Tomb Raider (2013) Review

3
357

Tomb Raider Tomb Raider (2013) Reviewজনপ্রিয় সিরিজ টম্ব রাইডারের নতুন গেম গত ৫ মার্চ মুক্তি দেওয়া হয়েছে। ১৯৯৬ সালে এ সিরিজের প্রথম গেম মুক্তি দেওয়া হয়। এরপর টম্ব রাইডার মূল সিরিজের মোট ৮টি গেম বের হয়েছে। নতুন এ গেমটি এ সিরিজের ৯ম গেম। আগের গেমগুলোতে লারাকে দেখা যেত একেবারে প্রস্তুত হয়ে প্রাচীন জিনিসপত্র উদ্ধারে নেমে যেত। নতুন এ গেমের দেখানো হয়েছে লারার একজন সাহসী প্রত্নতাত্ত্বিক হয়ে উঠার কাহিনী। তাই লারা নতুন এ গেমে আগের গেমের লারার মত পারদর্শি নয়। নতুন এ গেমে লারা সদ্য গ্রাজুয়েট করে বের হয়েছে তার বাবা বন্ধুর সাথে জাপানের হারিয়ে যাওয়া এক দ্বীপের সন্ধানে। চলুন জেনে আসা যাক নতুন এ গেমে কি কি আছে।

ডেভেলপার: Crystal Dynamics (Single Player), Eidos Montreal (Multi-Player)

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

পাবলিশার: Square Enix

গেম ইঞ্জিন: Crystal Engine

প্লাটফর্ম: Microsoft Windows, Playstation 3, Xbox 360

মুক্তির তারিখ: ৫ মার্চ, ২০১৩

মোড: সিঙ্গেল প্লেয়ার, মাল্টিপ্লেয়ার

ধরণ: অ্যাকশন অ্যাডভেঞ্চার

রেটিং: M (by ESRB)

কাহিনী: গেমের প্রথমেই দেখা যাবে লারা Endurance নামে একটি জাহাজে অভিযানে বেড়িয়েছে যার ক্যাপ্টেন ক্রাফট ফ্যামালির পুরোনা বন্ধু কনরাড রোথ। জাহাজে আরও অবস্থান করছে রেইস (রোথের বান্ধবী), অ্যালেক্স (একজন কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ), জোনাহ (একজন জেলে), গ্রিম (একজন স্কটিশ নাবিক), সামানথা (লারার কলেজের বন্ধু) এবং ড. হোয়াইটম্যান (একজন খ্যাতিমান প্রত্নতত্ত্ববিদ)। এই দলটি খুজতে বেড়িয়েছিল একটি জাপানিজ দ্বীপ যার নাম ইয়ামাটাই। ড. হোয়াইটম্যানের প্রতিবাদ সত্ত্বেও জাহাজটি লারার কথামতো ড্রাগন’স ট্রায়াঙ্গেল-এ প্রবেশ করে। এ জায়গাটি জাহাজ হঠাৎ করে উধাও হয়ে যাওয়ার জন্য কুখ্যাত। এ মধ্যে প্রবেশের পর হঠাৎ একটি ভয়ঙ্কর ঝড়ে জাহাজটি দুইভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। লারার যখন জ্ঞান ফিরে তখন নিজেকে সে আবিষ্কার করে একটি গুহার মধ্যে ঝুলন্তভাবে বাধা অবস্থায়। সে অনেক কষ্টে সেখান থেকে পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়। এরপর সে গুহার বাহিরে জঙ্গলে এসে খাবার, থাকার স্থান এবং সেই সাথে তার বাকি সাথীদের খুজতে থাকে। কিন্তু তাকে বনের নেকড়ে হামলা করতে থাকে। এভাবে গেমের কাহিনী এগিয়ে যেতে থাকে।

গেমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অনেক উন্নত। যেমন- লারার উপস্থিতি শত্রু পক্ষ টের পেলে সাথে সাথে তারা লুকিয়ে যায় এবং হাত বোমা বা গুলি ছুড়তে থাকে। লারা সামনে এগিয়ে গেলে তারাও পিছিয়ে যেতে থাকে।

গেমপ্লে: এ গেমপ্লের কথা বলতে গেলে বলতে হয় যে গেমটি গেমপ্লে থার্ড পারসন শুটিং গেমের মত। গেমটি শেষ করতে টানা কমপক্ষে ১৫ ঘন্টা সময় প্রয়োজন। গেমটিতে অনেকগুলো চ্যালেঞ্জিং টম্ব রয়েছে যার শেষ করতে রীতিমতো মাথা ঘামানো প্রয়োজন। গেমে অস্ত্র-শস্ত্রের মধ্যে আছে – তীর-ধনুক, তলোয়ার, ছুরি সহ নানা রকম বন্দুক। সাইলেন্ট কিলের জন্য তীর ব্যবহার করাই ভাল। কাছে থেকে মারা জন্য আছে ছুরি। গেমে অ্যামো কোন অভাব নেই। মৃত শত্রুর কাছ থেকে বা আশেপাশে অ্যামো পড়ে থাকে যা ব্যবহার করা যায়। গেমে শত্রুদের সাথে হাতাহাতি করার ব্যাপারটা খুবই মজার। গেমের সাউন্ড, গ্রাফিক্স এককথায় অসাধারণ। গেমে অনেক পোগন জায়গা আছে, আরো আছে অস্ত্র আপগ্রেডের অনেক গোপন জিনিস। যা গেমের মধ্যে খুজে বের করে নিতে হবে।

মিনিমাম সিস্টেম রিকোয়ারমেন্ট:

Oparating System: Windows XP SP 3

CPU: Intel Core 2 Duo 1.86 Ghz or AMD Athlon64 X2 2.1 Ghz

RAM: 1GB (2 GB Vista)

Graphics Card: AMD Radeon HD 2600 XT or nVidia 8600

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

3 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

eight + 20 =