নারীর নিরাপত্তায় মোবাইল ফোন

0
254

সম্প্রতি ভারতের দিল্লিতে এক তরুণী গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ওই ঘটনায় ভারতজুড়ে চলছে তোলপাড়। প্রশ্ন উঠেছে নারীর সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েও। এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে পূর্বসতর্কতা হিসেবে নারীরা কিছু স্মার্টফোন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারেন।
নিরাপত্তায় ব্যবহার করা যায় এমন বেশ কিছু মুঠোফোনের অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে। সম্প্রতি ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’ এক প্রতিবেদনে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ব্যবহার্য পাঁচটি অ্যাপ্লিকেশনের কথা তুলে ধরেছে। অ্যাপ্লিকেশনগুলো হলো—‘ফাইট ব্যাক’, ‘বিসেফ’, ‘লাইফ ৩৬০ ফ্যামিলি লোকেটর’, ‘সার্কেল অব ৬’ ও ‘এসওএস হুইসেল’।
‘ফাইটব্যাক’ অ্যাপ্লিকেশনটি স্মার্টফোন ও জাভানির্ভর ফিচার ফোনে ব্যবহার করা যায়। এই অ্যাপ্লিকেশনে জিপিএস, এসএমএস ও লোকেশন ম্যাপ রয়েছে। বিপদে পড়লে অ্যাপ্লিকেশনটির মাধ্যমে জরুরি নম্বরগুলোতে বার্তা পাঠানো যায়। অ্যাপ্লিকেশনের প্যানিক বোতামে চাপ দিলে তালিকায় থাকা জরুরি নম্বরগুলোতে অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারকারীর অবস্থান, বার্তা পৌঁছে যায় এবং সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে আপডেট হয়। অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহার করতে অর্থ খরচ করতে হয়।
অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস ও ব্ল্যাকবেরি প্ল্যাটফর্মের অ্যাপ্লিকেশন হচ্ছে ‘বিসেফ’। এটি মূলত জিপিএস-নির্ভর নিরাপত্তা ঘণ্টি। অ্যাপ্লিকেশনটি চালু করা হলে আগে থেকে জরুরি চিহ্নিত করে রাখা মুঠোফোন নম্বরে বিপত্সংকেত হিসেবে একটি বার্তা পৌঁছে যায়। এ অ্যাপ্লিকেশনে জরুরি মুহূর্তে বার্তা পাঠানোর বা কল করার সুবিধা রয়েছে।
‘লাইফ ৩৬০ ফ্যামিলি লোকেটর’ হচ্ছে জিপিএস-নির্ভর অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ। এই অ্যাপ্লিকেশনের সাহায্যে পরিবারের সদস্যদের সব সময়ের অবস্থান জানা যায়। এর মাধ্যমে বার্তা ও কল করার পাশাপাশি চারপাশের বিভিন্ন ঘটনার তথ্যও জানা সম্ভব। পরিবারের কোনো সদস্য বিপদে পড়ে অ্যাপ্লিকেশনটি চালু করলে অন্য সদস্যদের কাছে বার্তা, মেইল পৌঁছে যায়।
‘সার্কেল অব ৬’ মূলত আইফোন অ্যাপ্লিকেশন। অ্যাপ্লিকেশনটি ছয়জন বন্ধুকে নিয়ে একটি চক্র তৈরির সুযোগ দেয়। যদি কেউ বিপদে পড়ে, তবে ‘সার্কেল অব ৬’ ব্যবহার করে বন্ধুদের কাছে বার্তা পাঠানো যায়। অ্যাপ্লিকেশনটি ছয়জনের এ দলে থাকা বন্ধুদের কাছে বিপদে পড়া ব্যক্তির অবস্থান জানাতে পারে। ২০১১ সালে হোয়াইট হাউসের ‘অ্যাপস অ্যাগেনেস্ট অ্যাবিউস’ টেকনোলজি চ্যালেঞ্জের সেরা অ্যাপ নির্বাচিত হয়েছিল।
‘এসওএস হুইসেল’ অ্যাপটি ফিচার ফোন ব্যবহার উপযোগী। অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহার করতে জিপিএস ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে না। এটি মূলত একটি অ্যালার্ম। অ্যাপ্লিকেশনটি চালু হলে বিপদঘণ্টা বাজতে থাকে। বিপদে পড়ে অ্যাপ্লিকেশনটি চালু করলে আশপাশের লোকজন বাঁশির শব্দ শুনে বিপদ টের পেতে পারে। অ্যাপ্লিকেশনটি চালু করা সহজ। শুধু স্ক্রিনের ওপর চেপে ধরলেই বাঁশি বাজতে থাকে।
তথ্যসূত্রঃ দৈনিক প্রথমআলো

আমার ফেসবুক পেজ like দিতে পারেন

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

three × four =