পেপ্যাল (paypal) নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন (পর্ব ২, আজকের ব্যাবসার ধরণ)

3
291

পেপ্যাল একটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান যারা অর্থের স্থানান্তর বা হাতবদল ইন্টারনেটের মাধ্যমে করা সহায়তা দিয়ে থাকে। অননলাইন স্থানান্তরের এই পদ্ধতি গতানুগতিক অর্থের লেনদেনের পদ্ধতি যেমন চেক বা মানি অর্ডারের বিকল্প হিসেবে ব্যাবহৃত হয়ে থাকে। পেপ্যাল (paypal) নিয়ে বিস্তারিত ধারবাহিক প্রতিবেদন (পর্ব ১)

আজকের ব্যাবসার ধরণ

বর্তমানে, পেপ্যাল ১৯০টি দেশে বাজারে পরিচালনা করে, এবং এইটি ২৩.২ কোটির বেশী অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করে, তাদের মাঝে সক্রিয়ের সংখ্যা ৮.৭ কোটির চেয়ে বেশি। পেপ্যাল ২৪ টি মূদ্রায় গ্রাহকদের অর্থ পাঠাতে, গ্রহণ করতে ও অর্থ সংরক্ষণ করার সুযোগ দিয়ে থাকে। এই মূদ্রাগুলো হল অস্ট্রেলিয়ান ডলার, ব্রাজিলের রিয়েল, কানাডার ডলার , চীনের ইউয়ান (শুধুমাত্র কিছু চীনা একাউন্টে ব্যাবহারযোগ্য), ইউরো, পাউন্ড স্টার্লিং, জাপানী ইয়েন, চেক ক্রোনা, ডেনিশ ক্রোন, হং কং ডলার , হাঙ্গেরীর ফ্রইন্ট, ইজরাইলের নতুন শেকেল, মালেশিয়ার রিঙ্গিত, মেক্সিকোর পেসো, নিউ জিল্যান্ডের ডলার , নরওয়ের ক্রোন, ফিলিপাইনের পেসো, পোল্যান্ডের যোলটি, সিঙ্গাপুরের ডলার, সুইডেনের ক্রোনা, সুইস ফ্র্যাঙ্ক, নতুন তাইওয়ানের ডলার, থাই ভাত এবং U.Sআমেরিকান ডলার পেপ্যাল স্থানীয়ভাবে ২১ টি দেশে কাজ করে। ১৯৪ টি দেশের অধিবাসীগণ[পরিস্কার/স্পষ্ট করা প্রয়োজন] স্থানীয় বাজারে পেপ্যাল ব্যাবহার করে অনলাইনে অর্থ প্রেরণ করতে পারে।

Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

পেপ্যাল (paypal) নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন (পর্ব ২, আজকের ব্যাবসার ধরণ)

২০০৯ এর প্রথম চতুর্থাংশে পেপ্যাল রাজস্ব ছিল ৬৪৩ মিলিওন ডলার পূর্বের বছরের চেয়ে ১১ শতাংশ বেশী ছিল। ২০০৯ এর প্রথম চতুর্থাংশের রাজস্বের ৪২ শতাংশ আসে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে। ২০০৯ সালের প্রথম চতুর্থাংশে পেপ্যালের মোট আদান প্রদানের পরিমান ছিল প্রায় ১৬ বিলিওন যা পূর্বের বছরের প্রায় শতকরা ১০ ভাগ বেশি। ২০০৮ সালে প্রথমবারের মত পেপ্যালের লেনদেনের পরিমান ই-বের চেয়ে বেশী হয়ে যায়। পেপ্যালের আর্থিক আদান প্রদানের পরিমাণ ২০০৮ সালে ছিল প্রায় ৬০ বিলিওন যা বিশ্বের ই-কমার্সের প্রায় শতকরা ৯ভাগ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ই-কমার্সের প্রায় ১৫ ভাগ।

পেপ্যাল (paypal) নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন (পর্ব ২, আজকের ব্যাবসার ধরণ)

বিশ্লেষকদের এক সম্মেলনে ২০০৯ সালের ১১ই মার্চ প্রধান নির্বাহী জন ডোনাহো ঘোষনা করেন যে সম্ভবত ই-বের থেকে পেপ্যাল এর মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠান অধিক অর্থ উপার্জন করছে। রিম (রিসার্চ ইন মোশন) ঘোষনা করে ২০০৯ সালের পহেলা এপ্রিল তারিখে যে তাদের ব্ল্যাকবেরী এপওয়ার্ল্ডের একমাত্র অর্থ লেনদেনের মাধ্যম হবে পেপ্যাল।

পেপ্যাল ছাত্রদের জন্য একটি বিশেষ একাউন্ট চালু করে অগষ্ট ২০০৯ থেকে, যেখানে , পিতামাতা পেপ্যালের একাউন্ট খুলে তাতে অর্থ স্থানান্তর করতে পারে এবং ছাত্র ব্যবহারের জন্য একটি নগদ (ডেবিট) কার্ড অর্জন করে। এই প্রক্রিয়াটি কিশোর তরুণদের শিক্ষা প্রদান করতে সরঞ্জাম জোগান দেয় কিভাবে বুদ্ধিমত্তার সাথে টাকা খরচ করতে এবং তাদের কর্মফলের জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করতে শেখায়।  ২০০৯ সালের নভেম্বর মাসে পেপ্যাল তাদের মঞ্চ বা প্ল্যাটফর্ম উন্মুক্ত করে যেখানে অন্যান্য পরিষেবা পেপ্যালের কোড ব্যাবহার করে পরস্পরের মধ্যে অনলাইনে আর্থিক লেনদেন করতে পয়ারে।

পেপ্যাল (paypal) নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন (পর্ব ২, আজকের ব্যাবসার ধরণ)

PayPal Operations Center and main office outside Omaha, NE

পেপ্যালের প্রাতিষ্ঠানিক সদরদফতর সান জোসেতে হলেও, তাদের মূল কর্মকেন্দ্র নেব্রাস্কার ওমাহায় অবস্থিত, যেখানে তাদের প্রায় ২০০০ কর্মচারী কর্মরত আছেন ২০০৭ সালের হিসেব অনুযায়ী পেপ্যালের ইউরোপীয় সদর লুক্সেমবার্গ এবং সিঙ্গাপুরে আন্তর্জাতিক সদর দফতর আছে। ২০০৭ সালের অক্টোবারে পেপ্যাল ডাটা সার্ভিস কার্যালয় অস্টিনের উত্তর অংশে চালু করে। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটি সাম্প্রতিক সময়ে টেমপ্লেট:When? প্রযুক্তি কেন্দ্র খোলে আরিজোনার স্কটসডেল, এবং চেন্নাই, ভারতে.

টিউনারপেজের নতুন টিউন আপনাকে ইমেইল করব?
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting
Unlimited Web Hosting

3 মন্তব্য

  1. উপস্থাপনা সুন্দর হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে যেহেতু পেপাল নেই তাই শুধু জানা পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাকতে হচ্ছে এ বাইরে কিছু না।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

three × five =