উইন্ডোজ ৭ ও ৮ এর মধ্যে মূল পার্থক্য ২ (উইন্ডোজ স্টোর এবং অ্যাপস)

1
343

উইন্ডোজ ৮ অপারেটিং সিস্টেমে নতুন কী কী বৈশিষ্ট্য সংযোজিত হয়েছে। এ লেখায় উইন্ডোজ ৮-এর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বৈশিষ্ট্য তুলে ধরার পাশাপাশি উপস্থাপন করা হয়েছে উইন্ডোজ ৭ ও ৮ অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে কিছু পার্থক্য, যার আলোকে ব্যবহারকারীরা যথার্থ উপযোগী অপারেটিং সিস্টেম কোনটি হবে, তা নির্বাচন করতে পারবেন খুব সহজেই।

windows 7 vs 8 উইন্ডোজ ৭ ও ৮ এর মধ্যে মূল পার্থক্য ২ (উইন্ডোজ স্টোর এবং অ্যাপস)

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

মেট্রো ইন্টারফেস দেখতে মনে হয় স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট ওএসের মতো এবং তা অনুসরণ করে উইন্ডোজ ৮-এর থিমে সম্পৃক্ত করা হয়েছে উইন্ডোজ স্টোর। এই অনলাইন শপফ্রন্টটি উইন্ডোজ অ্যাপস দিয়ে পরিপূর্ণ। এগুলো এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যাতে X46 উইন্ডোজ পিসিতে ল্যাপটপ এবং ট্যাবলেট যেমন রান করতে পারে, তেমনি ARM ট্যাবলেট এবং স্মার্টফোনে রান করতে পারে। উইন্ডোজ ৮ অ্যাপস মেট্রোর মতো একই ডিজাইন নীতি অনুসরণ করে গঠন করে তথ্যের ক্যাসক্যাডিং লাইভ টাইলস প্রাথমিক কালারের। এগুলোর সবই সোশ্যাল নেটওয়ার্কিংয়ে সক্ষম স্ট্যান্ডার্ডভাবে এবং ইন্টারফেসের একই নীতি অনুসরণ করে। ফলে নতুন অ্যাপ ব্যবহার করতে চাইলে আলাদাভাবে কোনো প্রশিক্ষণের দরকার হয় না।

উইন্ডোজ ৮-এ সমন্বিত নেটিভ অ্যাপস সম্পৃক্ত করে মেইল, ই-মেইল অ্যাপ, একটি ক্যালেন্ডার অ্যাপ এবং আরো অনেক উন্নত কন্টাক্ট অ্যাপ, যাকে People বলা হয়। এখানে ফটো, মিউজিক, ইন্টারনেট এক্সপেস্নারার, ওয়েদার, ফিন্যান্স, স্পর্টসহ আরো অনেক অ্যাপস আছে। এগুলোর প্রতিটি চমৎকার, তবে যদি আপনি উইন্ডোজ ৭-এর ব্যবহারকারী হন, তাহলেও এগুলো ব্যবহার করতে পারবেন কেননা X86 সফটওয়্যার প্রোগ্রামগুলো উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া। এটি উইন্ডোজ আরটি এবং উইন্ডোজ ফোন ৮ ছাড়া সব ফ্লেভারের প্রতি যত্নশীল।

উইন্ডোজ ৮-এ পুরনো সফটওয়্যার ব্যবহার করতে চাইলে আপনাকে ব্যবহার করতে হবে ডেস্কটপ। এটি উইন্ডোজের নিজস্ব গ–র অ্যাপ এবং এমন এক পরিবেশে ওপেন হয়, যা আপাতদৃষ্টিতে মনে হয় উইন্ডোজ ৭-এর মতো। এ বিষয়টিকে উইন্ডোজ ৮-এ ভার্চুয়ালাইজড উইন্ডোজ ৭ হিসেবে ভাবা যেতে পারে।

উইন্ডোজ ৮-এর ডেস্কটপ মোড উইন্ডোজ ৭-এর ডেস্কটপ মোড থেকে ভিন্ন, তবে সূক্ষ্ম ও জটিল এবং উইন্ডোজ ৮-এ স্টার্ট মেনু নেই। উইন্ডোজ ৮-এর যেকোনো জায়গায় থাকেন না কেনো, হতে পারে তা স্ক্রিনের মধ্যে ডান দিকে টাচিং অবস্থায় বা মাউস দিয়ে Charms মেনুতে কাজ করতে পারবেন, যা ধারণ করে Search, Share, Start, Devices এবং Settings আইকন। এ পরিবর্তনগুলো ব্যবহার করা যায় কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে, কেননা এর মাধ্যমে পুরনো ধারার চেয়ে অনেক দ্রম্নত ও সহজে কাজ করা যায়।

মাইক্রোসফটের মতো উইন্ডোজ ৮ এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে টাচ, কিবোর্ড এবং মাউস দিয়ে সর্বোত্তমভাবে ব্যবহার করা যাবে যেকোনো ধরনের কাজে। স্ক্রিনের প্রান্ত মাউস ব্যবহারের জন্য সহজ, এ কারণে Start বাটনটিকে অদৃশ্য করা হয়েছে। Start মেনু পাওয়ার জন্য নিচের বাম দিকে বাটনে মাউস ক্লিক করলে হবে। অনুরূপভাবে মাউস ব্যবহারকারীদের জন্য রয়েছে ওপরে বাম দিকে ‘back’ বাটন রয়েছে। Charms-এর জন্য ডান দিকে গিয়ে সুইপ করতে হবে। অনুরূপভাবে কিবোর্ড নেভিগেশনকে সমন্বয় করা হয়েছে।

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

1 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

five + thirteen =