব্য

  1. firewall যে একটা সফটওয়্যার তা জানতাম। ভাবতাম এটি একটি ফিচার। ভালো হয়েছে। ক্লাউড ভিত্তিক ষ্টোরেজ কি? একটু জানালে উপকৃত হতাম। ধন্যবাদ

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

8 + fifteen =