প্রযুক্তি বিষয়ক খবর পার্ট- ৩

5
306
প্রযুক্তি বিষয়ক খবর পার্ট- ৩

চিন্তিত পথিক™

ஜ۩۞۩ஜ চিন্তিত পথিক™ প্রযুক্তিকে ভালোবসি-তাই প্রযুক্তির সাথে থাকতে চাই ஜ۩۞۩ஜ
প্রযুক্তি বিষয়ক খবর পার্ট- ৩

কান দিয়ে দেখা সম্ভব!

যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা সম্প্রতি জানিয়েছেন, চোখের দৃষ্টিশক্তি না থাকলে কান দিয়েও দেখা সম্ভব। গবেষকরা এমনই একটি ডিভাইস তৈরি করেছেন, যা চোখের দৃষ্টিকেই কানের মাধ্যমে দেখিয়ে দেবে।
‘ভয়েস’ নামের এ ডিভাইসটি তৈরি করেছেন আমেরিকান সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের গবেষকরা। প্রতিষ্ঠানটির ১১৯তম বার্ষিক সভায় এ উদ্ভাবনটি বিষয়ে জানানো হয়েছে। গবেষকরা জানিয়েছেন, কোনো জিনিস চোখে না দেখলেও সে বিষয়ে পুরো ধারণা দেবে ভয়েস। দৃশ্যমান বস্তুগুলোর বর্ণনা কানে শোনাবে এবং দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীর জন্য কোনো বিষয়ে ধারণা দেবে। গবেষক মাইকেল প্রোলাক্স জানিয়েছেন, আমরা ভাবি শুধু চোখের মাধ্যমেই কোনো বিষয় দেখা যায়। আসলে দেখার অনুভূতিটা সৃষ্টি হয় মস্তিষ্কে। তাই চোখে দেখার অনুভূতি নষ্ট হলেও অন্য কোনো ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে সেটি মস্তিষ্কে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। গবেষকরা জানিয়েছেন, ‘ভয়েস’ ডিভাইসটি দীর্ঘদিন ব্যবহারে অভ্যস্ত হয়ে গেলে চোখের দেখাটাই কান দিয়ে দেখা যাবে। ইন্দো এশিয়ান নিউজ সার্ভিস।

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

.

গান কমাবে ক্যান্সার রোগীদের ব্যথা !


সাম্প্রতিক এক গবেষণায় গান শোনা, গাওয়া এবং কোনো বাদ্যযন্ত্র বাজালে কমে যায় ক্যান্সার রোগীদের ব্যথা এবং দুশ্চিন্তা। সঙ্গীত নির্ভর থেরাপিগুলো ব্যথা কমানো, মানসিক পরিবর্তন এবং উচ্চরক্তচাপের মত সমস্যাগুলোকেও কমিয়ে দিতে পারে।তাই সঙ্গীতনির্ভর চিকিৎসা ব্যবস্থা বেশ উপকারী হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
ফিলাডেলফিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক জ্যাক ব্র্যাড বলেন, “আমি দৃঢ়তার সঙ্গে বিশ্বাস করি যে সঙ্গীতের সৌন্দর্য রোগীদের মনে আশার পুনর্জাগরণ ঘটাবে, আবার সৃষ্টি করবে ভালোবাসার। ব্র্যাড আরো বলেন, “গান গাইলে বা সুর বাজালেও ক্যান্সার রোগীদের শক্তি ফিরে আসতে পারে।” দীর্ঘ এক বছর ধরে গবেষকরা সঙ্গীতনির্ভর থেরাপি নিয়ে কাজ করছেন। তারা ক্যান্সারসহ দীর্ঘস্থায়ী রোগ, ব্যথা এবং মানসিক ভগ্নাবস্থা নিয়ে গবেষণা করেছেন।এক হাজার ৮৯১ জনের ওপর গবেষণা শেষে তারা এই সিদ্ধান্তে আসেন যে, পরিপূর্ণ ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে সঙ্গীতের ব্যবহার চিকিৎসা সেবায় উপকারী হবে।

ডিজিটাল বাংলাদেশর ডিজিটাল যন্ত্র

৫ আগস্ট ২০১১ তারিখের একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় একই সাথে দুটি খবর প্রকাশিত হয়েছে। আমি খুব গুরুত্ব সহকারে খবর দুটি পাঠ করেছি। কারণ আমার কাছে মনে হচ্ছে দুটি খবরই আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশের বা সেই অর্থে ডিজিটাল দুনিয়ার ডিজিটাল যন্ত্র সম্পর্কে একটি আগাম ঘোষণা দিচ্ছে।
প্রথম খবরটি হলো ক) মোবাইল ফোন মানিব্যাগ বা ওয়ালেটকে হটিয়ে দেবে। অর্থাৎ আমরা ওয়ালেট দিয়ে টাকা-কড়ির যে লেনদেনটা করি সেটি মোবাইল ফোনে চলে যাবে। এই বিষয়টিতে সম্ভবত একমত হওয়া যায় যে ভবিষ্যতের দুনিয়াতে কাগজের টাকার নোট হয়তো পাওয়া যাবে না। টাকার পরিণতি হবে প্লাস্টিক কার্ড। তবে এখন বোধহয় এটিও বলতে পারি যে, টাকাও আসলে ডিজিটাল হয়ে যাবে। এর আকার-আকৃতি হয়তো দেখা যাবে না। ব্যাংক নোট কেমন হবে সেটি হযতো খুঁজতে হবে। আজকালের কার্ড কালচার সেই পথের অনেকটাই উন্মুক্ত করে দিয়েছে। এখন যদি মোবাইলে আরো নতুন নতুন এ্যাপ্লিকেশন চালু হয় তবে বাকি কাজটাও সারা হয়ে যাবে।

হয়তো মানুষ কোনো এক সময় মানিব্যাগ কি জিনিস সেটি ইন্টারনেটে দেখবে বা এর বিবরণ সেখানেই পাঠ করবে। হতে পারে মানুষ বাস্তবে মানিব্যাগ দেখার জন্য জাদুঘরে যাবে। খবরটি এতোই চিত্তাকর্ষক ও বিশ্বাসযোগ্য যে আমি নিজেও ভাবছি, দুনিয়াটা খুব সহসাই একেবারেই আমাদের হাতের তালুতে পৌঁছে যাবে। এক সময়ে আমরা ভাবতাম কেবল কম্পিউটারের মতো একটি যন্ত্রই সম্ভবত দুনিয়াকে জাদু দেখাবে। কিন্তু দিনে দিনে এটি স্পষ্ট হচ্ছে যে, মোবাইল ফোন কম্পিউটার হলেও সেটি আসলে কম্পিউটারের প্রথাগত আদলটাকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিচ্ছে। বাংলাদেশে কম্পিউটারের চাইতে অনেক বেশি ম্যাজিক এখন মোবাইল ফোনে পাওয়া যায়। আখচাষির পুর্জি, পরীক্ষা বা ভর্তির নিবন্ধন ও ফলাফল, ইউটিলিটি বিল পরিশোধ বা টাকা পয়সার লেনদেন; সবই এখন মোবাইলে। ট্রেনের টিকিট থেকে শুরু করে ফসলের রোগ বালাই বা টেলি মেডিসিন; সবই এখন নখের নিচে। দিনে দিনে এই ম্যাজিক সম্প্রসারিত হচ্ছে। এটি আরো সম্প্রসারিত হতেই থাকবে। খবরটি থেকে সেই আভাসই পাওয়া যায়। খ) ঐ পত্রিকার একই পাতায় আরেকটি খবর হলো একটি চীনা কোম্পানি একটি মোবাইল ফোন তৈরি করেছে যাতে ডাটা স্টোর করার ব্যবস্থা খুব সাধারণ।

তারা মনে করছে যে, ফোনটি ইন্টারনেটে ডাটা রাখবে এবং ইন্টারনেট থেকে ডাটা ও এ্যাপ্লিকেশন নিয়েই কাজ করবে। কিছু দিন আগে আরো একটি খবর ছাপা হয়েছিল যে, মোবাইল ফোনে মাল্টি চ্যানেল টিভি দেখার একটি যন্ত্র একটি কম্পিউটার মেলায় দেখানো হয়েছে। আমরা জানি যে ৩জি মোবাইল ফোনে টিভি দেখা অতি মামুলি একটা ব্যাপার। এসব খবরের সাথে আমাদের ভাবনায় নতুন করে আরো কিছু চিন্তা জমা হচ্ছে যাতে আমরা ভাবছি, ২০২১ সালে বাংলাদেশ যখন ডিজিটাল হবে তখন আমরা কি ধরনের ডিজিটাল যন্ত্র নিয়ে চলাফেরা করবো।

ডিজিটাল বাংলাদেশের যে স্বপ্নটা আমাদের মাঝে দিনে দিনে উচ্চকিত হচ্ছে সেখানে প্রতিটি মানুষের হাতে হাতে ট্রাডিশনাল কম্পিউটার যন্ত্র থাকবে এমন ধারণা না থাকলেও আমরা আমাদের নিত্যদিনের চলাফেলার সময় এক ধরনের ডিজিটাল যন্ত্র ব্যবহার করবো এবং এক ধরনের ডিজিটাল টুলস দিয়ে আমরা আমাদের সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে ডিজিটাল যুগের উৎপানশীলতার মাঝে বসবাস করবো সেটিতে কারও কোনো সন্দেহ থাকার কথা নয়। শুধু প্রশ্ন হতে পারে, সেই যন্ত্রটি কেমন হতে পারে। এই প্রশ্নটা কেবল যে বাংলাদেশের মানুষের তা নয়, বরং সারা দুনিয়ার মানুষ এখন ডিজিটাল যন্ত্রের রূপান্তরের দিকে দৃষ্টি রাখছে। আমরা এই নিবন্ধে, আজ ও নিকট-ভবিষ্যতের ডিজিটাল যন্ত্র কেমন হতে পারে সেটি খতিয়ে দেখতে চাই।

ডিজিটাল যন্ত্র বলতে এখনো আমরা কম্পিউটারই বুঝি। ধরে নেয়া হয় যে, ডিজিটাল সভ্যতার বাহনই এই যন্ত্রটি। কার্যত ০ আর ১-এর এই যন্ত্রটিকেই সারা দুনিয়ার ডিজিটাল রূপান্তরের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে দেখা হয়। মনে করা হয় যে, জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলার ভিত্তি এই যন্ত্রটিতেই রয়েছে। আমরা যে ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বলছি তারও ভিত্তি হয়তো এই যন্ত্রটিই। তবে বিশেষত মোবাইল ফোনের আবির্ভাবের পর আমরা ডিজিটাল যন্ত্র হিসেবে মোবাইল ফোনকে অনেক বেশি গুরুত্ব প্রদান করি।

কম্পিউটার থেকে এমআইডি : সাম্প্রতিককালে এমন একটি যন্ত্র যাতে মোবাইল প্রযুক্তির পাশাপাশি মাঝারি মানের কম্পিউটিং দক্ষতা রয়েছে তেমন যন্ত্র বেশ জনপ্রিয় হতে শুরু করেছে। ইংরেজিতে এমআইডি বলা হয় এমন নামের এক ধরনের যন্ত্র চীন-তাইয়ানের উৎপাদক ও বাজারজাতকারীরা বাজারে ছেড়েছে যেগুলো মূলত এক ধরনের হাইব্রিড ধরনের যন্ত্র। প্রধানত টাচ স্ক্রিন আই-প্যাড গোত্রীয় এসব যন্ত্র নানা মাপের নানা ধরনের হয়ে থাকে। আমি মনে করি এই যন্ত্রগুলো আসলে নতুন প্রজন্মের ডিজিটাল যন্ত্রের প্রথম সংস্করণ।

সেই যে কবে প্রায় ৬০ বছর আগে মার্ক-১ যুগের ডিজিটাল যন্ত্র দুনিয়াতে কম্পিউটারের একটা ধারণা তৈরি করে দিলো, এরপর সেই যন্ত্রের খুব বেশি কি অদল-বদল হয়েছে? তখনই আমরা জেনেছিলাম, এইসব যন্ত্রের একটি মগজ থাকে যেটি দিয়ে প্রসেসিং হয়। এতে তথ্য দেবার জন্য ইনপুট ডিভাইস ব্যবহার করতে হয় এবং ফলাফল দেখার জন্য দরকার হয় আউটপুট যন্ত্রের। কিবোর্ড-প্রিন্টার, স্ক্যানার-মনিটর এসব ব্যাপকভাবে প্রচলিত হতে থাকে। পার্সোনাল কম্পিউটার বা পিসির যুগটা আইবিএম ও এ্যাপল কম্পিউটারের এবং আরো কিছু উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠানের অসাধারণ উদ্ভাবনসমূহের পরেও কার্যত মার্ক-এর জমানার মতোই ইনপুট-আউটপুট বা সিপিইউতেই সীমাবদ্ধ থেকে গেলো। অবশ্যই বেশ ব্যাপক পরিবর্তন হলো অপারেটিং সিস্টেম ও এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামে।

তবে তারপরও টেবিলের ওপর বসিয়ে আমরা পিসির ডেস্কটপ সংস্করণ নিয়ে প্রায় চার যুগ পার করে দিলাম। এখনো কার্যত ডেস্কটপ পিসির শতকরা ৯০টির চেহারা প্রায় আদি ও অকৃত্রিমই রয়ে গেছে। সেই একই ধরনের কেসিং, কিবোর্ড আর মনিটরের চেহারা। অবশ্য সিআরটি মনিটর এখন এলসিডি বা এলইডিতে বদলেছে। টাচস্ক্রিনও যুক্ত হয়েছে মনিটরে। ততোদিনে মাইক্রোপ্রসেসর জন্ম নেয়ায় যন্ত্রটি আকারে ছোট হলো বটে। তবে এখনো ডেস্কটপ পিসি মানেই ট্রাকে বা পিক আপে করে নেয়ার না হলেও অন্তত কাঁধে করে নেয়ার মতো একটি ডিভাইস। এতোদিনে পিসি নিয়ে গবেষণা কম হয়নি-উদ্ভাবনাও কম হয়নি। কখনো একসাথে মেকিন্টোস-এর মতো কম্পিউটার এবং আবার কখনো ল্যাপটপ পিসিÑ এইসব বিবর্তন আমাদের অহরহই ঘটছে। ল্যাপটপের ট্র্যাকবল উপরে না কিবোর্ড উপরে সেইসব গবেষণাও হয়েছে।

এরই মাঝে আরেকটি ডিজিটাল যন্ত্র ভিন্ন ট্র্যাক থেকে এসে ডিজিটাল দুনিয়ায় একটি বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছে, যার নাম মোবাইল ফোন। কম্পিউটারের সবকিছু নিয়ে কথা বলার জন্য তৈরি হওয়া এই যন্ত্র কার্যত কম্পিউটারের দুয়ারে দাঁড়িয়ে আছে। কম্পিউটারের মতোই প্রসেসিং ক্ষমতা নিয়ে তৈরি হওয়া এই যন্ত্রের আওতা বরং কম্পিউটারের চাইতে আরো একটু বেশি। এক সময়ে আমরা ল্যাপটপ বা নোটবুক কম্পিউটারে যা ভাবতাম সেই ভাবনার বর্ধিত সংস্করণ হচ্ছে মোবাইল যন্ত্র। কেউ কেউ আদর করে এর নাম দেন স্মার্ট ফোন। যদি একে পিডিএ বলা হতো তবে কম্পিউটারের খুব কাছের মানুষ মনে হতো। কারণ এ্যাপল সেই ১৯৯৩ সালে নিউটন নামের একটি পিডিএ বাজারে ছেড়েছিল। তার দাম ছিল ৬৯৯ ডলার। সেটিকে প্রধানত ম্যাসেজিং প্যাড বলা হতো। তখনো মোবাইল বা ইন্টারনেটের এমন প্রসার ঘটেনি। আজ আমরা স্মার্ট ফোন, ট্যাবলেট বা পিডিএ বা এমআইডি বানিয়ে যে কাজ করছি নিউটন আসলে সেইসব যন্ত্রের পূর্ব পুরুষ।

নিউটনে মাত্র ৪ এমবি র‌্যাম ছিল। এ্যাপল একটি নতুন অপারেটিং সিস্টেম এর জন্য তৈরি করেছিল। এতে কিছু এ্যাপ্লিকেশন ছিল। যন্ত্রটি হাতের লেখাও শনাক্ত করতে পারতো। কিন্তু সময়ের আগে বলে নিউটন নামের পিডিএ বানিয়ে এ্যাপল ভীষণভাবে ব্যর্থ হয়। কিন্তু সেই পিডিএর ধারণাতেই মোবাইল ফোনের তাকত এনে আইফোন নাম দিয়ে এ্যাপল ব্যাপক সফলতা অর্জন করেছে। এ্যাপল আই-প্যাড বানিয়েও আরো সফলতা পেয়েছে। আই-প্যাডকে অনেকটাই নিউটন বলা যায়। আর আই-ফোনকে বলা যায় এর চাইতেও হাইব্রিড যন্ত্র। পিসির মতোই অনেক কিছুতেই এ্যাপল প্রথম পণ্য বাজারে এনে উদ্ভাবনী ক্ষমতার পরিচয় দিয়েছে। হয়তো সে জন্যই এই একটি কোম্পানির আর্থিক সঞ্চয় খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাইতে বেশি। আমার তো মনে হচ্ছে, আই-ফোন এবং আই-প্যাডের একটি হাইব্রিড সংস্করণই আগামী দিনের ব্যক্তিগত বহনযোগ্য কম্পিউটারের জায়গা দখল করতে পারে। সূত্র- ইউকে বিডি নিউজ। ধন্যবাদ সবাই ভালো থাকবেন ও সব সময় প্রযুক্তির সাথে থাকবেন।

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

5 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

two − one =