আসুন জানি কী এই থ্রিজি প্রযুক্তি? 3g technology

4
702

থার্ড জেনারেশন বা থ্রিজি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা কোনো তথ্য এখনকার চেয়ে কয়েক গুণ তাড়াতাড়ি প্রেরণ ও গ্রহণ করতে পারব। এটাই সর্বাধুনিক মোবাইল প্রযুক্তি এবং বিশ্বের মোবাইল ইউনিটগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধমান যা পূর্ববর্তী যে কোনো মোবাইল প্রযুক্তির চেয়ে সবচেয়ে বেশি গতিসম্পন্ন। বাণিজ্যিকভাবে থ্রিজি সর্বপ্রথম চালু হয় জাপানে। ২০০১ সালে জাপানের এনডিটি ডোকোমো চালু করে ডব্লিউ-সিডিএমএ প্রযুক্তি। ধীরে ধীরে সারা বিশ্বের মিলিয়ন মিলিয়ন ব্যবহারকারীর কাছে  পৌঁছে যায় এই থ্রিজি। বিশ্বের ৭১টি দেশে তৃতীয় প্রজন্মের এই মোবাইল প্রযুক্তির ব্যবহার চললেও বাংলাদেশ এখনো এই প্রযুক্তির সুফল ভোগ করতে পারেনি। যদিও এদেশে ওয়াইম্যাক্স বা ফোরজি সুবিধা প্রদানের জন্য দুটি  কোম্পানি রয়েছে।

কী এই থ্রিজি প্রযুক্তি?

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

বর্তমানে আমরা জিপিআরএস (জেনারেল প্যাকেট রেডিও সার্ভিস টেকনোলজির) বা ইডিজিইর (ইনহ্যান্স ডাটা জিএসএম এনভায়রনমেন্ট) মাধ্যমে সেলফোনে বা মোবাইলে পরিমিত গতির ইন্টারনেট সুবিধা ব্যবহার করে থাকি। থ্রিজি হলো আইটিইউ (ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন) স্বীকৃত এমন একটি থার্ড জেনারেশন মোবাইল কমিউনিকেশন প্রযুক্তি যার মাধ্যমে থ্রিজি সম্পন্ন মোবাইল ফোন বা মডেমের মাধ্যমে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধা দেয়া সম্ভব। সংক্ষেপে বলতে গেলে, এটি হলো টেলিযোগাযোগ বা মোবাইল কমিউনিকেশনের একটি অত্যাধুনিক সংস্করণ এবং একই প্রযুক্তির মধ্যে জিএসএম (GSM), ইডিজিই (EDGE), ইউএমটিএস (UMTS) ও সিডিএমএ-২০০০ (CDMA-2000) প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত।

Teletalk_3G_in_bangladesh3 আসুন জানি কী এই থ্রিজি প্রযুক্তি? 3g technology

যেসব সুবিধা পাওয়া যাবে


থ্রিজি প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই উচ্চ গতির ডাটা ট্রান্সফার, ভিডিও কনফারেন্স, উ”চগতির ওয়েব ও ওয়াপ ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ইন্টারনেটের মাধ্যমে টিভি দেখাসহ আরও অনেক সুবিধা পাওয়া সম্ভব। থ্রিজির অন্যতম সুবিধা হলো ভিডিও কনফারেন্স। এই প্রযুক্তির কারণে কলের এএসআর ও এসিডি বৃদ্ধি পায় এবং পিডিডি কমে যায়। কলের ভয়েস পরিষ্কার থাকে। এটি মাল্টিপ্লেয়ার গেমিং সুবিধা প্রদান করে। এছাড়া থ্রিজি প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইলে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেমের মাধ্যমে ব্যবহারকারী বা কোনো বস্তুর অবস্থান নির্ণয় করে। থ্রিজি সমর্থিত মোবাইল সেটগুলোতে একজন ব্যবহারকারী সি’র অবস্থায় ২ মেগাবাইট/সেকেন্ড এবং চলমান অবস্থায় ৩৮৪ কিলোবাইট/সেকেন্ড গতি পেতে পারেন। তবে থ্রিজি বর্তমানে অত্যাধুনিক কিছু প্রযুক্তি যেমন এইচএসপিএ (হাই স্পিড প্যাকেট এক্সেস)-এর মাধ্যমে আরও বেশি গতির ব্যবহারকারীকে দিয়ে থাকে। এর মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১৪ মেগাবাইট/সেকেন্ড ডাউনলোড স্পিডও পাওয়া সম্ভব। বর্তমানে বিশ্বের অনেক দেশই উপভোগ করছে এলটিই (লং টার্ম এভোলিউশন) প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১০০ মেগাবাইট/সেকেন্ড স্পিড পাওয়া যায় এবং এর আপলিঙ্ক হলো ৫০ মেগাবাইট/সেকেন্ড।

আমাদের দেশে বর্তমানে অনেকেই থ্রিজি সমর্থিত মোবাইল সেট ব্যবহার করেছেন। আবার অনেকে স্মার্টফোন ব্যবহার করলেও মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রযুক্তি সীমাবদ্ধতা ও ইন্টারনেট স্পিডের কারণে এর সব ফিচার ব্যবহার করতে পারছেন না। থ্রিজি প্রযুক্তির মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে। থ্রিজি আসার ফলে যে সুবিধাগুলো পাওয়া সম্ভব হবে তা হলো : ভিডিও কলিং-কনফারেন্সিং, টেলি-মেডিসিন, লোকেশন বেইজড সার্ভিস, ভিডিও অন ডিমান্ড এবং অবশ্যই মোবাইল টিভি।

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

4 মন্তব্য

  1. teletalk এর ৩গ পাচকের এর দাম কত জানাবেন কি বিজন এম এস

  2. ভাই কিক জিপি ,,,, ইউস teletalk ,,, teletalk ইউস করবেন ,,তাইলে এ তো teletalk উন্নতি করবে .. নেটওয়ার্ক বাড়বে … স্পিড দিবে ,, কস্ট কুমবে ….

    আর জদি teletalk না use করেন …তাহলে ওরা টাকা ও পাবে না বেশি… আর কাস্টমার না থাকলে ওরা হুদা অল নেটওয়ার্ক সার্ভিস উন্নতি করবে কেন??

    তাই teletalk কে সুযোগ দেন … আমি ৩জি চালায়তাচি.. বিশ্বাস করেন আর না করেন …. 256kbps এর কানেকশন এ স্পিড পায় প্রায় ১.৩-১.5mbps …. সবসময়… মানে 150KB _170KB alwz :)

    আর জিপি যদি আনে ও তার কস্ট হবে ১জিবি ৫০০ টাকা …. ২জিবি ৮০০ টাকা .. :D

মন্তব্য দিন আপনার