ডেক্সটপের ডিভাইস ম্যানেজার নিয়ে খুঁটিনাটি ? পর্ব ৩

1
268

ডিভাইস ম্যানেজার নামে এই টুল দিয়ে আপনার কমপিউটারের সাথে যুক্ত হার্ডওয়্যার আইটেমগুলো যেমন দেখতে পারেন, তেমনি জানতে পারবেন এগুলো ঠিকমতো কাজ করছে কি না। যদি হার্ডওয়্যার আইটেম ঠিকমতো কাজ না করে, তাহলে ডিভাইস ম্যানেজার দিবে প্রয়োজনীয় টুল, যাতে উইন্ডোজ আবার স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারে।

device ডেক্সটপের ডিভাইস ম্যানেজার নিয়ে খুঁটিনাটি ? পর্ব ৩

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

সাধারণ সমস্যা ফিক্স করা

সাধারণত আপনাকে কোনো ডিভাইস ডিজ্যাবল করতে হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না আপনি ট্রাবলশূটিং করছেন। নিতান্তই যদি ডিজ্যাবল করতে হয়, তাহলে তা খুব সহজেই করতে পারবেন সংশ্লিষ্ট ডিভাইসে রাইট ক্লিক করে সিলেক্ট করুন ডিজ্যাবল। যেকোনো কারণে ডিজ্যাবল করা ডিভাইসকে আবার রিস্টোর করা যায় রাইট ক্লিক করে অ্যানাবেল সিলেক্ট করার মাধ্যমে। সাধারণত ডিভাইস অ্যানাবেল এবং ডিজ্যাবল করার ফলে উইন্ডোজের স্বাভাবিক কার্যক্রমে কোনো প্রভাব পরিলক্ষিত হয় না এবং সিস্টেম রিস্টার্টেরও প্রয়োজন হয় না। তবে গুরুত্বপূর্ণ কম্পোনেন্ট যেমন ডিসপ্লে অ্যাডাপ্টারকে ডিজ্যাবল করলে কমপিউটার স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিস্টার্ট হবে।

ড্রাইভার প্রপার্টিজ ট্যাব

আপনার কমপিউটারটি যদি গত দশ বছরের মধ্যে তৈরির হয়ে থাকে বা ব্যবহার করা সিস্টেম যদি প্লাগ অ্যান্ড প্লে টেকনোলজি সম্বলিত হয়, তাহলে বলা যায় আপনি খুব সহজেই কোনোরকম ইনস্টলেশন বা রিমুভাল প্রসেস ব্যবহার না করেই সিস্টেমে হার্ডওয়্যার যুক্ত বা অপসারণ করতে পারবেন। আর এ কাজের জন্য ডিভাইস ম্যানেজারের এক এন্ট্রিতে রাইট ক্লিক করে আনইনস্টল অপশন উন্মোচন করা যেতে পারে ড্রাইভার এবং উইন্ডোজ রেজিস্ট্রি এন্ট্রি সম্পূর্ণরূপে রিমুভ করার জন্য। যখন ডিভাইস ম্যালফাংশন এবং পুনঃসক্রিয়করণ প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়, তখনই আনইনস্টল অপশন সিলেক্ট করে সিস্টেম রিবুট করতে হবে। কমপিউটার রিস্টার্ট করার পর ডিভাইসগুলো নতুন করে এসাইন করে দেখুন কিংবা নতুন হার্ডওয়্যার যুক্ত করে দেখুন কিংবা যথাযথ ড্রাইভার ইনস্টল করে দেখুন কমপিউটার ঠিকভাবে কাজ করছে কি না।

কোনো ডিভাইস ইনস্টল করার পর যদি তা যথাযথভাবে কাজ না করে এবং বিস্ময়কর চিহ্নসম্বলিত ফ্ল্যাগ আবির্ভূত হয়, তাহলে প্রথমে ডিভাইস ম্যানেজারের সেই আইটেম এন্ট্রিতে ডবল ক্লিক করুন এর প্রোপার্টি ডায়ালগ বক্স ডিসপ্লে করার জন্য। জেনারেল ট্যাব প্যানেল লেবেল করা থাকে ডিভাইস স্ট্যাটাস হিসেবে, যা ধারণ করে এরর কোড। এতে সমস্যার বর্ণনা এবং সমাধানের নির্দেশনা তুলে ধরা হয়। প্রায় ক্ষেত্রে দেখা যায়, সমস্যাগুলো হয় মূলত ড্রাইভারসংশ্লিষ্ট। রিইনস্টল ড্রাইভার বাটনে ক্লিক করলে নিউ হার্ডওয়্যার ইউজার্ড চালু হবে আপনাকে ইনস্টল প্রসেসে গাইড করার জন্য।

সম্প্রতি ড্রাইভার আপডেটের কারণে এ ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হলে রিইনস্টল ড্রাইভার বাটন ব্যবহার উচিত হবে না। এক্ষেত্রে ড্রাইভার ট্যাবে ক্লিক করার পর রোল-ব্যাক ড্রাইভার বাটন ব্যবহার করুন আগের ড্রাইভারকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করার জন্য। সব সময় আপডেট ড্রাইভার ব্যবহার করা উচিত। তবে সর্বশেষ অবমুক্ত হওয়া ভার্সনে বাগ থাকার সম্ভাবনা থাকে। সেক্ষেত্রে রোল-ব্যাক অপশনটি হবে আপনার জন্য এক রক্ষাকবচ।

একটি নতুন ড্রাইভার ইনস্টল করলেন অথচ তা ডিভাইসের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলো না সেক্ষেত্রে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা সৃষ্টি হয়। এমন অবস্থায় কমপিউটারে আবির্ভূর্ত হয় ব্লুস্ক্রিন এরর এবং উইন্ডোজ লোড হতে ব্যর্থ হয়। এক্ষেত্রে কমপিউটার স্টার্টের সময় F8 ফাংশন কী চেপে সিলেক্ট করুন সেইফ মোড। এটি একটি ট্রাবলশূটিং মোড, যা সমস্যা ফিক্স করতে পারে যেগুলো উইন্ডোজকে স্বাভাবিকভাবে স্টার্ট হতে বাধা দেয়। নেটওয়ার্কিং অ্যানাবল মোড আপনাকে সার্চ করতে সহায়তা করবে ওয়েবে নতুন ড্রাইভার খুঁজতে। সেইফ মোডে রোল-ব্যাক ড্রাইভার ফাংশন সমস্যা ফিক্স করতে সহায়তা করবে। কাজ শেষে কমপিউটার রিবুট করুন।

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

1 মন্তব্য

  1. অনেক অনেক সুন্দর পোস্ট । প্রিয়তে না রেখে পারলাম না । এক হাজার কোটি ধন্যবাদ আপনাকে তাসনুভা মাহমুদ ।

মন্তব্য দিন আপনার