ইলেক্ট্রনিক্সের খুঁটিনাটি –পর্ব ৬ ( কার্শফ’স কারেন্ট ল )

6
1069

 

পর্ব ১: ইলেকট্রনিক্স এর খুঁটিনাটি – পর্ব ১ (সূচনা সাথে ভোল্টেজ ও কারেন্ট এর ধারনা)

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

পর্ব ২: ইলেকট্রনিক্স এর খুঁটিনাটি পর্ব ২( ভোল্টেজ -কারেন্ট শেষ পর্ব + রেজিস্টার নিয়ে আলোচনা )

পর্ব ৩: ইলেকট্রনিক্স এর খুঁটিনাটি পর্ব ৩ (রেজিস্টার কালার কোড + আপেক্ষিক রোধ)

পর্ব ৪: ইলেক্ট্রনিকসের খুঁটিনাটি – পর্ব ৪ (সিরিজ – প্যারালাল আলোচনা)

পর্ব ৫: ইলেক্ট্রনিক্সের খুঁটিনাটি -পর্ব ৫ (ভোল্টেজ ডিভাইডার + কারেন্ট ডিভাইডার)

 

 

আগের পোস্ট; কারেন্ট ডিভাইডার আর ভোল্টেজ ডিভাইডার এর পর ইলেক্ট্রিসিটি নিয়ে আলোচনা আরো আগানোর আগে কার্শফ কারেন্ট ল আর ভল্টেজ ল শিখা রীতিমত ফরজ কাজ। 

নোড, ব্রাঞ্চ আর মেশ(বা লুপ) কি জিনিস তা আরেকবার মনে করিয়ে দেই। এত্তদিনে তো সব খাইয়া দাইয়া হজম হয়ে গেছে। নোড হল সার্কিটের কোন পয়েন্ট যেখানে কয়েকটা এলিমেন্টের মাথা জোড়া লাগে বা মিলিত হয়। ব্রাঞ্চ হল ২ নোডের ভিতরের এক বা একাধিক এলিমেন্টের সিরিজ কম্বিনেশন। আর মেশ হইল কয়েকখান এলিমেন্ট জোড়া দিয়া বানানো একখান বদ্ধ লুপ।

কার্শফ কারেন্ট লঃ 

কোন নোড কিম্বা বদ্ধ এলাকা (ক্লোজড এরিয়া) থেকে বাইর হওয়া যতই ব্রাঞ্চ থাকুক না কেন, সেগুলার মাধ্যমে ওই নোড বা এরিয়াতে যতগুলা ভিন্ন ভিন্ন কারেন্ট চলাচল করছে, সবগুলার বীজগাণিতিক সমষ্টি হল শুন্য মানে ফকফকা। 

কি ভাই বুঝেছেন? আপনারে আর কি বলব, আমি তো নিজেই বুঝি নাই। চলেন একসাথে বুঝি।

বীজগাণিতিক সমষ্টি মানে হল যে আপনাকে অবশ্যই দিক নিয়ে চিন্তা করতে হইব। মানে হল নোডের দিকে কারেন্ট আসছে নাকি নোড থেকে বের হয়ে যাচ্ছে। 

যেগুলা নোডের দিকে আসছে সেগুলা পজিটিভ হলে যেগুলা বাইরে যাচ্ছে ওগুলা নেগেটিভ। উল্টাটাও ধরতে পারেন। ঠিক এইভাবেঃ

বাম থেকে ডানে কারেন্ট গেলে সেইটা যদি হয় I1 তাইলে ব্যাপারটাকে বলা যায় যে ডান থেকে বামে -I1 কারেন্ট যাচ্ছে। একেবারে ভেক্টরের মত। মনে হয় বুঝাতে পেরেছি। 

তাহলে নোডের দিকে যাচ্ছে বা নোড থেকে বাইরে যাচ্ছে এমন কারেন্ট সবগুলার যোগফল জিরো। নিচের ছবি দেখেনঃ

খেয়াল করে দেখেন যে, I1 , I3 , I4 নোডে ঢুকছে আর I2 , I5 নোড থেকা বাইরে যাচ্ছে । 

তাহলে, উপরের ২ টা ছবি নিয়ে চিন্তাভাবনা করে আমরা অবশ্যই বলতে পারি, 
I1 + I3 + I4 – I2 – I5 = 0 অথবা,
I2 + I5 – I1 – I3 – I4 = 0 অথবা,
I1 + I3 + I4 = I2 +I5

সোজা কথায় কোন নোডে আগত কারেন্ট = নির্গত কারেন্ট অর্থাৎ নোডে কোন কারেন্ট জমা হয়ে থাকেনা।

আচ্ছা এখন কথা হল এই সূত্র নোড ছাড়াও কোন বদ্ধ এলাকাতেও প্রয়োগ করা যায়।
নিচের চিত্র মনোযোগ সহকারে খেয়াল করুনঃ

কার্শফ ফরমুলা অনুসারে এখানেও I1 + I3 + I4 = I2 +I5
কি ভাই ক্লিয়ার হল?

যদি খটকা থাকে, তাইলে এরিয়ার ভিতর যেই ৩ টা নোড আছে ওগুলাতেও কার্শফ ফরমুলা কাজে লাগান, ভিতরের কারেন্ট ৩ টার ৩ টা নাম দিয়ে ।
দেখবেন উত্তর পেয়ে গেছেন। 

নিচের ছবিতে I5 এর মান বের করেন দেখি। একেবারে পানির মত সহজ। এইটা না পারার কোনই কারন নেই।

যাই হোক, আজকে আর লেকচার দিবনা, অনেক দিয়েছি।

সামনের দিন ইনশাআল্লাহ কার্শফ ভোল্টেজ ল শিখাব। আজকের মত আল্লাহ হাফেয।

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

6 মন্তব্য

  1. গুরু সত্যি আপনাকে বস মানতে হবে যদিও এই টপিক এ এখনো অনেকের আগ্রহ নেই তবে আপনাদের মত কিছু ভালো টিজে এগিয়ে আসলে আমরা অনেক নতুন কিছু শিখতে পারি দাদা।

  2. ভাই আপনাকে আমি বস মনে করি সত্যি বলছি। চমৎকার হচ্ছে ভাই চমৎকার আমি এবং আমার ফাগিনা আপনার পোস্ট নিয়মিত পরছি দোয়া করে চালিয়ে চান নিয়মিত।

মন্তব্য দিন আপনার